ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
এজিই তৈরি করবে জেফ বেজোসের এআই স্টার্টআপ গোপালগঞ্জে ১০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন: ১০ ভেন্টিলেটরের ৯টিই নষ্ট! মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ভারতে যাওয়া সেই কিশোরীকে ফেরত রোমানিয়ার নেতৃত্বে নতুন মুখ, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত আদ্রিয়ান ভেস্তেয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার বাতিঘর: কবীর আহমেদ ভূঁইয়া প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সফল হয়েও অপরাধবোধে ভোগেন? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ সীমান্তে বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, জয়পুরহাটে উত্তেজনা ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা গণমাধ্যমকে অন্ধকার থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহিদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী জাহাঙ্গীরনগরে শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ যুদ্ধবিরতি আলোচনায় তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল বন্ধুর ফাঁদে কিশোরী, দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন শাকিব, পূর্ণিমার ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’ মানবতার এক ফোঁটা রক্ত জীবন বাঁচায় নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ দেশব্যাপী ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্প শুরু করল উত্তরা মোটর্স প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু
Nagad desktop

৫ দফা দাবিতে রুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:৪৬ পিএম
আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৭:৩৮ পিএম
৫ দফা দাবিতে রুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
জড়িতদের শাস্তিসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেন রুয়েট শিক্ষার্থীরা। ছবি: খবরের কাগজ

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তিসহ পাঁচ দফা দাবিতে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা। 

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত নগরের তালাইমারী মোড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- হামলায় জড়িত প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করে দ্রুততম সময়ে কঠোর শাস্তি ও গ্রেপ্তার আসামিদের রিমান্ডের বদলে জামিন ও অন্য আসামিদের ধরতে না পারার বিষয়ে সুস্পষ্ট জবাবদিহি নিশ্চিত, রাজশাহীর আবাসিক এলাকাগুলো অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখা ও অক্ট্রয় মোড়, মোন্নাফের মোড়সহ রুয়েটের আশপাশে উপযুক্ত সমস্যার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া, রুয়েট ও এর আশপাশের এলাকাগুলো চুরি ও ছিনতাইমুক্ত করা, দোষীদের বিচার ও হারানো মালামাল জব্দের ব্যবস্থা, রুয়েটবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল নিশ্চিত এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তালাইমারী মোড়ে পুলিশ বক্সের ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ১৬ ডিসেম্বর রাতে নগরের পদ্মা আবাসিক এলাকার পাশে হজোর মোড়ে দুই দফা হামলার শিকার হন রুয়েট শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হন। 

ওই হামলায় তিন শিক্ষার্থী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। 

পরে রাতেই রুয়েটের উপ-পরিচালক (সিকিউরিটি) জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ ৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা করেন। এর প্রেক্ষিতে ওই রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে দুই দিন পর জামিনে ছাড়া পান তারা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, রকি ও শুভ নামের দুই রুয়েট শিক্ষার্থী কেনাকাটার জন্য হজোর মোড় এলাকায় যান। কেনাকাটার একপর্যায়ে টাকা ভাংতি করা নিয়ে দোকানদারের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। কথা-কাটাকাটির মধ্যে দোকানদার তাদের (শিক্ষার্থীদের) গায়ে হাত তোলেন। শুভর মাথায় স্থানীয় এক ব্যক্তি বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন। এ ছাড়া রকিকেও মারধর করা হয়। পরে তারা ব্যাচের অন্য বন্ধুদের মোবাইল ফোনে খবর পাঠান। পরে ঘটনাস্থলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকরাও উপস্থিত হন। 

গত রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে বাজারের বণিক সমিতির সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর আরেক দফায় হামলা করা হয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

অবরোধকালে শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষার্থীদের গায়ে তুচ্ছ কারণে হাত তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। তাদের অত্যাচার বেড়ে যাচ্ছে। অথচ দুজনকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন তারা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো দাবি মেনে নেয়নি। পুলিশ প্রশাসনও কোনো ভূমিকা পালন করছে না। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সোনালী বলেন, ‘কোন শক্তির জোরে এমন একটি ঘটনায় জড়িত আসামিরা ছাড়া পান-এটা শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন। তারা এর শেষ দেখতে চান। যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো আশ্বাস ও পুলিশের কোনো কার্যক্রম না দেখতে পান, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে।’

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আসামিরা সবাই জামিন পেয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করে। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার অভিযোগপত্র দিয়ে আসামিদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। এ আশ্বাস পেয়ে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।’

মামলার বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিয়ার রহমান বলেন, ‘ঘটনার পর তারা মামলা নিয়েছেন। দুজন আসামিকে গ্রেপ্তারও করা হয়। পরে এজাহারভুক্ত আসামিরা জামিন নেন।’

