সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন ১৪০ বছরের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে শক্তিশালী সুপার এল নিনো। এই বিরল জলবায়ু ঘটনা বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। অতিবৃষ্টি, খরা, তাপপ্রবাহ এবং ঝড়ের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। এই গ্রীষ্মে আবারও আসছে ‘এল নিনো’। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি অস্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী হতে পারে। ‘সুপার এল নিনো’ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এটি হলে চলতি বছর বিশ্বের তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড ছুঁতে পারে। একই সঙ্গে ভয়াবহ ঝড়, খরা ও বন্যার মতো দুর্যোগও বাড়তে পারে। এল নিনো বন্যা, খরা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। উন্নয়নশীল যেসব দেশ কৃষি কাজ এবং মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল, তারাই এল নিনো দ্বারা অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। এল নিনো শুধু প্রকৃতি ও জনজীবনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে না সেই সঙ্গে অর্থনীতির ওপর ভয়ংকর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হচ্ছে। জলবায়ুর এরূপ পরিবর্তনের জন্য দায়ী মানুষ। নির্বিচারে গাছ কাটা, বন উজাড় করা, নদী ভরাট করা, বায়ুদূষণ, মাটিদূষণ, পানিদূষণ ও পরিবেশদূষণের ফলে জলবায়ু প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। আমরা যদি একটি বাসযোগ্য গ্রহ আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে উপহার দিতে চাই, তবে অবিলম্বে আমাদের সচেতন হওয়া জরুরি।
মো. জাহিদুল ইসলাম
নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান (আইসিটি সেল)
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]