জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় জবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষও অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে সাজ্জাদ হোসেন মুন্না বলেন, ‘ইসরাইল এবং আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী শক্তির যে ইরানের উপর হামলা, আমরা মনে করি এই হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। আয়াতুল্লাহ আল খামেনি যিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ছিলেন, তিনি শুধুমাত্র ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নন, তিনি সমস্ত মুসলিম উম্মাহর বিপ্লবের প্রতীক বলে আমরা মনে করি।’
মুন্না আরও বলেন, ‘কিছু ক্ষেত্রে বিরোধিতা থাকলেও মুসলিম বিশ্বের সাধারণ মানুষ ইরানি রাষ্ট্রের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করবে এবং তারা ইরানের জনগণের পাশে আছেন।’
সবশেষে তিনি পবিত্র রমজান মাসের কথা উল্লেখ করে প্রার্থনায় বলেন, ‘এই পবিত্র রমজান মাসে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রত্যাশা করি এবং প্রার্থনা করি যে ইরানি জনগণের তাদের যে ক্ষয়ক্ষতি সেটি যেন উনি হেফাজত করেন এবং আয়াতুল্লাহ আল খামেনিসহ যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের প্রত্যেককে যেন জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন।’ একইসঙ্গে তিনি ইসরাইল ও আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ধ্বংসের প্রার্থনা করেন এবং তাদের মোকাবিলায় সমগ্র মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গায়েবানা জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেয়।
মুজাহিদ/রিফাত/