ঢাকা ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩১, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয়: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৪, ০৮:৩০ পিএম
আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:১৯ পিএম
বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয়: মির্জা ফখরুল
মহাখালীতে ব্রাক সেন্টারে বিএনপির চেয়ারপারনের উপদেষ্টা প্রয়াত সাবিহউদ্দিন আহমেদে দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয় বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার আমরা কারা? জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।’

শনিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানী মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে বিএনপির প্রয়াত নেতা সাবিহ উদ্দিন আহমেদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার যে দাবি তোলা হচ্ছে, সেটাকে চক্রান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা একটা চক্রান্ত। দেশে একটা অনিশ্চয়তা সৃষ্টির জন্য চক্রান্ত করা হচ্ছে। যেটা কোনো ইস্যু না, সেটাকে ইস্যু তৈরি করা হচ্ছে। আমি মনে করি এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সচেতন হওয়া দরকার।

এর আগে স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ ও দেশের গণতন্ত্রের জন্য সাবেক রাষ্ট্রদূত সাবিহ উদ্দিন আহমেদ সারাজীবন কাজ করে গেছেন। সাবিহ উদ্দিন দেশ ও জনগনের প্রশ্নের কোনো কম্প্রমাইজ করেননি। তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক। এমন মানুষ পাওয়া দুস্ককর। একজন দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে তাকে দেশের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণে রাখবেন।  

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সাবিহসহ আমরা যারা ছাত্ররাজনীতি শুরু করেছিলাম আমাদের একটা লক্ষ্য ছিল এই সমাজটাকে পরিবর্তন করব, বদলে দেবো। পরবর্তী সরকারি চাকরিতে চলে যাওয়ায় আর সম্ভব হয়নি। সরকারি চাকরিতে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে যায়নি, সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন সাবিহ’।  

তিনি বলেন, সাবিহ যেখানেই ছিল সেখানেই দেশের জন্য কাজ করেছে, জনগণের জন্য কাজ করেছে। সবচেয়ে বেশি আমার মনে পড়ে যে, যখন তিনি আমাদের ম্যাডাম বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাজ করেছেন তখন দেখেছি যে, তিনি সবচেয়ে বেশি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। 

শেখ হাসিনার শাসনমালে সাবিহ উদ্দিন ওই সময়ে সরকারের রোষানলে নির্যাতিত হওয়ার তুলে ধরেন বলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ওই সময়ে তার ওপরে প্রচণ্ড আক্রমণও হয়েছিল, রিয়াজ রহমান সাহেবের গুলি লেগেছিলো, সাবিহ উদ্দিন আহমেদের গাড়িটা পুড়িয়ে দিয়েছিল আর আরেকজনের যেন কে তার ওপরও আক্রমণ হয়েছিল। এই সময়গুলো আমরা পার করেছি। তার চলে যাওয়াটা আমাদের জন্য কষ্টকর। কোনো কিছুতে ভেঙে পড়ার লোক ছিল না, লড়াই করেছে শেষ পর্যন্ত। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ দেখে যেতে পারলে খুশি হতে তিনি। 

স্মরণসভায় অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ বলেন, ‘সাবিহ শেষ দিন পর্যন্ত দেশ ও দশের কথা ভেবেছেন। তার মধ্যে স্বার্থপরতা ছিল। দেশপ্রেমের প্রশ্নের কোনো আপোষ তিনি করেননি। বাংলাদেশে খুব মানুষই পাবে যে, আপন স্বার্থ ভুলে দেশ ও জনগনের স্বার্থ নিয়ে কাজ করা। তিনি সব সময়ে এটা লালন করেছেন।  

প্রয়াত সাবিহ উদ্দিন বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ওপরে স্মৃতিচারণ করেন প্রবীণ সম্পাদক শফিক রেহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মাহফুজ আনাম, এবিএম শাহেদ আখতার, প্রয়াত সাবিহ উদ্দিন আহমেদর ছোট ভাই সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ অবসরপ্রাপ্ত কুটনীতিক, ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদসহ বিভিন্ন পেশার নাগরিকগণ। প্রয়াত সাবিহ উদ্দিনের সহধর্মিনী রওনক আহমেদ, ছেলে সাইয়াব আহমেদ, বিএনপি মহাসচিবের সহধর্মিনী রাহাত আরা বেগমসহ নিকট স্বজনরাও ছিলেন স্মরণ সভায়। 

