ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক চট্টগ্রামে ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ দেশপ্রেমের কালজয়ী কণ্ঠকে শিল্পকলার বিশেষ সম্মাননা
Nagad desktop

বানভাসি অর্ধকোটি, দুর্ভোগ চরমে

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৪, ১২:১৬ এএম
আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৪, ১২:২৩ এএম
বানভাসি অর্ধকোটি, দুর্ভোগ চরমে
ছবি: খবরের কাগজ

বন্যাকবলিত অধিকাংশ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এতে উন্নতি হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতির। তবে ফেনীর দুই উপজেলা এবং কুমিল্লায় শতাধিক গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। ১১ জেলায় বানভাসির সংখ্যা প্রায় অর্ধকোটি। বন্যা আক্রান্ত এলাকায় প্রকট হয়ে উঠেছে খাবার ও সুপেয় পানির সংকট। জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করছে। নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিনিধি, ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিব কামরুল হাসান শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ পর্যন্ত বন্যায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৫, কুমিল্লায় ৪, নোয়াখালীতে ৩, কক্সবাজারে ৩, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীতে একজন করে মারা গেছেন। 

তিনি আরও বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় নগদ ৩ কোটি ৫২ লাখ, শিশুখাদ্য বাবদ ৩৫ লাখ, গো-খাদ্য বাবদ ৩৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০ হাজার ১৫০ টন চাল ও ১৫ হাজার শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।

বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বর্ষণ হতে পারে তিন বিভাগে

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে তিন বিভাগে বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বর্ষণের সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলসহ উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে।

শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী (৪৪-৮৮ মিমি/২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। ভারী বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

অপরদিকে নিয়মিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, গতকাল সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

বন্যাকবলিত এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম থাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। শনিবার বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর অবস্থা এবং পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী জেলার ভারতীয় ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এবং ত্রিপুরা প্রদেশের অভ্যন্তরীণ অববাহিকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়নি এবং উজানের নদ-নদীর পানি সমতল হ্রাস অব্যাহত আছে। এ কারণে বর্তমানে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ফেনী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার নিচু এলাকায় বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতি শুক্রবার থেকে উন্নতি শুরু হয়েছে এবং অব্যাহত আছে।

ফেনীর দুই উপজেলা নতুন করে প্লাবিত

বন্যার পানি জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়ার পর ফেনী সদরেও ধীরগতিতে কমতে শুরু করেছে। তবে দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে পানি বাড়ছে। এ পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষকে বন্যাদুর্গত অঞ্চল থেকে উদ্ধার করে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রসহ নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ফেনী জেলা প্রশাসন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জেলা প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজারের বেশি মানুষের কাছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এর আগে ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি থাকার তথ্য জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার। 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অভিষেক দাশ জানান, উদ্ধারকাজে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনীসহ স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করছেন।

এ জেলার অধিকাংশ এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল রয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ দুই-তৃতীয়াংশ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ অনেক বেড়ে গেছে।

কুমিল্লায় প্লাবিত শতাধিক গ্রাম 

কুমিল্লার বুড়িচং অংশে গোমতী নদীর বাঁধ ভাঙার পর এবার বাঁধ ভেঙেছে জেলার ব্রাহ্মণপাড়া অংশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সালদা নদীর। বুড়িচং অংশে গোমতীর বাঁধ ভেঙেছে উত্তর পাড়ে। নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে দুই উপজেলার শতাধিক গ্রাম। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ। নেই বিদ্যুৎ। শুকনো খাবার খেয়ে কোনো রকমে দিনযাপন করছে লক্ষাধিক মানুষ। সংকট দেখা দিয়েছে শিশুখাদ্য এবং ওষুধের। পর্যাপ্ত নৌকা ও স্পিডবোট না থাকায় বন্যার্তদের উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আবেদ আলী বলেন, ইতোমধ্যে জেলার ১৪টি উপজেলা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।
 
চট্টগ্রামে বাড়িঘরে ফিরছেন পুরুষরা 

হালদার পানি কমতে থাকায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে পানি কমতে শুরু করেছে। পানি কমছে মিরসরাই, জোরারগঞ্জেও। ঘরে ফিরছেন পুরুষরা। বসবাসের উপযোগী না হওয়ায় নারী ও শিশু-কিশোররা নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছেন। 

এ ছাড়া চট্টগ্রামের ইছামতী, সাঙ্গু, কর্ণফুলী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে আরও বাড়ছে ফেনী নদীর পানি। 

মিরসরাইয়ের করেরহাটে উজানের দিকে পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বন্যার্তরা। খাবারের জন্য হন্যে হয়ে ছুটছেন তারা। ত্রাণ ও উদ্ধারকর্মীরা অনেক জায়গায় যেতে পারছেন না। 

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চট্টগ্রামে এখনো ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি।

চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিমি দীর্ঘ যানজট

এখনো বন্যার পানির নিচে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অঞ্চল। এ কারণে তিন দিন ধরে চট্টগ্রাম ও ঢাকার উভয় দিক থেকে যানবাহন চলাচল আংশিকভাবে বন্ধ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেনীর লালপোল এলাকায় মহাসড়কের প্রায় ছয় কিলোমিটার অংশ এখনো পানির নিচে। এ কারণে চট্টগ্রাম ও ঢাকার দুই প্রান্তে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। 

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। এ কারণে অনেক এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। তবে এ জেলায় প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি। নলকূপ ও সুপেয় পানির অন্যান্য উৎস তলিয়ে গেছে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, রাউজানসহ বন্যাকবলিত উপজেলায়। তাই বানভাসি মানুষ বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার করছে।

তবে জেলা সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের কাছে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও ওরাল স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
 
লক্ষ্মীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলা এখনো প্লাবিত

অল্প কিছু পানি সরেছে শনিবার। তবে পানিবন্দি হয়ে জেলার সাড়ে ছয় লাখ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অনেক এলাকা, বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট এখনো তলিয়ে আছে। সেই সঙ্গে ডুবেছে নলকূপ, পানির ট্যাংকও। তাই খাবারের পাশাপাশি সুপেয় পানির সংকট চলছে। অব্যাহত ভারী বৃষ্টি ও মেঘনা নদীর জোয়ারের ঢলে লক্ষ্মীপুর জেলার ৮০ শতাংশ এলাকা তলিয়ে গেছে।

বানভাসি মানুষ জানিয়েছে, এমন দুর্বিষহ অবস্থা ১৯৮৮ সালের বন্যার সময়ও হয়নি।

কক্সবাজারে শিশুর লাশ উদ্ধার

কক্সবাজারের রামু থেকে বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া শিশু জুনাইদ আল হাবিবের (১১) লাশ শনিবার দুপুরে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জুনাইদ রামু উপজেলার লম্বরিপাড়ার নুরুল কবিরের ছেলে।

আখাউড়ায় ঘরে ফিরতে পারছেন না অনেকে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৩ ফুট পানি কমেছে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাপশ কুমার চক্রবর্তী জানান, বন্যাকবলিত ১২৪টি পরিবার উপজেলার ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছিল। এর মধ্যে ৮৮টি পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে থেকে বাড়ি ফিরে গেছে। যেভাবে পানি কমতে শুরু করেছে, আশা করা যায়, বাকি পরিবারগুলোও দু-এক দিনের মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারবে।

এদিকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও আখাউড়া স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শনিবারও বন্ধ ছিল।

নোয়াখালীর লক্ষাধিক মানুষ এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে

গত দুই দিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনো ৫০২টি আশ্রয়কেন্দ্রে লক্ষাধিক মানুষ রয়েছেন। 

এদিকে নোয়াখালীর ৮ উপজেলার ৮৭ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন উপজেলা পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২০ লাখ মানুষ। ৫০২টি আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠে লক্ষাধিক মানুষ। এসব কেন্দ্রে রান্নার ব্যবস্থা নেই। তাই খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে ভুগছেন বন্যার্তরা। কোম্পানীগঞ্জের প্রায় সবাই এখনো পানিবন্দি। 

জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘নোয়াখালীর আট উপজেলা প্লাবিত হয়। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়ে ২০ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ। জেলার ৮২৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে দেড় লাখের বেশি মানুষ। এ ছাড়া বন্যায় এ পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকে পানিবন্দি হয়ে নিজের বসতবাড়িতে আছেন। আমরা সবার মধ্যে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।’ 

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী

নোয়াখালীতে বন্যার পানিতে আটকা পড়া গুরুতর অসুস্থ এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে উদ্ধার করেছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সোনাপুর রেলস্টেশন এলাকা থেকে মুক্তা বেগম (২৩) নামের ওই নারীকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রাঙামাটিতে বন্যার উন্নতি 

দুর্গত এলাকা থেকে পানি কমতে শুরু করায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ির বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে। তবে এখনো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানিয়েছেন, নতুন করে কোনো এলাকা প্লাবিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। পর্যাপ্ত ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে। 

খাগড়াছড়িতে স্বস্তি ফিরছে জনমনে

জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরও উন্নতি হয়েছে। বৃষ্টিপাত না থাকায় নেমে গেছে বন্যার পানি। স্বস্তি ফিরছে জনজীবনে। সকাল থেকে বসতবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষজন। জীবনযাত্রাও স্বাভাবিক হয়ে আসছে।

জেলা সদর, দীঘিনালা ও পানছড়ি উপজেলায় বরাদ্দের অনুপাতে সামান্য কিছু ত্রাণ বিতরণ করা হলেও জেলার অন্যান্য উপজেলাতে প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য তৎপরতা নেই। তবে ব্যক্তিগত এবং বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ত্রাণ পেয়েছেন কিছু কিছু এলাকার ক্ষতিগ্রস্তরা। সেনাবাহিনীকেও ত্রাণ নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে।

জেলার অন্তত লক্ষাধিক মানুষ সুপেয় পানির সংকটে ভুগছে।
 
মৌলভীবাজারে উন্নতি হচ্ছে বন্যার 

গত ২৪ ঘণ্টায় মৌলভীবাজারে ভারী বর্ষণ ও উজানে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় কমেছে এখানকার নদ-নদীর পানি। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মনু নদের পানি কমতে থাকে। এ ছাড়া ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

জেলা সদরসহ রাজনগর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, জুড়ী উপজেলার দুই শতাধিক গ্রামের ৩ লাখের বেশি মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে।

সিলেটে নদ-নদীর পানি কমছে

সিলেটে কমছে নদ-নদীর পানি। শনিবার দুপুর পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর পানি ৪ পয়েন্ট বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সিলেটের সব নদ-নদীর পানি কমতে থাকে।

এদিকে আকাশে কালো মেঘ থাকলেও বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়নি সিলেটে।

হবিগঞ্জের ছয় উপজেলার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত 

জেলায় খোয়াই, কুশিয়ারাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। খোয়াই নদীর বাল্লা পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার ওপরে হলেও শায়েস্তাগঞ্জ ও মাছুলিয়া পয়েন্টে পানি এখন বিপৎসীমার অনেক নিচে আছে। অন্যদিকে কুশিয়ারা ও কালনী-কুশিয়ারা নদীর পানি কমলেও তা এখনো বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। 

তবে নদীর পানি কমলেও জেলার বন্যাকবলিত ছয়টি উপজেলার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। সরকারিভাবে আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হলেও অধিকাংশ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। এসব মানুষের মধ্যে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন ত্রাণ বিতরণ করছে।

হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:১৪ পিএম
হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬
ছবি: সংগৃহীত

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫৩ জনের।

শুক্রবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে মারা গেছে আরও ৯২ শিশু। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪৩ জনে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ২৭ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ২৬৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ১২৬ জনের শরীরে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১০ হাজার ১৮৫ জনের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৬৫ হাজার ২৭৫ জন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে খুলনায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

লাইসেন্স বাতিল হওয়া মগবাজারের আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাঠানো (রেফারকৃত) রোগীদের তাৎক্ষণিক ভর্তি ও যথাযথ চিকিৎসা দিতে রাজধানীর বড় ছয়টি সরকারি হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক সরকারি চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে৷  

এর আগে গত ১১ জুন এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ঢাকার বড় মগবাজারের আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
লাইসেন্স বাতিলের পর হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন বা সেখান থেকে স্থানান্তরিত রোগীদের চিকিৎসা সংকট এড়াতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

