ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের স্বপ্নের জাদুকর মুসিয়ালা পথপ্রদর্শক বাকুনা ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল পরাশক্তি জার্মানির সামনে পুঁচকে কুরাসাও ডার্কহর্স জাপান, সতর্ক নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের রুখে দিয়ে কাতারের বাজিমাত ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা এমবাপ্পের সমালোচনা ‘অতিরিক্ত ও অন্যায়’ দেড় দশকের জ্বালানিনীতি ছিল আমদানিনির্ভর: তথ্যমন্ত্রী ইরানের অনুশীলন মাঠের পাশে মরদেহ উদ্ধার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ ইমার্জিংদের ঝিলিকের মৃত্যুর রহস্যে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার স্বামী রক্তদান মহৎ কিন্তু নিরাপদ রক্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ মার্তিনেজকে ঘিরে নতুন শঙ্কা শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ ইনজুরিতে ছিটকে গেলেন মাইকেল অলিভার ‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’ পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত মিসরকে কেন জার্সি পরিবর্তন করতে বলল ফিফা?
Nagad desktop

চারুকলায় রঙের উচ্ছ্বাস, নাম বদলে নতুন যাত্রা

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২২ পিএম
চারুকলায় রঙের উচ্ছ্বাস, নাম বদলে নতুন যাত্রা
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের তৈরি মুখোশ দেখছেন এক ক্রেতা। ছবি: খবরের কাগজ

দরজায় কড়া নাড়ছে পহেলা বৈশাখ। সেই সঙ্গে আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। বর্ষবরণের অন্যতম আকর্ষণ শোভাযাত্রাকে ঘিরে সেখানে এখন ব্যস্ততা, রং আর সৃষ্টির এক অন্যরকম উৎসব। তবে এবারের প্রস্তুতিতে যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনকে ঘিরে বিতর্ক, আর সেই বিতর্ক পেরিয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে ঘটছে নতুন সূচনা।

চারুকলা অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ খবরের কাগজকে জানান, এই সিদ্ধান্ত এসেছে সম্মিলিত মতামত থেকে। তার ভাষায়, ‘আনন্দ ও মঙ্গলের ধারণা সামনে রেখে বিভিন্ন মতের সমন্বয়ে বৃহত্তর সিদ্ধান্তেই এবার শোভাযাত্রার আয়োজন করা হচ্ছে। লক্ষ্য একটাই, উৎসবের মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা।’

চারুকলায় ঢুকলেই চোখে পড়ে প্রস্তুতির চেনা কিন্তু চিরনতুন দৃশ্য। কেউ মুখোশে রং দিচ্ছেন, কেউ মাটির তৈরি অবয়বে তুলির আঁচড় দিচ্ছেন। কোথাও চাটাই বোনা হচ্ছে, কোথাও কাগজের স্তর বসিয়ে তৈরি হচ্ছে বিশাল কাঠামো। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

এবারের প্রতিপাদ্য–‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। এই ভাবনাকে ধারণ করে তৈরি হচ্ছে পাঁচটি বড় মোটিফ। কথা হয় চারুকলার ভাস্কর্য বিভাগের ১১তম ব্যাচের ছাত্র ভাস্কর দীপক রঞ্জন সরকারের সঙ্গে। তিনি জানান, এ বছর বাউল সংস্কৃতির ওপর আঘাতের প্রতিবাদে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব, এর প্রতীক হিসেবে থাকছে ‘দোতারা’। পাশাপাশি শান্তির বার্তাবহ পায়রা, লোকজ ঐতিহ্যের মোটিফ হাতি ও ঘোড়া, আর নতুন দিনের সূচনার প্রতীক মোরগ থাকছে। শোভাযাত্রার অগ্রভাগে থাকবে মোরগ। তারপর দোতারা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়ার অবয়ব টেনে নিয়ে যাবেন শিক্ষার্থীরা। ইতিহাসনির্ভর পটচিত্রও থাকছে শোভাযাত্রায়। বড় মোটিফগুলোর পাশে চার শতাধিক শিক্ষার্থী বাঘ ও পেঁচার মাস্ক হাতে নিয়ে হাঁটবেন এই শোভাযাত্রায়। আগের বছরের চরকা, রাজা-রানির অবয়বও থাকবে এবারের শোভাযাত্রায়। নিয়ম অনুযায়ী, শোভাযাত্রায় আগতরা কেউ মুখে মুখোশ পড়তে পারবেন না।

