চট্টগ্রামে বিদেশি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনরি।
বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।
ইওয়ামা কিমিনরি বলেন, চট্টগ্রাম হবে বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক হাব। চট্টগ্রামে জাপানের অনেক খ্যাতনামা কোম্পানি রয়েছে। বর্তমানে জাপান বাংলাদেশের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে ঢাকা মেট্রোরেল, ঢাকা বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্টের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে জাপান সরকার।
চট্টগ্রাম চেম্বারের প্রশাসক মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা বলেন, অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। দেশের মেগা প্রকল্পগুলোতে জাপানের অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তা রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং লজিস্টিক সেক্টরেও জাপানের সার্বিক সহযোগিতা রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করেন তিনি।
এ সময় ব্যবসায়ীরা বলেন, জাপানে অনেক কারিগরি কাজের ক্ষেত্র রয়েছে। সেখানে প্রচুর ভিয়েতনাম এবং চীনের নাগরিক কাজ করছেন। বাংলাদেশের তরুণ-যুবকদেরকেও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলে জাপানে শ্রমশক্তি রপ্তানির গুরুত্ব অনেক।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- চেম্বারের প্রাক্তন সিনিয়র সহসভাপতি এরশাদ উল্লাহ, সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, তুরস্কের অনারারি কনসাল জেনারেল সালাহ্উদ্দীন কাসেম খান, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গনাইজেশনের (জেটরো) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিটিভ ইউজি অ্যান্ডো, চট্টগ্রামে জাপানের সাবেক অনারারি কনসাল জেনারেল নুরুল ইসলাম, লুব-রেফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, জাপানে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইমাম উদ্দিন, জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আবদুল হক ও চট্টগ্রাম চেম্বারের যুগ্ম সচিব নুরুল আবছার চৌধুরী প্রমুখ।
তারেক মাহমুদ/মেহেদী/অমিয়/