উল্লেখ, ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবিহউদ্দিন আহমেদ। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব হন সাবিহ উদ্দিন আহমেদ। ২০০১ সালে সাবিহ উদ্দিন আহমেদ পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ওই বছরই সাবিহউদ্দিন আহমেদ যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাই কমিশনার ছিলেন। 

সফিক/এমএ/  

বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে: গোলাম পরওয়ার

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০২:১৫ পিএম
বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে: গোলাম পরওয়ার
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি: খবরের কাগজ

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত হত্যাকারীদের এখনো চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। 

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।  

সভায় প্রধান অতিথি গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘তাদের (বুদ্ধিজীবী) আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে আমরা মুক্ত-স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। যুগ যুগ ধরে জাতি তাদের অবদানের কথা স্মরণ করবে। ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবীদের কারা হত্যা করল? স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর আজও জাতির সামনে তা তুলে ধরা হয়নি। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার প্রকৃত রূপ রহস্যঘেরা এবং এখনো প্রকৃত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে।’

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সাংবাদিক, চিত্র নির্মাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জহির রায়হানের নিখোঁজের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের লড়াই সংগ্রাম ও বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঘটনার তিনি ডকুমেন্টারি গবেষণার কাজে হাত দিয়েছিলেন। বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে গিয়ে হত্যার কারণ, তথ্য উপাত্ত ও প্রমাণ খুঁজে বের করছিলেন। জাতি ভেবেছিল, জহির রায়হানের এই ডকুমেন্টারি প্রকাশ হলে অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাকে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে আর খুঁজে পাওয়া গেল না। তার ডকুমেন্টারি কোথায় আজও তা জানা যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ভোটাধিকার এদেশের মানুষ নির্ধারণ করবে। ১৪, ১৮ এবং ২৪-এর ভোট আমরা দিতে পারিনি। এই তিনটা ভোটই জনগণ বর্জন করেছে। আর এই আধিপত্যবাদী শক্তি (ভারত) এদেশে তাদের একজন সেবাদাস, দল দাসদেরকে প্রলুব্ধ করে তাদের মনোনীত সরকারকে টিকিয়ে রেখেছে।’

জামায়াতের সেক্রটারি জেনারেল বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৩ বছর পরেও ভারত কখনো আমাদের বিশ্বস্ত বন্ধুর পরিচয় দিতে পারেনি। আমরা ভারতের শত্রু নয় বরং ভারতে বছরে বছরে যারা শাসন ক্ষমতায় এসেছেন তারা আমাদের শত্রুতা করেছে। তারা আমাদের ক্ষতি চেয়েছে, আমরা তাদের ক্ষতি চাইনি।’   

ভারতকে উদ্দেশ্য করে অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি, ইকোনমিক, বাংলাদেশের সামরিক অবকাঠামোর স্বার্থের চেয়ে তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ অনেক বেশি। যেসব প্রকল্পগুলো অনেক বড় সেগুলো বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে লাভ হবে ভারতের আর কাজটা করাবে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি, পদক্ষেপ, ব্যবসা-বাণিজ্য এই ৫৩ বছরে করা হয়েছে।’  

তিনি বলেন, ‘তাদের (ভারত) পছন্দ করা শাসক না হলে বাংলাদেশ চলবে না। এটা হচ্ছে তাদের নীতি। যারা তাদের চাওয়া-পাওয়া ও স্বপ্ন পূরণ করবে তারাই এদেশ শাসন করবে।’ 

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে আমরা শত্রু মনে করি না। ভারতের জনগণ আমাদের শত্রু নয়। ভারতে যারা শাসক এসেছেন, চরম সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আদর্শ এবং মূল্যবোধকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। এদেশ যদি পদানত থাকে, একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়, ভারতের একটা বাজারে যদি পরিণত হয় তাহলে তো ভারতের লাভ বেশি।’

শফিকুল/পপি/

বাংলাদেশকে বহিঃশক্তির হাতে তুলে দিতে চেয়েছিল আ.লীগ: জামায়াত নেতা

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:২৭ পিএম
বাংলাদেশকে বহিঃশক্তির হাতে তুলে দিতে চেয়েছিল আ.লীগ: জামায়াত নেতা
সীতাকুণ্ডে ছাত্রশিবিরের সাবেক সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে বক্তৃতা দিচ্ছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান। ছবি: খবরের কাগজ

পতনের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বহিঃশক্তির হাতে দেশকে তুলে দিতে মরিয়া ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান। 

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে সীতাকুণ্ড আলিয়া মাদরাসার হলরুমে ছাত্রশিবিরের সাবেক সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানে সীতাকুণ্ড উপজেলার সহস্রাধিক সাবেক সাথী ও সদস্য অংশ নেন।