যে ছয়টি সরকারি হাসপাতালকে আদ-দ্বীনের রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—
 # ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
 # কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
 # বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, আদ-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উক্ত হাসপাতাল থেকে রেফারকৃত কোনো রোগী এলে তাকে যেন ফিরিয়ে না দিয়ে তাৎক্ষণিক যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করা হয়। 

জয়ন্ত সাহা/এসএন

হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন শেষে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৫২৪৯১ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন।

 শুক্রবার (১২ জুন) হজ অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, তিনটি নির্ধারিত বিমান সংস্থার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ১২৩টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫৫টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৪৭টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১২৩টি ফ্লাইটের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ২৮৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় ৪৮ হাজার ২০২ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এবার হজ পালন করতে গিয়ে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারীসহ মোট ৪৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৪১০ জন বাংলাদেশি হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ২৪ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি আরবের মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬২ হাজার ২৪৩ জনকে এবং আইটি হেল্প ডেস্ক মক্কা ও মদিনায় ২৭ হাজার ৪১০ জন হাজিকে সেবা প্রদান করেছে।

এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজ শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

এসএন/

সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:২১ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ । ছবি: সংগৃহীত

‘গণমানুষের বাজেট’ আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে। যারা দলীয়করণ বলছে, তারা খুবই নিকৃষ্ট লোক।’

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে কক্সবাজার পৌঁছে প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ কী বিএনপির জন্য নেওয়া হয়েছে। অবশ্যই নয়, এটি বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তসহ সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। মানুষের চাহিদা হলো— নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই বাজেট কি গণমুখী নয়? এটি কি দরিদ্রবান্ধব নয়? এটি কি জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন নয়? নিঃসন্দেহে এই বাজেট গণমুখী, দরিদ্রবান্ধব এবং জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এছাড়া আমাদের যে অঙ্গীকারগুলো ছিল— কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, সেসব বিষয়ও এই বাজেটে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এই বাজেটে একদিকে জনগণের ওপর করের চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ের পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলে উন্নয়ন বাজেটে দেশীয় আয়ের অবদানও বাড়বে। আমরা যদি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সবসময় ব্যাংক ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকি, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরশীলতার চক্র থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে না। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা রাজস্বভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে মাত্র সাড়ে তিন মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রণয়ন করা সম্ভব হয়েছে। এটিই আমাদের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং নির্বাচনী জোটের সমর্থনে গঠিত সরকারের বাজেট। কেউ যদি এটিকে ‘দলীয় বাজেট’ বলে আখ্যায়িত করেন, তাহলে আমি বলব— গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারের বাজেটকে শুধুমাত্র দলীয় বাজেট হিসেবে চিহ্নিত করা একটি অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত মন্তব্য।

এসএন/

ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১০:১২ পিএম
ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় এক ঘণ্টা বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক হয়েছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামসহ মেটার বেশির ভাগ প্ল্যাটফর্ম।

এর আগে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বড় ধরনের বিভ্রাটের খবর আসে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। আর সচল হওয়ার খবর পাওয়া যায় রাত সোয়া ৮টার দিকে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেবা পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্ম— ডাউনডিটেক্টরে জমা হওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ২১ মিনিটের পর থেকে ফেসবুকের বিভিন্ন সেবা ব্যবহারে সমস্যা নিয়ে অভিযোগ বাড়তে থাকে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে অ্যাপ ব্যবহারে।

ডাউনডিটেক্টরের পরিসংখ্যান বলছে, মোট অভিযোগের ৫৬ শতাংশই ছিল অ্যাপ-সংক্রান্ত। এছাড়া ২৬ শতাংশ ব্যবহারকারী লগইন সমস্যার কথা জানান। ওয়েবসাইট ব্যবহারে সমস্যার অভিযোগ আসে ১১ শতাংশ প্রতিবেদনে।

ব্যবহারকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, রোমানিয়া, মিয়ানমার, মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিপিন্সসহ বিশ্বের নানা অংশে সেবা বন্ধ থাকে।

সমস্যার কারণে কিছু ব্যবহারকারী ফেসবুক অ্যাপ চালু করতে, অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে কিংবা স্বাভাবিকভাবে সেবা ব্যবহার করতে বাধার মুখে পড়েন।

এসএন/