ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইরানের রক্ষণদুর্গে আটকে গেল বেলজিয়াম গোল বাতিল ইরানের, গোলশূন্য প্রথমার্ধ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড পেলের কীর্তিতে ভাগ বসালেন ইয়ামাল জন্মবার্ষিকীতে স্মরণানুষ্ঠান: সুফিয়া কামালের ব্যক্তিত্ব সবাইকে আলোকিত করে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা সৌদিকে উড়িয়ে দিল স্পেন যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টায় প্রথম দফার বৈঠক শেষ, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান ডোকুর ‘বিশ্বকাপ ছাড়ার’ সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড় মালয়েশিয়ায় কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তিতে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রথমার্ধে সৌদি আরবের জালে ৩ গোল স্পেনের তীব্র গরমের পর স্বস্তির বৃষ্টি প্রথম গোলেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের দাফন সম্পন্ন সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু সুরের মূর্ছনায় বিশ্ব সংগীত দিবস: ঢাকার দুই প্রান্তে সুরের বিভা কুড়িগ্রামে এক বাঘা আইড় ৮৫০০০ অজু করার সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলায় দণ্ডিত ৫৯ জন: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘অসত্য’ বক্তব্য, উত্তপ্ত সংসদ স্পেনের শুরুর একাদশে ইয়ামাল সুফিয়া কামাল ও আবু হেনা মোস্তফা কামালের স্মরণে জবিতে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু মানিকগঞ্জে ঝোপে মিলল স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান, বাণিজ্য–বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশা দিনাজপুরে কোল্ডস্টোরেজে আলু সংরক্ষণ ফি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন চট্টগ্রামে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ শরীয়তপুরে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়: ইসি সচিব বোয়ালমারীতে শতবর্ষী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চাঁদাবাজির অভিযোগে সোনারগাঁওয়ের এমপি পুত্র সজীব আটক

দেহটাই একটা যন্ত্র, এটাকেই বাজানোর চেষ্টা করছি

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৫, ১০:০০ এএম
আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৫, ০৪:৩৩ পিএম
দেহটাই একটা যন্ত্র, এটাকেই বাজানোর চেষ্টা করছি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় মিউজিশিয়ান মিঠুন চক্র। বিভিন্ন ইনস্ট্রুমেন্ট বাজানোর দক্ষতার পাশাপাশি গানও গেয়ে থাকেন এই শিল্পী। কিছুদিন আগে ইউনেসকোর হেডকোয়ার্টারে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন তিনি। এসব বিষয় ও অন্যান্য পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাহমুদ শাকিল- 

সম্প্রতি ইউনেস্কোর হেডকোয়ার্টারে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। সে সম্পর্কে বলুন-
আমাদের ট্যুরটি হয়েছিল ইউনেসকোর আন্ডারে, যেখানে আমি প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে বাজানোর আমন্ত্রণ পাই। তাও আবার ইউনেসকোর আমন্ত্রণে ফ্রান্সে, যেখানে বাংলাদেশ হাইকমিশন জড়িত ছিল এবং এটার নেতৃত্বে ছিলেন আমাদের কাছের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী ভাই। সেখানে আমি ছাড়াও বিখ্যাত বংশীবাদক জালাল আহমেদ, নীরব, টুনটুন বাউল, পালাকার ভাই, পারসা, পিংকি এবং সেজান গিয়েছিলাম। খুব সুন্দর এক অভিজ্ঞতা ছিল। আমরা অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করেছিলাম ২১ তারিখ। সেদিন আমরা দুবার বাজিয়েছিলাম। 

অনুভূতি কেমন ছিল? 
পারফর্মের অনুভূতি ছিল অভূতপূর্ব। ইউনেসকোর মতো এত বড় একটি সংস্থায় গিয়ে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করা, সেটাও আবার ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিনে, অসাধারণ এক অনুভূতি। তার ওপর সেদিন সকালবেলায় শুধু আমরাই এককভাবে বাংলাদেশের সংগীত পারফর্মের সুযোগ পেয়েছিলাম। আর রাতে তো সবাই মিলে গ্রুপ পারফরমেন্স ছিলই। এটা প্রাপ্তির মধ্যে সবচেয়ে উপরের স্থান দখল করে রেখেছে। যদিও খুব নার্ভাস ছিলাম, তবে সবকিছু খুব ভালো হয়েছে। যেখানে আমরা বলতে পেরেছি ‘উই আর অল ওয়ান সাউন্ড, উই আর অল ওয়ান টুগেদার। 