এ সময় মাওলানা মো. শাহজাহান বলেন, ‘৫৩ বছরের ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের কোনো নেতা বাংলাদেশবিরোধী কোনো বাক্য উচ্চারণ করেননি।

তবে বাংলাদেশের জন্মে আওয়ামী লীগকে সবচেয়ে বেশি স্বীকৃতি দেওয়া হলেও এই দলের নেতারাই দেশদ্রোহী কর্মকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি জড়িত ছিলেন।’

আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশের ৭০ ভাগ ক্ষমতা ভারতের হাতে ছিল মন্তব্য করে তিনি জানান, হাসিনা এখনো ভারতে বসে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছেন।

শাহজাহান বলেন, ‘আজকের এই নতুন বাংলাদেশ শহিদদের রক্তের ফসল, মজলুমদের চোখের পানির ফসল। এতে আপনার আমার কোনো কৃতিত্ব নেই। সব কৃতিত্ব ওইসব শহিদদের, যারা এই জমিনের জন্য রক্ত দিয়েছেন, প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছেন।’

পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে দেশকে এগিয়ে নিতে ছাত্রশিবিরের সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এটাই ‘দ্বিন প্রতিষ্ঠার’ সবচেয়ে ভালো সুযোগ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সীতাকুণ্ডে প্রায় দুই দশক পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর আলাউদ্দিন সিকদার।

জেলা আমীর তার বক্তব্যে বলেন, ‘১১ শহিদের রক্তস্নাত এই সীতাকুণ্ডের ময়দান। অনেক রক্ত, ত্যাগ, তিতিক্ষা, শ্রম, ঘাম বিনিময়ে আজ আমি এখানে দাঁড়াতে পেরেছি।’

সংগঠনকে এগিয়ে নিতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাজিদ চৌধুরী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর রাশেদুজ্জামান মজুমদার, সেক্রেটারি আবু তাহের, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণের সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি কুতুব উদ্দিন শিবলী, মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক আবুল হোসেন, শিল্প ও বাণিজ্য এবং যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সম্পাদক শামসুল হুদা, শূরা সদস্য ও কর্মপরিষদ সদস্য মিছবাহুল আলম রাসেল, মাওলানা নুরুল কবির, মিরসরাই জামায়াতের সাবেক আমী নুরুল করিম।

নাইমুর/অমিয়/

মিরপুরে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে অ্যাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:২৬ পিএম
আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০১:২০ পিএম
মিরপুরে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে অ্যাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি
মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন অ্যাবের সভাপতি প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজুরসহ অন্য প্রকৌশলীরা। ছব: খবরের কাগজ

রাজধানীর মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপিপন্থি প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ারস বাংলাদেশ (অ্যাব)। 

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অ্যাবের সভাপতি প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজুর নেতৃত্বে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান, আইইবির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া, প্রকৌশলী এ টি এম তানবীর-উল হাসান (তমাল), সহকারী সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহবুব আলম, প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল, প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ ওসমানী এবং আইইবি ঢাকা সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন তালুকদার, ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. কামরুল হাসান উজ্জ্বল, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, অ্যাবের উপদেষ্টা প্রকৌশলী এ কে এম জহিরুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আব্দুল হালিম, প্রকৌশলী আজিম উদ্দিন, প্রকৌশলী বিজু বড়ুয়া, যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী আবু হোসেন হিটলু, অ্যাব ঢাকা কেন্দ্রের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শাহীন হাওলাদার, প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলামসহ আইইবি ও অ্যাবের অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুল/পপি/

নতুন সুযোগে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৫১ এএম
আপডেট: ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:১১ পিএম
নতুন সুযোগে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই: মির্জা ফখরুল
মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধায় পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীসহ দলের নেতা-কর্মীরা। ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের নতুন সুযোগে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পরাজিত করে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই সুযোগের সদ্‌ব্যবহার করে আমরা বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক, আধুনিক রাষ্ট্র ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুরের শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে পাক-হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, বৈজ্ঞানিক এবং সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছিল একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য। এটি হয়েছিল শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আজ আমরা সবাই মিলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের মাগফিরাত কামনা করছি। আজকের এই দিনে আমরা শপথ গ্রহণ করেছি বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যে কারণে যুদ্ধ করেছিল একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য।’

