ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অর্থবিল বিশ্লেষণ: পার পাচ্ছেন সম্পদশালীরা হাকিমি: আফ্রিকার আশা, মরক্কোর প্রাণ ভিনিসিয়ুস: এবার হলুদ জার্সিতে প্রমাণের পালা প্রেরণার নাম ম্যাকগিন মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে ফিরে আসার রোমাঞ্চ হাইতির স্বপ্নসারথি ইসিদোর অবসর ভাবনায় কর্তোয়া ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু কানাডার কাতারের সামনে সুইজারল্যান্ড চ্যালেঞ্জ লুকিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে বসনিয়া কানাডার বিশ্বকাপ বরণ অনুষ্ঠান মাতালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ
Nagad desktop

ওয়েস্ট ব্যাংকে এক মার্কিন নাগরিককে পিটিয়ে মারল ইসরায়েলিরা

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৫, ১২:০৪ পিএম
ওয়েস্ট ব্যাংকে এক মার্কিন নাগরিককে পিটিয়ে মারল ইসরায়েলিরা
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে এক মার্কিন নাগরিককে পিটিয়ে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেটলার তথা বসতি স্থাপনকারীরা। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রামাল্লার উত্তরের শহর সিনজিলে গত শুক্রবার সাইফুল্লাহ মুসাল্লাত (২০) নামে ওই মার্কিন নাগরিককে হত্যা করা হয়। 

শনিবার (১২ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

মুসাল্লাত ছিলেন ফ্লোরিডার ট্যাম্পারের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে তিনি ফিলিস্তিনে এসেছিলেন। তার চাচাতো বোন ফাতমাহ মোহাম্মদ জানান, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সময় কাটাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিলিস্তিনে গিয়েছিলেন সাইফুল্লাহ।

নিহতের পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সাইফুল্লাহকে নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টকে এমনটাই জানান তার স্বজনেরা।

বিষয়টি সম্পর্কে মন্তব্য করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা পশ্চিম তীরে এক মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়ে অবগত।’ তবে নিহতের পরিবারের গোপনীয়তার কথা বলে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। হামলার সময় মোহাম্মদ শালাবি নামে আরও এক ফিলিস্তিনি গুলিতে নিহত হন বলে জানায় ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতকারীদের সহিংসতা বহুদিন ধরেই চলছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, বসতির লোকজন প্রায়ই ফিলিস্তিনি পাড়া-মহল্লায় হামলা চালায়, ঘরবাড়ি ও গাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এসব হামলায় ইসরায়েলি সেনারা তাদের নিরাপত্তা দেয়, আর প্রতিরোধ দেখালে ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালায়।

থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর মিডল ইস্ট আন্ডারস্ট্যান্ডিংও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছে। তারা বলেছে, ‘ইসরায়েলি সেনা ও সরকারের পূর্ণ সমর্থনে এখন বসতির লোকজন ফিলিস্তিনিদের প্রকাশ্যে হত্যা করছে।’ হামাস এ হত্যাকাণ্ডকে ‘বর্বরোচিত’ বলে নিন্দা জানিয়ে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা বসতির লোকজনের হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

ইসরায়েল বলেছে, তারা ঘটনাটি তদন্ত করছে। তাদের দাবি, ‘ফিলিস্তিনিরা একটি ইসরায়েলি গাড়িতে পাথর ছোড়ার পর সংঘর্ষ শুরু হয়।’ তবে অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, এ ধরনের তথাকথিত তদন্তের পরেও খুব কম ক্ষেত্রেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সুলতানা দিনা/

চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি
ডেভিড হকনি। ছবি: এআই

কিংবদন্তি ব্রিটিশ চিত্রশিল্পী ডেভিড হকনি মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

শুক্রবার (১২ জুন) তার প্রচার কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার লন্ডনে নিজ বাড়িতে শান্তিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই শিল্পী।

১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারে জন্ম নেওয়া হকনির সাত দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ার ছিল বৈচিত্র্যে ভরপুর। তিনি ১৯৬০-এর দশকে বিশ্ব কাঁপানো 'পপ আর্ট' আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সারথী ছিলেন।

ব্রাডফোর্ড স্কুল অব আর্ট ও রয়্যাল কলেজ অব আর্ট থেকে স্বর্ণপদকসহ শিক্ষা শেষ করা হকনি তরুণ বয়সেই চেনা সামাজিক নিয়ম ভেঙে নিজের সমকামী পরিচয় প্রকাশ করেন এবং চিত্রশিল্পে মনোনিবেশ করেন।

