কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ ব্যবসা থেকে বছরে সাড়ে ১২ লাখ টাকা আয় করেন। আর স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৫০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং জুলাই ও গণ-অভ্যুত্থানের অগ্রণী এ সৈনিকের। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জমা দেওয়া হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
এ ছাড়া তার নামে ব্যাংকে ২৬ লাখ টাকার সোনা রয়েছে। তিনি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৯ টাকা। তার নামে কোনো কৃষিজমি নেই। বাবা-মা ও স্ত্রী-সন্তান তার আয়ের ওপর নির্ভরশীল। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এমএ।
হলফনামায় হাসনাত আবদুল্লাহ আরও উল্লেখ করেছেন, ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র ও ৬৫ হাজার টাকার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য রয়েছে তার। তবে তার নামে কোনো মামলা বা অভিযোগ নেই। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৯ টাকার মূলধন রয়েছে। বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তানের নামে কিংবা তার নিজের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। তার স্ত্রী গৃহিণী।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে সাংবাদিকদের হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, একটি ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তিনি কাজ করবেন। ‘ফ্যাসিবাদের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছরে আমাদের মৌল মানবিক অধিকার বঞ্চিত হয়েছে, গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হয়েছে, অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে আমরা গিয়েছি। সে জায়গা থেকে আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি, একই সঙ্গে ভোটাধিকার নিশ্চিত হচ্ছে, সেটি যেন সর্বজনীনতা পায়।’
প্রসঙ্গত, হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপি মনোনীত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চারবারের নির্বাচিত এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। দেবিদ্বার আসনে হাসনাতকে ছাড় দিয়েছেন জোটের নেতা জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহিদ। আসনটিতে বিএনপি, এনসিপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র থেকে মোট আটজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।