ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন কানাডার মিডফিল্ডার ইসমায়েল কোনে সাজিনাস হাসপাতালের পরিচালকসহ ৮ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আ. লীগ নেতা সবার আগে নকআউটে মেক্সিকো চট্টগ্রামে হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালাল স্বামী টিভিতে আজকের খেলা বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করতে চায় পাকিস্তান দেখা পেলাম দুষ্প্রাপ্য চামেলির সোনারগাঁয় ফয়জুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি সজিব গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সিরিজ বাঁচানোর লড়াই আল্লাহর মাস মুহাররমে করণীয়-বর্জনীয় দেশের ১৩ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা পোলাওয়ের চাল ১৯০ টাকা কেজি! পদ্মা রেলসেতুর মাটি কাটায় ঝুঁকি নেই: সেতুমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ – গ্রুপ ‘এ’ থেকে যোগ্যতা অর্জনের সম্ভাব্য পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে সেনা মোতায়েন পুনর্বিবেচনা করছে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা জমা বেড়েছে ৪১ শতাংশ ১৯ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ট্রাম্পের এক প্রকার আত্মসমর্পণ চুক্তির পরও অমীমাংসিত ইস্যু ১৯ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সিয়াটলে স্বাগতিকদের সামনে অস্ট্রেলিয়া চ্যালেঞ্জ ট্রাম্পের ধন্যবাদ পুতিন-শিকে তবু হাইতিকে নিয়ে সতর্ক ব্রাজিল কেমন গেল বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড ১৯ জুন ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি স্কটিশদের হিসাব মেলানোর রাত

সম্পত্তির লোভে মাখনকে হত্যা করেন আজাদ

প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৫, ০৪:১০ পিএম
সম্পত্তির লোভে মাখনকে হত্যা করেন আজাদ
গ্রেপ্তার আজাদ মিয়া। ছবি: খবরের কাগজ

লন্ডন প্রবাসী আকরাম আলী মারা গেলে সিলেটের ওসমানীনগরে তার গ্রামের বাড়িতে সম্পত্তির দেখাশোনার দায়িত্ব পান ভাতিজা আজাদ মিয়া। তিনি অবশ্য আগে থেকেই সেগুলোর দেখভাল করে আসছিলেন। কিন্তু এক সময় এই কাজে যোগ দেন আকরাম আলীর ভাগিনা মাখন মিয়া। মাখন মিয়া আসার পর আজাদ মিয়াকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন আকরাম আলীর পরিবারের লোকজন। আর এটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় মাখন মিয়ার জন্য। আজাদ মিয়া চিন্তা করলেন, আকরাম আলীর পরিবার আর লন্ডন থেকে ওসমানী নগরে ফিরবে না। এখন যদি মাখন মিয়াকে সরিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে সব সম্পত্তি আজাদ একাই ভোগ করতে পারবেন। সেই চিন্তা থেকে মাখন মিয়াকে হত্যার পকিল্পনা করেন  আজাদ। বাড়ির কেয়ারটেকার আলমগীর আলীর সঙ্গে যোগসাজশে  তিনি হত্যা করেন মাখন মিয়াকে। তারা দুজনে এক সঙ্গে হামলা চালান মাখনের ওপর। 

গত রবিবার সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মাখন মিয়া হত্যা মামলায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন কেয়ারটেকার আলমগীর আলী।

পুলিশ জানায়, গত ২১ মার্চ তারাবির নামাজ শেষে রাত ১১টায় মাখন মিয়া ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরের দিন ২২ মার্চ দুপুর ১টার সময় মাখন মিয়ার লাশ বাদীর বাড়ির পূর্বপাশে বোরো ধানের ক্ষেতে পাওয়া যায়। স্থানীয় মেম্বার থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ এসে মাখন মিয়ার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওসমানীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

গত ২৩ মার্চ দুপুরে সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানা পুলিশের একটি দল  আইলাকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাখন মিয়া হত্যায় জড়িত অভিযোগে কেয়ারটেকার আলমগীর আলীকে (৩০) গ্রেপ্তার করে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আলমগীর আলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তিনি গতকাল ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওইদিন রাতে আইলাকান্দি এলাকায় অভিযান  চালিয়ে আজাদ মিয়াকে (৫৫) গ্রেপ্তার করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। 