১৯৬৪ সালে হকনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান। সেখানকার প্রাণোচ্ছল জীবন, বিশেষ করে সুইমিং পুলের পটভূমিতে আঁকা চিত্রকর্মের জন্য তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি পান।

পানির ওপর আলোর খেলা এবং ম্যাট অ্যাক্রিলিক পেইন্টের জাদুকরী ব্যবহারে তিনি ক্যানভাসে এক স্বপ্নময় জগৎ তৈরি করেছিলেন।
২০১৮ সালে নিউ ইয়র্কের এক নিলামে তার বিখ্যাত পেইন্টিং 'পোর্ট্রেট অব অ্যান আর্টিস্ট (পুল উইথ টু ফিগারস)' প্রায় ৭ কোটি পাউন্ডে বিক্রি হয়, যা সে সময় কোনও জীবিত শিল্পীর ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছিল।

চিত্রাঙ্কন ছাড়াও ফটোগ্রাফি ও স্টেজ ডিজাইনে দক্ষ হকনি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে অগ্রগামী ছিলেন। ২০১০ সালে আইপ্যাড বাজারে আসার পর থেকেই তিনি ডিজিটাল মাধ্যমে ছবি আঁকা শুরু করেন এবং অ্যাপ প্রস্তুতকারীদের সাথে মিলে বিশেষ অ্যাপ তৈরি করেন।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিয়মিত ছবি আঁকা ও প্রদর্শনী চালিয়ে যাওয়া এই শিল্পী দীর্ঘদিনের সঙ্গী জঁ-পিয়ের গনকালভেস দে লিমা, দুই ভাই এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এসএন/

মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা
মমতা ব্যানার্জি। ছবি: সংগৃহীত

ফের আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত ২ জুন বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চ-এর আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে তার বিরুদ্ধে আগেই একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতায় তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।

অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারের সময় কলকাতার ধর্মতলার সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন, যা উস্কানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে।

মমতার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন তুষার কান্তি দাস নামে এক ব্যক্তি। তিনি পুলিশে অভিযোগ জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন। অভিযোগপত্রে ধর্মতলার ওই সভায় মমতার করা বিতর্কিত মন্তব্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ মার্চ কলকাতার ধর্মতলায় দলীয় সমাবেশে মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম উহ্য রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন—

“আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, তখন এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে, তখন ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে ১২টা বাজিয়ে দেবে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে ভুল বুঝবেন না।”

এই মন্তব্যের ভিডিও ভোটের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তখন বিরোধীরা অভিযোগ তোলে, মুখ্যমন্ত্রীর মতো সাংবিধানিক পদে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এমন বক্তব্য অনভিপ্রেত।

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই ঘটনার ভিত্তিতে নেতাজি নগর থানায় মামলাটি করা হলেও শুক্রবার(১২ জুন) কলকাতার মামলাটি হেয়ার স্ট্রিট থানা-এ স্থানান্তর করা হয়েছে।

পুলিশের কাছে করা অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩-এর অধীনে ১৯৬(১), ৩৫১(২) এবং ৩৫২ ধারায় মামলা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে— বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ বা শত্রুতা তৈরির চেষ্টা, ভীতি প্রদর্শন এবং শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে প্ররোচনার মতো বিষয়।

অভিযোগকারীর দাবি, ওই বক্তব্যের ফলে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তার আরও দাবি, ভোট-পরবর্তী সময়ে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় যে অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে এই ধরনের বক্তব্যের যোগ রয়েছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর নথিভুক্ত হয়েছে। এখন নজর থাকবে, তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় কি না। তবে এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এসএন/

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:২৫ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার বিষয়টি ‘এতটা কাছে আর কখনো আসেনি’ বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরান চুক্তির শর্তগুলো গণমাধ্যমে ফাঁস করে দিয়েছে-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন অভিযোগের পরপরই এই মন্তব্য করলেন তিনি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ‘চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এটি চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত গণমাধ্যমের উচিত এর বিষয়বস্তু নিয়ে যেকোনো ধরনের জল্পনা থেকে বিরত থাকা।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে তাদের দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসেবে চুক্তির সব বিস্তারিত তথ্য যথাসময়ে জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে। এর আগে ট্রাম্প ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত চুক্তির শর্তগুলোকে ‘মিথ্যা’ ও ‘সত্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তবে আরাঘচির এই বক্তব্য দুই দেশের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির এমন বক্তব্য নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, ট্রাম্প এই পোস্টটি শেয়ার করে পরোক্ষভাবে আরাঘচির সেই আহ্বানের সঙ্গেই সংহতি প্রকাশ করেছেন। এর আগে ট্রাম্প নিজে ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত চুক্তির কিছু শর্তকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এখন দুপক্ষই চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগে গোপনীয়তা বজায় রাখার ওপর জোর দিচ্ছে।

