ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সবার আগে নকআউটে মেক্সিকো চট্টগ্রামে হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালাল স্বামী টিভিতে আজকের খেলা বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করতে চায় পাকিস্তান দেখা পেলাম দুষ্প্রাপ্য চামেলির সোনারগাঁয় ফয়জুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজিব গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সিরিজ বাঁচানোর লড়াই আল্লাহর মাস মুহাররমে করণীয়-বর্জনীয় দেশের ১৩ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা পোলাওয়ের চাল ১৯০ টাকা কেজি! পদ্মা রেলসেতুর মাটি কাটায় ঝুঁকি নেই: সেতুমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ – গ্রুপ ‘এ’ থেকে যোগ্যতা অর্জনের সম্ভাব্য পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে সেনা মোতায়েন পুনর্বিবেচনা করছে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা জমা বেড়েছে ৪১ শতাংশ ১৯ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ট্রাম্পের এক প্রকার আত্মসমর্পণ চুক্তির পরও অমীমাংসিত ইস্যু ১৯ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সিয়াটলে স্বাগতিকদের সামনে অস্ট্রেলিয়া চ্যালেঞ্জ ট্রাম্পের ধন্যবাদ পুতিন-শিকে তবু হাইতিকে নিয়ে সতর্ক ব্রাজিল কেমন গেল বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড ১৯ জুন ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি স্কটিশদের হিসাব মেলানোর রাত পুলিসিচকে ঘিরে উদ্বেগ লাল কার্ডের পর বসনিয়ার জালে সুইজারল্যান্ডের গোল উৎসব অসুস্থ মেসির বাবা, গুজব ছড়ানোয় ক্ষুব্ধ পরিবার গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে সুইজারল্যান্ড-বসনিয়া অবশেষে কাটল ভিসা জটিলতা, কানাডায় খেলতে পারবেন ওয়াহি

থাইল্যান্ডে আচমকা রাস্তার মধ্যে তৈরি হলো ১৬০ ফুট গভীর সিঙ্কহোল

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:১৩ পিএম
আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:১৭ পিএম
থাইল্যান্ডে আচমকা রাস্তার মধ্যে তৈরি হলো ১৬০ ফুট গভীর সিঙ্কহোল
ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে সামসেন রোডের ভাজিরা হাসপাতালের সামনে ১৬০ ফুট গভীর একটি সিঙ্কহোল বা গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এটি প্রায় ১০০ ফুট প্রশস্ত। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে হঠাৎ করে রাস্তায় ভূমিধস নেমে এই গর্ত সৃষ্টি হয়। ভাজিরা হাসপাতালের সামনের রেলস্টেশনের সামনে গর্তটি তৈরি হয়।

নিরাপত্তার জন্য ভাজিরা এবং সাংঘির মধ্যে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এই গর্তের কারণে পাঁচতলা বিশিষ্ট সামসেন থানা ঝুঁকিতে পড়ে। এখন এটির নিরাপত্তাই সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণে পরিণত হয়েছে। গর্তের কারণে থানার ভূগর্ভস্থ কয়েকটি ফাউন্ডেশন পিলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

থাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সাংবাদিকদের জানান, গর্তের কারণে টানেল ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো সংস্কার করতে অন্তত এক বছর সময় লাগতে পারে। 

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী অনুতিনের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা হবে।

কেন রাস্তার মধ্যে এত বড় গর্ত সৃষ্টি হলো সেটির কারণ খুঁজে বের করতে ম্যাস রেপিড ট্রানজিট কর্তৃপক্ষের অধীনে তদন্ত করা হবে। 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গর্তের আশপাশের মাটি তখনো নড়ছিল। ফলে সেখানকার পরিস্থিতি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ঝুঁকির কথা চিন্তা করে ভাজিরা সরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজার ৫০০ রোগীকে আশপাশের ভবনগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আশপাশের ভবনের বাসিন্দাদেরও সরে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক মেট্রোপলিটন ইলেকট্রিসিটি অথরিটির (এমইএ) কর্মকর্তারা জানান, গর্তের মধ্যে দুটি বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং পুলিশের একটি গাড়ি পড়ে গেছে। ম্যাস রেপিড ট্রান্সপোর্টের নতুন লাইন তৈরি হওয়ায় সেখানে এরআগে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল।

সুলতানা দিনা/

যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে সেনা মোতায়েন পুনর্বিবেচনা করছে

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে সেনা মোতায়েন পুনর্বিবেচনা করছে
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ন্যাটোর যেসব মিত্র দেশ প্রতিরক্ষা ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে না, তাদের জন্য মার্কিন তহবিল আটকে দেওয়া হতে পারে। এই মিত্রদের তিনি ‘ফ্রি রাইডার’ বা বিনা পয়সায় সুবিধাভোগী হিসেবে আখ্যা দেন।

ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দপ্তরে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের এক বৈঠকে হেগসেথ এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যালোচনা প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ ছয় মাস চলবে। এ সময়ে মার্কিন কংগ্রেসের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। কারণ ইউরোপে মার্কিন বাহিনীর সর্বনিম্ন সংখ্যা কত হবে, তা কংগ্রেসে আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত। হেগসেথ সরাসরি বলেননি এ পর্যালোচনার কারণে ইউরোপে মার্কিন সেনা কমানো হবে কি না। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এর মূল লক্ষ্য ইউরোপের দেশগুলো নিজেদের সুরক্ষায় আরও বেশি জোর দেওয়া।

হেগসেথ বলেন, ‘ইউরোপ যাতে দ্রুত এবং স্থায়ীভাবে ন্যাটোর নেতৃত্বে আসে, তা নিশ্চিত করার জন্যই এ পর্যালোচনা করা। কেননা, ইউরোপের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব ইউরোপকেই নিতে হবে।’ পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় যেসব মিত্র দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করেনি, হেগসেথ তাদের তীব্র সমালোচনা করেন। ওই যুদ্ধের সময় কিছু দেশ মার্কিন বাহিনীকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়নি এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতিও প্রত্যাখ্যান করেছিল। তিনি জানান, এ পর্যালোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনীর জন্য যেসব দেশের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিত করা হবে’।

তার এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো নিজেদের জরুরি সংকটকালীন বাহিনীর ঘাটতি পূরণে হিমশিম খাচ্ছে। ওয়াশিংটন ন্যাটোর জরুরি বাহিনীতে নিজেদের সৈন্য কমানোর সিদ্ধান্তের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহ জেলায় ইসরায়েলি হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতি দেখছেন এক ব্যক্তি। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়া সত্ত্বেও লেবাননে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। গতকাল বৃহস্পতিবার একটি প্রাথমিক শান্তিচুক্তিতে সই করে ওয়াশিংটন ও তেহরান। একই দিনে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা। 

লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাফার তেবনিত শহরে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। এর আগে নিহতের সংখ্যা একজন বলে জানানো হলেও পরে তা সংশোধন করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, এর পাশাপাশি জেবদিন শহরে ইসরায়েলি হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন।

লেবাননে গত ২ মার্চ থেকে চালানো ইসরায়েলি হামলায় শত শত শিশু, নারী, চিকিৎসক এবং জরুরি সেবাকর্মীসহ ৩ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন এবং অনেক লেবানিজ নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়েছেন। সূত্র: আল-জাজিরা

ট্রাম্পের এক প্রকার আত্মসমর্পণ

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:২১ এএম
ট্রাম্পের এক প্রকার আত্মসমর্পণ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে ইরানের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের কথা জানানো হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘বড় জয়’ বলে দাবি করেছেন। তবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার জন্য এই চুক্তিতে ইরানকে বড় ধরনের রাজনৈতিক ও আর্থিক ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকরা এটিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের একপ্রকার আত্মসমর্পণ হিসেবে দেখছেন।

