টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দি মা ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধারের ছয় দিনেও পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের গুনটিয়া গ্রামে লৌহজং নদের পাড় থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
এদিকে টাঙ্গাইলে গর্ভবতী নারীকে ধর্ষণের পর পেট থেকে বাচ্চা বের করে তাদের হত্যা, এমন একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে পুলিশ এমন কোনো তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি।
পুলিশ জানায়, ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায় স্থানীয়রা মাটির নিচে থাকা বস্তার একটি অংশ কুকুর কামড়ে ধরে টানতে দেখে পুলিশে খরব দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে অজ্ঞাত নারী ও নবজাতকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে।
তখন পরিচয় শনাক্ত করতে না পারায় মরদেহ দুটি অজ্ঞাত হিসেবে মির্জাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন খবরের কাগজকে বলেন, ২০ এপ্রিল মাটি খুঁড়ে নারীর মরদেহ উদ্ধারের সময় তার সঙ্গে একটি নবজাতকের মরদেহও পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী সাত-আট মাসের গর্ভবতী ছিলেন।
তিনি বলেন, মরদেহ দুটি উদ্ধারের সময়ই অর্ধগলিত ছিল। সুরতহাল করার সময় নারীর গলায় ওড়নার মতো একটি কাপড় প্যাঁচানো পাওয়া যায়। ডান হাতের মাংসপেশী ছিল না। মনে হচ্ছিল কুকুরে কামড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর পর সেখানে প্রয়োজনীয় রিপোর্ট পেতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে কীভাবে মৃত্যু হয়েছে তা জানা যাবে।
জুয়েল রানা/অমিয়/