এসএন/

ড্রোন অনুপ্রবেশ মামলায় ইউন সুক-ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:৫২ পিএম
ড্রোন অনুপ্রবেশ মামলায় ইউন সুক-ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট Yoon Suk Yeol-কে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে সামরিক ড্রোন পাঠানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।

শুক্রবার (১২জুন) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট রায়ে বলেন, ২০২৪ সালের অক্টোবরে পিয়ংইয়ংয়ে ড্রোন অনুপ্রবেশের পরিকল্পনায় ইউন শুরু থেকেই জড়িত ছিলেন। আদালত তাকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও শত্রুপক্ষকে সহায়তার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন।

তবে ইউন সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার আইনজীবীরা দাবি করেন, তিনি ওই অভিযানের নির্দেশ দেননি বা পরে অনুমোদনও দেননি। তাদের মতে, এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত পেরিয়ে আবর্জনাভর্তি বেলুন পাঠানোর জবাব, যার সঙ্গে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টার কোনো সম্পর্ক নেই।

এর আগে ফেব্রুয়ারিতে সামরিক আইন জারির চেষ্টার ঘটনায় বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে ইউনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে অভিশংসন বহাল রেখে তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করে আদালত। এরপর অনুষ্ঠিত আগাম নির্বাচনে জয়ী হন বর্তমান প্রেসিডেন্ট Lee Jae Myung।

বর্তমানে হেফাজতে থাকা ইউন এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। সূত্র: সিএনএন

তামান্না রুপা/

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:১২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক
ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের প্রথম প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক। স্পেসএক্সের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির (আইপিও) পর তিনিই কাগজে-কলমে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হন।

স্পেসএক্স তাদের আইপিওতে প্রতি শেয়ারের মূল্য ১৩৫ ডলার নির্ধারণ করেছে। এর মাধ্যমে ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ ক্লাস-এ শেয়ার বিক্রি করে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই মূল্যায়নে স্পেসএক্সের মোট বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার। নাসডাকে ‘SPCX’ টিকার নামে লেনদেন শুরু হলে এটি বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে পরিণত হবে।

আইপিও-পরবর্তী হিসেব অনুযায়ী, ইলন মাস্কের কাছে থাকবে প্রায় ৮৪৯.৫ মিলিয়ন ক্লাস-এ শেয়ার এবং ৫.৫৭ বিলিয়ন ক্লাস-বি শেয়ার। এতে কোম্পানির ভোটাধিকার নিয়ন্ত্রণের প্রায় ৮৪.৪ শতাংশ তার হাতে থাকবে।

শুধু স্পেসএক্সে তার মালিকানার কাগুজে মূল্য দাঁড়াবে প্রায় ৮৬৬.৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলায় তার প্রায় ৭১৭.১ মিলিয়ন শেয়ারের মূল্য বর্তমান বাজারদরে প্রায় ২৮৬.২ বিলিয়ন ডলার।

দুই কোম্পানিতে তার মোট শেয়ারমূল্য যোগ করলে সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার, যা তাকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তবে এই সম্পদের বেশিরভাগই শেয়ারভিত্তিক এবং বাজারমূল্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে শেয়ারের দাম ওঠানামার সঙ্গে তার সম্পদের পরিমাণও পরিবর্তিত হতে পারে।

স্পেসএক্সের নথি অনুযায়ী, দ্রুত রাজস্ব বাড়লেও কোম্পানিটি এখনো লাভজনক নয়। ২০২৫ সালে কোম্পানিটির আয় ছিল ১৮.৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের ১৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেশি। তবে একই সময়ে নিট মুনাফা থেকে ৪.৯ বিলিয়ন ডলার লোকসানে চলে যায় প্রতিষ্ঠানটি।

২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্পেসএক্স বর্তমানে শুধু মহাকাশযান উৎক্ষেপণ নয়, স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামো, মহাকাশভিত্তিক কম্পিউটিং এবং মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি স্থাপনের মতো প্রকল্প নিয়েও কাজ করছে।

এর আগে ২০১৯ সালে সৌদি আরামকোর আইপিও ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড়। স্পেসএক্স সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে।

টেসলা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের কারণে ইলন মাস্ক আগেই বিশ্বের শীর্ষ ধনী ছিলেন। তবে স্পেসএক্সের এই আইপিও তার সম্পদের কাগুজে মূল্যকে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যা এর আগে কোনো ব্যক্তি অর্জন করতে পারেননি। সূত্র: আনাদোলু 

নাঈম/