ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা! প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’ নায়িকা ববির কথিত স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র খোলা ড্রামে ভোজ্যতেল: ভোক্তার অধিকার কোথায়? আগস্টের মধ্যেই ঢাকা-পাবনা রুটে সরাসরি ট্রেন: নৌপরিবহনমন্ত্রী গাজী গিয়াস উদ্দিনকে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার প্রদান তীব্র তাপপ্রবাহে করণীয় আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করুন নিত্যপণ্যের দামে কোনো চাপ নেই, বাজেট জনবান্ধব: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান দেশে বাড়ছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৭ মৃত্যু ছত্রিশ-চব্বিশের পরকীয়া নিয়ে তুলকালাম মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হারুন আল রশীদ খাল খননের পর ভরাট করে গাড়ির গ‍্যারেজ, কার গরজে? রংপুরে নিখোঁজের এক দিন পর পাটখেতে মিলল শিক্ষার্থীর মরদেহ পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পে বদলে যাবে ২৪ জেলার দৃশ্যপট, তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনা নিয়োগ দেবে ব্যাংক এশিয়া জিপিএস ছাড়া গণপরিবহনের ফিটনেস সনদ ইস্যু ও নবায়ন হবে না পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তি সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করবে প্রাণ ডেইরী ও এটিইসি খিলগাঁওয়ে স্কয়ার গ্রুপের ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

২০২৪ সালের জনপ্রিয় ১২টি অ্যান্ড্রয়েড গেম

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:২৫ পিএম
আপডেট: ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:৫৮ এএম
২০২৪ সালের জনপ্রিয় ১২টি অ্যান্ড্রয়েড গেম
অ্যান্ড্রয়েড গেম উপভোগ করছেন তরুণী। ছবি: সংগৃহীত

মোবাইলে অ্যান্ড্রয়েড গেম খেলেন না এমন মানুষের সংখ্যা কম। বর্তমানে এই অ্যান্ড্রয়েড গেমকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে গেমিং ইন্ডাস্ট্রি। আজকের এই লেখায় ২০২৪ সালের জনপ্রিয় ১২টি অ্যান্ড্রয়েড গেম সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে যা আপনার গেম খেলার মনোভাব আরও বদলে দেবে। 

চলুন জেনে আসি সেই গেমগুলো সম্পর্কে-

১) দ্য রুম
দ্য রুম বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড গেম হিসেবে পরিচিত। ২০১২ সালে গেমটি যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে দ্য রুম-টু, ২০১৫ সালে রুম-থ্রি এবং সবশেষ ২০২০ সালে দ্য রুম ভিআর: অ্যা ডার্ক ম্যাটার আসে অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে। মূলত গেমটি একটি ধাঁধা। যা সব গেমারদের পার করতে হয়। 

২) মনুমেন্ট ভ্যালি
২০১৪ সালে গেমটি অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে আত্মপ্রকাশ করে। এটিও ধাঁধা বা পাজলের মতোই কিন্তু এর বিশেষত্ব হচ্ছে আপনি এই গেমটি চাপমুক্তভাবে খেলতে পারবেন। ২০১৭ সালে এর দ্বিতীয় পর্ব এবং ২০২১ সালে এর সম্প্রসারিত রূপ প্রকাশিত হয়।

৩) মাইনক্রাফট
২০১১ সালে আসা এই গেমটি অ্যান্ড্রয়েড এবং পিসিতে একসঙ্গে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমান সময়েও এই গেমটি গেমারদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়।

৪) স্টারডিউ ভ্যালি
২০১৬ সালে এ গেমটি আত্মপ্রকাশ করে। এই গেমে কৃষিকাজ ও সরল মনোভাব আপনাকে মুগ্ধ করবে। চাষাবাদ, গবাদিপশু পালন থেকে শুরু করে আপনি এখানে অনেককিছু করতে পারবেন। এ ছাড়া বিভিন্ন লেভেলে সফলতার জন্য থাকছে পুরস্কারও।

৫) অ্যামং আস
২০২০ সালে করোনা মহামারীর পর ঘরে বসে অবসর সময় কাটানোর জন্য এ গেমটি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছায়। ২০১৮ সালে গেমটি আত্মপ্রকাশ করলেও বর্তমান সময়ে গেমটির গ্রহণযোগ্যতা কমেনি এতটুকুও। 

৬) টেরারিয়া
২০১১ সালে গেমটি পিসিতে আত্মপ্রকাশ করে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে আত্মপ্রকাশ হয়। এটি অনেকটা ‘2-D Minecraft’-এর মতো। এখানে লড়াই করে টিকে থাকার বিষয়টি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।

৭) মিনি মেট্রো
এ গেমটি মূলত একটি স্ট্র‌্যাটেজি গেম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এর বিশেষত্ব হচ্ছে দ্রুত বর্ধনশীল শহরের জন্য সাবওয়ে বা মেট্রো স্টেশন তৈরি বা ডিজাইন করা এবং যাত্রী ওঠানামাসহ আরও বিভিন্ন বিষয়।

৮) হিটম্যান গো
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এখানে গোলাগুলির বিষয় জড়িত। আর সেখানে যদি কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের বিষয় থাকে তাহলে তো কথাই নেই। এখানে আপনাকে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। গেমের মূল বিষয় হচ্ছে শত্রুদের কাছ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলার পন্থা। 

৯) জেনশিন ইমপ্যাক্ট
২০২০ সালে আত্মপ্রকাশ করা এ গেমটি মূলত আরপিজি সম্পর্কিত। তাই এখানে সতর্কতা একটু বেশিই অবলম্বন করতে হয়। এ ছাড়া আপনি বিভিন্ন রিজিয়ন বা এলাকায় ঘুরতে পারবেন এ গেমের মাধ্যমে।

১০) ইভোল্যান্ড 
এই গেমটিও আরপিজি-অরিয়েন্টেড হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া আপনি এই গেমে থ্রি-ডি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। 

১১) ডেভ স্টোরি
২০১০ সালে এই সিমুলেশন গেমটি আত্মপ্রকাশ করে। যেখানে আপনি ছোট থেকে বড় সফটওয়্যার হাউসে কিভাবে পদার্পণ করা যায় সেটি জানতে পারবেন।

১২) থ্রিস
এক্সিলেন্ট ২০৪৮ থ্রিস থেকে অনুপ্রাণিত এ গেমটি মূলত সংখ্যা কম্বাইনিং কনসেপ্টের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। এটি মূলত পাজল গেম, যার মাধ্যমে আপনি নতুনভাবে নাম্বার সন্নিবেশিত করতে পারবেন। সূত্র: ফোর্বস

নাবিল/পপি/

৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
৮০তম জন্মদিন ঘিরে ট্রাম্পের ভাগ্যে বড় পরিবর্তনের আভাস জ্যোতিষীদের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন ঘিরে তার রাশিফল গণনা করেছেন জ্যোতিষীরা। তারা জানিয়েছেন, আগামী বছরটি ট্রাম্পের জন্য চরম উত্থান-পতন, বিতর্ক এবং শারীরিক দুর্বলতায় ভরা একটি বছর হতে চলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে পুরো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর।

জ্যোতিষী লিসা স্টারডাস্টের মতে, ট্রাম্পের এই জন্মদিনে একটি ‘নতুন চাঁদ’ বা অমাবস্যার যোগ তৈরি হচ্ছে, যা তার ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিদ্রোহ ও বিরোধিতার ইঙ্গিত দেয়।

জ্যোতিষশাস্ত্রে জন্মদিনের সময় সূর্যের অবস্থানকে ‘সোলার রিটার্ন’ বলা হয়, যা আগামী এক বছরের রূপরেখা নির্ধারণ করে।

ট্রাম্পের ক্ষেত্রে এই সময়টি মোটেও সুখকর হবে না। বিশেষ করে ‘ব্ল্যাক মুন লিলিথ’-এর প্রভাবে ট্রাম্পের ক্যারিয়ারে চারপাশ থেকে প্রবল বিরোধিতার সৃষ্টি হবে এবং মানুষ তার সঙ্গে তীব্র তর্কে জড়িয়ে পড়বে।

অন্যদিকে, জ্যোতিষী সেলেস্তে ব্রুকস জানিয়েছেন, ট্রাম্পের শারীরিক শক্তি বা জীবনীশক্তি আগামী দিনে আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। জন্মদিনের আগের সময়ে চাঁদের একটি বিশেষ অবস্থান বা 'বালসামিক ফেজ'-এর কারণে তার ভেতরের শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি আরও বেশি স্পষ্ট হবে।

ব্রুকস বলেন, ‘আদালতে বা বিভিন্ন জায়গায় তার ঘন ঘন ঘুমিয়ে পড়ার ঘটনাতেই এই ক্লান্তির প্রমাণ মেলে।’

তবে শক্তি কমলেও সিংহ রাশির প্রভাবে তার লড়াই করার মানসিকতা বজায় থাকবে।

জবাবে আগামী আগস্ট মাসে ট্রাম্পের রাশিতে বড় ধরনের একটি ধাক্কা আসতে চলেছে। জ্যোতিষীদের গণনা অনুযায়ী, ‘আগামী ২৬ জুলাই এবং ১২ আগস্টের সূর্যগ্রহণ ট্রাম্পের জীবনে এক বিশাল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এই গ্রহণ তার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যাগুলোকে সামনে এনে দাঁড় করাবে।’

লিসা স্টারডাস্টের আশঙ্কা, ‘এই সময়ে ট্রাম্প চরম বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে পারেন এবং এমনকি তিনি বড় কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়তে পারেন।’

জ্যোতিষী মার্টিনের মতে, ট্রাম্পের রাশি মিথুন হওয়ায় তার স্বভাবসুলভ ‘দ্বিমুখী আচরণ’ এবং অতিরিক্ত কথা বলার প্রবণতা আগামী বছর আরও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।

সব মিলিয়ে জ্যোতিষীদের দাবি, ৮০তম বছরটিতে ট্রাম্পের জীবনে এমন কিছু বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে, যা তাকে ও তার চারপাশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে পুরোপুরি নাড়িয়ে দেবে। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

আজহার/অমিয়/

৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
৪৮ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ে, ৯ দিন পর বিচ্ছেদ চাইলেন যুবক
প্রতীকী ছবি

মা-বাবার চাপে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিও কলে পরিচয় হওয়া এক তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন চীনের এক যুবক। কিন্তু বিয়ের মাত্র ৯ দিনের মাথায় তিনি আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন। চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ৩২ বছর বয়সী গু নামের ওই যুবক এই অদ্ভুত দাম্পত্য সংকটে পড়েছেন।

ছেলের দ্রুত বিয়ে হোক- এমন ইচ্ছা থেকেই তার বাবা-মা একটি স্থানীয় ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের মাধ্যমে উত্তর-পশ্চিম চীনের শানজি প্রদেশের ৩০ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেন।

বিয়ের মধ্যস্থতাকারী যে প্রোফাইল দিয়েছিল, তাতে উল্লেখ ছিল যে, ওই তরুণীর কোনো ঋণ নেই, কোনো অপরাধমূলক অতীত নেই এবং কোনো গুরুতর রোগও নেই। এরপর দুজনের মধ্যে মাত্র পাঁচ মিনিটের একটি ভিডিওকলে কথা হয়। 

সরাসরি এক বারও দেখা না করেই মাত্র তিন দিনের মধ্যে তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়।

কনের পরিবারকে দেওয়া কনেপণ এবং ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারকে দেওয়া কমিশনসহ মোট প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৮ লাখের বেশি) খরচ হয় যুবকের পরিবারের।

কিন্তু বিয়ের পর স্ত্রীর ক্রেডিট রিপোর্ট পরীক্ষা করে যুবক হতবাক হয়ে যান। তিনি জানতে পারেন, ওই তরুণীর বিপুল ঋণ রয়েছে এবং তার লিভার-সংক্রান্ত কিছু স্বাস্থ্য সমস্যাও আছে। এতে নিজেকে প্রতারিত মনে করে বিয়ের নবম দিনেই তিনি বিচ্ছেদের আবেদন করেন।

প্রথমে এতে সম্মতি দিলেও পরে মত পরিবর্তন করেন তরুণী। তিনি দাবি করেন, বিবাহবিচ্ছেদের খবর তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে এবং তিনি বিষণ্নতায় ভুগছেন। এই অভিযোগে তিনি যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন এবং ৫০ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

অন্যদিকে, নিজেদের প্রতারিত করেছে বলে অভিযোগ তুলে ওই ম্যাট্রিমোনিয়াল সেন্টারের বিরুদ্ধেও আইনি লড়াই শুরু করেছেন যুবক। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১১:০৭ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আজ ‘লম্বা মেয়েদের’ প্রশংসা পাওয়ার দিন
ছবি: প্রতীকী (এআই)

একজন নারীর বিশেষ সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসকে উদযাপন করতেই আজ ২০ জুন বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ বা ‘লম্বা মেয়েদের প্রশংসা দিবস’। 

এই দিনটি কেবল বাহ্যিক রূপের উদযাপন নয়; এটি মূলত লম্বা মেয়েদের দৃপ্ত উপস্থিতি, ভেতরের শক্তি এবং সবার চেয়ে আলাদা হওয়ার সুন্দর অনুভূতিকে সম্মান জানানোর দিন। প্রতিটি লম্বা মেয়েরই অধিকার রয়েছে নিজেকে পরিমাপের ঊর্ধ্বে গিয়ে অনন্য হিসেবে দেখার।

ভিড়ের মধ্যে আলাদাভাবে নজর কাড়া- কখনো আনন্দের, আবার কখনো বা কিছুটা অস্বস্তির। লম্বা মেয়েদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা প্রতিদিনের। রাস্তায় চলতে গেলে মানুষের তাকিয়ে থাকা, অদ্ভুত সব প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া কিংবা সস্তা রসিকতার শিকার হওয়া তাদের জন্য নতুন কিছু নয়। কিন্তু সমস্ত অস্বস্তিকে পাশে ঠেলে নিজের উচ্চতা আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে যখন একজন নারী কোনো ঘরে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে তৈরি হয় এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় আবহ।

অনেক লম্বা মেয়েই কৈশোরে বা বড় হওয়ার দিনগুলোতে নিজেদের উচ্চতা নিয়ে কিছুটা দ্বিধা বা হীনম্মন্যতায় ভোগেন। এই দিনটি সেই অস্বস্তিকে ঝেড়ে ফেলে বুক চিতিয়ে গর্ব করার সাহস জোগায়। যখন সমাজ তাদের এই অনন্যতাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে, তখন তাদের ফ্যাশন, শারীরিক ভাষা এবং আত্মবিশ্বাস এক নতুন মাত্রা পায়।

যেভাবে উদযাপন করতে পারেন এই দিনটি
খুব সাধারণ কিন্তু দারুণ কিছু উপায়ের মাধ্যমে আপনি আপনার পরিচিত লম্বা মেয়েদের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন এবং এই দিবসটিকে অর্থবহ করে তুলতে পারেন:

খোলামনে প্রশংসা করুন: আপনার পরিচিত কোনো লম্বা মেয়ের উচ্চতা বা চমৎকার ফ্যাশন সেন্সের মন খুলে প্রশংসা করুন। আপনার আন্তরিক ও সুনির্দিষ্ট প্রশংসাসূচক শব্দগুলো তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইতিবাচক গল্প শেয়ার করুন: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লম্বা মেয়েদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প বা ছবি শেয়ার করুন। ইতিবাচক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তাদের অনন্য অভিজ্ঞতাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরুন।

একসাথে সৃজনশীল কিছু করুন: আপনার লম্বা কোনো বান্ধবীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যান বা কোনো খেলায় অংশ নিন। চমৎকার কোনো ফটোশুট করতে পারেন, যেখানে তাঁর উচ্চতা একটি বড় শক্তি হিসেবে ফুটে উঠবে।

ফ্যাশন ও স্টাইল নিয়ে আলোচনা: লম্বা গড়নের নারীদের জন্য মানানসই পোশাকের খোঁজখবর নিতে পারেন। কীভাবে পোশাক পরলে তারা আরও আরামদায়ক ও আত্মবিশ্বাসী বোধ করবেন, সেই স্টাইল টিপসগুলো একে অপরের সাথে শেয়ার করুন।

সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন: একদম সাধারণ মুহূর্তগুলোতেও আনন্দ খুঁজুন। যেমন—নিচু কোনো তাক থেকে কোনো জিনিস নামাতে কাউকে সাহায্য করুন, আবার উঁচু কোনো তাকের জিনিস নাগাল পেতে হাসিমুখে তাদের সাহায্য নিন (যদি উভয়ই এতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন)।

এই দিবসের ইতিহাস
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা বা বহুজাতিক কোম্পানির প্রচারণায় এই দিনের সৃষ্টি হয়নি। এর শুরুটা হয়েছিল ইন্টারনেটের বিভিন্ন ফোরাম, ব্লগ এবং ছোট ছোট ওয়েবসাইটে লম্বা মেয়েদের অধিকার ও সৌন্দর্য নিয়ে সাধারণ কিছু আলোচনার মাধ্যমে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এই ধারণাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

