ঢাকা ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্কটিশদের হিসাব মেলানোর রাত পুলিসিচকে ঘিরে উদ্বেগ লাল কার্ডের পর বসনিয়ার জালে সুইজারল্যান্ডের গোল উৎসব অসুস্থ মেসির বাবা, গুজব ছড়ানোয় ক্ষুব্ধ পরিবার গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে সুইজারল্যান্ড-বসনিয়া অবশেষে কাটল ভিসা জটিলতা, কানাডায় খেলতে পারবেন ওয়াহি বিশ্বকাপে সহজ ম্যাচ বলে কিছু নেই: ডগলাস সান্তোস বিশ্বকাপে সৌদি আরবের জন্য ভিন্ন নিয়ম পেনাল্টি গোলে চেক প্রজাতন্ত্রকে রুখে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা অপ্সরার আন্তর্জাতিক অভিষেক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা বাদশা গণপিটুনির শিকার তিন ডিবি সদস্য, উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি মেনে নাও, মেসি সেরা: রোনালদো নাজারিও কেইনের প্রেরণা এমবাপ্পে-হালান্ড কুমিল্লায় ধর্ষণকাণ্ড: গ্রেপ্তার শিবির নেতার পক্ষে দাঁড়ানো দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল টাঙ্গাইলে প্রতিমন্ত্রী টুকুর নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে চেক প্রজাতন্ত্র টাকার অভাবে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত, সহায়তার আবেদন রাজবাড়ীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ নেইমার ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ সাবেক মন্ত্রী হারুণ অর রশীদ অর নেই কুমিল্লায় মাদক মামলায় কারাবন্দি যুবদলকর্মীর মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হাইতির বিপক্ষে নামার আগে ব্রাজিলকে সুখবর দিল ফিফা ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, গণপিটুনির শিকার তিন পুলিশ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার সময় টিভির সাবেক এমডি জোবায়ের কারাগারে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় ইইউর ১.৪ কোটি ইউরো অনুদান

নারীর এগিয়ে চলায় পাশে ব্র্যাক ব্যাংক

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম
নারীর এগিয়ে চলায় পাশে ব্র্যাক ব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত

সূচনালগ্ন থেকেই নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, উদ্যোক্তা স্বপ্নপূরণ এবং ক্যারিয়ার অগ্রগতিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে আসছে ব্র্যাক ব্যাংক। নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা, আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলার নানা উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাংকটি নারীদের অর্থনীতির সক্রিয় অংশীদার ও ভবিষ্যৎ লিডার হিসেবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ব্র্যাক ব্যাংক সম্মান জানাচ্ছে সেই সব নারীদের- যারা ব্যাংকের সঙ্গে আছেন, ব্যাংকে কাজ করছেন এবং ব্যাংকের মাধ্যমে নিজেদের স্বপ্ন, সাহস ও সাফল্যের গল্প লিখে চলার মাধ্যমে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক পরিবেশ গড়ে তুলতে অবদান রাখছেন।

রিটেইল ব্যাংকিং ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি
নারীদের জন্য বিশেষায়িত ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ‘তারা’র মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিংব্যবস্থায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে চলেছে। সঞ্চয়, ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং দায়িত্বশীল ঋণসুবিধার মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্ম নারীদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ‘তারা’ প্ল্যাটফর্মে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি, যা আগের বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি। এসব গ্রাহকের মোট অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ৪ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি, যেখানে ডিপোজিটের পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

বর্তমানে ব্যাংকটির মোট রিটেইল ডিপোজিটের ৩১ শতাংশ নারী গ্রাহকদের। ২০২৫ সালে নারীদের রিটেইল লোনের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকায়। ২০ হাজারেরও বেশি নারী এই ঋণসুবিধা পেয়েছেন। নারীদের জন্য ইস্যু করা ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা প্রায় ২৯ হাজার ৫০০।

এ ছাড়াও ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘আস্থা’-তে নিবন্ধিত নারী গ্রাহকের সংখ্যা এখন ২ লাখেরও বেশি। যেসব নারীদের আয়ের কাগজপত্র নেই, ব্যাংকটির হোমমেকার্স অ্যাকাউন্ট সুবিধার মাধ্যমে সেসব নারীরাও এখন নিজ নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারছেন। এই সুবিধাটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তির নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে।

নারী উদ্যোক্তা ও এসএমই সাপোর্ট
‘তারা’ প্ল্যাটফর্ম ব্র্যাক ব্যাংকের এসএমই উদ্যোগগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন, ব্যবসা উন্নয়ন সহায়তা এবং মার্কেট অ্যাকসেসের সুযোগ তৈরি করছে।

