প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ম্যাচেও ৩২৯ রানের বড় লক্ষ্য দেয় স্বাগতিকরা ইংল্যান্ডকে অধিনায়ক শাই হোপের সেঞ্চুরিতে। তবে হোপের সেঞ্চুরিকে টপকে ৫ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নেয় ইংল্যান্ড তাদের অধিনায়কে লিয়াম লিভিংস্টোনের সেঞ্চুরিতে। সিরিজে এখন ১-১ সমতা।
সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে নেমে উইন্ডিজের ২ উইকেটের পতন হয় ১২ রানেই। ইংলিশদের এমন দারুণ শুরু এনে দেন টার্নার।
শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়া উইন্ডিজদের সেখান থেকে টেনে তোলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে করেন ১১৭ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭১ রান আসে কেসি কার্টির ব্যাটে। শেষ দিকে শেফরান রার্দারফোর্ডের ৫৪ ও শিমরন হেটমায়ারের ২৪ ও ম্যাথু ফর্ডের ২৩ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ৩২৮ রানের শক্ত পুঁজি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বড় এই লক্ষ্য জবাব দিতে নেমে ৬৩ রানে ২ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। যদিও সেই ধাক্কা সামলে নেন ফিল সল্ট ও জেকব বেথেল। দুই ব্যাটারের অর্ধশতকে ম্যাচে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ডে।
তবে জয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়েন লিয়াম লিভিংস্টোন। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে করেন ৮৫ বলে ১২৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। মাঝে স্যাম করান খেলেন ৫২ রানের ইনিংস।
সিরিজের শেষ ম্যাচ আগামী ৭ নভেম্বর। এরপর আগামী ১০ নভেম্বর মাঠে গড়াবে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি।