ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশের চালান জব্দ, আটক ১ জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭ পদত্যাগের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপিপুত্র সজীবকে যুবদল থেকে বহিষ্কার ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতার মারধর, ৪ ঘণ্টা পর কৃষকের মৃত্যু সেনেগালের কঠিন পরীক্ষা, নরওয়ের চোখ নক আউটে যমুনা ফিউচার পার্কে ২ দিনের ‘কে-গুডস ফেস্টা’ মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ পণ্য রপ্তানির অপার সম্ভাবনা কাতারের ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ হাজারীবাগ থেকে হেমায়েতপুর পূর্ণতা পায়নি চামড়া শিল্পনগরী শরীফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসার অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কমিউনিটি ব্যাংকের ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা, নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারাল মিশর বর্ষা এলেই জলজট স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন ‘হেলিও ৪৬’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: জেডি ভ্যান্স দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা মালেশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার আশা আছে জটিলতাও নায়ক হতে প্রস্তুত এমবাপ্পে সাতসকালে ঢাকার বায়ুমান নিয়ে দুঃসংবাদ রোনালদোকে পাস দেওয়ার জন্য খেলোয়াড়রা কি বাধ্য? বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের ‘সেঞ্চুরি’, অনন্য এক ইতিহাসের সামনে ফরাসি মহাতারকা আজও মেসি জাদুর অপেক্ষায় বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের ‘সেঞ্চুরি’, অনন্য এক ইতিহাসের সামনে ফরাসি তারকা নারী নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক মঞ্চে রুয়েটের দিপা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালান জিয়াউল লালমনিরহাটে উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি ৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে ইরানই বিজয়ী ঐতিহ্যের স্থাপনা ‘গৌরীপুর লজ’ এখন ব্যাংকারদের গেস্ট হাউস

উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে ‘ইউইউ এইচআর সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১১:২১ এএম
আপডেট: ২১ মে ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে ‘ইউইউ এইচআর সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিশ্ব মানবসম্পদ দিবস উপলক্ষে উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো ইউইউ এইচআর সামিট ২০২৬।

বুধবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে দেশের শীর্ষ কর্পোরেট ব্যাক্তিত্বদের নিয়ে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।  

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অফিস এবং স্কুল অব বিজনেসের যৌথ উদ্যোগে, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ হিউম্যান রিসোর্স অর্গানাইজেশনসের (এফবিএইচআরও) সহযোগিতায় এবং গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় সামিটটি অনুষ্ঠিত হয়। 

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অন্তত ২০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা এই সামিটে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে আর্থিক, টেলিকম, আইটি ও তৈরি পোশাক খাতের এসব প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, বিডিজবসডট কমের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও ফাহিম মাশরুর, ইউনাইটেড গ্রুপের গ্রুপ এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. নওশাদ পারভেজ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসির ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহীন আক্তার, ন্যাশনাল ফাইন্যান্স লিমিটেডের চিফ পিপল অফিসার আবু সালেহ মোহাম্মদ শামীম, গ্রামীণফোন লিমিটেডের হেড অব স্ট্র্যাটেজিক এইচআর পার্টনার অরুনিমা হাসান, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার হাবিবা ইয়াছমিন, মানবসম্পদ বিভাগ এবং ট্রেনিং গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট নুসরাত তাবাস্সুম এবং এটিবি জবসের চিফ অপারেটিং অফিসার রেই তাকাহাশি। 

এ ছাড়াও দেশের বড় বড় ব্যবসায়িক গ্রুপগুলোর ব্যাপক প্রতিনিধিত্ব ছিল, যার মধ্যে ইউনাইটেড গ্রুপ, ট্রান্সকম ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিমিটেড, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ব্র্যাকনেট লিমিটেড, পার্টেক্স স্টার গ্রুপ, ক্রস ওয়ার্ল্ড পাওয়ার লিমিটেড, ম্যাগপাই গ্রুপ, টেক্সা টিম গ্রুপ, লিড নেশন একাডেমি, ই-জোন এইচআরএম লিমিটেড, ইনডেক্স অ্যাকসেসরিজ লিমিটেড, এ্যাবা গ্রুপএবং হা-মীম গ্রুপ অন্যতম। 
 
সামিট শুরু হয় ফোরাম ফর বাংলাদেশ এইচ আর প্রফেশনালস-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ড. মোশাররফ হোসেনের কি নোট স্পিচ দিয়ে।

এরপর একে একে অন্যান্য বক্তারা মঞ্চে আসেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা, লব্ধ জ্ঞান উপস্থিত সবার সাথে ভাগ করে নেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের পারস্পরিক সহযোগিতা, বর্তমান সময়ের ধারা, আসছে দিনের চ্যালেঞ্জ এবং মানবসম্পদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন তারা।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পখাতের সাথে জড়িত উপস্থিত মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত কর্মজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আরা লেখা বলেন, ‘উত্তরা ইউনিভার্সিটির মূল লক্ষ্য হলো তাত্ত্বিক শিক্ষার সাথে কর্পোরেট জগতের বাস্তব প্রয়োগের ব্যবধান দূর করা। ‘ইউইউ এইচআর সামিট ২০২৬’ আমাদের ভবিষ্যৎ-উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিরই একটি বড় প্রমাণ। দেশের শীর্ষ কর্পোরেট আইকনদের সরাসরি আমাদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসার মাধ্যমে আমরা কেবল একটি আলোচনার আয়োজনই করিনি, বরং এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন বাস্তব জগতের সুযোগের সাথে মিলিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা মানবসম্পদের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিমণ্ডলে নেতৃত্ব দিতে এবং উদ্ভাবন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করতে পারবে।’