এআর রহমানের সঙ্গেও আপনি একই মঞ্চে পারফর্ম করেছেন। এই অভিজ্ঞতাটা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য কতটা গুরুত্ববহ? 
২০১৩ সালে টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এআর রহমান বাংলাদেশে এসেছিলেন। তার সঙ্গে আমার পারফর্ম করাটাও বেশ নাটকীয় ছিল। আমার গুরুজি আনন্দ শিবামনী যিনি দীর্ঘদিন যাবৎ এআর রহমানের সঙ্গে বাজাচ্ছেন, তিনিই আমাকে এ সুযোগটা করে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের একমাত্র মিউজিশিয়ান হয়ে তাদের সঙ্গে বাজানো, দুই-তিন দিন একসঙ্গে প্র্যাকটিস করে ফাইনালি স্টেজ শেয়ার করার ব্যাপারটা এখনো আমার মাথায় রয়ে গেছে। এটা আমাকে আরও বেশি প্রফেশনাল হতে সাহায্য করেছে।

অনেকেরই কৌতূহল, আপনি আসলে কি কি ইনস্ট্রুমেন্ট বাজাতে পারেন? 
আমি ছোটবেলা থেকেই যে ইনস্ট্রুমেন্টগুলো ছন্দ সৃষ্টি করে, সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছি। তবলা বাজানো শুরু করি আড়াই বছর বয়সে। তার পর থেকে আমি যা পাই তাই বাজাতাম। এখনো বিভিন্ন কন্টিনেন্টের বিভিন্ন ছন্দযন্ত্র যা আছে, সেগুলো বাজানোর টুকিটাকি চেষ্টা করি। তবে সুরের যন্ত্রে আমি অতটা পারদর্শী নই। আমি সব সময়ই বলি, আমার দেহটাই একটা যন্ত্র আর এটাকেই বাজানোর চেষ্টা করছি।

কোক স্টুডিও বাংলার সর্বশেষ সিজনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। এর বাকি অংশেও কি আপনাকে দেখা যাবে? 
কোক স্টুডিওর সিজনটা একটা জার্নির মতো। দেখতে থাকুন, যখন সব (গান) আসবে, তখন তো জানতে পারবেনই। এটা সারপ্রাইজই থাকুক।

ইনস্ট্রুমেন্টের পাশাপাশি আপনি গায়ক হিসেবেও পরিচিত। সামনে গান নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি? 
গান আসলে আমার জীবনে একটি বড় আশীর্বাদ। কারণ আমি কখনো গান শিখিনি, আমি গায়ক নই। তবে যতটুকুই গাইতে পারি এর পুরো কৃতিত্ব আমার মায়ের। গান নিয়ে সামনে অবশ্যই অনেক প্ল্যান আছে। নিজের সলো কিছু গান, চট্টগ্রামের গান এবং সিনেমার জন্য মুখিয়ে আছি। আমি গত বছর প্রথম ‘দেয়ালের দেশ’ সিনেমায় ইমন চৌধুরীর সুরে বিসর্জনের ব্যথা গানটি গেয়েছিলাম। গানটি বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। ও রকম আরও গান গাইতে চাই, দেখা যাক কি হয়।

এই সময়ে অনেকেই একটা/দুইটা গান করে ভাইরাল হয়ে যাচ্ছেন, অনেকে আবার খুব চেষ্টার পরও স্ট্রাগল করছেন। বর্তমানে এই যে ভাইরাল হওয়ার প্রবণতা, বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন? 
প্রতিটি যুগে প্রতিটি রেভ্যুলুশনের মতো এটাও একটা রেভ্যুলুশন। আগেও একটি গান গেয়ে অনেকে ফেমাস হয়েছেন, ওই গানটিই গেয়ে গেছেন। শত শত বছর ধরে এ রকম ইতিহাস আছে, এটা নতুন কিছু নয়। সো এটা হতেই থাকবে। এ বিষয়ে আমার তেমন কোনো মন্তব্য নেই। সবকিছুকেই সাধুবাদ, ধন্যবাদ। 

/শাকিল  

মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
মৌয়ের জন্মদিনে বাবার গানে আবেগঘন উপহার বিপ্লব সাহার

