ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আমাদের নিজেদের উজার করে দিতে হবে: হাইতি কোচ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর এবং আমাদের প্রত্যাশা ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চট্টগ্রামে সড়কে মাছ ফেলে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ ইন্টারভিউয়ে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলবেন ঘর সাজুক মনের মতো আগে প্লাস্টিকের মতো বাজেট বাড়ানো হতো: শিল্পমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের চুক্তি পড়ে পাওয়া গল্পের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের এক দিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মরক্কোর লক্ষ্য গ্রুপ সেরা হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বন্ধুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের দলিল: আলী বাঘেরি গোপালগঞ্জে মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ আর্জেন্টিনা শিবিরে মেসির জন্মদিনের গল্প পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল পুনর্খনন হবে: ত্রাণমন্ত্রী বিদেশে চিকিৎসা সুবিধায় এসবিএসি ব্যাংক-চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের চুক্তি সাতক্ষীরায় নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ব্রাজিল ম্যাচের আগে ‘ইতিহাসের দোরগোড়ায়’ স্কটল্যান্ড রামগঞ্জে সাবেক এমপিসহ আওয়ামী লীগের ১২৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত, আহত ২ কুমিল্লায় মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা বাংলাদেশের মাদরাসাগুলো পরিদর্শনে আসছেন নকশবন্দী তরিকার দুই শীর্ষ পীর টুকটুক ও চিকু পাঠ থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ৫ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা কাঁচাগোল্লা কিনতে নেমে ট্রাকচাপায় যুবকের মৃত্যু শিশুর অঙ্কভীতি দূর করতে… বিরোধীদলের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী চাঁদপুরে লোডশেডিং ও বিল বেশি আসায় বিদ্যুৎকর্মীকে মারধর হত্যাচেষ্টার মামলায় মমতাজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

বেনজীরের অবৈধ সম্পদ: দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৪, ১২:২৬ পিএম
বেনজীরের অবৈধ সম্পদ: দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট
বেনজীর আহমেদ

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী জীশান মির্জা এবং তাদের মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাহসীন রাইসা বিনতে বেনজীরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান প্রতিবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৯ জুলাই) দুদকের পক্ষে অনুসন্ধানের অগ্রগতিসংক্রান্ত ৫ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদন ও আনুষঙ্গিক তথ্য-উপাত্তসহ মোট ৪২ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের বেঞ্চে দাখিল করা হয়। এরপর আদালত এটি গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে মামলা হলো কি না এবং সময়ে সময়ে আরও অগ্রগতি প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে বলেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি আগামী ৫ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে। দুদকের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী খুরশিদ আলম খান এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

অনুসন্ধানের জন্য গত ১৮ এপ্রিল তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দুদক। ১৯ ও ২০ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এই কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে ২১ এপ্রিল। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ এপ্রিল হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বেনজীরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু এবং দুই মাসের মধ্যে অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। 

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেখা যায়, হাইকোর্টের আদেশের দিনেই (২৩ এপ্রিল) বেনজীর আহমেদ কমিউনিটি ব্যাংক করপোরেট শাখায় তার অ্যাকাউন্ট (নম্বর-১০১৬০০০৮২০১) থেকে ৩ কোটি ৩ লাখ ২ হাজার ৮১২ টাকা তোলেন। তার স্ত্রী জীশান মির্জা একই শাখার অ্যাকাউন্ট (নম্বর-১০৩০৫৭৩৯২০১) থেকে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৫ হাজার ১৪ টাকা উঠিয়ে নেন। এরপর দুদকের অনুসন্ধানকারী দল বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের অর্থ সম্পদের তথ্য চেয়ে ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজউক, বিভিন্ন ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ ৪৬টি দপ্তরে চিঠি ইস্যু করে। ২৬ ও ২৭ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এ চিঠি ওই সব দপ্তরে গিয়ে পৌঁছায় ২৮ এপ্রিল। এরপর ২৯ এপ্রিল বেনজীর সোনালী ব্যাংক লোকাল অফিস থেকে ০০০২৬০২০০৫৬৫৮ অ্যাকাউন্ট থেকে বহির্গামী লেনদেন নিষ্পত্তির (আউটওয়ার্ড ক্লিয়ারিং) মাধ্যমে মোট ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা পাচার করেন। এ ছাড়া ৩০ এপ্রিল সোনালী ব্যাংকের একই শাখা থেকে নগদে আরও ১৪ লাখ টাকা এবং কমিউনিটি ব্যাংক থেকে ১৬ লাখ ৭০ হাজার ৮৮৬ টাকা উঠিয়ে নেন বেনজীরের মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর।

এ ছাড়া প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মির্জা এবং তাদের মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর, তাহসীন রাইসা বিনতে বেনজীর ও নাবালিকা আরেক মেয়ের মালিকানায় জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, রিসোর্ট, বাংলোসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের নামে চলতি, সঞ্চয়ী, স্থায়ী আমানত, বৈদেশিক মুদ্রাসংক্রান্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে ১১৬টি। এসব অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। অনুসন্ধান শুরুর পর দ্রুততম সময়ে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা উঠিয়ে নিয়েছেন বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যরা। তাদের নামে থাকা আরও অনেক সম্পদের দলিলে কোনো মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। সেগুলোর প্রকৃত মূল্য নিরূপণের কাজ চলছে। 

অবৈধ সম্পদের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান চলাকালে বেনজীর আহমেদ গত ৪ মে সপরিবারে দেশ ছাড়েন। তিনি ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ছিলেন। এর আগে ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত র‍্যাবের মহাপরিচালক ছিলেন। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন।

হত্যাচেষ্টার মামলায় মমতাজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম
হত্যাচেষ্টার মামলায় মমতাজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ওমর ফারুক ফারুকী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার মমতাজকে আদালতে হাজির করা হলে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আজিজুল হক তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, ‌‘মামলার ঘটনায় মমতাজের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো দরকার। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে তাকে পরবর্তী সময়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।’

এ আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এবং বিরোধিতা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। 

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ‘এ মামলার ঘটনায় মমতাজের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।’

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মমতাজকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মো. মুক্তার হোসেন নামের এক ব্যক্তি মিরপুর এলাকায় জুলাই গণ-আন্দোলনে অংশ নেন। আন্দোলন দমনে হামলা, গুলিবর্ষণ করেন পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে মুক্তার আহত হন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় মুক্তার বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। এই মামলায় আজ মমতাজকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

মমতাজ একাধিকবার মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। গত বছরের ১২ মে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে মমতাজকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে হত্যা এবং হত্যাচেষ্টাসহ কয়েকটি মামলা আছে।

থিওটোনিয়াস/

শরীয়তপুরে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের মামলায় ছেলেসহ কারাগারে বিএনপি নেতা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
শরীয়তপুরে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের মামলায় ছেলেসহ কারাগারে বিএনপি নেতা
ছবি: খবরের কাগজ

শরীয়তপুরের জাজিরায় চাঁদাবাজি, লুটপাট এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগে করা মামলায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সুরুজ মাদবর ও তার ছেলে স্বাধীন মাদবরের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

বুধবার (২৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী দিপু মিয়া। 

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শরীয়তপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তারের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

আদালত ও মামলার সূত্রে জানা যায়, জাজিরা উপজেলার মানিকনগর এলাকার বাসিন্দা ছোবহান মাদবরের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সুরুজ মাদবর ও তার ছেলে স্বাধীন মাদবর। চাঁদা না দেওয়ায় গত বছরের ২ ডিসেম্বর রাতে কাজীরহাট এলাকার ছোবহান মাদবরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে মালামাল লুট, নগদ অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে দোকান দখল করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। 

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর শরীয়তপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা করা হলে চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালত সুরুজ মাদবর ও স্বাধীন মাদবরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পরোয়ানা জারির পরও দীর্ঘদিন তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়। পরে গত এপ্রিল মাস থেকে তারা হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে মঙ্গলবার (২৩ জুন) জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন সুরুজ মাদবর ও স্বাধীন মাদবর। আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী সোবহান মাদবর বলেন, আমার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল বিএনপি নেতা সুরুজ মাদবর ও তার ছেলে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর লুটপাট চালিয়ে তারা দখলে নেয়। আমি ন্যায্য বিচারের দাবিতে আদালতের দারস্থ হয়েছি। আমি আদালতের কাছে আশা রাখি, যাতে ন্যায় বিচার পাই।

বাদী পক্ষের আইনজীবী দিপু মিয়া বলেন, আমার মক্কেলের কাছে চাঁদা দাবি করেছিল বিবাদী পক্ষ। পরে আমার মক্কেল আদালতের দারস্থ হলে গতকাল মঙ্গলবার বিচারক দুইজনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়। আমি আশা রাখি আদালতে আমার মক্কেল ন্যায়বিচার পাবে।