উত্তরা ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের ডিরেক্টর, প্রফেসর ড. এ এস এম শাহাবুদ্দিন অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা, সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন।

এই এইচআর সম্মেলন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এমন একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে, যেখানে উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সহজেই কর্পোরেট জগতের বর্তমান পথপ্রদর্শকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হওয়ার এবং নেটওয়ার্কিং করার অনন্য সুযোগ পেয়েছে।

অন্তরা/

নারী নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক মঞ্চে রুয়েটের দিপা

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
নারী নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক মঞ্চে রুয়েটের দিপা
ছবি: খবরের কাগজ

নারী নেতৃত্ব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ এক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাবেক শিক্ষার্থী সুমাইয়া আখতার দিপা। নারী নেতৃত্ব বিকাশের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ‘শক্তিকন্যা’ কর্মসূচির শীর্ষ পারফর্মার হিসেবে তিনি সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ‘উই-পাওয়ার’ এর চতুর্থ আঞ্চলিক সম্মেলনে অংশ নেন।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জ্বালানি খাতের পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও তরুণ নেতাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে সাতজন প্রতিনিধি অংশ নেন। তাদের মধ্যে রুয়েট থেকে একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন দিপা। সম্মেলনে তিনি নারীর নেতৃত্ব, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন অধিবেশনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে তুলে ধরেন।

রুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন দিপা। বর্তমানে তিনি জেড এইচ শিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

গত ৪ ও ৫ জুন শ্রীলঙ্কার নেগোম্বো শহরে অনুষ্ঠিত হয় উই-পাওয়ারের চতুর্থ আঞ্চলিক সম্মেলন। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আয়োজিত এ সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নারীর নেতৃত্ব, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা।

সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে অংশ নিয়ে দিপা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ, নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব বিকাশের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পান। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন পেশাগত যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রও তৈরি হয়।

সম্মেলনের অংশ হিসেবে প্রতিনিধিরা শ্রীলঙ্কার পুত্তালাম অঞ্চলে অবস্থিত একটি বায়ুশক্তিভিত্তিক নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে আধুনিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তির ব্যবহার, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করেন তারা। প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ জ্বালানিব্যবস্থার বাস্তব চিত্র দেখার এ সুযোগ অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সুমাইয়া আখতার দিপা বলেন, ‘শক্তিকন্যা আমার জন্য শুধু একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নয়, এটি আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব বিকাশের এক অনন্য যাত্রা। শীর্ষ পারফর্মার হিসেবে উই-পাওয়ারের আঞ্চলিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়া ছিল অত্যন্ত গর্বের।’

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। এ অভিজ্ঞতা আমার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে উৎসবের আমেজ
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আগামী ২২ জুন বর্ণিল আলোকসজ্জায় সেজেছে পুরো ক্যাম্পাস। দিবসটিকে ঘিরে প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও সড়কগুলোতে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে নেওয়া হয়েছে নানা আয়োজন। দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় করা হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জা এবং পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে চলছে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘চিত্রকৃৎ’ অডিটোরিয়ামের সামনে নান্দনিক আলপনা এঁকে অতিথিদের স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে রঙিন আলোর ঝলকানিতে প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। আলোকসজ্জায় নতুন রূপ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করতে ছবি তোলায় ব্যস্ত সময় পার করেন। উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ জন শিক্ষার্থী ও ২৬ জন শিক্ষককে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং ৩ জন শিক্ষককে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। গবেষণা, প্রকাশনা ও একাডেমিক উৎকর্ষতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। 

শিক্ষার্থীরা জানান, আলোকসজ্জায় ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর মনে হচ্ছে। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আমাদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি আমাদের আবেগ ও গর্বের দিন। দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে যে আলোকসজ্জা করা হয়েছে, তা সত্যিই দৃষ্টিনন্দন। রাতে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।’

আরেক শিক্ষার্থী সুহানা নুর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে পুরো ক্যাম্পাসে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। আলোকসজ্জার কারণে ক্যাম্পাসকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় লাগছে। দিনের তুলনায় রাতের ক্যাম্পাস এখন একেবারেই ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে আলোকসজ্জা উপভোগ করছি এবং ছবি তুলছি।’

নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য ও রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার সাতটি অনুষদের মোট ২২ জন শিক্ষার্থী ও ২৬ জন শিক্ষক ডিনস এ্যাওয়ার্ড ও তিন জন শিক্ষক ভাইস-চ্যান্সেলর পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ভিডিও ডকুমেন্টারি ও অতিথিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও বিকেল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় পথচলা ও অর্জনগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হবে।

কাউসার আহমেদ/অন্তরা

রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ধ্রুব-সম্পাদক জিসান

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ধ্রুব-সম্পাদক জিসান
ধ্রুব-জিসান। ছবি: খবরের কাগজ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রেসক্লাবের ২০২৬-২৭ বর্ষের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও দৈনিক ইত্তেফাকের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক আশিকুল ইসলাম ধ্রুবকে সভাপতি ও একই বিভাগের একই বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদক জুবায়ের জিসানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন ) বেলা ৩টায় সংগঠনটির নিজস্ব কার্যালয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন-  সহ-সভাপতি ডেইলি ক্যাম্পাস ও মানবজমিনের প্রতিনিধি মারুফ হোসেন মিশন ও  দৈনিক ইনকিলাবের মিরাজ আফ্রিদি। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনটিভি ও দৈনিক বনিক বার্তার আবু ছালেহ শোয়েব, কোষাধ্যক্ষ দৈনিক নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি ফজলে রাব্বি পরশ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি ফাহমিদুর রহমান ফাহিম , প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আজাহারুল ইসলাম মীর তুহিন, দপ্তর সম্পাদক দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি আবু বকর অনিক ও ক্রীড়া সম্পাদক এশিয়া পোস্টের সৈয়দ হুজ্জাত উল্লাহ মাহিন।

এতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মানবকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি বিপ্লব উদ্দিন, বাণিজ্য বার্তার প্রতিনিধি সামিয়া আক্তার ও জাগরণ নিউজের প্রতিনিধি  রাফাসান আলম।

ফলাফল ঘোষণার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রেসক্লাবের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদার ও সদ্য বিদায়ী সভাপতি মনির হোসন মাহিন, মানবজমিনের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান ডালিম হোসেন শান্ত।

শাকিবুল হাসান/রিফাত/

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ এএম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৫৫তম ব্যাচ) স্নাতকের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়েরি, ক্লাস ব্যাগ ও বার্ষিক ক্যালেন্ডার দিয়ে বরণ করে নেয়। বিভিন্ন অনুষদের প্রায় দুই হাজার নবীন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন নবীনদের একাডেমিক পড়াশোনা ও গবেষণায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ রাস্তাসহ নানা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আশা-আকাঙ্ক্ষা জানতে চান এবং যথাসম্ভব সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছ। তোমরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে দেশের যোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

এর আগে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং প্রতিটি বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীরা বাহারি রকমের গাছের চারা রোপণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, “তোমরা কঠোর প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেধার স্বাক্ষর রেখে দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ণাঢ্য ও গৌরবময় ঐতিহ্যের অংশ হতে পেরে এক অনন্য সুযোগ লাভ করেছ। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জায়গা নয়; এটি মুক্তবুদ্ধি চর্চা, সংস্কৃতি এবং আত্ম-আবিষ্কারের এক বিশাল মঞ্চও বটে।”

তিনি আরও বলেন, “এখানে তোমাদের এই নতুন পথচলাকে সফল করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি। আমরা চাই তোমরা শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষিত না হয়ে, একজন মানবিক, নৈতিক ও দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠো। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাও, নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলো এবং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে অবিচল থাকো। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন ও মূল্যবোধ মেনে চলে তোমরা এই প্রতিষ্ঠানের সম্মান আরও উজ্জ্বল করবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রবসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

আমান/এএফ

জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ
ছবি: খবরের কাগজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের আগমনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তন সংলগ্ন রাস্তায় এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তাদের হাতে ‘একাডেমিক নিপীড়কদের ক্রমাগত দায়মুক্তি দেওয়ায় উপাচার্যকে অভিনন্দন’, ‘জুলাই বিচারের নামে অশ্বডিম্ব পাড়ায় অভিনন্দন’, ‘ভবন নির্মাণ is going well, গবেষণা is no more’সহ বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের প্রচার সম্পাদক সাদিয়া ইমরোজ ইলা বলেন, “বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে একাডেমিক সব কাজেই চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিচারের নামে প্রহসন, একাডেমিক নিপীড়কদের ক্রমাগত দায়মুক্তি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে অপরাধীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত করেছেন। ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার দুই মাস পার হয়ে গেলেও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে ন্যূনতম অগ্রগতি নেই। এসব বিশৃঙ্খলার বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনতেই আমরা এ প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করেছি।”

জাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পদ্ধতি থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট উত্তোলন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা হয়রানি ও অবিচারের শিকার হচ্ছেন। অভ্যুত্থানের পর উপাচার্য দায়িত্ব নিয়েও একাডেমিক কিংবা প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সামান্যতম পরিবর্তন আনতে পারেননি। এই ব্যর্থতার দায় মনে করিয়ে দিতেই আজকের কর্মসূচি। যতদিন শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত না হবে, ততদিন আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”

আমানউল্লাহ/এএইউ