ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অপেক্ষা ফুরাচ্ছে ওচোয়ার! ইংল্যান্ডকে জিততে দিল না ঘানা মায়ের মৃত্যুতে দেশে ফিরে গেলেন ফ্রান্সের কোচ অতঃপর দেম্বেলে… প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা বিশ্বকাপে ইরানের সফর নীতি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের ক্যানভাসে চিরযৌবন নেইমারে ভয় নেই স্কটল্যান্ডের মাঠে হেঁটেই সফল মেসি রোনালদোর রেকর্ডের রাতে পর্তুগালের গোল উৎসব ৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের গোল করেই ইতিহাস গড়লেন রোনালদো ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না হালান্ড তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার উপদেষ্টা জাহেদের ফেরা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত: জয়সওয়াল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন পর্তুগালের একাদশে ২ পরিবর্তন ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন আদব মানুষকে সম্মানিত করে, আদবহীনতা মর্যাদা নষ্ট করে: ছারছীনার পীর ছাহেব কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত? রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী

ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ
ব্র্যাক

চাহিদা সত্ত্বেও দেশে প্রশিক্ষিত নারী চালকের অভাব রয়েছে। যানবাহন চালনায় আগ্রহ থাকলেও লাইসেন্সধারী নারী চালকের সংখ্যা এখনো বেশ কম, আর পেশাদার নারী চালকের সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। নারীরা চালক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে তাদের চলাচল, আয় এবং আর্থিক স্বাধীনতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ জন্য প্রয়োজন উন্নতমানের প্রশিক্ষণ ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিবহন খাত-সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা এসব কথা বলেন।

পেশাদার নারী চালকদের প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ উপলক্ষে ‘চালকের আসনে নারী: সাফল্য উদযাপন, সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবহন খাত’ (উইমেন বিহাইন্ড দ্য হুইল: সেলিব্রেটিং অ্যাচিভমেন্ট, অ্যাডভান্সিং রোড সেফটি অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ট্রান্সপোর্ট) শীর্ষক অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আন্না মিনজ এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ।

নারী চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক আহমেদ নাজমুল হুসেইন। কর্মসূচির প্রকল্প ব্যবস্থাপক এম খালিদ মাহমুদ অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সমাপনী বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলে সফল প্রশিক্ষণ শেষে পেশাদার চালকের আসনে বসতে প্রস্তুত ১০ জন নারীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ তুলে দেওয়া হয়। এই নারীরা ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলে তিন মাসের নিবিড় আবাসিক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধাসম্পন্ন এই গাড়িচালনা প্রশিক্ষণে তারা তাত্ত্বিক ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এর পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগের প্রশিক্ষণ এবং জেন্ডার ও সুরক্ষা (সেফগার্ডিং) বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণও পেয়েছেন। ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল এখন পর্যন্ত ১৫৯ জন নারীকে পেশাদার চালক হিসেবে প্রস্তুত করেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুর রশিদ বলেন, সামাজিক বাধা ও প্রচলিত ধারণার কারণে পরিবহন খাতে নারীদের উপস্থিতি দীর্ঘদিন খুবই সীমিত ছিল। বর্তমান সরকার প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, গতিনিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নের মতো নানা উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে নারীদের জন্য নির্দিষ্ট বাসসেবা, নারী চালকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং লাইসেন্স উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

হাবিবুর রশিদ বলেন, ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি নারী চালকদের প্রশিক্ষণ, মোটরসাইকেল চালনা প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। বিশেষ করে গণপরিবহন ও জনপরিসরে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদের অবদান প্রশংসার দাবি রাখে। প্রশিক্ষিত নারী চালকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা সমাজে নারীর সক্ষমতার একটি শক্তিশালী উদাহরণ তৈরি করেছেন।” প্রতিমন্ত্রী ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, তাঁর হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সংসদ সদস্য আন্না মিনজ বলেন, পেশাদার নারী চালক তৈরির এই উদ্যোগটি নারীকে সমৃদ্ধ করার একটি অনন্য উদাহরণ। তবে নারী চালকদের দুটি চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীরা বাস বা গণপরিবহন চালাবে— এটি সহজে মেনে নিতে আমাদের সমাজ এখনো প্রস্তুত নয়। তাই এই পেশায় নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ এখনো সীমিত। দ্বিতীয়ত, জনপরিসরে নারীদের টয়লেট বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি। তবে সরকার নারীদের জন্য যে বিশেষ গণপরিবহনের পরিকল্পনা নিয়েছে, সেখানে ব্র্যাকের এই প্রশিক্ষিত চালকেরা বড় ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বলেন, গণপরিবহনে নারী যাত্রী এবং নারী চালকদের জন্য আরও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে বিআরটিএ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যোগ্য নারী চালকেরা যাতে লাইসেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যথাযথ সহযোগিতা ও সেবা সহজে পান, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে। নিরাপত্তা ও দক্ষতার মান বজায় রেখে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়াকে আরও নারীবান্ধব করার জন্য কাজ চলছে।