এবারের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে চারুকলার ৭১তম ব্যাচ। এই ব্যাচের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষার্থী সুপ্রিয় জানালেন, নিজেদের তৈরি শিল্পকর্ম বিক্রি ও অনুদানের অর্থেই এগিয়ে চলছে পুরো আয়োজন।

এই কর্মযজ্ঞে যুক্ত বর্তমান শিক্ষার্থীদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। 

ভাস্কর্যের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মাধুর্য বিশ্বাস বিষয়টিকে দেখছেন ভিন্নভাবে। তার কাছে নাম নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো সবার অংশগ্রহণে উৎসব উদযাপন।

নববর্ষের দিন সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হবে শোভাযাত্রা। রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমি ঘুরে আবার চারুকলাতেই শেষ হবে এই যাত্রা। 

মঙ্গল শোভাযাত্রার কারিগর মাহবুব জামাল শামীম
ইউনেসকোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা পাওয়া এই বর্ণিল উৎসবের বীজ বপন হয়েছিল আজ থেকে ৪১ বছর আগে সীমান্তবর্তী জেলা শহর যশোরে। ১৯৮৫ সালের ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ ১৩৯২) যশোরের ‘চারুপীঠ’ চত্বর থেকে প্রথমবারের মতো বের হয় এই শোভাযাত্রা। আর এর নেপথ্যের কারিগর ছিলেন চিত্রশিল্পী মাহবুব জামাল শামীম। বর্তমানে চারুপীঠ আর্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মাহবুব জামাল শামীম জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্র থাকাকালে একুশের প্রভাতফেরি থেকেই এই উৎসবের ভাবনা তার মাথায় আসে।

স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘একুশের প্রভাতফেরি শোকের, কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সব ধর্মের মানুষের মিলনমেলা হবে এমন একটি আনন্দ উৎসবের আকুতি তৈরি হয় মনে। সেই ভাবনা থেকেই বন্ধুদের নিয়ে যশোরের চারুপীঠকে কেন্দ্র করে শুরু হয় এই আয়োজন।’

শুরুতে শিল্পী এস এম সুলতানের পরামর্শ ও সান্নিধ্যে দুই শতাধিক শিশুকে নিয়ে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাঘ, প্রজাপতি ও বিবিধ লোকজ অনুষঙ্গ তৈরি করা হয়। ১৯৮৫ সালে ছোট পরিসরে শুরু হলেও দ্বিতীয় বছর থেকেই এটি বিশাল আকার ধারণ করে। যশোরের এই সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৮৯ সালে মাহবুব জামাল শামীম ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সহায়তায় রাজধানীতে প্রথম শোভাযাত্রার উদ্যোগ নেন।

শোভাযাত্রার নামকরণ প্রসঙ্গে জানা যায়, শুরুতে যশোরে এটি ‘বর্ষবরণ শোভাযাত্রা’ এবং পরে ঢাকায় ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত ছিল। পরে ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াহিদুল হক ও শিল্পী এমদাদ হোসেনের প্রস্তাবে এর নামকরণ হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’।

চারুপীঠের সভাপতি হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘শোকের প্রভাতফেরির বিপরীতে অনাবিল আনন্দের এই যাত্রা মৌলবাদ প্রতিহত করে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে শুরু হয়েছিল।’ 

তবে এই ঐতিহাসিক শুরুর কৃতিত্ব যথাযথভাবে স্বীকৃত না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শামীমের অন্যতম সহযোগী হিরণ্ময় চন্দ্র।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ইউনেসকো মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের জাতীয় উৎসব ও শিক্ষাক্রমের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিল্পের ক্যানভাসে তিন প্রাণের সেতুবন্ধন

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৯:২২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৯:২৪ পিএম
শিল্পের ক্যানভাসে তিন প্রাণের সেতুবন্ধন
ছবি: খবরের কাগজ

ক্যানভাস যেন এক নীরব ভাষা, যেখানে তুলির আঁচড়ে জমে ওঠে অস্ফুট অব্যক্ত কথা। প্রকৃতির স্নিগ্ধতা, মানুষের চোখের জলছবি আর রাজপথের সংগ্রামী মানুষদের নীরব মর্যাদার মিশেলে তৈরি এক অদ্ভুত সুরের মূর্ছনা এখন ঢাকার ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে। 

শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় তিনটি ভিন্ন ধারার প্রতিভাবান শিল্পী মো. ফারিয়াজ ইমরান, নীহারিকা অহনা বারসাত এবং সুরভী আক্তারের শিল্পকর্মে সেজে উঠেছে প্রদর্শনী ‘ত্রিবন্ধন’। শিল্পীর মন ও ক্যানভাসের মধ্যকার এই যে নিবিড় সংযোগ, তা যেন আজ এক মূর্ত রূপ পেয়েছে শিল্পানুরাগীদের সামনে। উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী সাইদুল হক জুইস, রশীদ আমিন এবং অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আনিস। 

স্মৃতির অতল থেকে উঠে আসা পরিচয়, প্রকৃতির সাথে মানবিক বন্ধন আর নগরের ব্যস্ততায় হারিয়ে যাওয়া জীবনের গল্পগুলো এখানে একে অপরের সাথে সংলাপে মগ্ন।

নীহারিকা অহনা বারসাত দর্শকদের নিয়ে গেছেন এক স্বপ্নিল কাব্যিক জগতে। তার জলরঙ ও অ্যাক্রিলিকের বহুস্তরবিশিষ্ট কাজগুলোতে বৃক্ষ, পাখি ও নারীমূর্তির পুনরাবৃত্তি যেন এক প্রকার আরোগ্যের মন্ত্র উচ্চারণ করে। প্রকৃতিকে তিনি কেবল দৃশ্যপট হিসেবে নয়, বরং আত্মরূপান্তরের এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

উল্টো পিঠেই আবার সুরভী আক্তারের শিল্পভাষায় ধরা দিয়েছে মানবিকতার সূক্ষ্ম রেখা। এই শিল্পী ব্রাউন পেপারের ধূসর জমিনে লাল বলপয়েন্ট কলমের আঁচড়ে মানুষের চোখের ভাষা পড়তে চেয়েছেন। প্রযুক্তিনির্ভর এই যান্ত্রিক পৃথিবীতে যেখানে মানুষ একে অপরের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, সেখানে তার প্রতিকৃতিগুলো দর্শককে থমকে দাঁড়াতে এবং দৃষ্টির গভীরে লুকিয়ে থাকা নীরব কথাগুলো শুনতে আহ্বান জানায়।

নগরজীবনের না বলা আখ্যানকে মলাটবন্দি করেছেন মো. ফারিয়াজ ইমরান। ঢাকার রাজপথ, রিকশাচালকদের ঘামভেজা শরীর আর প্রান্তিক মানুষের সংগ্রামগুলোকে তিনি জলরঙের মায়ায় জীবন্ত করে তুলেছেন। সমাজের জনপরিসরে যারা প্রায়শই অদৃশ্য থেকে যান, ফারিয়াজের তুলিতে তারাই হয়ে উঠেছেন অনন্য সাধারণ।

সামগ্রিকভাবে ‘ত্রিবন্ধন’ কেবল একটি প্রদর্শনী নয়, এটি ব্যক্তি, সমাজ ও প্রকৃতির মধ্যকার সম্পর্কের এক নান্দনিক উদযাপন। আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/

সুর-ছন্দের আন্তর্জাতিক মেলবন্ধন চার দিনের সংগীত উৎসবে মেতে উঠছে ঢাকা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম
চার দিনের সংগীত উৎসবে মেতে উঠছে ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

বর্ষার আগমনী বার্তার মাঝেই সুরের মায়াজালে জড়াতে শুরু করেছে রাজধানী ঢাকা। শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সঙ্গীত উৎসব 'ফেত দ্য লা মিউজিক ২০২৬'।

বুধবার (১০ জুন) থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে সুরের মূর্ছনা ছড়াচ্ছেন বাংলাদেশ, ফ্রান্স, ব্রাজিল ও ফিনল্যান্ডের শিল্পীরা। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা (এএফডি) তাদের সহযোগী সাংস্কৃতিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে এই উৎসবের আয়োজন করেছে, যা চলবে আগামী ১৩ জুন পর্যন্ত।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সৃজনশীল অনুসন্ধানের চেতনাকে কেন্দ্র করে এবারের সুরের আড্ডাকে সাজানো হয়েছে। চার দিনের এই আয়োজনে কর্মশালা, লাইভ পারফরম্যান্স এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের মাধ্যমে দর্শক-শ্রোতারা সমসাময়িক বৈশ্বিক সংগীতধারার এক অনন্য অভিজ্ঞতা পাবেন।

রাজধানীর গুলশানের ‘বাটারনোট – আ জ্যাজ ক্যাফেতে’ গতকাল বুধবার বিকেলে ইলেকট্রনিক মিউজিক কর্মশালার মাধ্যমে উৎসবের পর্দা ওঠে। ফরাসি সংগীতশিল্পী ও পারকাশনবাদক সুভাষ ধুনুচন্দ এই কর্মশালা পরিচালনা করেন। উৎসবের দ্বিতীয় দিন আজ বৃহস্পতিবার দর্শকদের জন্য থাকছে বিশেষ কনসার্ট ‘বসা ও সোলেই কুশঁ’। এতে পারফর্ম করবেন ফিনল্যান্ডের মিরভা তুলিয়া, ব্রাজিলের আকিলা লিমা এবং বাংলাদেশের ইমরান আহমেদ, তৌফিক আরিফিন ও তানভীর হক। বোসা নোভার মনোমুগ্ধকর সুর ও ছন্দের মাধ্যমে সেখানে তৈরি হবে এক অনন্য সাংস্কৃতিক সংলাপ। অন্যদিকে আজ সন্ধ্যায় ধানমন্ডির গ্যেটে-ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘তবলাট্রনিক’। সুভাষ ধুনুচন্দের লাইভ পারফরম্যান্সে তবলা, পারকাশন এবং ইলেকট্রনিক প্রোগ্রামিংয়ের সমন্বয়ে ঐতিহ্য ও প্রযুক্তির এক দারুণ মেলবন্ধন দেখার অপেক্ষায় আছেন শ্রোতারা।

উৎসবে শুক্রবারের মূল আকর্ষণ অ্যালিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সংগীত উদ্‌যাপন। তাদের নিজস্ব পরিবেশনার পাশাপাশি সেদিন ক্যাফে লা ভেরান্দায় গান শোনাবেন তপেশ চক্রবর্তী ও জ্যাজ ব্যান্ড ‘দ্য সোসাইটি’। আগামী শনিবার উৎসবের শেষ দিনে সমাপনী আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চস্থ হবে ‘বাংলা ব্রাজিল: দ্য সাউন্ড অব দ্য ইউনিভার্স’। ব্রাজিলের আকিলা লিমা এবং বাংলাদেশের মিঠুন চক্রের এক অনন্য পারকাশন যুগলবন্দির মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে চার দেশের শিল্পীদের এই মিলনমেলার।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

ক্যানভাসে জীবন, সমাজ ও প্রকৃতি আলিয়ঁসে শুরু  হচ্ছে তিন শিল্পীর ‘ত্রিবন্ধন’

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
আলিয়ঁসে শুরু  হচ্ছে তিন শিল্পীর ‘ত্রিবন্ধন’
ছবি: সংগৃহীত

একই গ্যালারি, অথচ তিনটি ভিন্ন চোখ দিয়ে দেখা চেনা-অচেনা জীবন। কেউ খুঁজে ফিরছেন প্রকৃতির মাঝে মানুষের আত্মিক আরোগ্য, কেউ মানুষের চোখের গভীরতায় খুঁজছেন মনের অলিগলি, আবার কারও তুলিতে মূর্ত হয়ে উঠছে ঢাকার রাস্তায় খেটে খাওয়া মানুষের নীরব লড়াই। তিন উদীয়মান শিল্পীর এমন তিন ঘরানার শিল্পভাষাকে এক সুতোয় বেঁধেছে ‘ত্রিবন্ধন’।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার ‘লা গ্যালারি’তে পর্দা উঠবে এই প্রদর্শনীর। তরুণ চিত্রশিল্পী মো. ফারিয়াজ ইমরান, নীহারিকা অহনা বারসাত এবং সুরভী আক্তারের সম্মিলিত চিত্রকর্ম নিয়ে সেজেছে এই প্রদর্শনী।

স্মৃতি, পরিচয়, প্রকৃতি, মানবিক সংযোগ এবং চেনা নগরজীবনের নানা অনুষঙ্গ উঠে এসেছে এই তিন তরুণের ক্যানভাসে। ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি আর মাধ্যম ব্যবহার করলেও, শিল্পীদের কাজগুলো একসঙ্গে মিলে যেন গড়ে তুলেছে সহমর্মিতা, স্থিতিস্থাপকতা আর আত্মরূপান্তরের এক গভীর সংলাপ।

প্রদর্শনীতে শিল্পী নীহারিকা অহনা বারসাতের চিত্রকর্মগুলো দর্শকদের নিয়ে যায় এক কাব্যিক জগতে, যেখানে প্রকৃতি আর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা মিলেমিশে একাকার। তার ক্যানভাসে বারবার ফিরে এসেছে পাখি, বৃক্ষ ও নারীমূর্তি। অ্যাক্রিলিক ও জলরঙে নির্মিত তার বহুস্তরবিশিষ্ট কম্পোজিশনে প্রকৃতি কেবল পটভূমি হয়ে থাকেনি, বরং রূপান্তরের এক সক্রিয় চরিত্র হয়ে উঠেছে। তার প্রতিটি কাজ যেন আরোগ্য, বিকাশ ও আত্ম-অন্বেষণের গল্প বলে; নতুন করে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে মানুষ ও পরিবেশের অদৃশ্য সম্পর্ক নিয়ে।

শিল্পী সুরভী আক্তারের ক্যানভাসের মূল শক্তি মানুষের চোখ। মানবমুখের সবচেয়ে অভিব্যক্তিপূর্ণ এই উপাদানটিকে কেন্দ্র করেই তার পুরো শিল্পচর্চা। ব্রাউন পেপারের ওপর লাল বলপয়েন্ট কলম আর রঙিন পেন্সিলের সূক্ষ্ম টানে সুরভী ফুটিয়ে তুলেছেন একের পর এক প্রতিকৃতি। ক্ষণস্থায়ী আর চটজলদি ছবির এই যুগে সুরভীর কাজগুলো দর্শকদের থমকে দাঁড়াতে বাধ্য করে। প্রতিটি চোখের দৃষ্টিতে লুকিয়ে থাকা আবেগ, মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা আর মানবিক সংযোগকে নিবিড়ভাবে দেখার আহ্বান জানায় তার এই প্রতিকৃতিগুলো।

শহুরে জীবনের কোলাহল আর উপেক্ষিত মানুষের গল্প নিয়ে হাজির হয়েছেন মো. ফারিয়াজ ইমরান। তার ক্যানভাসের অনুপ্রেরণা ঢাকার রাস্তাঘাট, বিশেষ করে রিকশাচালক ও নগরের পেছনের সারির খেটে খাওয়া মানুষ। জলরঙের স্তরবিন্যাস আর চমৎকার মানবকেন্দ্রিক কম্পোজিশনের মাধ্যমে ফারিয়াজ তুলে ধরেছেন শ্রমজীবী মানুষের নীরব মর্যাদা, সংগ্রাম ও আত্মমগ্নতার মুহূর্তগুলোকে। ঢাকার চাকা সচল রাখা যে মানুষগুলো জনপরিসরের আলোচনায় প্রায়শই অদৃশ্য থেকে যান, ফারিয়াজের তুলি তাদেরই দিয়েছে সামাজিক স্বীকৃতি ও পরিচয়ের নতুন ভাষা।

এই প্রদর্শনী আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর চলচ্চিত্র 'সাঁকোটা দুলছে'

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৫ এএম
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর চলচ্চিত্র 'সাঁকোটা দুলছে'
ছবি: খবরের কাগজ

সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-২০২৬ এর ‘এশিয়ান নিউ ট্যালেন্ট কম্পিটিশন’ বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘দ্য ব্লাইন্ড গার্ল অ্যান্ড অ্যান এলিফ্যান্ট’ (সাঁকোটা দুলছে)।

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ জিহাদ।

আগামী ১২ থেকে ২১ জুন ২০২৬ পর্যন্ত চীনের সাংহাই শহরে অনুষ্ঠিত সাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে চলচ্চিত্রটি।

পরিচালক জিহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত।

তরুণ এই পরিচালকের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এটি। চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা করেছেন তার বিভাগেরই সহকারী অধ্যাপক ও জনপ্রিয় অভিনেতা মনোজ কুমার প্রামাণিক।

বাংলাদেশের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘মনপাচিত্র’ এবং জার্মানির ‘মগডোর ফিল্ম’-এর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। প্রযোজক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটিরও প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এটি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চলচ্চিত্রটির আন্তর্জাতিক নির্মাণযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জার্মান প্রযোজক ক্রিস্টোফ থোকে। তিনি সহযোগী প্রযোজক হিসেবে পোস্ট-প্রোডাকশন পর্যায়ে প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

এছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র সমালোচক, প্রযোজক ও প্রোগ্রামার ডার্সি প্যাকুয়েট চলচ্চিত্রটির কনসাল্টিং প্রযোজক হিসেবে এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক ফজলে হাসান শিশির সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

মূলত, গ্রামীণ বাংলাদেশের তিন নারীর জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি।

যেখানে গল্পে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, কুসংস্কার, পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা ও সামাজিক নিপীড়নের বেড়াজাল থেকে মুক্তির স্বপ্ন দেখা এসব নারীর সংগ্রামের গল্প।

সম্পূর্ণ সাদা-কালোতে নির্মিত চলচ্চিত্রটি নারীর জীবন, বিশ্বাস, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্নকে গ্রামীণ বাংলাদেশের বাস্তবতার আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছে।

এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের প্রথম চলচ্চিত্রের নির্বাচনের বিষয়ে পরিচালক ইশতিয়াক আহমেদ জিহাদ বলেন, ‘গ্রামীণ বাংলাদেশে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা থেকে আমি দেখেছি, কীভাবে কুসংস্কার, রক্ষণশীলতা এবং সামাজিক বিধিনিষেধ নারীদের জীবনে প্রভাব ফেলে। এই চলচ্চিত্র সেই বাস্তবতা থেকেই জন্ম নিয়েছে। সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হওয়া আমাদের পুরো টিমের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। পাশাপাচি চলচ্চিত্রে প্রতিফলিত মানুষদের জীবন ও অভিজ্ঞতার একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।’

