ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র আমরা সব ইরানির জন্য খেলি: তারেমি কালীগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার ঘিরে মুখোমুখি বিএনপির দুই গ্রুপ ক্যারিয়ার গড়ুন সীমান্ত ব্যাংকে ত্রিশালে সরকারি বইসহ পিকআপ জব্দ, পলাতক মাদরাসা সুপার অবশেষে মায়ামিতে উরুগুয়ে দল খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার তৌহিদ আফ্রিদি ভারতের ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা মহাখালী বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত, আলোচনায় সায়েদাবাদ-ফুলবাড়িয়া ব্রাজিলে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা গেল গায়ক অ্যামচেমের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন নওগাঁয় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন সরকার ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী মাদারীপুরে সংঘর্ষে আহত ১০, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২১৬৭ মামলা কিয়ামতের আদালতে সবচেয়ে ভয়ংকর সাক্ষী কে জানেন? ট্রাফিক মামলা নিষ্পত্তি করলেই ২৫ শতাংশ ছাড় বাজেটে ইতিবাচক উদ্যোগের পাশাপাশি উদ্বেগ জানিয়েছে রিহ্যাব জনবল নেবে ব্র্যাক ব্যাংক ম্যাচ শেষেই নির্বাসন, যুক্তরাষ্ট্রের কড়া বিধিনিষেধে ক্ষুব্ধ ইরানের কোচ ধর্ষণচেষ্টায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, দল থেকে বহিষ্কার ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান নীল, সাদা রঙে রাঙা রংপুর, আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস তারপরও টুর্নামেন্ট উপভোগের বার্তা কুরাসাও কোচের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্ভাবনী সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে চান মোশাহিদ বিশ্বকাপের পুরো পারিশ্রমিকই পাচ্ছেন সোমালির রেফারি আরতান দেশে ফিরলেন ৫৬ হাজার ৮৬৮ হাজি, মারা গেছেন কতজন? রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব: জিএম কাদের মার্কিন-ইরান যুদ্ধের আবহে ফিফা বিশ্বকাপ কম আনন্দময়: ইরান অধিনায়ক
Nagad desktop

যে চারটি দিনে জন্মতারিখ হলেই ২০২৬-এ সাফল্য আপনার মুঠোয়

প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৮ পিএম
আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪২ পিএম
যে চারটি দিনে জন্মতারিখ হলেই ২০২৬-এ সাফল্য আপনার মুঠোয়
ছবি: সংগৃহীত

সংখ্যাতত্ত্বে অনুসারে, ২০২৬ সালের নতুন বছর সূর্য দ্বারা শাসিত হবে। জ্যোতিষশাস্ত্রে, সূর্যকে ১ সংখ্যার শাসক গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই গ্রহ শক্তি এবং শক্তি প্রদান করে। বিশ্বাস করা হয়, এই গ্রহের রাশিফলের শক্তিশালী অবস্থানের অধিকারীরা সাফল্যের উচ্চ শিখরে পৌঁছাবেন। যেকোনো মাসের ১, ১০, ২৮, অথবা ১৯ তারিখে জন্মগ্রহণকারী জাতকদের রাশিচক্রের সংখ্যা ১। আসুন জেনে নেওয়া যাক রাশিচক্রের সংখ্যা ১ যাদের, নতুন বছরে তারা কী আশা করতে পারে। 

২০২৬ সাল ১ নম্বরের মূলাঙ্ক যাদের, তাদের লাভজনক হবে। যাদের সংখ্যা ১ , তাদের জন্য নতুন বছর ২০২৬ খুবই ভাগ্যবান প্রমাণিত হবে। এই বছরটি আপনার কেরিয়ারে ইতিবাচক উন্নতি আনবে। এদের আর্থিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে। এই বছর আপনার পরিবারের পূর্ণ সমর্থন থাকবে, যা আপনার মধ্যে একটি নতুন উৎসাহ আনবে এবং আপনাকে প্রতিটি কাজ উৎকর্ষতার সাথে সম্পাদন করতে সক্ষম করবে।

