ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা: প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে আইএমইডি পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র বাংলাদেশে জ্যাক মোটরস-এর একমাত্র ডিস্ট্রিবিউটর র‍্যানকন গ্লোবাল ট্রাকস মানুষ স্বপ্ন দেখে কেন? বিজ্ঞান যা বলছে সারা দেশে হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম নাতির প্রতি নানার অনন্য ভালোবাসা, যুবরাজের মর্যাদায় বাড়ি ফেরা মুখ আড়াল করার নতুন বিতর্ক ও ফিফার নিয়ম বাজারে আসছে ভালভের নতুন স্টিম মেশিন বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, পেমেন্ট ও প্রিপেইড মিটার সমস্যা রাজবাড়ীতে ১ লাখ ৫৪ হাজার শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বাজেট বড় কিন্তু উদ্বেগ কমেনি সাজগোজের অনন্য যাত্রা দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও সার্বক্ষণিক হটলাইন বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিজেদের উজার করে দিতে হবে: হাইতি কোচ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর এবং আমাদের প্রত্যাশা ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চট্টগ্রামে সড়কে মাছ ফেলে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ ইন্টারভিউয়ে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলবেন ঘর সাজুক মনের মতো আগে প্লাস্টিকের মতো বাজেট বাড়ানো হতো: শিল্পমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের চুক্তি পড়ে পাওয়া গল্পের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের এক দিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মরক্কোর লক্ষ্য গ্রুপ সেরা হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বন্ধুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের দলিল: আলী বাঘেরি গোপালগঞ্জে মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখেন। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস। তাই দেশ ও জনগণের কল্যাণে নির্ভয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৬ মে) রাতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের যেকোনো আইনগত ও মানবিক উদ্যোগে সরকার সহায়তা দেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশাসন শুধু আইন প্রয়োগের যন্ত্র নয়, এটি মানুষের সেবার একটি মাধ্যম। আমি একটি বিষয় গভীরভাবে বিশ্বাস করি- আমাদের সমস্যা অসংখ্য, তবে সম্ভাবনাও কম নয়। আমাদের দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড যেটি আছে, এর সুযোগ নিয়ে আমরা যদি তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি, তাহলে এই জনসংখ্যা জনসম্পদে পরিণত হবে। বিশ্বাস রাখুন, এরাই বদলে দিতে পারবে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশকে।

জনপ্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের প্রশাসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন যথাসম্ভব মানুষের উপকার করার মানসিকতা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাই। রাষ্ট্র ও সমাজের ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে জাগিয়ে রাখতে আমাদেরকে সম্ভাব্য সকল উপায় বের করা প্রয়োজন। আমাদেরকে পারিবারিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা যদি সবাই একটা ছোট্ট বিষয় মনে রাখি, সেটি হলো- একটি রাষ্ট্রের খুবই ক্ষুদ্র ইউনিট একটি পরিবার। একইভাবে অনেকগুলো, লক্ষ কোটি পরিবারের সম্মেলনই হলো আমাদের এই রাষ্ট্র। সুতরাং পরিবারগুলো ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত থাকলে রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধ সুসংহত হয়।

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনে কেন্দ্রে ডিসি সম্মেলন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের এই বার্ষিক সম্মেলন হয়। এতে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের পরিবারও অংশ নেয়।

গত ৩ মে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জেলা প্রশাসকদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং জেলা প্রশাসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

এছাড়া ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

জেলা প্রশাসক সম্মেলনের সমাপনীতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পুনর্মিলনীর এই অনুষ্ঠান হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, তিন বাহিনী প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়। বক্তব্যের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। 

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এসএন/

সারা দেশে হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
সারা দেশে হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৮৯টি শিশু।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৯৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু মারা গেছে। হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৮৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এসএন/

বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম
বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: পিএমও

চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল  ৫ টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এ সময় চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

রেলস্টেশন থেকে থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে চীনের দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে (রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন) নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীসহ সফর সঙ্গীরা এই গেস্ট হাউসেই থাকবেন।

এর আগে স্থানীয় সময় দুপুর ১ টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড ট্রেনযোগে (বুলেট ট্রেন) বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।

বেইজিংয়ে আসার আগে সকালে চীনের দালিয়ানে 'ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে' স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোসে’ বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

নাঈম/

আগে প্লাস্টিকের মতো বাজেট বাড়ানো হতো: শিল্পমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:১২ পিএম
আগে প্লাস্টিকের মতো বাজেট বাড়ানো হতো: শিল্পমন্ত্রী
শিল্প, বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত

আগে প্লাস্টিকের মতো বাজেটের আকার বাড়ানো হয়েছে। তাই বিনিয়োগ বাড়েনি, কর্মসংস্থানও হয়নি এবং মনগড়া জিডিপি প্রবৃদ্ধির হিসাব প্রকাশ করা হতো বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প, বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন এবং ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: এসএমই খাতের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- এনবিআরের সদস্য (করনীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘জিডিপিতে আমাদের দেশে এসএমই খাতের অবদান মাত্র ৩৪ শতাংশ। ভারতে এটি ৪৫ শতাংশ এবং জাপানে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। আমরা দায়িত্ব নিয়ে বাজেটে এসএমই খাতকে গুরুত্ব দিয়েছি। আগের তুলনায় বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনতে এসএমই খাতকে আরও চাঙ্গা করতে হবে।’

দেশে বর্তমানে ১৫টি চিনিকলের মধ্যে ৯টি চালু এবং ৬টি বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লাভে থাকলেও তা চিনি বিক্রির কারণে নয়, বরং তাদের ডিস্টিলারি ইউনিটের কারণে। আমাদের বুঝতে হবে, এসব চিনিকল ৬০-৭০ বছর আগে স্থাপিত হয়েছিল। তখনকার বাস্তবতা আর আজকের প্রেক্ষাপট এক নয়।

আখ চাষের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আখভিত্তিক চিনিকলগুলোর ধারণা অনেকটা গল্ফ খেলার মতো। গল্ফ যেমন একটি বিলাসী খেলা গাড়িতে গিয়ে একটি শট খেলে আবার গাড়িতে উঠে যাওয়া, আখও অনেকটা তেমন। একটি আখের ফসল ঘরে তুলতে ১৪ মাস সময় লাগে, অথচ সেই আখ দিয়ে মিল চলে মাত্র তিন মাস। বছরে মাত্র তিন মাস চালানোর জন্য একটি কারখানা সচল রাখা এখন আর অর্থনৈতিকভাবে সম্ভব নয়।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘চিনিকলগুলোকে লাভজনক করতে সুগার বিট চাষের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিট চাষে সময় লাগে মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ মাস। ফলে বাকি সময়ে ওই জমিতে অন্য ফসল চাষ করা সম্ভব এবং বিটের পুরো অংশই ব্যবহারযোগ্য। আমরা কিছু চিনিকলকে বিট সুগার মিলে রূপান্তর করব। আবার অনেক জায়গার বড় বড় খালি জমিতে প্লট করে শিল্পপার্ক গড়ে তোলা হবে।’

তিনি জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তিনটি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদনকারী কারখানার উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে রোড শো করা হয়েছে। এ বিষয়ে চীনের রাষ্ট্রদূতের কাছেও প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের জন্য জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তার আকর্ষণীয় প্যাকেজ তৈরি করা হবে। সেখানে পুরোনো কারখানাই চালাতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না। বরং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হবে মূল লক্ষ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি সার কারখানাগুলো অত্যন্ত লাভজনক। কিন্তু গ্যাসের অভাবে বছরের অনেকটা সময় এগুলো বন্ধ রাখতে হয়, ফলে ডলার ব্যয় করে বিদেশ থেকে সার আমদানি করতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে শুধুমাত্র সার কারখানাগুলোর জন্য একটি ডেডিকেটেড গ্যাস নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি সফল হলে সারাবছর কারখানাগুলো চালু রাখা সম্ভব হবে। তখন আর সার আমদানির প্রয়োজন হবে না। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

জাহাঙ্গীর/রিফাত/

রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের চুক্তি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়া-ইউনিসেফের চুক্তি
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সঙ্গে মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)।

বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৭ কোটি টাকা) এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফের মধ্যে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই সহযোগিতার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ ধরণের সহযোগিতা আশা করি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তিটি মায়ানমার এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (৩ হাজার ১৬২ কোটি টাকা) মানবিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ।

২০১৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া এই আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় এ নিয়ে মোট ১ দশমিক ২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা) মানবিক সহায়তা দিয়েছে। 

অস্ট্রেলিয়া প্রদত্ত ১৬ মিলিয়ন ডলারের এ তহবিল ইউনিসেফ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে ব্যয় করবে।

তপন/থিওটোনিয়াস/

পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল পুনর্খনন হবে: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিমি খাল পুনর্খনন হবে: ত্রাণমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

সারা দেশে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনর্খননের পরিকল্পনার কথা জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

তিনি বলেন, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনর্খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন শুকনো মৌসুমে পানি সংরক্ষণ করা যাবে, অন্যদিকে বর্ষাকালে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে ফসলহানি কমানো সম্ভব হবে।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার আমডালা খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, খাল শুধু খাল নয়। খালের মধ্যে পানি সংরক্ষণ করে রাখা যাবে শুকনো মৌসুমে। আবার বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকায় কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা ও ফসলহানি কমবে। আমরা খালের পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করছি। মাছ-ভাতের বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতেও খাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা। বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি যদি স্বাবলম্বী করা যায়, তাহলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও স্বাবলম্বী হবে।

তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। সে সময় দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। খাল খনন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল।

দেশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ পানি ধরে রাখতে হবে। দেশের অনেক নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। তিস্তা এখন অনেক জায়গায় মরুকরণের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ কারণে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর, জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

আসাদ জামান/থিওটোনিয়াস