বাংলাদেশের নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিং অঙ্গনের নন্দিত শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। আজ তার জন্মদিন। একইদিনে এবার উদযাপিত হচ্ছে বাবা দিবস। দুই বিশেষ উপলক্ষে প্রয়াত বাবার গাওয়া গানকে নতুন আঙ্গিকে উপহার দিলেন খ্যাতিমান ফ্যাশন ডিজাইনার ও বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা।

বিশ্বরঙের এই বিশেষ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও, যেখানে নতুন সংগীতায়োজনে পুনরায় প্রাণ পেয়েছে মৌয়ের প্রয়াত বাবা, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে গাওয়া একটি জনপ্রিয় গান। গানটির মূল গীতিকার নঈম দোহার এবং সুরকার নওয়ার পারভেজ। নতুন সংগীতায়োজন করেছেন রাজন সাহা, যিনি আধুনিক নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে গানটিকে দিয়েছেন ভিন্নমাত্রা।

এই প্রজেক্টের সবচেয়ে আবেগঘন দিক হলো—সাদিয়া ইসলাম মৌ প্রথমবারের মতো কোনো মিউজিক ভিডিওতে নিজের কণ্ঠে কবিতা পাঠ করেছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নৃত্য, অভিনয় ও মডেলিংয়ে সাফল্যের পর এই নতুন সংযোজন তাঁর শিল্পীসত্তায় যুক্ত করেছে এক ভিন্ন আবেগ ও গভীরতা।

প্রজেক্টটি নিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, “মৌ আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নাম। তাঁর জন্মদিন ও বাবা দিবস একই দিনে হওয়ায় আমরা চেয়েছি এমন কিছু করতে, যা স্মৃতি ও ভালোবাসাকে একসঙ্গে ধারণ করে। প্রয়াত সাইফুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গানটিকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, মৌয়ের কবিতা পাঠ এই কাজটিকে শুধু একটি মিউজিক ভিডিও নয়, বরং এক আবেগঘন শিল্পভাষ্যে রূপ দিয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত অনুভূতি ও শিল্প এক হয়ে গেছে।

মিউজিক ভিডিওটির চিত্রগ্রহণ করেছেন অনিক ছন্দ এবং সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন তুষার। পুরো নির্মাণে চেষ্টা করা হয়েছে স্মৃতি, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে দৃশ্য ও সুরের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে।

আজ সন্ধ্যায় মিউজিক ভিডিওটি একযোগে বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল এবং বিপ্লব সাহার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি এটি বিশ্বরঙের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও উন্মুক্ত থাকবে।

/এমটি 

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন নায়িকা ববি
ছবি: সংগৃহীত

বিটিএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মির্জা আবুল বাশারকে প্রতারণার একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ব্যবসায়ী এবং জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নানা গুঞ্জন। মির্জা আবুল বাশার ও নায়িকা ববিকে স্বামী-স্ত্রী বলেও আখ্যা দিয়েছে অনেকেই। অনেকেই আবার কথিত স্বামী বলে উল্লেখ করেছেন। এ ঘটনার খবর কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমেও দাবি করা হয়।
এ বিষয়টি নিয়ে শনিবার রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি দেন ববি। এই নায়িকা লেখেন, ‘শনিবার বিকেল থেকে ব্যবসায়ী মির্জা আবুল বাশারকে কেন্দ্র করে আমাকে নিয়ে বেশ কিছু গণমাধ্যমে চটকদার সংবাদ প্রকাশ করেছে। সেখানে বাশারের সঙ্গে জড়িয়ে “কোথাও কথিত স্ত্রী’’, “কোথাও স্ত্রী’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘মূলত ভিউ বাণিজ্য ও আমার সম্মানহানি করতেই একটি কুচক্রী মহল এ কাজ করছে। তবে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে। আমাকে হেয় করার জন্য যেসব গণমাধ্যম ভুয়া খবর ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন, যদি বিয়ে নামে পবিত্র সম্পর্কে জড়িয়ে থাকি, সেটি অবশ্যই আমি নিজ থেকে সামনে আনব।’
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে এডিসি আল আমিন হোসাইন জানান, গাড়ি কেনাবেচার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর গুলশান থানায় আবুল বাশারের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের হয়। এরপর থেকে তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হলেও তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে গুলশান-১ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার এড়াতে আবুল বাশার বাসার ভেতরে থাকা একটি সুড়ঙ্গসদৃশ গোপন স্থানে লুকিয়ে ছিলেন। প্রায় ১৮ ঘণ্টার অভিযানের পর শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০২:০২ পিএম
রোবট চরিত্রে জেনা ওর্তেগা
ছবি: সংগৃহীত

হলিউড তারকা জেনা ওর্তেগা। এবার রুপালি পর্দায় রোবট হয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। এই অভিনেত্রীকে এমন চরিত্রে দেখা যাবে খ্যাতিমান নির্মাতা তাইকা ওয়াইটিটির সিনেমায়। যিনি ‘থর: র‌্যাগনারক’, ‘জোজো র‌্যাবিট’-এর মতো ব্লকবাস্টার ও কমেডি ঘরানার সিনেমার নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। 
কাজুও ইশিগুরোর ২০২১ সালের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে তিনি নির্মাণ করেছেন ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’। সম্প্রতি বিনোদন সাময়িকী ‘ভ্যানিটি ফেয়ার’ এই সিনেমার ফার্স্ট লুক প্রকাশ করেছে। সিনেমার মূল চরিত্র ‘ক্লারা’। এটি মূলত একটি সৌরশক্তিচালিত রোবট। এই ক্লারা চরিত্রেই দেখা যাবে জেনা ওর্তেগাকে। 
সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, এক মা তার অসুস্থ মেয়ের একাকিত্ব দূর করতে সঙ্গী হিসেবে এই রোবটটিকে কিনে নেন। মানুষের আচরণ, ভালোবাসা, একাকিত্ব ও বিশ্বাসকে একটি কৃত্রিম সত্তা বা রোবট কীভাবে দেখছে, তা নিয়েই এগিয়েছে সিনেমার গল্প।
নির্মাতা তাইকা ওয়াইটিটি জানান, শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন এটি তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সহজ সিনেমা হবে এবং তিনি এটিকে তার চেনা ‘কমেডি’ স্টাইলে বানাতে চেয়েছিলেন।
এ সম্পর্কে তিনি বলেন, “শুরুতে লেখার সময় ভেবেছিলাম এটাকে একটা সাধারণ ‘তাইকা ফিল্ম’ বানাই আর ফালতু রোবট রসিকতায় ভরিয়ে দিই। কিন্তু লিখতে গিয়ে বুঝলাম, এতে চমৎকার বইটির মূল আবেদন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই নিজের চেনা ধারা থেকে বের হয়ে এটিকে একটি সিরিয়াস ড্রামা হিসেবে তৈরি করেছি। এটিই সম্ভবত আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে নাটকীয় ছবি।”
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কীভাবে মানুষের সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে, তা-ই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। আগামী ২৩ অক্টোবর সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। 
তবে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগেই টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এর প্রিমিয়ার হতে পারে।

আব্বা আমার জীবনের আদর্শ: ববিতা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
আব্বা আমার জীবনের আদর্শ: ববিতা
ছবি: সংগৃহীত