নতুন বছরে সম্পত্তি অর্জনের সম্ভাবনাও রয়েছে। আপনার প্রেম জীবনও ভালো থাকবে। আর্থিক লাভ হবে। 
সংখ্যা ১ যাদের, তাদের জন্য নতুন বছর আর্থিকভাবে খুবই অনুকূল হবে। দীর্ঘদিনের আর্থিক সমস্যার সমাধান হবে এবং পুরনো ঋণ থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বছর, আপনি নতুন জায়গায় বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক হবেন। পূর্বে আটকে থাকা টাকা ফিরে পাওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বছরটি ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষভাবে শুভ হবে। নতুন করে শুরু করার সুযোগ রয়েছে এবং বিদেশে ব্যবসায়িক লেনদেন ভালো লাভের ইঙ্গিত দেয়। নতুন উৎস থেকে তহবিলের সুযোগ তৈরি হতে থাকবে। কেরিয়ারের কথা বলতে গেলে, এই বছরটি ১ নম্বর মূলাঙ্কের লোকেদের জন্য অগ্রগতির বছর । পদোন্নতি এবং নতুন চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কর্মক্ষেত্রে আপনাকে এমন একটি দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে যা আপনার কেরিয়ারকে সম্পূর্ণ নতুন দিকনির্দেশনা দেবে এবং আপনার পেশাদারী উন্নতি ত্বরান্বিত করবে।

সুমন/

বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নির্যাতন সচেতনতা দিবস আজ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ১১:৩১ এএম
বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নির্যাতন সচেতনতা দিবস আজ
ছবি: সংগৃহীত

প্রতি বছর ১৫ জুন বিশ্বব্যাপী ‘বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নির্যাতন সচেতনতা দিবস’ পালন করা হয়। ২০০৬ সালে প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি শুরু হয় এবং ২০১১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়।

দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো- পরিবার, সমাজ বা কেয়ার হোমে প্রবীণদের ওপর ঘটে যাওয়া শারীরিক, মানসিক, আর্থিক নির্যাতন ও অবহেলা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের অধিকার রক্ষা করা।

কেন এই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ?

লুকানো সামাজিক ব্যাধি: প্রবীণদের প্রতি নির্যাতন প্রায়ই ঘরে বা চেনা মানুষের মাধ্যমে ঘটে থাকে। লোকলজ্জা বা নির্ভশীলতার কারণে মাত্র ২৪ জনের মধ্যে একজন ভুক্তভোগী বিষয়টি প্রকাশ করেন।

পরিসংখ্যান: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রতি ছয়জন প্রবীণের মধ্যে একজন কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হন। এর মধ্যে মানসিক নির্যাতন এবং আর্থিক শোষণ সবচেয়ে বেশি।

ভবিষ্যৎ ঝুঁকি: ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ২০০ কোটিতে পৌঁছাবে। সচেতনতা না বাড়লে প্রবীণ নির্যাতনের শিকার মানুষের সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে বাড়বে। শারীরিক ও যৌন নির্যাতন শরীরে আঘাতের দাগ, ব্যাখ্যাতীত ক্ষত বা হঠাৎ ভয় পাওয়া। মানসিক বা আবেগীয়প্রবীণদের হুমকি দেওয়া, অপমান করা বা সমাজ থেকে আলাদা রাখা।

আর্থিক শোষণজালিয়াতি বা জোর করে প্রবীণের টাকা-পয়সা, সম্পত্তি বা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। অবহেলাখাবার, ওষুধ, নিরাপদ বাসস্থান বা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা না দেওয়া।

সচেতনতা বাড়াতে আমাদের করণীয়: দিবসটি উদযাপনে এবং প্রবীণদের সুরক্ষায় কিছু বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে

বেগুনি রঙের পোশাক পরিধান: বেগুনি হলো এই দিবসের অফিশিয়াল রঙ। এই রঙের পোশাক পরে প্রবীণদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা যায় এবং আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার: হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে প্রবীণদের অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়ে তথ্য ও সচেতনতামূলক পোস্ট শেয়ার করা।