সভাপতির বক্তব্যে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন, “আজকের এই আয়োজন নারীর ক্ষমতায়ন, নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি সম্মিলিত অঙ্গীকারের একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন।” মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্র্যাক দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষ ও দায়িত্বশীল চালক তৈরি এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলার মাধ্যমে ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি দেশের সড়ক নিরাপত্তা খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।

তামারা হাসান আবেদ বলেন, এখন লক্ষ্য হওয়া উচিত এই দক্ষ নারী চালকদের জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দক্ষ নারী চালকদের চাহিদা বাড়ছে। ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের পাশাপাশি একজন নারী চালককে মৌলিক নার্সিং ও কেয়ারগিভিং-সংক্রান্ত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণও দেওয়া যেতে পারে। এতে নারীরা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের বহুমুখী চাহিদার সঙ্গে আরও ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন এবং বিদেশে উন্নত কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভ করবেন।

আহমেদ নাজমুল হুসেইন ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেন। তাঁরই ধারাবাহিকতায় এসব কার্যক্রম চলছে। এই নারী চালকেরা তিন মাসের নিবিড় প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এরপর ব্র্যাকের ট্রান্সপোর্ট বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জ্যেষ্ঠ গাড়িচালকদের অধীনে শিক্ষানবিশ পেশাদার গাড়িচালক হিসেবে আরও তিন মাস প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সাল থেকে ব্র্যাকের সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সড়ক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বাড়ানো এই কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কমিউনিটি পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবহার-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদান। এ ছাড়া এই কর্মসূচির আওতায় গণপরিবহনে নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবহন খাতের কর্মীদের সক্ষমতা বাড়ানো, পরিবহন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুল থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে ১৩ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে ডিফেন্সিভ ড্রাইভিং এবং সাড়ে ১২ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে সাধারণ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৪০৯ জনকে গাড়ি চালনার প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি/

কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় আন্তর্জাতিক মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম RJ Motors-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শোরুমের উদ্বোধন করা হয়।  

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম সুমন, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার শামীম আহমেদ, হেড অব মার্কেটিং মো. ফজলে এলাহি তুর্জসহ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ও R J Motors এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফরহাদুল হাসান (সুমন)।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএফমোটোর নতুন মডেলের মোটরসাইকেল ও বৈদ্যুতিক স্কুটার প্রদর্শন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— এসআর ৩০০, এসআর ২৫০, এনকে ২৫০, এনকে ৩০০, সিএলসি ২৫০ এবং জিহো এইই ৭ বৈদ্যুতিক স্কুটার।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আকর্ষণীয় নকশার সমন্বয়ে তৈরি এসব মডেল দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে। কুমিল্লা ও আশপাশের অঞ্চলের গ্রাহকদের উন্নত বিক্রয়োত্তর সেবা এবং খুচরা যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতেই কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নতুন এই শোরুম চালু করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী, দেশের বিভিন্ন বাইকার সংগঠন, মোটরসাইকেলপ্রেমী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।  

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ধানমন্ডি এলাকায় হামলার এ ঘটনা ঘটে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, "এ সময় সাংবাদিকদের 'আওয়ামী লীগের দোসর' আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও তাদের ক্যামেরা-মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়"।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একটি রাষ্ট্র যদি নিজেকে গণতান্ত্রিক মনে করে, সে ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সে রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব। 

পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যারা হামলার শিকার হয়েছেন তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান জিএম কাদের। তিনি আহত সাংবাদিকদের দ্রুত সুস্থতাও কামনা করেন। 

নাঈম/

ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন সুবিধা নিশ্চিত করতে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাপ থেকে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদে টাকা আনার সেবা চালু হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের লেনদেন স্বাধীনতা যেমন নিশ্চিত হবে, একই সঙ্গে দেশের ক্যাশলেস লেনদেনের অগ্রযাত্রায় এটি একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর গুলশানে ওয়ান ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে সেবাটি চালু করা হয়।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ এবং ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান।

অনুষ্ঠানে নগদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভুঁইয়া, হেড অব বিজনেস সেলস মো. সাইদুর রহমান দীপু প্রমুখ।

ওয়ান ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব বিজনেস শাব্বির আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জিয়াউল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার আহমেদ জাফরসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে নগদ প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তারে ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার মধ্যে আন্তঃসংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের ফলে গ্রাহকেরা আরও সহজে ডিজিটাল লেনদেন করতে পারবেন। একইসঙ্গে দেশের ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান বলেন, “ওয়ান ব্যাংকের তরফ থেকে আমরা সব সময় ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গ্রহণ করার দিকে বিশেষ আগ্রহী, যাতে গ্রাহকের জন্যে স্বচ্ছন্দ নিশ্চিত করা যায়। নগদের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদের গ্রাহকদের নিরাপত্তার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন করতে সহায়তা করবে, যা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাশলেস অর্থনীতি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে গতিশীল করবে।”

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশে মাস্টারকার্ড-হোল্ডারদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করতে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেড। এই চুক্তির আওতায় মাস্টারকার্ড, কার্ডহোল্ডার ও তাদের পরিবারের সদস্যরা নির্বাচিত হেলথ চেক-আপ প্যাকেজে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ এবং বিভিন্ন প্যাথলজি পরীক্ষায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবেন।

এ ছাড়াও, কার্ডহোল্ডাররা হোম স্যাম্পল কালেকশন এবং অ্যাসেন্ট হেলথ কনসালটেশন সেন্টারের সেবাও নিতে পারবেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মাস্টারকার্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা। অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ড. আনোয়ারুল ইকবাল; অ্যাসেন্ট গ্রুপের ডিরেক্টর মো. আমের আহমেদ; ও চিফ অপারেটিং অফিসার রোনাল্ড মিকি গোমেজ। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে মানুষকে প্রতিরোধমূলক ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ “জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানসিকতার পরিবর্তন” বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) ইউল্যাব-এর জেনারেল এডুকেশন বিভাগ এবং অগ্রযাত্রা নারী ফোরামের যৌথ উদ্যোগে পিডি ভবনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন, অগ্রযাত্রা নারী ফোরামের আহ্বায়ক জাকিয়া শিশির, সদস্য সচিব মেহনাজ পারভীন এবং আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী আমিনুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, অবচেতন পক্ষপাত, জেন্ডারভিত্তিক প্রচলিত ধারণা এবং সমাজীকরণ প্রক্রিয়া কীভাবে ব্যক্তি ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণকে প্রভাবিত করে, সে বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণমূলক উপস্থাপনা, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ এবং আত্ম-অনুধ্যানমূলক অনুশীলনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সমতা প্রতিষ্ঠার পথে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করেন এবং শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক পরিমণ্ডলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়সঙ্গত চর্চা নিশ্চিত করার বাস্তবসম্মত উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রশিক্ষকবৃন্দ জেন্ডারভিত্তিক প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, অবচেতন, পক্ষপাত সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং ন্যায়, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিকে সমর্থন করে এমন রূপান্তরমুখী মানসিকতা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, মতামত আদান-প্রদান এবং প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলো নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পান।

জেনারেল এডুকেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, প্রফেসর ড. শাহনাজ হুসনে জাহান তার মূল্যবান বক্তব্যে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণের বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দিতে এবং পরিবর্তনের দূত হিসেবে ভূমিকা রাখতে অনুপ্রাণিত করেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম