ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কেন মন্টেরি স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা? মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার প্রবাসে ৪৭ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধনের অনুমোদন ঢাকাগামী ফ্লাইটে ওঠার আগে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার জাপানের কাছে হারের পর যা বললেন তিউনিসিয়া কোচ বাজেট ডিব্রিফিং সেশন সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে: স্পিকার ইস্টার্ন ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন নেওয়া শুরু উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ৩০ মিটার বিলীন কামাদাকে প্রশংসায় ভাসালেন জাপান কোচ মোরিয়াসু বগুড়ায় এসএমই উদ্যোক্তাদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্যেগ নিল বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক চান্দগাঁও বিসিকে দিনদুপুরে ফাঁকা গুলি, যুবদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা নিভে গেল ক্রীড়াঙ্গনের বাতিঘর: এক কিংবদন্তির প্রস্থান সিলেটে শাহজালাল (রহ.) মাজারের ‘ডেগকাণ্ডে’ ডিসি প্রত্যাহার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী কানসাসে আর্জেন্টিনার অনুশীলন, স্কালোনির একাদশে দুই সংশয় আখাউড়ায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার পর যুবকের মৃত্যু ক্র্যাফটস ভিলেজেস আজীবন সম্মাননায় ভূষিত প্রতিমাশিল্পী হরিপদ পাল গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি রাঙামাটিতে ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৯ ভাইরাল ভিডিওতে জেলেনস্কি-মেলোনি, ব্যাখ্যায় সরব নেটদুনিয়া স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার মাদক সেবনের ভিডিও কাণ্ডে বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি‎ রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ম্যারাডোনা-মেসির সঙ্গে ইয়ামালের তুলনা ভুল দারুণ সেভের পর কুরাসাও গোলরক্ষক বললেন, ‘আমার একটি ভাস্কর্য বানাও’ ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন

কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ: সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ: সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস

সাতক্ষীরার ‘মাগুরা’ এলাকায় প্রতিষ্ঠিত জেলার একমাত্র ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস’। ১৯৮০ সালে এটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর ১৯৮৩ সাল থেকে উৎপাদন শুরু হয়। ৩০ একর জমির ওপর স্থাপিত মিলসের মূল ইউনিট ও নীলকমল ইউনিট মিলে ৩৯ হাজারেরও বেশি টাকু ঘুরতো প্রতিনিয়ত। দুই ইউনিটের দৈনিক সুতা উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১০ হাজার কেজি। এই সুতা থেকে থানকাপড়ও তৈরি হতো। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, টেক্সটাইল মিলটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। ফলে উৎপাদন না হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ মিলে থাকা কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। এ মিলটি প্রতিষ্ঠা করার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। এখানে প্রায় দেড় হাজারের মতো শ্রমিক কাজ করত। ২০০৭ সালে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে শ্রমিক ও কর্মচারীদের বিদায় দেওয়া হয়। এ বৃহৎ সংখ্যক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ার কারণে জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। তাই মিলটি পুনরায় চালু করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. আরাফাত হোসেন
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]
মোবাইল: 01700984614

প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অরাজকতা দীর্ঘদিনের। সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব অর্থসংকট দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি আদায় করার কথা বলেছেন। এমন কথা শুনে আমি অবাক না হয়ে পারিনি। এটা কি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের একার সিদ্ধান্ত নাকি রাষ্ট্রের তাতে মত রয়েছে, তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। তবে রাষ্ট্র বিষয়টি জানতে পেরে ইতস্তত বোধ করছে। রাষ্ট্র যদি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নিত তাহলে তারা এ বিষয় নিয়ে অবাক হতো না। প্রাথমিকে অনেক অবহেলিত জনগোষ্ঠীর শিশু পড়ে। অনেক মা আছেন যারা বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার সময় হাতে পাঁচ টাকা বিস্কুট খেতে পর্যন্ত দিতে পারেন না। বাচ্চাদের যেখানে স্কুলমুখী করার জন্য মিড ডে মিল চালু করা হচ্ছে, সেখানে পরীক্ষার ফি বসানোটা কতটা যৌক্তিক।

মাঝেমাঝে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কিছু অনৈতিক চিত্র প্রকাশ হতে দেখি। এখনো অনেক বিদ্যালয় রয়েছে যেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে গেলে টাকা নেওয়া হয়। প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার মান যদি ফলপ্রসূ করা না যায়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবে। তখন তারা বেকারত্বের শিকার হয়ে রাষ্ট্রের বোঝা হবে। তাই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সামান্য পরীক্ষার ফি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষাকে কলুষিত করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহিপাড়া, মুন্সিগঞ্জ
[email protected]

রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি

শিক্ষানগরী রাজশাহী, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। অপরূপ সৌন্দর্যের এই নগরীতে মানুষের সংখ্যার চেয়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অটোর সংখ্যা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অটোচালকদের দৌরাত্ম্য। অটোচালকরা স্বেচ্ছাচারিতায় আবর্তিত হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হঠাৎ করেই সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়াই সর্বনিম্ন দূরত্বের ভাড়া দ্বিগুণ করা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির অজুহাতে অটোচালকরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে করেছে ১০ টাকা। অর্থাৎ একজন যাত্রীকে যদি ২ মিনিট দূরত্বের স্থানে অটোতে যেতে হয় তাহলে তাকে দিতে হবে ১০ টাকা। যা সাধারণ যাত্রী এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

সুতরাং, রাস্তার দূরত্বের ওপর নির্ভর করে ভাড়া নির্ধারণ এবং অটোচালকদের এমন স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে রাজশাহী সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

সাফিয়া ইসলাম দিশা
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
লোডশেডিং বন্ধ হোক

প্রচণ্ড গরমের সময়ে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, জ্বালানি তেল গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে ঘন ঘন দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সৃষ্টি হচ্ছে

পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে শহরাঞ্চলে ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলেও কৃষিকাজ, সেচব্যবস্থা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন অনেক শিক্ষার্থী রাতে পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ পাচ্ছে না, যা তাদের শিক্ষাজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি আধুনিক উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক প্রয়োজন তাই জ্বালানি খাতে কার্যকর দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই একই সঙ্গে সংকটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি

খান ইয়ামিন

আহ্বায়ক, আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার

নম্বর হাবেলী গোপালপুর, মুজিব সড়ক, সদর, ফরিদপুর

[email protected]

মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
মন্ত্রীদের আচরণ যা হওয়া উচিত

বিগত সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সব মন্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের অহংকার-অহমিকা এবং দম্ভ গড়ে উঠেছিল জনগণের ক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে তাই এখনই বলে রাখা ভালো, জনগণের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে মন্ত্রীরা কখনই কথা বলবেন না আগে জনগণের অভাব-অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং তারা কী চায়, তাদের জন্য কতটুকু করতে পারবেন সেটা বুঝিয়ে বলবেন মন্ত্রীদের একজন প্রকৃত জনদরদি নেতা, যিনি সততা, সরলতা, ভালোবাসা আদর্শ নিষ্ঠার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকারের যোগ্যতা থাকতে হবে জনস্বার্থ জনকল্যাণের প্রশ্নে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে সবসময় সোচ্চার থাকতে হবে

মন্ত্রীদের সাহসী, সংগ্রামী আপসহীন ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জনসেবা চালিয়ে যেতে হবে কারণ মন্ত্রীদের কাছে দেশের মানুষের অনেক চাহিদা-আবদার থাকতেই পারে, এটা নতুন কিছু নয় মন্ত্রীরা ভোটের আগে তার এলাকায় জনগণকে যে ধরনের আশ্বাস কাজের গতির স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তা ধীরে ধীরে পালন করার চেষ্টার কোনো অবহেলা করবেন না

মনে রাখবেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা শুধু নির্বাচনের সময় হওয়া উচিত, কিন্তু বছরের বাকি সময় দলমতনির্বিশেষে সবার উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে মন্ত্রী হলেই যে আপনি দেশের অভিভাবক হয়েছেন সেটা না ভেবে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চেষ্টা করুন, এতে অনেক ফল পাওয়া যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

গণমাধ্যমকর্মী, ১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

[email protected]

 

তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন

গ্রীষ্মের তাপদাহ এবার বেশ প্রচণ্ডভাবেই অনুভূত হচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ তো বটেই, রাস্তায় থাকা পশুপ্রাণীরাও বিপর্যস্ত। তীব্র গরমে রাস্তার কুকুর, বিড়াল, গরু কিংবা পাখিরা পানির অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে, এমনকি মৃত্যুবরণও করছে। মানুষের মতো এসব অবলা প্রাণী নিজেদের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। অথচ এই পৃথিবী শুধু মানুষের নয়, পশুপাখিরাও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের একটুখানি মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবন রক্ষা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠান কিংবা রাস্তার পাশে পাত্রে পরিষ্কার পানি রাখা যেতে পারে। সম্ভব হলে কিছু খাবারের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে পশুপাখিরা আশ্রয় ও ছায়া পাবে। ফলে পরিবেশের জীববৈচিত্র্যও বজায় থাকবে। আমাদের সামান্য একটু সদয় আচরণ সহানুভূতিই পারে প্রকৃতির এই সুন্দর প্রাণগুলোকে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচিয়ে রাখতে।

প্রজ্ঞা দাস
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ
[email protected]