২০২৫ সালে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকটির এসএমই ঋণ পোর্টফোলিও দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০৮ কোটি টাকায়, যা বিগত বছরের তুলনায় ২২ শতাংশের বেশি। একইসময়ে ডিপোজিট বেড়ে ২ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ৬৭ শতাংশ বেশি।

বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি নারী উদ্যোক্তাদের সেবা দিচ্ছে। দেশে যতগুলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক নারীদের এসএমই ঋণ দিচ্ছে, তাদের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংক একাই দিচ্ছে ২৩ শতাংশ।

দেশব্যাপী নারী উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে ৬৪টি জেলায় শাখা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও কর্মশালার আয়োজন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক, যেখানে প্রায় ১ হাজার ৯০০ জন নারী উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেছেন। 

প্রশিক্ষণে নারীদের বিজনেস ডকুমেন্টেশন, ব্যাংকিং সেবা এবং বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এখানে অংশগ্রহণকারী প্রায় ২৫ শতাংশ নারী অর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন এবং ৬০ শতাংশেরও বেশি নারী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে আনুষ্ঠানিক আর্থিকব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছেন।

ব্যাংকটির ‘আমরাই তারা’ উদ্যোগের আওতায় নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খাগড়াছড়িসহ ১০টি জেলায় ৩০০ জন নারী উদ্যোক্তাকে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় পরিচালিত ‘উদ্যোক্তা ১০১ অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম’-এর আওতায় ২০২৫ সালে ২৬৩ জন নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ সুবিধা পেয়েছেন।

নারী উদ্যোক্তাদের মার্কেট অ্যাকসেস বাড়াতে ঢাকায় আয়োজিত ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা ২০২৫’-এ ৮৫ জন নারী উদ্যোক্তার পণ্য প্রদর্শনী হয়েছে। এতে সরাসরি বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকারও বেশি পণ্য এবং প্রি-অর্ডার এসেছে ২৬ লাখ টাকার। 

মেলায় কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে ১৬ লাখ টাকারও বেশি।

এ ছাড়াও ‘উদ্যোগতারা অ্যাক্সেলারেটর প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে ২৫০ জনেরও বেশি নারী উদ্যোক্তাকে ব্র্যান্ডিং, পণ্যের ফটোগ্রাফি, হিসাবরক্ষণ সফটওয়্যার এবং অনলাইন মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

কর্মক্ষেত্রে নেতৃত্ব, ক্যারিয়ার অগ্রগতি ও অন্তর্ভুক্তি
২০২৫ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের নন-সেলস কর্মীদের মধ্যে নারীর অংশগ্রহণ ২৫ শতাংশে পৌঁছেছে। সম্ভাবনাময় নারী কর্মীদের নেতৃত্বগুণ বৃদ্ধি করতে ব্যাংকটি চালু করেছে ইলিয়া (ELEA- Enlightened Leaders Exemplify Achievement) প্রোগ্রাম, যেখানে প্রথম ব্যাচে ২৪ জন নারী কর্মী অংশগ্রহণ করেছেন।

এ ছাড়াও ‘Women Beyond Boundaries’ উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন খাতের সফল নারী নেতৃত্বদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করা হয়, যা ব্যাংকটির নারী কর্মীদের নেতৃত্বগুণ বিকাশে ভূমিকা রাখে।

মাতৃত্বকালীন ছুটির পর নারীদের পুনরায় কর্মস্থলে স্বাচ্ছন্দ্যে ফিরে আসতে সহায়তা দিতে ব্যাংকটি একটি বিশেষ পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু করেছে। এতে চিকিৎসা সহায়তা, নমনীয় কাজ ও কর্মঘণ্টা এবং কাউন্সেলিং সুবিধা রয়েছে।

নারী কর্মীদের পেশাগত উন্নয়নে ব্যাংকটি ৭৫ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত খরচ বহন করে প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন পলিসিও চালু করেছে।

কর্মক্ষেত্রে সচেতন ও অবচেতন পক্ষপাত দূর করতে ব্র্যাক ব্যাংক ‘Antibias@Workplace’ উদ্যোগ চালু করেছে।

এ ছাড়াও নারীদের কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখতে হেড অফিসের বাইরে আরও কয়েকটি স্থানে ডে-কেয়ার সুবিধা চালু করেছে ব্যাংকটি।

