ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন সিলেটের মাজারে দানের টাকার ‘বেহিসেবী’ ঘোচাতে চান ডিসি সারওয়ার বেলকুচিতে উদ্ভাবননির্ভর দেশ গঠনে বিজ্ঞান মেলা টাঙ্গাইলে এলএসডি ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চলে গেলেন আধুনিক শিল্পের আইকন ডেভিড হকনি সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি এখন শেষ পর্যায়ে? পাকিস্তানের নতুন দাবি নাটকীয় সমাপ্তিতে ১৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান মন্তব্য ঘিরে আইনি জটিলতা, মমতার বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতার দ্বারপ্রান্তে ইরান: আরাঘচি সিলেটে ফাহিমা হত্যার ১ মাস পর চার্জশিট দিল পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়, ছয় লেন সড়ক, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন; প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর যত প্রত্যাশা হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৬৪৩ আক্রান্ত ৮৪২৬৬ স্থায়ী নিয়োগসহ ছয় দফা দাবিতে রাজশাহীতে কর্মচারীদের সমাবেশ সোনারগাঁওয়ে আইফোনসহ ১৪৬ মোবাইল চুরি, প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি শাহ আমানত বিমানবন্দরে ৬৪৭ কার্টুন সিগারেট জব্দ প্রথম ম্যাচে খেলা হচ্ছে না ডেভিসের নওগাঁয় দুইদিন মাইকিং করেও মেলেনি ব্রাজিল সমর্থক বর্তমান বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন শেষ ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ছয় হাসপাতালকে আদ্‌-দ্বীনের রোগী ভর্তি নিতে নির্দেশ হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন ৫২, ৪৯১ হাজি সরকার ব্যাংকমুখী নয় গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘণ্টাব্যাপী বিভ্রাটের পর স্বাভাবিক ফেসবুক চট্টগ্রামে ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ দেশপ্রেমের কালজয়ী কণ্ঠকে শিল্পকলার বিশেষ সম্মাননা
Nagad desktop

বিপদে মনে পড়েছে সাইফ-নাসুম-সোহানকে

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:৪৭ এএম
বিপদে মনে পড়েছে সাইফ-নাসুম-সোহানকে
ছবি : সংগৃহীত

বাঁচতে হলে লড়তে হবে, এই লড়াইয়ে জিততে হবে- আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি অনেকটা সে রকমই। এখানে জয়ের বিকল্প নেই। এশিয়া কাপ খেলতে আসার আগে ক্রিকেটাররা দেশবাসীকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশার গল্প শুনিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু সেটি এখন আষাঢ়ে গল্পে পরিণত হওয়ার উপক্রম। গ্রুপ পর্ব ডিঙিয়ে সুপার ফোরে যেতে হলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততেই হবে। শুধু জিতলেই হবে না, সেই সঙ্গে নেট রেটের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। মানে নেট রানরেটও বাড়িয়ে রাখতে হবে, যা বাংলাদেশ দলের জন্য অসম্ভব এক টার্গেট। তবে নেট রানরেটের বিষয়টি পরে বিবেচিত হবে যদি ম্যাচ জিততে পারে। তাই ম্যাচ জেতাটাই টাইগারদের আসল লক্ষ্য। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসে স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ সে রকম কথাই বলেছিলেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ দলের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। যেখান থেকে আর পেছনে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সামনে এগোতেই হবে। 

সামনে এগোনো মানে ম্যাচ জেতা। আসরে টিকে থাকা। এমন কঠিনেরে জয় করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ দল গতকাল চার চারটি পরিবর্তন এনে সেরা একাদশ সাজিয়েছে। একাদশে ফিরেছেন তাসকিন। এবারের আসরে প্রথমবারের মতো খেলবেন নুরুল হাসান সোহান, নাসুম আহমেদ ও সাইফ হাসান। ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ভালো করার পরও এই তিন ক্রিকেটারের কাউকেই প্রথম দুই ম্যাচে খেলানো হয়নি। অবশেষে আসরে টিকে থাকার ম্যাচে তাদের স্মরণ করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। বাদ পড়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন, শেখ মাহেদী, শরিফুল ইসলাম ও তানজিম সাকিব। আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে অধিনায়ক লিটন দাস জানান, অন্তত ১৬০ রান করা টার্গেট তাদের।

হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি যে উইকেটে হয়েছিল, সেই উইকেটেই গতকাল আফগান ম্যাচটি হয়েছে। হংকং ম্যাচে লিটন দাস টস জিতে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন। আগে ব্যাট করে হংকং ৭ উইকেটে করেছিল ১৪৩ রান। বাংলাদেশ আবার সেই রান তাড়া করতে খেলেছিল ১৭.৪ ওভার। উইকেট হারিয়েছিল ৩টি। উইকেট কিছুটা স্লো। যে কারণে বাংলাদেশের সেরা একাদশে তিন পেসার খেলাচ্ছে না। একজন কমিয়ে স্পিনার বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাটিং লাইন শক্তিশালী করা হয়েছে। পেস বোলিং সামলাবেন দুই অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন ও মোস্তাফিজ। প্রথম ম্যাচে এই দুজনের সঙ্গে খেলেছিলেন তানজিম সাকিব। পরের ম্যাচে তাসকিন বাদ পড়েন। যুক্ত হয়েছিলেন শরিফুল। উইকেট কিছুটা স্লো হওয়াতেই স্পিনার বাড়ানো হয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচে স্পিন ডিপার্টমেন্ট সাজানো হয়েছিল রিশাদ ও শেখ মাহেদীকে দিয়ে। প্রয়োজনে হাত ঘুরিয়েছিলেন শামীম পাটোয়ারী। এই ম্যাচ রিশাদ ও নাসুমের সঙ্গে সাইফ হাসান তৃতীয় স্পিনারের কাজ করবেন। শামীম পাটোয়ারী তো আছেনই। 

সাইফ হাসান জাতীয় দলে আবার ফিরেছিলেন ঘরের মাঠে ডাচদেও বিপক্ষে। প্রায় তিন বছর পর ফিরে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। যখন বাদ পড়েছিলেন, তখন তিনি শুধু ব্যাটার ছিলেন। ফিরেছেন অফ স্পিন বোলিংকে সঙ্গী করে। ডাচদের বিপক্ষে নিজের কাম ব্যাক ম্যাচেই ব্যাটে-বলে দ্যুতি ছড়ান। বল হাতে ১৮ রানে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে ১৯ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন। দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি ব্যাটিং কিংবা বোলিং কিছুই করার সুযোগ পাননি। তৃতীয় ম্যাচে ইনিংসের উদ্বোধন করতে এসে ১২ রানে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। 

নাসুম আহমেদও ডাচদের বিপক্ষে আবার সেরা একাদশে ফিরেছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলে। ডাচদের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি একাদশে ফিরেছিলেন। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন। ডাচদের বিপক্ষে জাতীয় দলে ফিরেছিলেন নুরুল হাসান সোহান। তবে তার ফেরাটা ছিল দীর্ঘ বিরতির পর। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর বাদ পড়ে যান। এরপর আবার ফিরেন ডাচদেও বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে। কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। শেষ ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন। সেই সুযোগকে তিনি কাজে লাগিয়ে ছিলেন ১১ বলে ২ ছক্কা অপরাজিত ২২ রানের ঝটিকা ইনিংস খেলে।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশের তিন ম্যাচের সিরিজটি ছিল এশিয়া কাপের প্রস্তুতির অংশ। সেখানে সুযোগ পেয়ে সাইফ-নাসুম-সোহান নিজেদের ভালোভাবেই জানান দিয়েছিলেন। কিন্তু এই প্রস্তুতি আবার এশিয়া কাপের প্রথম দুই ম্যাচে টিম ম্যানেজমেন্ট আমলে নেয়নি। যখন অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন সামনে চলে আসে, তখনই এই তিনজনকে তারা মনে করেছে। শুরুতে সাইফ হাসান দিয়েছেন প্রতিদান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগের ম্যাচে যেখানে দুই ওপেনারই কোনো রান না করেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন, সেখানে কাল তানজিদ তামিমের সঙ্গে জুটি বেঁধে সাইফ ৬৩ রান এনে দেন। ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে রান আসে ৫৯। ১২ ম্যাচ পর উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশ ফিফটি রানের দেখা পেয়েছে। এর আগে পাকিস্তান সফরে পারভেজ ইমন ও তানজিদ তামিম ১১০ রান করেছিলেন। সাইফ-তানজিদ জুটি ভাঙে সাইফ ২৮ বলে ১ ছক্কা ও ২ চারে ৩২ রান করে রশিদ খানের বলে স্ট্যাম্প ছেড়ে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বোল্ড হলে। এখন নাসুম ও নুরুল হাসান সোহানের প্রতিদান দেওয়ার পালা।