কয়েক দিন আগেও ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নতুন করে আক্রমণের হুমকি দিচ্ছিলেন। তবে গত বুধবার তার বক্তব্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুর দেখা গেছে। তিনি বলেন, বেসামরিক ব্যবহারের জন্য ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মৌলিক অধিকার রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কোনো চাপ দেবে না। ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা ইরানের কয়েক বিলিয়ন ডলারের অবরুদ্ধ সম্পদ এখন ফেরত দিতে হবে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে ইসরায়েল এবং রিপাবলিকান পার্টির কট্টরপন্থিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হতে পারে। কট্টরপন্থিরা ট্রাম্পকে তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি না করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। অন্যদিকে লেবাননের হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম এই চুক্তিকে একটি ‘মহাবিজয়’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন।

বুধবার তেহরান থেকে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আজ শুক্রবার জেনেভায় একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই চুক্তি নিয়ে ভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার একটি দলিল। মানুষ এটি দেখবে ও বিচার করবে।

নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, তার মতো কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর আগে ইরানের প্রতি এত কঠোর হননি। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, এই চুক্তি না হলে বিশ্বব্যাপী এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা তৈরি হতো। তার মতে, চুক্তি না হলে হরমুজ প্রণালি কখনোই উন্মুক্ত হতো না। তিনি বলেন, মাথার ওপর যখন রকেট ওড়ে এবং চারদিকে মাইন ছড়ানো থাকে, তখন কেউ শত কোটি ডলারের জাহাজ সেখানে ভাসাতে চায় না।

মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চুক্তি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখবে। ইরান তাদের ৪৪০ কেজি উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কমিয়ে ফেলার বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি হয়েছে। এই ইউরেনিয়াম আরও সমৃদ্ধ করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব ছিল। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে ইরানের ভেতরেই এই মজুত কমিয়ে ফেলার বিষয়ে তিনি সম্মত আছেন।

জি-সেভেন সম্মেলনের শেষে ট্রাম্প যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখন মার্কিন কর্মকর্তারা এই ১৪ দফা পরিকল্পনার কথা বিস্তারিত জানান। এটি মূলত একটি ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি। আরও স্থায়ী শান্তি ও পারমাণবিক আলোচনার পথ তৈরি করতে মার্কিন প্রশাসন প্রথমে এই চুক্তির মূল পাঠ প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব করেছিল।

এই চুক্তির ফলে ইরান বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা পাবে। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হবে। এ ছাড়া ইরান যাতে বিদেশে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে পারে, সেজন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর থেকে সব আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ও অবরুদ্ধ সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থায়নে ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পুনর্গঠন তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও এই চুক্তিতে রয়েছে।

তবে এই তহবিলে যুক্তরাষ্ট্র কোনো অর্থ দেবে না বলে ট্রাম্প রাগান্বিতভাবে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর এই অর্থায়ন ইরানের ভালো আচরণের ওপর নির্ভর করবে। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘যে কেউ চাইলে বিনিয়োগ করতে পারে। আমি কি বলব যে কেউ বিনিয়োগ করতে পারবে না? তবে আমরা কোনো বিনিয়োগ করছি না। আমরা ১০ সেন্টও দিচ্ছি না।’

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ছিল ইরানের একটি অন্যতম প্রধান দাবি। এর ফলে ইসরায়েল লেবাননে কোনো সামরিক অভিযান চালাতে পারবে না। চুক্তিতে লেবাননের ‘আঞ্চলিক অখণ্ডতা’ বজায় রাখার একটি ধারা রয়েছে। তবে এর ফলে ইসরায়েল লেবাননে তৈরি করা তাদের ‘বাফার জোন’ বা অন্তর্বর্তী অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে কি না, তা মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেননি।

এর বিনিময়ে ইরান লেবাননের হিজবুল্লাহসহ তার আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মত হয়েছে। ইরান পুনরায় নিশ্চিত করেছে, তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা সংগ্রহ করবে না। চুক্তির অধীনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আগামী ৬০ দিন বিনা টোলে বা বিনা মূল্যে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। তবে ইরানের আলোচক গালিবাফ জানিয়েছেন, ৬০ দিন পার হওয়ার পর ইরান এই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে ফি আদায় করবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালিবাফ বলেন, হরমুজ প্রণালি আর যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতিতে ফিরে যাবে না। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে ও সেবামূলক কাজের জন্য আমরা অবশ্যই ফি নেব।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ফরেন পলিসি প্রোগ্রামের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুজান ম্যালোনি এই চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রশাসনের পক্ষে এত কম সময়ে পারমাণবিক বিষয়ের মতো জটিল ও বিস্তারিত চুক্তি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। তিনি মন্তব্য করেন, এই চুক্তিতে ইরান শুরুতেই অনেক বেশি সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। তারা নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই তেল রপ্তানি করতে পারবে, যা এই মুহূর্তে অবাস্তব মনে হচ্ছে। এর ফলে ইরান খুব দ্রুত প্রচুর অর্থ উপার্জন করবে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

চুক্তির পরও অমীমাংসিত ইস্যু

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:১২ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
চুক্তির পরও অমীমাংসিত ইস্যু
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলমান যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। গত বুধবার সমঝোতা স্মারকটি ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তা এখন কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে উভয় দেশ। তবে চুক্তি হলেও অমীমাংসিত রয়ে গেছে গুরুপ্তপূর্ণ বিষয়গুলো। 

এদিকে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় বিজয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সাংবাদিকদের দেওয়া এক নতুন তথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। বিশেষ করে ইরান যাতে ভবিষ্যতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে; এই বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

যদিও ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, এই চুক্তি নিশ্চিত করে যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র কিনবে না, তৈরি করবে না বা উৎপাদন করবে না। কিন্তু এই চুক্তির খসড়া সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এখন আসল চ্যালেঞ্জ শুরু হচ্ছে। এই দুই মাসের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে একটি স্থায়ী পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। অথচ ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি করতে ওবামা প্রশাসনের প্রায় ২০ মাস আলোচনা করতে হয়েছিল। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, ট্রাম্প প্রশাসন কি মাত্র দুই মাসে সেই কঠিন কাজটি করতে পারবে?

এদিকে চুক্তির খসড়ায় দেখা যায়, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে ইরান শুধু তার উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কমাতে রাজি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এটিকে ইরানের ‘গুরুত্বপূর্ণ ছাড়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে কীভাবে এবং কত সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আবার ইরানকে কোনো অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে না বলে পুনরায় জানিয়েছেন ট্রাম্প। ২০১৬ সালে ওবামা প্রশাসনের ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। তাই অর্থের বিষয়টি বর্তমান চুক্তিতেও ট্রাম্পের জন্য একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। চুক্তির শর্তানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পুনর্গঠনের জন্য আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে মিলে কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চূড়ান্ত ও পারস্পরিকভাবে সম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে ইরানকে এক পয়সাও দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়নি ওয়াশিংটন। চুক্তির ভাষা বেশ অস্পষ্ট। ফলে ভবিষ্যতে যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা বা অর্থ প্রদানের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি বলেই মনে করছেন তিনি।

এই চুক্তির পর পরই ট্রাম্পের নিজ রাজনৈতিক দলসহ অনেকেই তার সমালোচনা শুরু করেছেন। এ ছাড়া কংগ্রেসের আইনপ্রণেতারা এই চুক্তি এবং এর সঙ্গে জড়িত অনিশ্চয়তাগুলো সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে ব্রিফিং ও তথ্য দাবি করছেন। অনেক রিপাবলিকান এই চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। একজন বিশিষ্ট রিপাবলিকান সিনেটর এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ট্রাম্প ইরানকে অনেক বেশি ছাড় দিয়েছেন এবং বিনিময়ে যথেষ্ট পাননি। এদিকে লুইজিয়ানার বিদায়ী সিনেটর বিল ক্যাসিডি এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা দমন করা যায়নি। তারা শিখেছে যে হরমুজ প্রণালিকে হুমকি দেওয়া আসলে কার্যকর এবং নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতে তারা এটিকে কাজে লাগাবে। তিনি আরও বলেন, এই চুক্তিটি গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পররাষ্ট্রনীতিগত ভুল। 

যুদ্ধ শুরুর সময় ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরান যেন মধ্যপ্রাচ্যে তার মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে, বিশেষ করে হিজবুল্লাহকে অর্থ ও সহায়তা দিতে না পারে। ইসরায়েলেরও বড় উদ্বেগের বিষয় ছিল এটি। তাই ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে এই যুদ্ধে অংশ নেয় এবং লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধেও পৃথক অভিযান চালায়। বর্তমান চুক্তির আওতায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতও বন্ধ থাকবে। তবে চুক্তিতে গোষ্ঠীটির বিষয়ে আর তেমন কোনো উল্লেখ নেই। পরবর্তী দফার আলোচনায় ইরানকে হিজবুল্লাহসহ অন্যান্য আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে চাপ দেওয়া হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। গত বুধবার প্রকাশিত চুক্তির খসড়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত কোনো উল্লেখ নেই। অথচ যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এটিকে অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তাই জেনেভায় স্বাক্ষরিত চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমঝোতায় রূপ নেবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। সূত্র: বিবিসি

ট্রাম্পের ধন্যবাদ পুতিন-শিকে

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:১১ এএম
ট্রাম্পের ধন্যবাদ পুতিন-শিকে
ছবি: খবরের কাগজ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ’ ছিলেন। তারা তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করেননি। গতকাল বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করেছে।

ফ্রান্সের পর্যটন শহর এভিয়ান-লে-বেঁতে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ট্রাম্প বলেন, সংঘাতে সরাসরি জড়িত না হওয়ায় তিনি শি ও পুতিনের প্রতি কৃতজ্ঞ।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চীন, প্রেসিডেন্ট শিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ছিলেন, আমি এর প্রশংসা করি। আর ভ্লাদিমির পুতিনকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনিও খুব নিরপেক্ষ ছিলেন। তারা চাইলে আমাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলতে পারতেন।’

জাপান ও ইউরোপীয় মিত্রদের সমালোচনা করার বিপরীতে ট্রাম্পের এই মন্তব্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। তিনি অভিযোগ করেন, সামরিক অভিযান কিংবা ইরানের অবরোধের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া হরমুজ প্রণালির নৌপথ সচল করার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা পর্যাপ্ত সহায়তা দেয়নি।

মস্কো ও বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। রাশিয়া আগে সতর্ক করে বলেছিল, এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। চীন ওয়াশিংটনের হামলাকে ইরানের সার্বভৌমত্বের ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, বেইজিং তেহরানকে সম্ভাব্য সামরিক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে এমন কিছু পণ্য সরবরাহ করেছে। চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সংঘাত চলাকালে ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা ছিল।

তবে ট্রাম্পের দাবি, সংঘাত নিরসনে শি জিনপিং সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন এবং চীন ‘বড় ধরনের অস্ত্র’ বা কাঁধ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ থেকে বিরত থেকেছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা চাইলে ছয়টি যুদ্ধ জাহাজের নিরাপত্তায় তেলবাহী জাহাজ পাঠাতে পারত। তারা তা করেনি। প্রেসিডেন্ট শি আমাকে সাহায্য করেছেন। তিনি সমাধানের চেষ্টা করেছেন এবং সম্ভবত তা সফল হতেও সহায়তা করেছেন।’

ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসে র এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, বেইজিংয়ের অবস্থান সবসময় একই ছিল। তারা ‘যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন।’ ওয়াশিংটনে রাশিয়ার দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। সূত্র: রয়টার্স