যোগাযোগ রাখা: একাকীত্ব প্রবীণ নির্যাতনের বড় ঝুঁকি। নিয়মিত প্রবীণ প্রতিবেশীদের খোঁজখবর নেওয়া বা কল করা তাদের সুরক্ষায় সাহায্য করে।

সেবাদানকারীদের পাশে দাঁড়ানো: প্রবীণদের দেখাশোনা করা অনেক সময় মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর। তাই সেবাদানকারীদের সহযোগিতা ও মানসিক সমর্থন দিলে অবহেলার ঝুঁকি কমে। প্রবীণরা আমাদের সমাজের পথপ্রদর্শক। তাদের সম্মান, মর্যাদা এবং সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার।

তামান্না রুপা/অমিয়/

সফল হয়েও অপরাধবোধে ভোগেন? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
সফল হয়েও অপরাধবোধে ভোগেন? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ
ছবি: এআই

বেশিরভাগ মানুষেরই একটি সাধারণ লক্ষ্য থাকে- জীবনে সফল হওয়া। তবে সাফল্যের সংজ্ঞা সবার কাছে এক নয়। কারও কাছে সাফল্য মানে স্বপ্নের চাকরি পাওয়া, কারও কাছে ফিটনেসের লক্ষ্যে পৌঁছানো। আবার কারও কাছে বর্তমান জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা কিংবা একটি পরিচ্ছন্ন, স্বস্তিদায়ক ঘরে ফিরে আসাও সাফল্যের প্রতীক।

আমরা সাধারণত মনে করি, মানুষের নিজের অর্জন নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে সব সময় তা ঘটে না। অনেক সময় সাফল্যই তৈরি করে এক অপ্রত্যাশিত মানসিক অবস্থা- ‘সাকসেস গিল্ট’ বা সাফল্যজনিত অপরাধবোধ। 

নিচে এমন ১০টি লক্ষণ তুলে ধরা হলো, যা ইঙ্গিত দিতে পারে যে- নিজের সাফল্য নিয়ে আপনার মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করছে।

১) আপনি নিজের কৃতিত্বকে ছোট করে দেখেন

কোনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের পর তা উদযাপন করা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি আপনি নিজের অর্জনকে ভাগ্য, সময় বা কাকতালীয় ঘটনা বলে উড়িয়ে দেন, তাহলে তা সাফল্যজনিত অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

মনোবিজ্ঞানী ড. জেমি লংয়ের মতে, মানুষ স্বভাবগতভাবেই দল বা গোষ্ঠীর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে চায়। ফলে বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীদের তুলনায় নিজেকে বেশি সফল মনে হলে অনেকে নিজের অর্জনকে ইচ্ছাকৃত ছোট করে দেখান, যাতে অন্যদের থেকে আলাদা মনে না হয়।

২) প্রশংসা গ্রহণ করতে অস্বস্তি বোধ করেন

কোনো সাফল্যের পর ‘দারুণ কাজ’ বা ‘তুমি এর যোগ্য’- এ ধরনের প্রশংসা অনেকের কাছে আনন্দের বিষয়। কিন্তু আপনার কাছে যদি এসব কথা অস্বস্তিকর মনে হয়, তাহলে সেটি সাফল্যজনিত অপরাধবোধের ইঙ্গিত হতে পারে।

আপনার মনে হতে পারে, আপনি হয়তো অতিরিক্ত কৃতিত্ব পাচ্ছেন অথবা অন্যরা আপনাকে অহংকারী ভাববে। ফলে প্রশংসা পাওয়ার পরিবর্তে আপনি বিব্রত বা উদ্বিগ্ন বোধ করেন।

৩) নিজের সাফল্যকে অন্যদের সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা করেন

অন্যের কষ্টের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া অবশ্যই ইতিবাচক গুণ। তবে যদি আপনি সবসময় ভাবেন, অন্যরা একই সুযোগ পেলে আপনার চেয়েও বেশি সফল হতে পারত, তাহলে সেটি অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

নিজের অর্জনকে স্বীকৃতি না দিয়ে আপনি অন্যদের সীমাবদ্ধতা ও সংগ্রামের দিকে মনোযোগ দেন। অথচ অন্যদের বাস্তবতা স্বীকার করা এবং নিজের সাফল্য উদযাপন করা- দুটিই একসঙ্গে সম্ভব।

