কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক মাস চার দিন আগে নিখোঁজ হওয়া মো. করিম ভূঁইয়ার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে করিম ভূঁইয়ার শ্বশুরবাড়ি উপজেলার রসুলপুর গ্রামে টয়লেটের ট্যাংক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মো. করিম ভূঁইয়া (৪৮) ওই উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রী বাড়ি এলাকার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। এ ঘটনায় করিম ভূঁইয়ার স্ত্রী, শ্যালক ও দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, গত ১৩ আগস্ট বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন করিম ভূঁইয়া। এরপর করিমের সন্তানরা দেবীদ্বার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। দীর্ঘ এক মাসেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামের কয়েকজন অভিযোগ করেন, 'কয়েকদিন আগে করিম ভূঁইয়ার শ্যালক রাতে বোনের বাড়ি থেকে বস্তায় ভরে কিছু একটা নিতে দেখেন কয়েকজন প্রতিবেশি। বিষয়টি নিয়ে তখন কোনো আলোচনা না হলেও এখন শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর তা নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়।'
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে করিম ভূঁইয়ার শ্বশুরবাড়ির টয়লেটের ট্যাংক খোলা হয়। পরে গলিত মরদেহটি পাওয়া যায়, যা করিম ভূঁইয়ার বলে শনাক্ত করা হয়।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনার পেছনে কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
জহির/মৌসুমী/অমিয়/