ওসমানীনগর থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া খবরের কাগজকে বলেন, ‘মাখন মিয়া হত্যায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমরা মূল রহস্য উদঘাটন করেছি। হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূলত প্রবাসীর বাড়ি দেখাশোনা করার বিরোধ থেকে মাখন মিয়াকে হত্যা করেন তার ফুফাতো ভাই আজাদ। বাড়ির কেয়ার টেকার আলমগীর হত্যায় অংশ নেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাগুরায় নবজাতককে বিক্রি করলেন বাবা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম
মাগুরায় নবজাতককে বিক্রি করলেন বাবা
ছবি: খবরের কাগজ

মাগুরায় নিজের সদ্যোজাত মেয়েকে স্ত্রীর অজান্তে বিক্রি করে দেওয়ার মতো এক  চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ নাটকীয়তা ও প্রতারণার পর, অবশেষে জেলা পুলিশের তৎপরতায় শিশু টুকটুকিকে (১ মাস ২৫ দিন) উদ্ধার করে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৮টায় এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোল্লা আজাদ হোসেন, পিপিএম-সেবা।

প্রেস ব্রিফিংয় সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা সদর থানাধীন বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী এলাকার বাসিন্দা মো. সাগর হোসেন (৩৪) গত ২৭ মে ২০২৬ তারিখে তার স্ত্রী তানজিলা খাতুনের অজান্তে তাদের নবজাতক সন্তানকে অবৈধভাবে বিক্রি করে দেন। তিনি মাত্র ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকার বিনিময়ে একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে সন্তানটিকে মঘী ইউনিয়নের দক্ষিণ বীরপুর এলাকার দম্পতি মো. শাহাবুর (২৮) ও মনিরা খাতুন (২৫)-এর নিকট হস্তান্তর করেন।  

সন্তানকে না পেয়ে মা তানজিলা খাতুন ব্যাকুল হয়ে খোঁজ করতে থাকলে, অভিযুক্ত পিতা সাগর হোসেন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এক অবিশ্বাস্য নাটকের আশ্রয় নেন। তিনি স্ত্রীকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা তথ্য ছড়ান যে, শিশুটিকে 'জ্বীনে' নিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, জ্বীনের মাধ্যমেই সন্তানকে ফিরিয়ে আনা হবে—এমন ভুঁয়া আশ্বাস দিয়ে তিনি দীর্ঘ প্রায় দুই মাস অতিবাহিত করেন।  

পরবর্তীতে এ ঘটনাটি মাগুরা জেলা পুলিশের নজরে আসলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় শত্রুজিৎপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শুভংকর রায় তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে নামেন। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রকাশ্যে ও গোপনে নিবিড় তদন্ত শুরু করে। 

ধারাবাহিক তদন্ত, উন্নত তথ্যপ্রযুক্তি এবং স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় আজ দুপুরে পুলিশ শিশুটির ক্রেতা শাহাবুর ও মনিরা খাতুনের বাড়ি থেকে শিশু টুকটুকিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারের পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অবুঝ শিশুটিকে তার মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, এ জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

কাসেমুর রহমান/নাঈম

টঙ্গীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
টঙ্গীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার হওয়া হানি ট্র্যাপ চক্রের তিন সদস্য। ছবি: খবরের কাগজ

গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রেমের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে আটকে রেখে যুবকদের মারধর এবং টাকা আদায়ের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ হানি ট্র্যাপ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এ ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন টঙ্গীর মুদাফা এলাকার কনসেপ্ট গার্মেন্টস সংলগ্ন একটি ছয়তলা ভবনের চতুর্থ তলায় ভুক্তভোগী সালেহীন মিয়া (২৮) ও তার বন্ধু টিটু মিয়াকে এক নারী সদস্যের মাধ্যমে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা তাদের একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নগদ ৭৬ হাজার টাকা ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয় হানি ট্রাপ চক্র।

এর আগে টঙ্গী পশ্চিম থানায় পেনাল কোডে মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে নেমে এসআই এসএম মেহেদী হাসান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সঙ্গীয় ফোর্সের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাঁচ সদস্যের হানি ট্র্যাপ চক্রের মধ্যে দুই নারী ও এক পুরুষ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের কাছে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ হানি ট্র্যাপ চক্রের সদস্য এবং এর আগেও তারা একই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। হানি ট্র্যাপসহ যেকোনো ধরনের প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে এ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারণামূলক ফাঁদ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। কোনো সন্দেহজনক ঘটনার শিকার হলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করছি।

পলাশ প্রধান/নাঈম

নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গণপিটুনি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গণপিটুনি
ছবি: খবরের কাগজ

নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মিন্টু গাজীকে (৪৫) গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। তাকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) রাত ১২টার দিকে পৌরসভার দুর্গাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটক মিন্টু গাজী দুর্গাপুর এলাকার খালেক গাজীর ছেলে ও সম্পর্কে শিশুটির সৎবাবা।

পুলিশ ও ​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল পৌরসভার দুর্গাপুর এলাকার মিন্টু গাজী বুধবার রাত ১২টার দিকে সৎমেয়েকে (১২) নিয়ে মাছ ধরার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। দুর্গাপুর রেলষ্টেশনের পাশে নিয়ে তাকে যৌন হয়রানি করে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ তাকে আটক করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে হাসপাতালের বারান্দায় পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সদর থানার ভরাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ’এ ঘটনায় সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

​শরিফুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

চট্টগ্রামের নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০২ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
চট্টগ্রামের নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর পাঁচ বছর বয়সী শিশু মো. জায়হানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে পটিয়া পৌরসভার দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার একটি ময়লার ভাগাড় থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিহত জায়হান স্থানীয় গ্যারেজ ব্যবসায়ী শাহজাহানের একমাত্র ছেলে। সে এলাকার একটি নূরানি মাদরাসায় পড়াশোনা করত।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা একই পরিবারের সদস্য এবং তাদের বসতঘরের পেছনের অংশ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে বাড়ির সামনের সড়কে খেলতে গিয়ে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় জায়হান। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান মেলেনি। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেন, হয়তো সে পাশের পুকুরে পড়ে গেছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুকুরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে বিষয়টি পটিয়া থানাকে অবহিত করে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর শাহজাহানের ঘরে একটি হাতে লেখা চিঠি পাওয়া যায়। সেখানে শিশুটিকে ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ চিঠিটি জব্দ করে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

স্বজনদের দাবি, অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার চেষ্টা করা হয়। তাদের অভিযোগ, সন্দেহভাজনরা পুরো সময়জুড়ে পরিবারের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার ভান করে গেছে।

পটিয়া থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িত থাকার সন্দেহে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রাফিউল আলভী/খাদিজা রুমি/

লৌহজংয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ১১:২০ এএম
লৌহজংয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে সোহেল মুন্সী (৩৯) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (১৭ জুন) রাতে উপজেলার গাওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে নিজ বাড়ির উঠানে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলেও আগুন দেওয়া হয়।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, নিহত সোহেল বুধবার রাতে রাতে খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। সন্তান নিয়ে পাশের ঘরে শ্বাশুড়ির সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিলেন তার স্ত্রী নুপুর। গভীর রাতে বাড়ির ওঠানে আগুন দেখতে পেয়ে সোহেলের স্ত্রী ও মা ঘর থেকে বেড়িয়ে এসে দেখেন ওঠানে সোহেলের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে এবং তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন জলছে। কে বা কারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর হত্যা করে।

বিষয়টি স্থানীয়রা পুলিশকে জানালে ভোরে পুলিশ গিয়ে সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর-সিরাজদিখান সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান জানান, গভীর রাতে ঘর থেকে বের করে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঈনুদ্দীন সুমন/খাদিজা রুমি/