৪) সাফল্যের জন্য নিজেকে বারবার ব্যাখ্যা করতে হয়

কোনো লক্ষ্য অর্জনের পর অনেকেই আনন্দ করেন। কিন্তু আপনি যদি সবসময় ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেন- কত কষ্ট করেছেন, কত ত্যাগ স্বীকার করেছেন কিংবা কতজনের সাহায্য পেয়েছেন- তাহলে এটি সাফল্যজনিত অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

প্রাপ্য কৃতিত্ব অন্যদের দেওয়া ভালো বিষয়। কিন্তু নিজের অর্জনকে বারবার ন্যায্যতা প্রমাণ করার চেষ্টা অনেক সময় ভেতরের অনিশ্চয়তার বহিঃপ্রকাশ।

৫) নিজের সাফল্য নিয়ে কথা বলতে এড়িয়ে চলেন

অনেকেই তাদের অর্জন বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে ভালোবাসেন। কিন্তু আপনি যদি নিজের কৃতিত্বের কথা বলতে সংকোচ বোধ করেন, তাহলে সেটি অপরাধবোধের কারণে হতে পারে।

আপনার মনে হতে পারে, নিজের সাফল্যের কথা বলা মানেই আত্মপ্রচার বা অহংকার। ফলে আপনি অর্জনের বিষয়গুলো গোপন রাখেন, যদিও সেগুলো নিয়ে গর্ব করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

৬) নিজের উন্নতির সুযোগ নিজেই নষ্ট করেন

একটি লক্ষ্য অর্জন করার অর্থ এই নয় যে, পরবর্তী লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করা যাবে না। কিন্তু সাফল্য নিয়ে অপরাধবোধ থাকলে মানুষ অনেক সময় আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থেকেও নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখে।

যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আপনি হয়তো পদোন্নতি, নেতৃত্বের দায়িত্ব বা নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে চান না। কারণ আপনার মনে হতে পারে, এর চেয়ে বেশি চাওয়া স্বার্থপরতা।

৭) অন্য সবার সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন

সফল হওয়ার পর অন্যদের সাহায্য করতে চাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু যদি আপনি মনে করেন, অন্যদের সব সমস্যা সমাধান করা আপনার দায়িত্ব, তাহলে তা সাফল্যজনিত অপরাধবোধের লক্ষণ হতে পারে।

আপনি নিজের প্রয়োজনের চেয়ে অন্যদের প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেন। এমনকি নিজের জন্য সময় বা অর্থ ব্যয় করলেও অপরাধবোধে ভুগতে পারেন।

৮) বারবার প্রশ্ন করেন, আপনি কি সত্যিই এই সাফল্যের যোগ্য?

নিজের অর্জন নিয়ে ভাবা স্বাভাবিক। কিন্তু বারবার যদি মনে হয় আপনি হয়তো এই সাফল্যের যোগ্য নন, তাহলে সেটি আপনার আত্মমূল্যায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আপনি নিজের পরিশ্রম, দক্ষতা ও অধ্যবসায়ের চেয়ে ভাগ্য বা অন্যের সহায়তাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে আত্মবিশ্বাস তৈরি হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

৯) কঠোর পরিশ্রমের ফল উপভোগ করতে পারেন না

কোনো লক্ষ্য অর্জনের পর সাধারণত মানুষ আনন্দ ও তৃপ্তি অনুভব করে। কিন্তু সাফল্য নিয়ে অপরাধবোধ থাকলে সেই আনন্দ উপভোগ করাই কঠিন হয়ে যায়।

এটি অনেক সময় ‘ইম্পোস্টার সিনড্রোম’-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। তখন মানুষ মনে করে, তার অর্জন আসলে তার যোগ্যতার ফল নয়; বরং কাকতালীয়ভাবে পাওয়া কোনো সুযোগ। ফলে নিজের সাফল্যে গর্ব করার বদলে সে নিজের সীমাবদ্ধতাগুলোর দিকেই বেশি নজর দেয়।

১০) যা অর্জন করতে পারেননি, সেটাতেই মনোযোগ থাকে

সফলতার পর অনেকেই কিছুটা সময় নিয়ে নিজের অগ্রগতিকে মূল্যায়ন করেন। কিন্তু সাফল্যজনিত অপরাধবোধে ভোগা মানুষ সাধারণত তা করেন না।

তারা যা অর্জন করেছেন তার চেয়ে বেশি ভাবেন, কী অর্জন করা বাকি আছে। একটি লক্ষ্য পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন অপূর্ণতার তালিকা সামনে চলে আসে। ফলে যত সাফল্যই আসুক না কেন, তা কখনোই যথেষ্ট বলে মনে হয় না।

শেষকথা

সাফল্য মানুষের আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম ও যোগ্যতার স্বীকৃতি। কিন্তু যখন সেই সাফল্যই অপরাধবোধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা মানসিক সুস্থতার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। যদি ওপরের লক্ষণগুলোর সঙ্গে নিজের মিল খুঁজে পান, তাহলে মনে রাখা জরুরি- নিজের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া অহংকার নয়; বরং আত্মসম্মান ও আত্মমূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সূত্র: ইউর টং

আজ ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১১:২১ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ পিএম
আজ ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে
ছবি: সংগৃহীত

আজ ১৪ জুন, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে’ বা আন্তর্জাতিক গোসল দিবস।

প্রতিদিনের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে একটুখানি মানসিক প্রশান্তি, আত্মযত্ন এবং শরীর-মনকে সতেজ করার তাগিদ থেকেই প্রতি বছর এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়।

ইতিহাসের সেই বিখ্যাত গোসল ও ‘ইউরেকা’

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এই দিনটির পেছনে রয়েছে এক যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে গ্রিক গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসকে সাইরাকিউসের রাজা হিয়েরো একটি মুকুটের বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করার দায়িত্ব দেন। মুকুটটি না ভেঙে এর সমাধান খুঁজছিলেন তিনি।

বলা হয়ে থাকে, গ্রীষ্মকালীন অয়নকালের ঠিক এক সপ্তাহ আগে, অর্থাৎ ১৪ জুনের এমনই এক দিনে আর্কিমিডিস যখন গোসলের টাবে নামেন, তখন তিনি লক্ষ্য করেন তার শরীরের ওজনের কারণে টাবের জল উপচে পড়ছে। মুহূর্তেই তিনি বুঝতে পারেন, বস্তুর আয়তন ও ঘনত্ব মাপার সূত্র তিনি পেয়ে গেছেন। এই আবিষ্কারের উত্তেজনায় তিনি বাথটব থেকে নগ্নাবস্থায় রাস্তায় ছুটে বেরিয়েছিলেন এবং চিৎকার করে বলেন- ‘ইউরেকা! ইউরেকা!’ (আমি পেয়ে গেছি!)। বিজ্ঞান ইতিহাসের এই বিখ্যাত ঘটনাকে স্মরণ করেই প্রতি বছর ১৪ জুন এই দিবসটি পালন করা হয়।

গোসল ও সৃজনশীলতার সম্পর্ক

গবেষণায় দেখা গেছে, গোসল বা শাওয়ার নেওয়ার সময় মানুষের মস্তিষ্কে ‘ডোপামিন’ হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা মানুষকে আরও সৃজনশীল করে তোলে। কগনিটিভ সাইকোলজিস্ট স্কট ব্যারি কাউফম্যানের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষের মাথায় চমৎকার সব নতুন আইডিয়া আসে গোসল করার সময়।

আদি ইতিহাস থেকে আধুনিক বাথটব

মানব সভ্যতায় গোসলের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতায় প্রথম উন্নত প্লাম্বিং বা স্নানাগারের প্রমাণ মেলে। আর খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে প্রাচীন রোমে প্রথম বাথটবের ব্যবহার শুরু হয়। অথচ ১৯ শতকেও ইংল্যান্ডে গোসল করা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল; তখন কোনো প্লাম্বিং ব্যবস্থা না থাকায় ফায়ারপ্লেসের সামনে বড় ধাতব পাত্রে ঠান্ডা জল রেখে গোসল করতে হতো। নদী বা পুকুরে গোসল করতে গিয়ে অনেকেই ঠান্ডাজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তেন। পরবর্তীতে ১৮৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আধুনিক বাথটব আবিষ্কারের পর ১৯৩০-এর দশকে এটি বিশ্বব্যাপী সহজলভ্য হয়।

যেভাবে উদযাপন করবেন এই দিনটি

শিশুদের বিজ্ঞান শিক্ষা: আর্কিমিডিসের গল্প শুনিয়ে বাথ টয় (খেলনা) দিয়ে শিশুদের জলের প্লবতা বা বিজ্ঞানের প্রাথমিক পাঠ দেওয়ার চমৎকার সুযোগ এটি।

স্পা বা বিলাসী গোসল: এসেনশিয়াল অয়েল, বাথ সল্ট বা সুগন্ধি বাথ বোম্ব ব্যবহার করে আজ একটু দীর্ঘ সময় নিয়ে উষ্ণ জলে গোসল করতে পারেন। হালকা গান বা মোমবাতি জ্বালিয়ে স্নানাগারকে বানিয়ে তুলতে পারেন এক টুকরো শান্তির নীড়।

ভেষজ সাবান তৈরি: ঘরে বসেই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে নিজের পছন্দের সুগন্ধি সাবান তৈরির মাধ্যমে দিনটি পালন করা যায়।

পানির অপচয় রোধ ও সচেতনতার বার্তা

আন্তর্জাতিক গোসল দিবস কেবল নিজের আরাম-আয়েশের দিন নয়, এটি বিশ্বজুড়ে পানি সচেতনতারও একটি বড় মাধ্যম। আমরা যখন সুনিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রার আধুনিক বাথটবে বিলাসী গোসল উপভোগ করছি, তখনো পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের ন্যূনতম পরিষ্কার ও সুপেয় পানির অধিকার নেই। তাই এই বিশেষ দিনে নিজে সুস্থ থাকার পাশাপাশি জল অপচয় না করার এবং সবার জন্য নিরাপদ পানির অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

তামান্না রুপা/

আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয়

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয়
ছবি: এআই

সন্তানের আশায় বহু বছর অপেক্ষার পর অনেক দম্পতির কাছেই ‘ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন’ (আইভিএফ) নতুন আশার আলো হয়ে ওঠে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে অসংখ্য পরিবার বাবা-মা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছে। তবে ভারতের একটি ঘটনা ফার্টিলিটি ক্লিনিকগুলোর নিরাপত্তা ও মাননিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

অভিযোগ, আইভিএফের মাধ্যমে যমজ সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর এক দম্পতি জানতে পারেন, ডিএনএ পরীক্ষায় শিশু দুটির সঙ্গে তাদের কোনও জৈবিক সম্পর্ক নেই। 

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ফার্টিলিটি চিকিৎসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুরুগ্রামের ওই দম্পতির ঘরে আইভিএফের মাধ্যমে যমজ সন্তানের জন্ম হয়। কয়েক মাস পর শিশুদের একটি শারীরিক সমস্যার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে গেলে কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপর চিকিৎসকেরা বিস্তারিত জেনেটিক প্রোফাইলিং বা ডিএনএ পরীক্ষার পরামর্শ দেন।

অভিযোগ, পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, শিশু দুটির সঙ্গে বাবা কিংবা মা- কারওই জৈবিক সম্পর্ক নেই। পরিবারটির দাবি, আইভিএফ প্রক্রিয়ার সময় অন্য কোনো দম্পতির ভ্রূণ ভুলবশত প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। আবার জন্মের পর শিশু অদলবদলের ঘটনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

যমজ সন্তানের বাবা রাহুল রাঠোর জানান, কনিষ্ঠ সন্তানের চেহারায় উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের সঙ্গে মিল থাকায় তার প্রথম সন্দেহ হয়। এরপরই তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেন। 

রাহুল ও তার স্ত্রী অভিযোগ করেন, তারা একাধিকবার আইভিএফ কেন্দ্রের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাননি।

