চতুর্থ দিনের সকালের সেশনটা দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তুলে নিয়েছিল দ্রুত ২ উইকেট। নতুন করে এই সেশনে যোগ হয়েছে ৯৭ রান। শ্রীলঙ্কার রান এখন ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৬৫। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে পিছিয়ে লঙ্কানরা মাত্র ৩০ রান।
দিনের শুরুতে নাঈম হাসান তুলে নেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে। নাঈমের মিডল স্টাম্পে পিচ করা বল টার্ন করে লেগ স্টাম্প বেরিয়ে যাচ্ছিল, ফ্লিক করে ফাইন লেগে ঠেলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হন ধনাঞ্জয়া। ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ হন উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। নতুন করে তার ব্যাটে আসে ২ রান। আউট হন ব্যক্তিগত ১৯ রানে। দলের বোর্ডে তখন ৩৭৭ রান। অর্থাৎ চতুর্থ দিন ৯ রান যোগ হতেই পতন হয় পঞ্চম উইকেটের।
এরপর আঘাত হানেন হাসান মাহমুদ। তার বলে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন লিটন দাস বাম দিকে ঝাপিয়ে। মাত্র ৫ রানে কুশল মেন্ডিস ফিরে গেলে ৩৮৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দ্রুত ২ উইকেট তুলে নেওয়ায় এই সেশনে বাংলাদেশ দাপুটে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু সেটি হয়নি কামিন্দু মেন্ডিসের কারণে। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন মিলান রথনায়েক, তাদের জুটিই এখন স্বপ্ন সম্মানজনক লিডের।
তৃতীয় দিন শেষে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকা কামিন্দু আছেন ষষ্ঠ টেস্ট শতকের কাছাকাছি। ৭ চার ও ১ ছয়ে ৮৩ রান করে অপরাজিত আছেন। দিনের শুরুতে দ্রুত ২ উইকেটের পতন হলেও বাংলাদেশের বোলারদের তিনি খেলেছেন শাসন করেই। ফলে সকাল-সকাল টাইগার বোলারদের তৈরি করা চাপ অনেকটাই কেটে গেছে। কামিন্দু মেন্ডিস ও মিলান রথনায়েকের জুটি হয়েছেন এখন পর্যন্ত ৭৯ রান।
কামিন্দুকে অপরপ্রান্ত থেকে দারুণ সমর্থন দিচ্ছেন মিলান রথনায়েক। ৩ চার ও ১ ছয়ে অপরাজিত আছেন ৩৬ রানে।