লম্বা নারী এবং তাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যখন নিজেদের জীবনের সত্য গল্প, ছবি এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করা শুরু করেন, তখন ডিজিটাল দুনিয়ায় একটি ইতিবাচক সাড়া পড়ে। ২০২০ সালের দিকে এই আন্দোলনটি আরও জোরালো রূপ নেয়। দেখা যায়, প্রতি বছরের ২০ জুন তারিখটিতে এই সংক্রান্ত পোস্ট, মিম এবং হ্যাশট্যাগের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। কোনো সরকারি স্বীকৃতি না থাকলেও, লম্বা মেয়েদের প্রতি ভালোবাসা আর সম্মান থেকেই দিনটি ‘টল গার্ল অ্যাপ্রিসিয়েশন ডে’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।

এর পেছনে আরেকটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। ১৯৩৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘টল ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল’ (Tall Clubs International) নামের একটি সংস্থা গঠিত হয়েছিল। কায়ে সামনার আইনফেল্ড নামের এক নারী নিজের উচ্চতা নিয়ে সামাজিক সংগ্রামের কথা লিখে একটি পত্রিকায় কলাম প্রকাশ করেছিলেন। সেই লেখা পড়ে আরও অনেক লম্বা মানুষ তাঁর সাথে যোগ দেন। ইন্টারনেট আসার বহু বছর আগেই এই ক্লাবটি লম্বা মানুষদের একত্রিত করতে এবং তাদের মনে আত্মবিশ্বাস জোগাতে কাজ শুরু করেছিল।

লম্বা নারীদের নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় ও বৈজ্ঞানিক তথ্য
উচ্চতার বৈশ্বিক মানচিত্র: জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারীরা বাস করেন উত্তর ও পূর্ব ইউরোপে। নেদারল্যান্ডস, লাটভিয়া, এস্তোনিয়াসহ বাল্টিক ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর নারীরা গড়ে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা হয়ে থাকেন। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার নারীদের গড় উচ্চতা তুলনামূলকভাবে বেশ কম।

হৃদরোগের ঝুঁকি কম: চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক বিশাল গবেষণায় দেখা গেছে, জিনগতভাবে লম্বা মানুষের হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি সাধারণদের চেয়ে অনেকটাই কম থাকে।

নার্ভ ও রক্তনালীর সমস্যা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ লাখের বেশি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, লম্বা মানুষদের পায়ে ভেরিকোজ ভেইন (রক্তনালী ফুলে যাওয়া), রক্ত জমাট বাঁধা এবং পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি (স্নায়ুর সমস্যা)-র মতো সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত উচ্চতার কারণে শরীরের নিচের অংশে রক্ত সঞ্চালনে বেশি চাপ পড়ার কারণে এমনটি হতে পারে।

উচ্চ আয় ও জীবন সন্তুষ্টি: অর্থনীতিবিদ ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, লম্বা ব্যক্তিরা ক্যারিয়ারে তুলনামূলকভাবে বেশি আয় করেন এবং নিজেদের জীবন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট থাকেন। গ্যালাপ-হেলথওয়েজ ওয়েল-বিয়িং ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চতার প্রতি ইঞ্চি বৃদ্ধির সঙ্গে পারিবারিক আয় ৪.৫% থেকে ৮.৫% বৃদ্ধির সমপরিমাণ মানসিক সন্তুষ্টির সংযোগ রয়েছে।

বুলিং ও বডি শেমিং: অ্যান্টি-বুলিং সংস্থাগুলোর মতে, রূপ বা শারীরিক গঠন নিয়ে যে ‘অ্যাপিয়ারেন্স-টার্গেটেড বুলিং’ বা হেনস্থা করা হয়, তার অন্যতম বড় শিকার হন লম্বা মেয়েরা। অতিরিক্ত লম্বা বা খাটো হওয়া নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা একজন কিশোরীর আত্মবিশ্বাসে মারাত্মক আঘাত হানে। তাই সমাজকে সচেতন করতে এবং বডি শেমিং রুখতে এই ধরণের দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।

তামান্না রুপা/

ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
ভারতের ‘মাইকেল জ্যাকসন’, শাড়ি পরে মুনওয়াক
ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরে মাইকেল জ্যাকসনের অনুপ্রাণিত নৃত্য পরিবেশন করে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন এক ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার নাচের ভঙ্গি, ভারসাম্য এবং সৃজনশীল উপস্থাপনা নেটিজনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কোমল কুমারীকে কিং অব পপ মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গান ‘বিলি জিন’-এর তালে নাচতে দেখা যায়।