বিধান মজুমদার/খাদিজা রুমি/

জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী
অ্যাডভোকেট শফিক নজরুল। ছবি: খবরের কাগজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ে আদিবার ছবি ব্যবহার করে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার মামলায় অ্যাডভোকেট শফিক নজরুলকে চার দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন সাতদিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, 'বার কাউন্সিল পরীক্ষা ও সরকারকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে আসামি প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে জাইমা রহমান ও অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করেন ও ফেসবুকে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দেন। তাকে রিমান্ডে নিলে চক্রের অন্যান্য সদস্য ও অর্থ লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।'

শুনানির সময় বিচারকের অনুমতি নিয়ে আসামি বলেন, 'ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রশ্ন বাবদ কার কাছ থেকে কোথায়, কখন টাকা নিয়েছি তার প্রমাণ নেই। কেউ প্রমাণ করতে পারবে না আমি পরীক্ষার আগে সাজেশন দিয়েছি। আমি একজন এক্সপার্ট। ১০০ প্রশ্নের সবটাই কমন পড়েছে। আমি কি সাজেশন দিতে পারব না? মিথ্যে মামলায় আমাকে গ্রেপ্তার করেছে। তারপর বেঁধে রেখেছে। পুলিশের কি এই ক্ষমতা আছে?’

আসামি পক্ষে রিমান্ডের আবেদন বাতিলপূর্বক জামিনের আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে রিমান্ড মঞ্জুর করার আবেদন জানায়। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন বিচারক। 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, অ্যাডভোকেট শফিক নজরুল ‘LAW DOCTOR’ পেজের মাধ্যমে ‘১০০টি এমসিকিউ পড়লেই নিশ্চিত পাস’ এমন বিজ্ঞাপন প্রচার করতেন। 

নিজেকে প্রভাবশালী মহলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করতেন এবং পাস করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করতেন। 

এক ভুক্তভোগীর অভিযোগে বলা হয়, ৮ লাখ টাকা দাবি করে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। পরে গত ১২ জুনের বার কাউন্সিল পরীক্ষায় তিনি অকৃতকার্য হলে প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করা হয়।

জলিল উজ্জ্বল/নাঈম

পদত্যাগ করলেন ১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
পদত্যাগ করলেন ১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের অবস্থানের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ১৮ জন জামায়াত সমর্থিত আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পৃথক পদত্যাগপত্রে তারা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

পদত্যাগপত্রে তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের মতো বিষয়গুলো নিয়ে তাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এসব কারণে সাংবিধানিক শাসন, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন, অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, শফিকুর রহমান, আবদুল করিম, ফরিদ উদ্দিন খান, গোলাম রহমান ভুঁইয়া, আসাদ উদ্দিন এবং মুহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া পদত্যাগকারী সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন, ইমরুল কায়েছ রানা, হুমায়ুন কবির তানিম, আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, আবদুল্লাহিল মারুফ ফাহিম, জোয়াদুর রহমান, শামসিল আরেফিন, মাহাবুবা আক্তার রলি, নূর নবী উজ্জ্বল, আল রেজা আমির এবং রেজাউল ইসলাম।

পদত্যাগপত্রে তারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থেকে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তারা অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার শর্তে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

নাঈম/

সালমান শাহের দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম
সালমান শাহের দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল
চিত্রনায়ক সালমান শাহ।

চিত্রনায়ক সালমান শাহের খুনের রহস্য উদঘাটনে তার দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা মামলার বাদীর আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার বাদী সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করার আবেদন করেন। 

আবেদনে বলা হয়, “মামলাটি ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে চলমান আছে। প্রাকৃতিক কারণে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃতদেহের দেহাবশেষ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ। ১৯৯৭ সালের ১৩ জানুয়ারি সালমান শাহের মরদেহ আদালতের নির্দেশে উত্তোলন করা হলে তা মাত্রাতিরিক্ত পচনশীল অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল মর্মে উল্লেখ করা হয়। সালমান শাহের মরদেহ হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছিল এবং বর্তমানে সেখানেই কবরস্থ আছে। এজন্য তার মরদেহ বারবার উত্তোলনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানবে, বাধার সৃষ্টি হতে পারে ও সংঘর্ষ হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা রয়েছে। মরদেহ উত্তোলনের বিষয়ে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীরও ব্যাপক আপত্তি আছে।

গত ২০ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) জিয়াউল মোর্শেদ মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই গত ২৪ মে একই আদালত মরদেহ উত্তোলনের আবেদন মঞ্জুর করেন। 

ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক গত বছর ২০ অক্টোবর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে। এ বিষয়ে সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিনের অভিযোগ এবং ঘটনায় জড়িত রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের জবানবন্দি সংযুক্ত করে হত্যা মামলার নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশে সাবেক স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম এ মামলাটি করেন।

জলিল উজ্জ্বল/নাঈম