ইদানীং পুরান ঢাকার ফরিদাবাদ-গেন্ডারিয়ায় যে হারে চুরি-ছিনতাই বেড়েছে তাতে এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন। এলাকার বিদ্যুতের মোটর, এসি এমনকি টেলিফোনের তার চুরির হিড়িক পড়েছে। তার পর একদল কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে যেভাবে ছিনতাই শুরু হয়েছে তাতে ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া এলাকাবাসী আতঙ্কিত। ফরিদাবাদ, আইজি গেট, মিলব্যারাক ও গেন্ডারিয়া এলাকার বিভিন্ন অলি-গলিতে যে হারে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে, এর জন্য পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাই অনেকাংশে দায়ী। প্রতি রাতে পুরান ঢাকার ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া এলাকায় যেভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এমনকি চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে তাতে পুরান ঢাকার জনগণ চরম আতঙ্কে রয়েছে। চোরেরা এলাকার মসজিদ ও মাদ্রাসার তার, হাঁড়ি, পাতিল যা পাচ্ছে তাই নিয়ে চম্পট দেয়। এসব কর্মকাণ্ডে এলাকায় অবস্থিত ভাঙ্গারি দোকানগুলো চুরির সঙ্গে ওত প্রতভাবে জড়িত বলে অনেকে সন্দেহ করছে।
পুলিশকে এ ব্যাপারে নীরবতা ভূমিকা পালন করলে চলবে না। ইতোমধ্যে ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া এলাকায় অস্বাভাবিকহারে মাদকের প্রবণতা বেড়েছে। এলাকাবাসী ঝামেলার চিন্তা করে চুরি-ছিনতায়ের শিকার হলেও পুলিশের দ্বারস্থ হতে চান না। তবে এলাকায় বেশির ভাগ অপরাধী ভাসমান, মাদকাসক্ত ও উঠতি বয়সী তরুণ বখাটে। পুরান ঢাকার ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া, জুরাইন, পোস্তাগোলা এবং সূত্রাপুর এলাকাটি বেশি অপরাধপ্রবণের কারণে আজকাল অনেক ভুক্তভোগী থানায় জিডি বা মামলা করতে অনাগ্রাহ প্রকাশ করেন। ইতিপূর্বে গেন্ডারিয়া টেলিফোন একচেঞ্জের ক্যাবল ও তার চুরি হওয়ায় এলাকায় টিঅ্যান্ডটির শত শত টেলিফোন এখনো বিকল রয়েছে। জরুরিভাবে পুরান ঢাকার চুরি-ছিনতাই রোধে স্থানীয় থানা পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করছি।
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১২০৪
[email protected]