ইতোমধ্যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।  রাহুলের দাবি, গত ৫ জুন আদালত পুলিশকে সংশ্লিষ্ট আইভিএফ কেন্দ্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করার নির্দেশ দেয়।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই দম্পতির মানসিক অবস্থার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘আইভিএফ কেন্দ্রকে অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কিন্তু এই দম্পতির মানসিক যন্ত্রণা কোনওভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়।’

আবার অনেকেই ফার্টিলিটি ক্লিনিকগুলোর ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। এক মন্তব্যে বলা হয়, ‘‘যদি আইভিএফ কেন্দ্রের ভুল হয়ে থাকে, তবে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রটি ‘এআরটি’ আইন ও নির্দেশিকা মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।”

তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে না। তবে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি ভারতের আইভিএফ চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুতর বিতর্ক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অমিয়/

তামাকের বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া ব্যবহার করছেন গাজার ধূমপায়ীরা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
তামাকের বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া ব্যবহার করছেন গাজার ধূমপায়ীরা
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজায় তামাকের তীব্র সংকট ও আকাশছোঁয়া দামের কারণে অনেক ধূমপায়ী এখন বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া পাতা ব্যবহার করছেন।

গাজা সিটির বিভিন্ন বাজারে শুকনো মলোখিয়া পাতা ও তরল নিকোটিন মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে তথাকথিত ‘মলোখিয়া সিগারেট’।

গাজা সিটির কেন্দ্রস্থলে একটি ধুলোমাখা রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপের পাশে গড়ে উঠেছে একটি ছোট বাজার। রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অস্থায়ী দোকানপাট, যেখানে বিক্রেতারা শুকনো মলোখিয়া পাতার বড় বড় প্লাস্টিকের ব্যাগের পাশে তামাকের কয়েকটি অবশিষ্ট প্যাকেট সাজিয়ে রেখেছেন।

মলোখিয়া হলো পাটগাছের মতো, এর পাতা সবুজ শাক বা এর থেকে তৈরি সুস্বাদু স্যুপ, যা মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব আফ্রিকা এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অত্যন্ত সমাদৃত। এটি আমাদের দেশে পরিচিত পাট শাক হিসেবে। কিন্তু এখানকার দোকানগুলোতে এটি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ‘মলোখিয়া সিগারেট’।

আলা জুন্দিয়া নামে এক ব্যক্তি একজন মলোখিয়া বিক্রেতার কাছে একটি সিগারেট চান। বিক্রেতা এক মুঠো শুকনো পাতা হাতের তালুতে গুঁড়ো করে তাতে এক ফোঁটা তরল নিকোটিন মেশান। এরপর মিশ্রণটি পাতলা কাগজে মুড়িয়ে তার হাতে তুলে দেন।

২৭ বছর বয়সী আলা জুন্দিয়া জানান, যুদ্ধের আগে তিনি বিভিন্ন ধরনের তামাক ব্যবহার করলেও বর্তমানে একটি সিগারেটের দাম প্রায় ১০০ শেকেল (প্রায় ৩৪ ডলার) হওয়ায় তা কেনা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়েই তিনি মলোখিয়া সিগারেট ব্যবহার করছেন। 

তার ভাষায়, এটি প্রকৃত কোনো বিকল্প নয়, বরং অভাবের কারণে এটি বেছে নিয়েছেন।

জুন্দিয়া বলেন, যা একসময় একটি সাধারণ ব্যক্তিগত অভ্যাস ছিল, তা এখন গাজার দৈনন্দিন জীবনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের আরেকটি উদাহরণ। ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট চরম মুদ্রাস্ফীতি এখন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

‘একটি তামাকের সিগারেটের দাম এখন ১০০ শেকেল (৩৪ ডলার), এটা পাগলামি, এটার সঙ্গে এখন আর তামাকের কোনো সাদৃশ্যই নেই, কিন্তু অন্য কোনো উপায় না থাকায় আমরা এটা ব্যবহার করি’, মলোখিয়ার স্বতন্ত্র গন্ধমিশ্রিত ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বলেন জুন্দিয়া। সূত্র: আল জাজিরা

অমিয়/