চলচ্চিত্রটির বিষয়ে প্রযোজক মনোজ কুমার প্রামাণিক বলেন, ‘এই যাত্রা শুরু হয়েছিল খুব সীমিত অর্থ, অল্প অভিজ্ঞতা এবং একদল স্বপ্নবান তরুণ চলচ্চিত্রকর্মীকে নিয়ে। সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হওয়া আমাদের বহু বছরের পরিশ্রম, ত্যাগ, বিশ্বাস এবং স্বাধীন চলচ্চিত্রচর্চার প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতি।’

তাসনিম হক/তামান্না রুপা/

বাংলাদেশ লোক গবেষণা পরিষদের বার্ষিক সম্মেলন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
বাংলাদেশ লোক গবেষণা পরিষদের বার্ষিক সম্মেলন
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ লোক গবেষণা পরিষদের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরস্থ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের একটি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে উপস্থিত হন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত লেখক ও লোকগবেষকরা। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুমন শিকদার, উদ্বোধন করেন সংগঠন সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীন।

কবি বঙ্গ রাখালের সঞ্চালনায় শুরু হয় প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকদের অভিব্যক্তি প্রকাশ ও পরামর্শ প্রদান পর্ব।

এ পর্বে আলোচনা করেন-আব্দুল্লাহ আল আমিন, শিকদার ওয়ালিউজ্জামান, কমল হাসান, সাইফুল ইসলাম, সৈয়দ জাহিদ হাসান, মোহাইমিনুল ইসলাম, মো. আসাদুজ্জামান, মো. মসিউর রহমান, সুধন্য মণ্ডল, আবুল বাসার তালুকদার, আলী প্রয়াস, আবীর আকাশ, জাহিদ হোসেন বাবু, সরকার হুমায়ুন ও যাহিদ সুবহান।

এরপর পার্থ তালুকদারের সঞ্চালনায় আলোচনা করেন-উপদেষ্টা সদস্য ড. বিএম রেজাউল করিম, নজমুল হেলাল, চন্দনকৃষ্ণ পাল, ম পানাউল্যাহ, সৈয়দ রবিউল আলম, রাখাল বিশ্বাস, অর্জুন বিশ্বাস প্রমুখ।

বক্তা ও আলোচকরা তাদের প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কাজ করার ভালো মন্দ অভিজ্ঞতার কথাও সবিস্তারে শেয়ার করেন তারা। কক্সবাজার, রংপুর, জয়পুরহাট, লক্ষ্মীপুর, ঝিনাইদহ, ময়মনসিংহ, মেহেরপুর, পাবনা, সিলেট, চুয়াডাঙ্গা, সুনামগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, চট্টগ্রাম, মাগুরা, নেত্রকোনা, মানিকগঞ্জ, নোয়াখালী ইত্যাদি জেলা থেকে আগত লেখক ও গবেষকরা মতামত ব্যক্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেন।

পারস্পরিক পরিচয় ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ও করেন তারা। 

সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক সুমন শিকদার। অনুষ্ঠানের শেষ প্রান্তে এ দুজন ভবিষ্যৎ কর্মতৎপরতা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জানান- কী করতে চান, নিজেদের চালিত করতে চান, কী করা যায়।

ড. অসীম সাহার সঞ্চালনায় দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে বাংলাদেশ লোকগবেষণা পরিষদ পত্রিকার ভলিউম-১ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এসময়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য দেন সহসভাপতি শামসুল আরেফীন ও সুমন বনিক।

বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন পরবর্তী রূপরেখা তুলে ধরেন সাধারণ সম্পাদক সুমন শিকদার।

সমাপনী আলোচনা করেন সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাহীন। 

সবশেষে সংগীত পরিবেশন করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও খ্যাতিমান শিল্পী অর্জুন বিশ্বাস।

এসএন/