ঢাকা ৭ শ্রাবণ ১৪৩১, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হচ্ছে না কেন?

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৪, ১১:৫১ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৪, ১১:৫১ এএম
দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হচ্ছে না কেন?

সব ধরনের কোটা বাতিল চাই। কিন্তু ঘুষ ও দুর্নীতির কী হবে? ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হচ্ছে না কেন? লুটপাটকারীদের কানাডা থেকে ফেরত আনা ও বিচারের মুখোমুখি করার জন্য আন্দোলন হচ্ছে না কেন? 

চাকরি দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াদের বিরুদ্ধেও হচ্ছে না কেন দুর্বার আন্দোলন!  ঘুষখোর-দুর্নীতিবাজদের চিরতরে নির্মূল করা হয় না কেন! 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

রূপনগর খাল আগের মতো ফিরিয়ে দাও

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৩ এএম
আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৩ এএম
রূপনগর খাল আগের মতো ফিরিয়ে দাও

একসময় আয়তন ও দৈর্ঘ্যে বেশ বড় ছিল ঢাকার মিরপুরের রূপনগরের বিশাল খালটি, যা এখন মৃত। একদা রূপনগর খালে নৌকা চলত নিয়মিত। রূপনগর খাল দিয়ে মানুষ তুরাগ নদ পর্যন্ত যেত। তবে কালে কালে দখল আর দূষণে রূপনগর খালটি সংকীর্ণ হতে হতে বিলীন হওয়ার পথে।

খালের বিভিন্ন অংশ সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ভরাট করে দখল হয়ে গেছে। এ ছাড়া ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হতে হতে খালটি নালায় পরিণত হয়েছে। রূপনগর আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে যাওয়া এই খাল এখন প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসাবাড়ির ময়লাসহ লেপতোশক, নষ্ট ফ্রিজের মতো ভারী ময়লাও এই খালে ফেলছেন স্থানীয়রা। খালের পাড় দখল করে অবৈধ বাসাবাড়ি ও দোকান বানানো হয়েছে। 

রূপনগর খালটি আগের মতো ফিরিয়ে আনতে হলে যারা খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট করে বাড়িঘর করেছে, সেগুলো উচ্ছেদ করে সেখানে পুনর্খনন করে আগের অবস্থায় আনা জরুরি। অর্থাৎ আগের মতো খালের রূপ দেখতে চায় রূপনগরবাসী। আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা  নেবেন। 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

কুমার নদে কচুরিপানা, অপসারণ করুন

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৪, ১১:১৩ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৪, ১১:১৩ এএম
কুমার নদে কচুরিপানা, অপসারণ করুন

পদ্মা নদীর শাখা কুমার নদ নামে রাজবাড়ী জেলার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এই নদের একসময় যৌবন ছিল, ছিল প্রখর স্রোত। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, এর দৈর্ঘ ৭৯ কিলোমিটার ও প্রস্থ ৪৪ মিটার। যার অধিকাংশ জাগায় এ নদের ঐতিহ্য হারাতে চলেছে। যে নদীটি দিয়ে এক সময় লঞ্চ, স্টিমার, বড় বড় নৌকা চলত। বর্তমানে এই নদীর চিত্র দেখলে তা যেন বর্তমান প্রজন্মের কাছে কাল্পনিক গল্প মনে হবে। সেখানে আজ কচুরিপানায় ভরে গেছে। 

সব ধরনের দখল-দূষণ আর কচুরিপানা পরিষ্কার করে কুমার নদকে ব্যবহার উপযোগী করার দাবি সবার। কারণ কুমার নদের আশপাশে বসবাসরত জেলেরা নদে মাছ মারার জন্য ভেশাল বা বাঁশের বাঁধ দিয়ে থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বাঁশ পুঁতে রেখে দেয়। ফলে কচুরিপানা নদ থেকে যায় না। কুমার নদের পানি ব্যবহার করাও কঠিন। নদী সংলগ্ন বাজার-ঘাট, বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে এ নদ। কুমার নদের পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, কুমার নদের কচুরিপানা অপসারণ করে স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হোক।

বাণী ভাস্কর চৌধুরী
সুলতানপুর, রাজবাড়ী

সাপ্লাই পানি টেনে আনতে হবে কেন?

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৪, ১১:১২ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৪, ১১:১২ এএম
সাপ্লাই পানি টেনে আনতে হবে কেন?

ঢাকার অধিকাংশ বাড়িওয়ালা ভালো করেই জানেন, পানি সাপ্লাইয়ের ব্যাপারে ওয়াসা কতভাবে যে ভোগান্তি দিতে জানে। পানি আসবে স্বাভাবিকভাবে, অটোমেটিক ট্যাংকি ভরে যাবে। কিন্তু তা নয়, স্বাভাবিক নিয়মে পানি না আসার কারণে রাত ১২টায় বিদ্যুতের সাহায্যে টেনে টেনে পানি এনে ট্যাংকিতে ভরতে হয়। 

এ যে কী কষ্ট, তা ভুক্তভোগীরাই জানেন। যারা নিয়মিত পানির বিল পরিশোধ করে যাচ্ছেন তাদের স্বাভাবিকভাবে পানি সাপ্লাই না দেওয়ার রহস্যটাই বা কী! টেনে টেনে পানি ওঠাতে হবে কেন! পানি আসবে স্বাভাবিক নিয়মে- পানির ট্যাংকি ভরে উঠবে এটাই তো সবাই চায়। যদি সেটা না পারেন তাহলে ওয়াসা ডিপার্টমেন্ট সৃষ্টি করেছিলেন কেন? 

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

সীমান্তে ভবন নির্মাণে জটিলতা

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৪, ১১:০৭ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৪, ১১:০৭ এএম
সীমান্তে ভবন নির্মাণে জটিলতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায় অবস্থিত স্থলবন্দর, ইমিগ্রেশন ও কাস্টম ভবনগুলো দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও পুরোনো। এগুলো এতই বেহাল যে, দিন দিন প্লাস্টার খসে পড়ছে আর ভবনগুলো ড্যাম্প হয়ে পড়েছে। স্যাঁতসেঁতে এই ভবনগুলো বারবার সংস্কারে হাত না দিয়ে সরকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য নতুন করে আখাউড়া ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টম ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রায় তিন বছর আগে থেকে এর কাজ শুরু হলেও ভারতীয় বিএসএফের হস্তক্ষেপে কাজগুলো বন্ধ হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে। দফায় দফায় বাধার মুখে মাথা তুললে পারছে না আখাউড়া স্থলবন্দরে নির্মাণাধীন ইমিগ্রেশন ও কাস্টম ভবনগুলো। উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে এটা সমাধান করা যেত। প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা করে সমস্যা থাকলে তা সমাধান করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, সীমান্তের দেড় শ গজের মধ্যে এই স্থাপনা নির্মাণকাজে ভারত শুরু থেকে বাধা দিয়ে আসছে। অথচ তারা নিজেরাই আখাউড়া সীমান্তের জিরো পয়েন্টের দেয়াল ঘেঁষে এ ধরনের ভবন নির্মাণ করেছে, তখন তারা কোনো বাধাই মানেনি। বিষয়টি আমাদের পররাষ্ট্র বা স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত আছে কিন্তু তারাও নীরব-নির্বিকার। এ ক্ষেত্রে সরকারের অবহেলা ও উদাসীনতাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যায় না। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে কেন জানি এ সমস্যা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদাসীনতার ভূমিকা পালন করেছে। আশা করি, সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবে।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী 
লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী
ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১২০৪
[email protected]

গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৪, ১১:০৬ এএম
আপডেট: ১৫ জুলাই ২০২৪, ১১:০৬ এএম
গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান

এখন বর্ষাকাল। গাছ লাগানোর উত্তম সময়। পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকে গাছ অক্সিজেন, ফুল, ফল ও ছায়া দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। খরা মৌসুমে গাছ লাগিয়ে তা বাঁচানো কঠিন। এই বর্ষাকালে গাছ লাগাতে হবে। গাছ থেকেই আমরা অক্সিজেন পাই। কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে গাছ। অথচ মানুষ গাছগুলোকে কেটে ফেলছে নামমাত্র অজুহাতে। আসুন গাছ না কাটি। গাছকে বন্ধু হিসেবে ভাবতে হবে। গাছকে রক্ষা করেও কাজ করা যায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের কোনো বিকল্প নেই। ফসলি জমি ও গাছপালা বিনষ্ট করে দালানকোঠা নির্মাণ করার ফলে একসময় দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। তা ছাড়া এভাবে গাছপালা কমতে থাকলে মানুষ অক্সিজেনের অভাবে ভুগবে। বিশুদ্ধ বাতাসের অভাবে আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধবে। গাছপালা কাটা বন্ধ করতে হবে। বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। তাহলে দেশ আবার সত্যিকার রূপে সবুজ-শ্যামল হয়ে উঠবে। আমাদের এই উপকারী বন্ধুর অস্তিত্ব রক্ষা করতে, পরিবেশকে আরও সুন্দর করতে আসুন আমরা গাছ লাগাই।

নিপাতন সন্ধি
হাতিরপুল, ঢাকা