তবে এই পরিবেশনাকে বিশেষ করে তুলেছে শুধু তার দক্ষতাই নয়, বরং শাড়ি পরে অত্যন্ত সাবলীলভাবে জটিল নৃত্যভঙ্গিগুলো তুলে ধরার ক্ষমতা।

ভিডিওটিতে একটি মজার নাটকীয় উপস্থাপনাও রয়েছে। সেখানে কল্পনা করা হয়েছে, ২০২৬ সালের সংগীতনির্ভর চলচ্চিত্র ‘মাইকেল’ দেখার পর যদি তার মা হঠাৎ করেই মাইকেল জ্যাকসনের নাচের প্রতি ভীষণ অনুরাগী হয়ে ওঠেন, তাহলে কী ঘটতে পারে।

সঙ্গীত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোমল একের পর এক মাইকেল জ্যাকসন-অনুপ্রাণিত নৃত্যভঙ্গি পরিবেশন করেন। তার পারফরম্যান্সে ছিল নিখুঁত শরীরী অঙ্গভঙ্গি, রোবোটিক পপিং এবং কিংবদন্তিতুল্য ‘মুনওয়াক’। 

শাড়ির ভারী ভাঁজ এবং স্বাভাবিক চলাফেরার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনি প্রতিটি মুদ্রা অসাধারণ নিখুঁততা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন।

ভারতীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বজনীন পপ সংস্কৃতির এই অভিনব মেলবন্ধন দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পরই প্রশংসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। 

অনেকেই নৃত্যশিল্পীর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ, সমন্বয় ও দক্ষতার প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, সাধারণ নাচের পোশাকেও যেসব মুদ্রা পরিবেশন করা কঠিন, শাড়ি পরে সেগুলো করা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং।

আবার অনেকে ভিডিওটির হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনারও প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, এই মজার ধারণাটি চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্সে বিনোদনের বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।

কয়েকজন দর্শক রসিকতা করে মন্তব্য করেছেন, স্বয়ং মাইকেল জ্যাকসনও হয়তো এই শ্রদ্ধাঞ্জলিকে সাধুবাদ জানাতেন। 

অন্যদের মতে, এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পপ সংস্কৃতি এবং ভারতীয় ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধনের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সূত্র: এনডিটিভি

অমিয়/

অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
অগ্ন্যুৎপাতে বইছে আগুনের স্রোত, ভাইরাল ভিডিও
ছবি: সংগৃহীত

রাস্তা জুড়ে যেন বয়ে চলেছে আগুনের স্রোত। দেখে মনে হচ্ছে, কেউ যেন আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে সেটি কোনো পানির স্রোত নয়, বরং ফুটন্ত লাভার প্রবাহ। 

গত ১৪ জুন জেগে উঠেছে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের কিলাউইয়া আগ্নেয়গিরি। হাওয়াই ভলক্যানোজ ন্যাশনাল পার্কের ভেতরে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভা আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই দৃশ্যের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান অগ্ন্যুৎপাত নিয়ে এটি কিলাউইয়ার ৪৯তম অগ্ন্যুৎপাত। 

স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভার ফোয়ারা প্রায় ৭০০ মিটার উচ্চতায় পৌঁছায়। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আশপাশের এলাকা। 

কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে অগ্ন্যুৎপাত চললেও লাভা জাতীয় উদ্যানের সীমানার বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমানে পার্কটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, জ্বালামুখ থেকে অবিরাম বেরিয়ে আসছে গলিত লাভা। চারদিকে ছিটকে পড়ছে আগুনের ফুলকি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাভার প্রবাহ আরও তীব্র ও বিস্তৃত হয়ে উঠছে। একসময় তা নদীর মতো গতিপথ তৈরি করে এগিয়ে যেতে শুরু করে। 

কালো আগ্নেয়ছাইয়ে ঢাকা বিস্তীর্ণ ভূমির ওপর দিয়ে বয়ে চলা উজ্জ্বল কমলা-লাল লাভার স্রোত এবং চারপাশে ছড়িয়ে পড়া ধূসর ধোঁয়ার দৃশ্য প্রকৃতির ভয়ংকর অথচ মোহনীয় রূপকেই তুলে ধরেছে।

‘ফক্স ওয়েদার’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। 

প্রকাশের পর থেকেই ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই প্রকৃতির এই বিরল দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।