সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোটা আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করায় সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ জন বাংলাদেশির ব্যাপারে বাংলাদেশ হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মংসস্থান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) নিজ অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি গতকাল আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আজ আবারও বলছি, যে দেশে বসবাস করবে সে দেশের আইন সম্পর্কে তাদের সচেতন থাকা উচিত। দুবাইয়ে আন্দোলন করে প্রবাসীরা আইন অমান্য করে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এ জন্য তাদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রবাসীদের ব্যাপারে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না। এটি তাদের রাষ্ট্রীয় বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে সিংহভাগ প্রবাসীদের অবদান। এই বিদেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজারটা এখন একটা মহল নষ্ট করতে চাচ্ছে। আমি মনে করি, ৭১-এর যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-বিএনপির প্রেতাত্মারা এসব রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত।’
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কবে নাগাদ খুলতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মালয়েশিয়া সরকারের কাছে দেশটিতে যেতে না পারা কর্মীদের বিষয়ে চিঠি লিখেছি। আগামী মাসে আমাদের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিং আছে, শ্রমবাজার কবে খুলবে তখন জানা যাবে।’
মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের টাকা ফেরত দেওয়া প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রিক্রুটিং এজেন্টদের সংগঠন বায়রা আমাদের জানিয়েছে, যেতে না পারা কর্মীদের মধ্যে ৭০ শতাংশ কর্মীকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। আমরা বায়রাকে বলেছি, কর্মীরা যত টাকা দিয়েছে, সেই টাকা পাওয়ার পর তারা এগ্রিমেন্টে সাইন করবে যে, আমরা টাকা পেয়েছি। এরপর সেই তালিকা বায়রা আমাদের পাঠাবে। তখন জানা যাবে কতজন মানুষ টাকা পেয়েছে। তাই ঠিক কতজন কর্মী টাকা পেয়েছে এখনই এটা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না। সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দিতে না পারলে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’