এনায়েত/নাবিল/

উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল
ছবি: সংগৃহীত

মাগুরায় জেলা পর্যায়ের “স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম-২০২৬”-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) মাগুরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আব্দুল কাদের।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ আলফাজ উদ্দিন, সরকারি মহিলা কলেজ, মাগুরার অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবু সাঈদ মোল্যা এবং মাগুরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদ্যুত কুমার দাস।

'মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ' প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচির আয়োজন করে এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), এসইডিপি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিস, মাগুরার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়।

জানা যায়, গত ১২ জুন অনুষ্ঠিত উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী মাগুরা সদর, মহম্মদপুর, শ্রীপুর ও শালিখা উপজেলার দলগুলো জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় গোপীনাথপুর মো. আব্দুল খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

বিজয়ী দলের তিনজন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা, দুইজন শিক্ষককে জনপ্রতি ৩০ হাজার টাকা এবং জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ঢাকায় অংশগ্রহণের জন্য অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। জেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত একটি দল জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মাগুরা জেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক মোঃ সেলিম রেজা। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা) সানজিদা হায়দার নূপুর, জেলা আইসিটি অফিসার মুন্না মিয়া এবং ইইডির সহকারী প্রকৌশলী মিঠুন পাল।

সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত উদ্ভাবনী ধারণা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প ও উদ্যোক্তা ভাবনা দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সৃষ্টি করে।

মোঃ কাসেমুর রহমান শ্রাবণ/এসএন

এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ
বেনজীর আহমেদ। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য বেনজীর আহমেদ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল ফর বিজনেস স্কুলস অ্যান্ড প্রোগ্রামস (এসিবিএসপি)-এর সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এনএসইউ’র সাবেক এই চেয়ারম্যান ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন।

শনিবার (১৩ জুন) ইউনিভার্সিটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে অনুষ্ঠিত এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া অঞ্চলের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানসহ ১৬টি দেশের সদস্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ কাউন্সিল ব্যবসায় শিক্ষায় মানোন্নয়ন, স্বীকৃতি প্রদান এবং একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এসিবিএসপি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি অ্যাক্রেডিটেশন সংস্থা, যা ব্যবসায় শিক্ষায় উৎকর্ষ ও ধারাবাহিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করে। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ব্যবসায় শিক্ষার মানোন্নয়নে রিজিওনাল কাউন্সিলটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বেনজীর আহমেদের এই পুনর্নির্বাচন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের একাডেমিক নেতৃত্বের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরে।

পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। এটি সম্মিলিতভাবে এ অঞ্চলে মানসম্মত ব্যবসায় শিক্ষা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। সহকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে একাডেমিক মানোন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক মানদণ্ড অর্জনে সহায়তা করতে চাই।

বেনজীর আহমেদ একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী। তিনি এনএসইউ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য এবং বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যানও।

তিনি এর আগে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার এই পুনর্নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবসায় শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে তার অব্যাহত নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি।

অন্তরা/

আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ইনার সিটি ক্যাম্পাস ২০২৬ সালের আরআইবিএ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে এটি বিশ্বের সেরা নতুন স্থাপত্য প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ওহা এর নকশায় নির্মিত এই ক্যাম্পাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫২টি প্রকল্পের বৈশ্বিক সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে নির্বাচিত ৩৪টি প্রকল্পের মধ্যে স্থান পেয়েছে। স¤প্রতি রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (আরআইবিএ) এ ঘোষণা দেয়।

দুই বছর পরপর দেওয়া এই পুরস্কারের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী স্থাপত্য প্রকল্পগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলো জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, আবাসন, দ্রুত নগরায়ণ এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছে।

এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনকে আরও ভালো করতে পারে এবং ভবিষ্যৎকে আরও টেকসই করে তুলতে পারে।

আরআইবিএ অ্যাওয়ার্ডস গ্রুপের চেয়ারম্যান নিল গিলেসপি বলেন, এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে মানুষ, স্থান এবং ভবিষ্যতের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন রয়েছে। তিনি বলেন, পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনে আনন্দ ও মর্যাদা যোগ করতে পারে।

বাহ্যিক চাকচিক্যের পরিবর্তে এসব প্রকল্প প্রেক্ষিতভিত্তিক, চিন্তাশীল এবং দীর্ঘস্থায়ী নকশার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। একসময়কার পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত একটি বর্জ্যভ‚মিকে রূপান্তর করে গড়ে তোলা হয়েছে এই ক্যাম্পাস।

প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই ক্যাম্পাস পরিণত হয়েছে শিক্ষা ও নাগরিক কার্যক্রমের একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্রে। ২ দশমিক ১৪ হেক্টর জায়গার ওপর নির্মিত ১৩ তলাবিশিষ্ট এই স্থাপনায় একটি বিশেষ স্তরভিত্তিক নকশা অনুসরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নয়টি তলায় একাডেমিক কার্যক্রম এবং নিচের অংশে উন্মুক্ত ক্যাম্পাস পার্ক রাখা হয়েছে।

ক্যাম্পাসটির নকশায় জায়গার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন এটি সামাজিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার সুযোগ তৈরি করে। এই ক্যাম্পাসে শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, অডিটোরিয়াম, মাল্টিপারপাস হল, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। ছাদে রয়েছে সুইমিং পুল, ক্রিকেট পিচ এবং দৌড়ানোর ট্র্যাক।

ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসের নকশায় প্রাকৃতিক বাতাস চলাচলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাতাসের স্বাভাবিক প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে এমনভাবে চলাচলপথ তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভবনের ভেতরে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। এর ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন কম হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:২১ পিএম
গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে ফটোসেশনে অংশ নেন আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের ২৬০তম ব্যাচকে (সামার-২০২৬) বরণ করে নিয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি।

 শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বাচল আমেরিকান সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগের  চেয়ারপারসন ড. হাবীব মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম শহীদুল্লাহ।

গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক খবরের কাগজের বার্তা সম্পাদক রোকেয়া রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. অলিউর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতা মূলত মানবীয় সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির যুগলবন্দিতে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ডেটা বিশ্লেষণ, তথ্য যাচাই, অডিও-ভিডিও তৈরি ও স্বয়ংক্রিয় প্রতিবেদন তৈরিতে এআই একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। তবে সঠিক নৈতিকতা ও তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করাই এখন গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জ।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সাংবাদিকতা কীভাবে আরও ফলপ্রসূ করা যায় সে বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। শুধু পুঁথিগত পড়াশোনার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলেই হবে না, বর্তমান সময়ের জব মার্কেটের জন্য প্রয়োজনীয় টুলসগুলোর ওপর দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে স্কিল ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়তে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক ও প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ বায়েজীদ খান, প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ও নাজমুন্নাহার উর্মি।
অনুষ্ঠানে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন জেএমসি ল্যাব কো-অর্ডিনেটর কাজী মাহাদী মুনতাসির। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরডটকমের প্রতিবেদক জুবায়ের আহমেদ, জেএমসি মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি ও মেন্টার ইমু আক্তার মিম। 

নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। 

অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন ফাইয়াজ সরকার ও নাজিফা তাবাস্সুম তাজ। পরে  গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এসএন/

এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল। ছবি:খবরের কাগজ

দেশের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল।

রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য মেধাবী দল ও প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই সাফল্য অর্জন করেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী রাতুল সাহা রায় (৫৯তম ব্যাচ), শুভ সূত্রধর (৫৯তম ব্যাচ) এবং অনিদ্র পাল (৬২তম ব্যাচ)।

শনিবার (১৩ জুন) মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ শাখা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখা জানায়, ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরির একটি জাতীয় প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান, বুদ্ধিমান সফটওয়্যার, যন্ত্রশিক্ষণ এবং আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ উপস্থাপন করে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল জিওগ্রাফি ও অ্যাস্ট্রনমি বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আলোকে সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়।

প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্লাউড ক্যাম্প, সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতাটির কৌশলগত, প্রযুক্তিগত ও করপোরেট অংশীদার হিসেবে যুক্ত ছিল। প্রযুক্তি সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, লাভেবল, রোবাস্ট, ক্যারিয়ার ক্যানভাস, ডায়ানাহোস্ট এবং অ্যাস্ট্রোনাস টেকসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

এ সাফল্যের জন্য ‘কগনিভার্স’ দল এখন অভিনন্দিত হচ্ছে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি জিওগ্রাফি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির (মুগাস) সভাপতি ও ইইই বিভাগের সিনিয়র লেকচারার আহমেদ ইসতিয়াকুর রহমান অভিনন্দন বার্তায় দলের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই অর্জন অত্যন্ত গৌরবের। জাতীয় পর্যায়ের এমন প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি।’ মুগাসের কোষাধ্যক্ষ ও সিএসই বিভাগের লেকচারার ইশরার নাজাহ চৌধুরী বলেন, ‘এই সাফল্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে।’

অভিনন্দন জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের এই অর্জন কেবলই ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরঞ্চ এটি মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তিগত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তা ও চর্চারও একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন।’ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তানভীর এমও রহমান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করে বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির স্বাক্ষর রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও সমুন্নত রাখবে।’

এসএন/