এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের চ্যান্সেলর (আচার্য) ও সাবেক ব্রিটিশ ফার্স্ট লেডি শেরি ব্লেয়ার বলেছেন, ‘নারী শিক্ষার প্রসার এবং নারীর ক্ষমতায়নে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন বিশ্বে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’ বিশ্ববিদ্যালয়টির ১২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রেডিসন ব্লু চিটাগং বে ভিউ হোটেলে সমাবর্তন অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।
সমাবর্তনে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, যুক্তরাষ্ট্রসহ মোট ১১টি দেশের ২৩৫ জন স্নাতক শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের ১৫২ জন, আফগানিস্তানের ৫১ জন, ভারতের ৩ জন, মায়ানমারের ৮ জন, শ্রীলঙ্কার ৫ জন, লাওসের ২ জন, নেপালের ২ জন, পাকিস্তানের ৩ জন, ভিয়েতনামের ২ জন, ইয়েমেনের ২ জন এবং তিমুর লেস্টের ৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। শিক্ষার্থীরা মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তাদের সনদ গ্রহণ করেন।
শেরি ব্লেয়ার তার বক্তব্যে আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এশিয়া অঞ্চলের অনগ্রসর, যুদ্ধবিধ্বস্ত ও শরণার্থী নারীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে একটি বাসযোগ্য এবং সমতাভিত্তিক বিশ্বের নেতৃত্ব দেবে। প্রাতিষ্ঠানিক সনদ পাওয়ার পাশাপাশি, তারা তাদের পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আইরিন ট্রেসি। মানবকল্যাণে অবদানের জন্য তাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব সায়েন্সেস’ ডিগ্রি দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন জাপানের সাবেক ফার্স্ট লেডি আকিয়ে আবে, যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য ব্যারোনেস জ্যানেট রয়াল অব ব্লেইসডন, বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক, দ্য ইউনিভার্সিটি অব টোকিওর প্রেসিডেন্ট ড. তেরুও ফুজিই, ভিয়েতনামে জাপানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের সাবেক জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. রুবানা হকসহ দেশের ও বিদেশের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।