শুধু বাবা দিবস এলেই যে আব্বাকে মনে পড়ে আমার কাছে কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। আমার জীবনজুড়ে জড়িয়ে আছেন আমার আব্বা। সবাই বলেন, আমি নাকি আমার আব্বার আদর্শে বেড়ে উঠেছি। কিন্তু আদৌ কী আমি আব্বার আদর্শে বেড়ে উঠতে পেরেছি, এটা আমার নিজের কাছে নিজেরই প্রশ্ন। আমার বিয়ের মাত্র চার মাস পরেই আমার আব্বা এএসএম নিজাম উদ্দিন আতাউব ইন্তেকাল করেন। যে কারণে মানসিকভাবে সেই সময় অনেক ভেঙে পড়েছিলাম। বাবাকে ঘিরে প্রত্যেক সন্তানেরই অনেক স্মৃতি থাকে। 
আব্বা সব সময় আমাদের ছয় ভাইবোনকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাসায় ফেরার কথা বলতেন। আমার জীবনের সাফল্যের মূলমন্ত্র কিন্তু আব্বার কাছ থেকেই পাওয়া। এই যে আমি এত পরিপাটি থাকি, গুছিয়ে থাকার চেষ্টা করি, এটা আব্বার কাছ থেকেই পাওয়া। আব্বা যখন অফিস থেকে আসতেন তখন আমরা সবাই আব্বাকে পান বানিয়ে খাওয়াতাম। আব্বা তখন বেশ আয়েশ করে পান খেতেন। 
আব্বার পা টিপে দিতে দিতে তখন সব আবদার করতাম। আব্বা আমাদের সেই আবদার রাখতেন। আবার আব্বা অনেক সিনেমা দেখতেন। সিনেমা দেখে দেখে আমাদের মজার মজার গল্প বলতেন এবং সেসব গল্পে আব্বা আমাদের অভিনয় করতে বলতেন। সেখান থেকেই কিন্তু অভিনয়ে আমার অনুপ্রেরণা আসা। পরবর্তী সময়ে যখন আমি সিনেমার নায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করি, তখনো আব্বা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা দিতেন। সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ সিনেমায় অভিনয়ের আগে আব্বাই সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে চিঠি আদান-প্রদান করতেন ইংরেজিতে। শুটিংয়ের সময় সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে আব্বার চমৎকার একটি সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। 
আমার ইংরেজি শেখার খুব শখ ছিল বিধায় আব্বা আমাকে ছোটবেলায় একটি ডিকশনারি কিনে দিয়েছিলেন। আমি তখন প্রথম শ্রেণিতে পড়ি। বাগেরহাটে থাকি সবাই। সবাই আমাকে রেখে মামার বাড়ি যাবে বেড়াতে। আমি বুদ্ধি করলাম কীভাবে আব্বাকে রাজি করানো যায়। আব্বা সন্ধ্যা নাগাদ বাসায় ফেরার সময় আমিই হারিকেন নিয়ে আব্বাকে এগিয়ে আনতে গেলাম। আমাকে দেখে আব্বা ভীষণ খুশি, কারণ তখন বিদ্যুৎ ছিল না। অন্ধকারে আব্বাকে এগিয়ে আনতে গিয়েছিলাম। আব্বা তখন খুশি হয়ে বলেন, কী চাও মা? আমি বললাম আমাকেও সঙ্গে নিয়ে মামার বাড়িতে বেড়াতে যেতে হবে। আব্বা রাজি হলেন। 
আব্বা আমার জীবনের আদর্শ। তাই আমার ইচ্ছা আমার মৃত্যুর পর যেন বনানী কবরস্থানে আব্বার কবরেই যেন আমাকে দাফন করা হয়।

তৃতীয়বার মা হচ্ছেন অ্যানি হ্যাথাওয়ে

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
তৃতীয়বার মা হচ্ছেন অ্যানি হ্যাথাওয়ে
হলিউড অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে মা হতে যাচ্ছেন। স্বামী অ্যাডাম শুলম্যানের সঙ্গে এটি তাদের তৃতীয় সন্তান।

শুক্রবার (১৯ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে তিনি গর্ভধারণের খবরটি জানান ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা পোশাকে অ্যান হ্যাথাওয়ে ক্যামেরার সামনে আসেন। প্রথমে দুই হাত দিয়ে পেট ঢেকে রাখলেও পরে তিনি হাত সরিয়ে নিজের গর্ভধারণের সুখবর প্রকাশ করেন। এরপর পেটে হাত রেখে হাসিমুখে ভালোবাসার প্রকাশ করেন তিনি।

ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘বেবি, আমি তোমার।’

অ্যান হ্যাথাওয়ে ও অ্যাডাম শুলম্যান ২০১২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির আগে দুই ছেলে রয়েছে—বড় ছেলে জোনাথন, বয়স ১০ বছর এবং ছোট ছেলে জ্যাক, বয়স ৬ বছর।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার পরিবার ও মাতৃত্ব নিয়ে কথা বলেন। তখন তিনি জানান, দুই সন্তানকে নিয়ে তার সময় দারুণভাবে কাটছে এবং পরিবার ও কাজ—দুই দিকই উপভোগ করছেন।

তিনি আরও বলেন, সন্তান হওয়ার পর জীবনকে নতুনভাবে অনুভব করেছেন এবং মা হওয়ার পর নিজেকে আরও পরিপূর্ণ মনে হয়েছে।

‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমার মাধ্যমে পরিচিত অ্যান হ্যাথাওয়ে এখন তৃতীয় সন্তানের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

অন্তরা/