জনগণের ইচ্ছানুযায়ী খুব দ্রুত একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা সব সময় আশাবাদী। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আমরা সহযোগিতা করছি। আশা করি, খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছানুযায়ী একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাবে।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘গণতন্ত্র হত্যা ও গণহত্যা করে আওয়ামী লীগ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই কারণে তারা আজ উপস্থিত হতে পারেনি।’

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে রাজনীতিবিদদের উদ্দেশে গতকাল শুক্রবার একজন উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন তা বিরাজনীতিকরণের একটি প্রয়াস।’

পৃথিবীতে যত সংস্কার হয়েছে তা রাজনীতিবিদরা করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন - বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, খায়রুল কবির খোকন, হাবীব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শামীমুর রহমান শামীম, মাহবুবুল ইসলাম মাহবুব, মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তাফা জামান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহীদুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবী দলের আবদুর রহিম, ছাত্রদলের রাকিবুল ইসলাম, নাছির উদ্দিন নাছিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজারো নেতা-কর্মী।

শফিকুল ইসলাম/অমিয়/

বন্ধুবান্ধব সার্কেল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছে: দাবি নুরের

প্রকাশ: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:৫৬ পিএম
আপডেট: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:৫৮ পিএম
বন্ধুবান্ধব সার্কেল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছে: দাবি নুরের
জাতীয় প্রেসক্লাবের বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘ভারতীয় আগ্রাসন ও আধিপত্যবিরোধী’ জাতীয় যুব সমাবেশে প্রধান অতিথি গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। ছবি: খবরের কাগজ

নিজেদের সার্কেলের বন্ধুবান্ধব এবং লোকজনদের নিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেছে বলে দাবি করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর সমস্ত রাজনৈতিক দল, শিল্পী, সাহিত্যিক সবার প্রত্যাশা ছিল নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে আন্দোলনের অংশীজনদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন হবে। রাষ্ট্র সংস্কার করা হবে। কিন্তু দুঃখজনক, আমরা যাদের সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছি, তারা তাদের সার্কেলের বন্ধুবান্ধব এবং লোকজনদের নিয়ে সরকার গঠন করেছেন।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘ভারতীয় আগ্রাসন ও আধিপত্যবিরোধী’ জাতীয় যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘জনগণের বাইরে গেলে, জনসমর্থনের বাইরে গেলে এই সরকার এক সপ্তাহ টিকে থাকতে পারবে না। অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এই অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে গোটা জাতি তাকিয়ে আছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো, সরকার জাতির মনের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে পারছে না। তারা জনগণকে হতাশা করছেন। ফলে এখন রাজনৈতিক দলগুলো দ্রুত সময়ে নির্বাচন চাচ্ছে। সরকারের কর্মকাণ্ডেও সন্দেহ সংশয় প্রকাশ করছে।’ 

তিনি বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের সংকটের জন্য ভারত দায়ী। সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো বলেছে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে কূটনৈতিক সম্পর্ক, সেটি স্বাভাবিকভাবেই চলবে। তবে আওয়ামী লীগকে তারা (ভারত) দাস-দাসীর মতো ব্যবহার করেছে, এই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের সরকারকে সেভাবে দাস-দাসীর মতো ব্যবহার করতে পারবে না।’

নুর বলেন, ‘১৬ বছরে শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে দেশবিরোধী যত চুক্তি হয়েছে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। ভারত যদি আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও বন্ধুত্ব রাখতে চায়, সেই সম্পর্ক হবে দুদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে।’

মাহফুজ/

'), descriptionParas[2].nextSibling); } if (descriptionParas.length > 6 && bannerData[arrayKeyTwo] != null) { if (bannerData[arrayKeyTwo].type == 'image') { descriptionParas[0].parentNode.insertBefore(insertImageAd(bannerData[arrayKeyTwo].url, ('./uploads/ad/' + bannerData[arrayKeyTwo].file)), descriptionParas[5].nextSibling); } else { descriptionParas[0].parentNode.insertBefore(insertDfpCodeAd(bannerData[arrayKeyTwo].custom_code), descriptionParas[5].nextSibling); } } if (descriptionParas.length > 9 && bannerData[arrayKeyThree] != null) { if (bannerData[arrayKeyThree].type == 'image') { descriptionParas[0].parentNode.insertBefore(insertImageAd(bannerData[arrayKeyThree].url, ('./uploads/ad/' + bannerData[arrayKeyThree].file)), descriptionParas[8].nextSibling); } else { descriptionParas[0].parentNode.insertBefore(insertDfpCodeAd(bannerData[arrayKeyThree].custom_code), descriptionParas[8].nextSibling); } } });