আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ‘অবৈধ সরকারের সাজানো নির্বাচন দিনের পর দিন হাসি তামাশায় পরিণত হচ্ছে। নির্বাচনে যারা প্রার্থী হয়েছেন তারা সবাই দুর্নীতিবাজ, ডাকাত। দেশের মানুষ চরম আর্থিক সংকটে থাকলেও গত ১৫ বছরে এরা সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামে মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত ছিল- শোষক আর শোষিত। ২০২৩ ও ২৪ সালে এসেও মানুষ আজ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একপক্ষ হলো যারা এই সাজানো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে সেসব লুটেরা ডাকাত বাহিনী আর অপরপক্ষে আমরা যারা প্রহসনের নির্বাচন বর্জন করে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি সেসব মজলুম বঞ্চিত জনগণ। মজলুম বঞ্চিত জনগণের বিজয় হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।’
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচন বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
এদিন বিকেল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে তা কাকরাইল, বিজয়নগর, নয়াপল্টন, সেগুনবাগিচা, পুরানা পল্টনসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে বিজয় নগরের বিজয়-৭১ চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলের অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক বিএম নাজমুল হক। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এই অবৈধ জালিম সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এবি পার্টি লাগাতার কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে। এখন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ৭১ এর রাজাকার আলবদরদের মতোই বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ দিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। পুলিশ-বিজিবি আজ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ৭ জানুয়ারি এই প্রহসনের নির্বাচন হতে পারে না, এটা দেশের জনগণ হতে দেবে না।’
মিছিল ও সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব আনোয়ার সাদাত টুটুল, এবি যুবপার্টির আহ্বায়ক এবিএম খালিদ হাসান, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব আব্দুল বাসেত মারজান, সহকারী সদস্যসচিব শাহ্ আব্দুর রহমান, যুবপার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব হাদিউজ্জামান খোকন, মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, যুগ্ম সদস্যসচিব সফিউল বাসার, কেফায়েত হোসেন তানভীর, ছাত্রপক্ষের আহ্বায়ক মোহাম্মদ প্রিন্সসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
সালমান/