পলাশ/নিলয়/

ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ এএম
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ, ভাঙা হৃদয়ে অবসর ঘোষণা
জাপানের অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মঞ্চে নামার জন্য চার বছর ধরে অপেক্ষা করে ফুটবলাররা। স্বপ্ন দেখেন দেশের হয়ে ইতিহাস গড়ার। কিন্তু কখনো কখনো ভাগ্য নির্মম হয়ে ওঠে। স্বপ্নের দরজায় পৌঁছেও ফিরে যেতে হয় খালি হাতে। জাপানের অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দোর গল্পটা ঠিক তেমনই।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জাপানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর মাত্র তিন দিন আগে দুঃসংবাদটি আসে। পায়ের ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় ৩৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারকে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়াতে হয়। শুধু বিশ্বকাপ থেকেই নয়, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবলকেও বিদায় জানান জাপানের অন্যতম সফল অধিনায়ক। ফলে উত্তর আমেরিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগেই শেষ হয়ে গেল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অধ্যায়।

গত বৃহস্পতিবার জাপান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নিশ্চিত করে, এন্দোর পরিবর্তে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের ফরোয়ার্ড শুতো মাচিনোকে। নিজের হতাশা লুকাননি এন্দো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘খেলতে না পারায় আমি হতাশ।’ তবে নিজের দুঃখের চেয়ে দেশের স্বপ্নকেই বড় করে দেখছেন তিনি। ‘এফ’ গ্রুপে নেদারল্যান্ডস, তিউনিসিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে জাপান ভালো করবে বলেই বিশ্বাস তার।

‘এক্স’ পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ভবিষ্যতে এমন একটি সময় নিশ্চিতভাবেই আসবে যখন জাপান বিশ্বকাপ জিতবে। তাই আসুন আমরা সেই বিশ্বাস বুকে রেখে দলকে সমর্থন করি। চলুন জাপানের সব শক্তিকে একসঙ্গে করি যাতে উত্তর আমেরিকার এই টুর্নামেন্টেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণটি (বিশ্বকাপ জয়) বাস্তবে রূপ নিতে পারে।’ 

এর পর জাতীয় দলকে বিদায় বলেন তিনি, ‘আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি আর দশটা সাধারণ ভক্তের মতোই জাপানকে সমর্থন জোগাব।’

এন্দোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে দেয় একটি চোট। গত ফেব্রুয়ারিতে লিভারপুলের হয়ে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে গিয়ে পায়ের ইনজুরিতে আক্রান্ত হন তিনি। যদিও এর পর জাতীয় দলে ফেরার চেষ্টা থামাননি। গত ৩১ মে টোকিওতে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জেতা প্রীতি ম্যাচে জাপানের জার্সিতে মাঠে দেখা গিয়েছিল তাকে। কিন্তু সেই ম্যাচেও পুরো সময় খেলতে পারেননি। হাফ-টাইমের পর তাকে তুলে নেওয়া হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি এর পরও।

মেক্সিকোতে জাপানের প্রাক-বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দিয়েও অস্বস্তি অনুভব করতে থাকেন এন্দো। ইনজুরির কারণে কোনো পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন সেশনে অংশ নিতে পারেননি। ন্যাশভিলেতে দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দিলেও শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারেন, টুর্নামেন্টের উচ্চ গতি ও তীব্রতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মতো শারীরিক সক্ষমতা তার এখনো ফিরে আসেনি। তবে সবকিছু হারিয়েও আক্ষেপ নেই এন্দোর, ‘ইনজুরিতে পড়ার পর থেকে নিজেকে ফিট করতে আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। তাই আমার কোনো অনুশোচনা নেই।’

মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:২৬ এএম
মৃত্যুকে হারিয়ে বিশ্বকাপ হিরো গিমেনেজ
গোলের পর উচ্ছ্বসিত উদ্‌যাপনে রাউল গিমেনেজ। ছবি: সংগৃহীত

আজতেকা স্টেডিয়ামে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ। প্রায় ৮০ হাজার দর্শকের গর্জনে মুখরিত গ্যালারি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এগিয়ে থাকা মেক্সিকো আরও একটি গোলের খোঁজে। সেই মুহূর্তে রবার্তো আলভারাদোর ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা ক্রসে উড়ে উঠে মাথা ছোঁয়ালেন রাউল গিমেনেজ। বল জালে জড়াতেই যেন সময় থমকে গেল।

গোলের পর উচ্ছ্বসিত উদ্‌যাপন। এরপর আকাশের দিকে আঙুল তুলে তাকানো। অনেকের কাছেই সেটি ছিল মার্চ মাসে প্রয়াত হওয়া তার বাবা রাউল গিমেনেজ ভেগার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। কয়েক সেকেন্ড পরই আবেগে ভেঙে পড়লেন তিনি। সতীর্থরা ঘিরে ধরলেন, আর গিমেনেজের চোখ বেয়ে নামল অশ্রু।

মাত্র কয়েক বছর আগেও যে দৃশ্যটি অসম্ভব মনে হয়েছিল, সেটিই বাস্তবে রূপ নিল আজতেকার সবুজ ঘাসে। বৃহস্পতিবার রাতে উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে মেক্সিকোর প্রথম গোলটি করেন জুলিয়ান কিনোনেস। নবম মিনিটে তার গোলেই আসরের উদ্বোধনী গোলের দেখা পায় সহআয়োজক মেক্সিকো। ম্যাচ শেষে গিমেনেজের প্রশংসায় তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। সে দলের জন্য অনেক কিছু দেয়। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা আমাদের গর্ব, আর সে এখনো গোল করে চলেছে, এটা দারুণ ব্যাপার।’

গোলটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে গিমেনেজের ৪৬তম গোল। ১২৫তম ম্যাচে এসে তিনি মেক্সিকোর সর্বকালের গোলদাতাদের তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তার সামনে আছেন শুধু হাভিয়ের হার্নান্দেজ, যার গোলসংখ্যা ৫২। মজার বিষয় হলো, গোল করার আগেই বিশ্বকাপে নতুন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন গিমেনেজ। ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২–এই তিন বিশ্বকাপে মোট ছয়বার মাঠে নামলেও প্রতিবারই বদলি হিসেবে খেলেছিলেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচটিই ছিল বিশ্বকাপের মূল পর্বে তার প্রথম একাদশে শুরু করা ম্যাচ।

শুরুর চার মিনিটেই গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। শক্তিশালী হাফ-ভলি শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস। তবে শেষ পর্যন্ত ৬৭ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলটি পেয়ে যান গিমেনেজ। তার পর যে আবেগ দৃশ্যমান হয় তার পেছনে রয়েছে এক ভয়ংকর অধ্যায়।

মেক্সিকোর ক্লাব আমেরিকায় ক্যারিয়ার শুরু করে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বেনফিকার হয়ে খেলেছিলেন গিমেনেজ। ২০১৮-১৯ মৌসুমে ধারে উলভারহ্যাম্পটনে যোগ দিয়ে ১৩টি প্রিমিয়ার লিগ গোল করেন। তার অবদানে লিগে সপ্তম হয়ে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার টিকিট পায় ক্লাবটি। এরপর উলভস তাকে ৩ কোটি পাউন্ডে স্থায়ীভাবে দলে ভেড়ায়, যা সে সময় ক্লাবটির রেকর্ড ট্রান্সফার ছিল। ২০১৯-২০ মৌসুমে আরও ১৭টি লিগ গোল করেন তিনি।

কিন্তু ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর বদলে যায় সবকিছু। আর্সেনালের ডিফেন্ডার ডেভিড লুইজের সঙ্গে ভয়াবহ মাথার সংঘর্ষে মাঠেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন গিমেনেজ। তার মাথার খুলি ভেঙে যায়। সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে দেখছিলেন–তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না। মাঠেই তাকে অক্সিজেন দিতে হয়েছিল। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ পুনর্বাসন। ছয় মাস অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে অনুশীলন করার অনুমতি পাননি। আট মাস মাঠের বাইরে থাকার পর অবশেষে উলভসের জার্সিতে ফেরেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে সাউদাম্পটনের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে গোল করে প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখেন তিনি।

২০২৩ সালে ফুলহামে যোগ দেন গিমেনেজ। সেখানে তিন মৌসুম কাটানোর পর চলতি সপ্তাহেই পুরোনো ঠিকানা উলভসে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ২০২২-২৩ মৌসুমে উলভসের সহকারী কোচ হিসেবে তার সঙ্গে কাজ করা এদু রুবিও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার ক্লাব স্পোর্টিং কানসাস সিটির সহকারী প্রধান কোচ। গিমেনেজের বিশ্বকাপ গোল দেখে তিনিও আবেগাপ্লুত, ‘এটি তার কাছে পৃথিবীর সমান মূল্যবান। নিজের দেশকে সে ভীষণ ভালোবাসে এবং জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গর্ববোধ করে।’

কখনো মনে হয়েছিল, সেই ভয়াবহ মাথার আঘাত হয়তো তার ক্যারিয়ারই শেষ করে দেবে। কেউ কেউ শঙ্কা করেছিলেন, হয়তো আর কখনো ফুটবল মাঠে ফিরতেই পারবেন না। অথচ ছয় বছরেরও কম সময়ে তিনি ফিরে এসেছেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে। গোল করেছেন, জিতিয়েছেন দেশকে, আর চোখের জলে লিখেছেন ফুটবলের অন্যতম অনুপ্রেরণাদায়ক প্রত্যাবর্তনের গল্প।

আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১২ এএম
আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় সুসংবাদ
অনুশীলনে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ছবি: সংগৃহীত

আঙুলের চোট থেকে সেরে ওঠার পথে বড় অগ্রগতি দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রথমবারের মতো দুই হাতে গ্লাভস পরে পূর্ণাঙ্গ গোলকিপিং অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন তিনি।

অ্যাস্টন ভিলার এই তারকা গোলরক্ষক গত ২০ মে ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ইউরোপা লিগের ফাইনালের আগে ওয়ার্ম-আপের সময় ডান হাতের অনামিকা আঙুলে হাড় ভেঙে ফেলেন। চোটের পর পুনর্বাসনের প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে স্প্লিন্ট ব্যবহার করতে হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় এক হাতে গ্লাভস পরে অনুশীলন চালিয়ে যেতে হয়েছে।

তবে বৃহস্পতিবারের অনুশীলনে দুই হাতেই গ্লাভস পরে মাঠে নামেন ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। ফলে বিশ্বকাপের আগে তার ফিটনেস নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, তা অনেকটাই দূর হয়েছে। চোটের কারণে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি ম্যাচ দুটিতে খেলতে পারেননি মার্তিনেজ। তবে ১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তাকে শুরুর একাদশে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

দারুণ এক মৌসুম কাটিয়ে বিশ্বকাপে এসেছেন মার্তিনেজ। তার ক্লাব অ্যাস্টন ভিলা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি জায়গা পেয়েছেন ইউরোপা লিগের ‘টিম অব দ্য সিজন’-এ।

আর্জেন্টিনার হয়ে মার্তিনেজের সাফল্যের ঝুলিও কম সমৃদ্ধ নয়। ২০২২ বিশ্বকাপে দলকে শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি পান তিনি। এরপর ২০২৪ কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের পথেও বড় অবদান রেখে জেতেন ‘গোল্ডেন গ্লাভ’ পুরস্কার।

বিশ্বকাপের ঠিক আগে তার অনুশীলনে ফেরা আর্জেন্টিনা শিবিরের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এখন আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি মাঠে নামেন কি না, সেদিকেই নজর সমর্থকদের।

হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:০৭ এএম
হঠাৎই অবসরে উইলিয়ামসন
কেন উইলিয়ামসন। ছবি: সংগৃহীত

আচমকাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সফল ক্রিকেটার কেন উইলিয়ামসন। বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ না থাকলে তার এই আচমকা অবসর বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে অনেক বড় খবরই হতো।

উইলিয়ামসন অবসর নিয়েছেন ইংল্যান্ড সফরে সিরিজের মাঝপথে। ৩ টেস্টের সিরিজের প্রথমটি খেলেছেন। দ্বিতীয়টির জন্য অনুশীলনও করছিলেন। ওভালে ১৭ জুন শুরু হবে এই টেস্ট। কিন্তু সেই টেস্ট শুরুর ৪ দিন আগে নিজের না খেলার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন। এর আগে গত নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থেকে অবসর নিয়েছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

সিরিজের মাঝপথে উইলিয়ামসন অবসর নিলেও তিনি কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছিলেন না। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন আগেই। খেলছিলেন বেছে বেছে। সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অক্টোবরে। এরপর একে একে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলেননি। 

অবসর নেওয়ার পর নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড থেকে এক বিবৃতিতে উইলিয়ামসন বলেন, ‘এখনই অবসর নেওয়ার সেরা সময়। আমি এটি নিয়ে বেশ কিছু দিন থেকে ভাবছিলাম। এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’

 সাবেক এই অধিনায়ক দেশের হয়ে ৩ ফরম্যাটে ৩৭৮ ম্যাচ খেলে ১৯ হাজার ৩৪২ রান করেছেন। সেঞ্চুরি ৪৮টির সঙ্গে হাফ সেঞ্চুরি ১০৩টি। নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটার দেশের জয়ে চারবার জিতেছেন স্যার রিচার্ড হাডলি পুরস্কার। এ ছাড়া ২০১৫ সালে আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটার এবং ২০১৯ সালে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাসের সেরা ফাইনালে দ্বিতীয় সুপার ওভারে কম হওয়ার কারণে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি।

সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম
সনকে নিয়ে অস্বস্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া
সন হিউং-মিন

দারুণ এক জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ‘এ’ গ্রুপে থাকা দলটি বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১২ জুন) সকালে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারায় ২-১ গোলে। এবারের বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল এটি। মেক্সিকোর গুয়াদালহারায় অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে একপর্যায়ে পিছিয়ে পড়ে দক্ষিণ কোরিয়া। লাদিস্লাভ ক্রেইচি হেডে গোল করে এগিয়ে নেন চেক প্রজাতন্ত্রকে। পরবর্তী  সময়ে ১৩ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল আদায় করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ কোরিয়া। হোয়াং ইন-বম সমতা ফেরানো গোল করেন। আর জয়সূচক গোল করেন ওহ হিউয়ান-গিউ, যিনি অধিনায়ক সন হিউং-মিনের বদলি হিসেবে নেমে বাজিমাত করেছেন।

জয় দিয়ে আসর শুরু করলেও দক্ষিণ কোরিয়া দলে অস্বস্তিও ভর করেছে। সেই অস্বস্তির নাম স্বয়ং অধিনায়ক সন হিউং-মিন। চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ খেলছেন সন। কিন্তু এবারের প্রথম ম্যাচটি নিশ্চিতভাবেই ভুলে যেতে চাইবেন তিনি। ম্যাচটিতে অসংখ্য সুযোগ হাতছাড়া করেছেন এই উইঙ্গার। যে কারণে সমালোচকরা তীব্র সমালোচনায় বিঁধছেন তাকে। ওহ হিউয়ান-গিউয়ের জন্য সনের শুরুর একাদশের জায়গায় ছেড়ে দেওয়া উচিত বলেও মনে অনেকে।

৩৩ বছর বয়সী সন আসলে বেশ কিছুদিন ধরেই নিষ্প্রভ। টটেনহ্যামের সাবেক এই তারকা গত বছর মেজর লিগ সকারের দল লস অ্যাঞ্জেলেস এফসিতে যোগ দেন। কিন্তু বিশ্বকাপের আগে মৌসুমটা মোটেও ভালো কাটেনি তার। ১৩ ম্যাচে কোনো জালের দেখা পাননি এই তারকা। ফলে এমনিতেই কিছুটা চাপে ছিলেন। এর মধ্যে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষের ম্যাচও খারাপ কাটল। ফলে চাপটা আরও বেশি করে জেঁকে বসল তার ওপর। 

তবে কঠিন এ সময়ে কোচের থেকে সমর্থন পাচ্ছেন সন। দক্ষিণ কোরিয়া কোচ হং মিয়ুং-বো ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘সন আমাদের সেরা খেলোয়াড় এবং সে খুবই সুস্থির অধিনায়কও। আমরা বিশ্বাস করি, সন তার সর্বোচ্চ চেষ্টাই করেছে।’ 

গোলস্কোরিংয়ে শুধু সন নয়, পুরো দলেরই উন্নতি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ। তার কথায়, ‘শুধু সে (সন) একা নয়; পুরো দলেরই ফিনিশিংয়ের উন্নতি করা প্রয়োজন।’

এদিকে এগিয়ে যাওয়ার পরও সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি চেক প্রজাতন্ত্র। পর পর দুই গোল হজম করে ম্যাচ হেরেছে। দলটির কোচ মিরোস্লাভ কৌবেক কৃতিত্ব দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়াকে। প্রতিপক্ষের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিপক্ষ খুব গতিময় ছিল। শ্রেয়তর দলই জিতেছে।’ 

একই সঙ্গে সতীর্থদের পাশে দাঁড়াতেও তিনি ভোলেননি, ‘আমাদের লড়াই করতে হতো এবং আমরা সেটা করেছি। এখন আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। শেষ ৩০ মিনিটে আমাদের আরও আক্রমণাত্মক এবং সৃষ্টিশীল হতে হবে। আক্রমণের ক্ষেত্রে আমাদের আরও উন্নতির সুযোগ আছে।’

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে চেক প্রজাতন্ত্র। পরদিন স্বাগতিক মেক্সিকোর বিপক্ষে লড়বে দক্ষিণ কোরিয়া।