ব্র্যাক ব্যাংকে Sexual Harassment Elimination (SHE) পলিসি কার্যকর রয়েছে, যা কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার মাধ্যমে নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করে।

কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর)
২০২৫ সালে ব্র্যাক ব্যাংক সিএসআর উদ্যোগের আওতায় আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের ৮০৭ জন ছাত্রীকে ‘অপরাজেয় তারা’ শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে।

ক্রীড়া ক্ষেত্রে নেওয়া উদ্যোগ ‘অপরাজেয় আলো’ নারী হকি টুর্নামেন্টে দেশের আটটি বিভাগের ৩৪২ জন সম্ভাবনাময় নারী খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেছেন।

‘অপরাজেয় আমি’ উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী ৪৪ জন নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণ, ৫৬ জন প্রতিবন্ধী নারীকে ডিজিটাল ও মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা, ছানি অপারেশন ও চশমা প্রদানের মাধ্যমে ৪০ হাজারের বেশি নারীর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।

নারীর ক্ষমতায়ন, উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের নানা উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “নারীরা যখন ব্যাংকিং সেবা, আর্থিক জ্ঞান এবং উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পান, তখন তার প্রভাব শুধু পরিবারেই সীমাবদ্ধ থাকে না- এতে স্থানীয়, তথা জাতীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়। ‘তারা’ প্ল্যাটফর্ম, এসএমই ট্রেনিং, নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচি এবং সিএসআর উদ্যোগের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক নারীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, যাতে তারা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশ নিতে পারেন।”

ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:১২ পিএম
ওয়ালটন পিসিবিএ'র রপ্তানি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা
ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রে পিসিবিএ রপ্তানি শিপমেন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশে উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন বিশ্বমানের মাদারবোর্ড বা পিসিবিএ (প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড এ্যাসেম্বলি) উৎপাদন করছে গ্লোবাল টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। নিজস্ব ও দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিশ্বের নানান দেশে পিসিবিএসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানি করছে ওয়ালটন। 

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি'র হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ালটনের পিসিবিএ'র রপ্তানি শিপমেন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি'র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি।

বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত ওয়ালটন পিসিবিএ বা মাদারবোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক গান শট শনাক্তকরণ ও জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালন সিস্টেমের সিকিউরিটি ডিভাইসে ব্যবহৃত হবে। আমেরিকার উইসকনসিন প্রদেশে অবস্থিত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশন (SAFEPRO Technologies Inc.) ওয়ালটনের তৈরি এ মাদারবোর্ড আমদানি করছে। আমেরিকার স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সব ধরনের মানুষের জীবন রক্ষায় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরবরাহে সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশনের ব্যাপক সুনাম ও অবদান রয়েছে।

ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অসংখ্য পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং সুবিশাল ইন্ডাস্ট্রি দেখে অভিভূত হন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা। তারা দেশীয় হাই-টেক শিল্পখাতে ওয়ালটনের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, "ওয়ালটন সত্যিই এক বিস্ময়। ওয়ালটন যে এত সুন্দর এবং সুবিশাল এক দেশীয় ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলেছে তা দেখে আমরা অভিভূত। ওয়ালটন অসংখ্য ধরনের ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন করছে। বাংলাদেশও যে বিশ্বমানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন করতে পারে তা ওয়ালটন প্রমাণ করেছে। শুধু তাই নয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করছে। ওয়ালটন বাংলাদেশের গর্ব। ওয়ালটনকে নিয়ে আমরা বাংলাদেশিরা অত্যন্ত গর্বিত।”

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা দেশীয় শিল্পকে এগিয়ে নিতে কাজ করছি। যার প্রেক্ষিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আমরা দেশে উৎপাদিত পণ্যকে করমুক্ত করার চেষ্টা করেছি। কীভাবে বাংলাদেশি শিল্প ও পণ্যকে আরও উৎসাহিত করা যায় সেজন্য আমরা কর কাঠামোতে বিশেষ নজর দিচ্ছি।

এর আগে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছালে অতিথিদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। তারা প্রথমে ওয়ালটনের ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে অতিথিরা ওয়ালটনের মাদারবোর্ড (এসএমটি), টেলিভিশন প্যানেল ক্লিন রুম, পিসিবি, মোল্ড অ্যান্ড ডাই ইত্যাদি পণ্যের উৎপাদন ইউনিটগুলো পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বমানের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনে ওয়ালটন একটি প্রশংসিত নাম। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সুবিশাল এলাকাজুড়ে স্থাপন করা হয়েছে ওয়ালটনের অত্যাধুনিক কারখানা। এখানে ফ্রিজ, কম্প্রেসার, টিভি, এসি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্যান, ক্যাবলস, ভিআরএফ ও চিলার, হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স এবং লিফটসহ বিভিন্ন উচ্চমানের পণ্য তৈরি হচ্ছে। উৎপাদনের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যের গবেষণা ও উদ্ভাবন (আরঅ্যান্ডআই), মান নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক ব্যাবসা ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগ গড়ে তুলেছে ওয়ালটন।

'মেইড ইন বাংলাদেশ' লেখা বুকে নিয়ে ওয়ালটনের তৈরি আন্তর্জাতিক মানের পণ্য বর্তমানে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার অঞ্চলের ৫৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। শতাধিক দেশে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে সাফল্যের সঙ্গে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ কনফারেন্স
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গেট এনগেজড’ সম্মেলনের ১৩তম আসর। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগ ও তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১২টি দেশের ৪৩জন কো-অর্ডিনেটর অংশ নেন।

নেতৃত্বের দক্ষতা গড়ে তোলা, নাগরিক কাজে অংশগ্রহণ এবং কমিউনিটির প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে শেখা ছিল এই সম্মেলনের মূল বিষয়। এবারই প্রথম এই সম্মেলন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো। গত বছর লিথুয়ানিয়ার ভিলনিয়াসে ইউরোপিয়ান হিউম্যানিটিজ ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সাতদিনব্যাপী এই কনফারেন্স শেষ হয়। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন এবং বার্ড কলেজের সেন্টার ফর সিভিক এনগেজমেন্ট যৌথভাবে ‘জিএইচইএ২১ গেট এনগেজড কনফারেন্স ২০২৬: স্টুডেন্ট অ্যাকশন অ্যান্ড ইয়ুথ লিডারশিপ’ আয়োজন করে।

সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের তরুণ নেতা, সিভিক এনগেজমেন্ট কার্যক্রমের সাথে যুক্ত নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও পেশাজীবীরা অংশ নেন। তারা নিজেদের কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগগুলো সবার সামনে তুলে ধরেন এবং এগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এই কনফারেন্সের বিভিন্ন আয়োজনে লিডারশিপ, কমিউনিকেশন্স, নেটওয়ার্কিং এবং টেকসই সিভিক এনগেজমেন্ট দক্ষতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জিএইচইএ ২১ বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের লক্ষ্য হলো লিবারেল আর্টস ও বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীরা যাতে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করতে পারে সেভাবে তাদের প্রস্তুত করা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ব যেসব জটিল সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, সেগুলো মোকাবেলা করতে হলে আমাদের দরকার গ্লোবাল সিটিজেন। যাদের সরাসরি সমাজের মানুষের সাথে মিলেমিশে কাজ করার মানসিকতা আছে। তিনি বলেন, “ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সমাজের জন্য কাজ করার ধারণাটা পাঠক্রমের বাইরের কোনো বিষয় নয়, এটা আমাদের কারিকুলামের একটা অংশ। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা এভাবেই গড়ে উঠুক।

তারা এখানে শেখে যে লিডারশিপ কোনো পদবি নয়। এটি হলো একটি চর্চার বিষয়। মানুষের পাশে থাকা, তাদের কথা শোনাই হলো লিডারশিপ। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, কেবল প্রযুক্তি ও বিদ্যমান তথ্যের ওপর নির্ভর করে অর্থবহ উদ্ভাবন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে শুধু বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিলে হবে না। এর সঙ্গে সমাজ, লিবারেল আর্টস এবং মানবিক প্রযুক্তির বিষয়গুলোও যুক্ত করতে হবে।”

বার্ড কলেজের এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও একাডেমিক অ্যাফেয়ার্সবিষয়ক ভাইস- প্রেসিডেন্ট জোনাথন অ্যাডাম বেকার উচ্চশিক্ষায় সিভিক এনগেজমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বার্ড কলেজের সেন্টার ফর সিভিক এনগেজমেন্টের পরিচালক এবং জিএইচইএ২১-এর ভাইস- চ্যান্সেলর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, “বৈশ্বিক কোলাবোরেশনের মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি যেভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে, সেই মডেল আমরা দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও অনুসরণ করতে পারি।” ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের ডিন এবং জিএইচইএ২১-এর ফ্যাকাল্টি সদস্য প্রফেসর সামিয়া হক শিক্ষা ও সামাজিক পরিবর্তনকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমৃতা মাকিন ইসলাম। সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত সচিব এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি সম্মেলনে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের দক্ষতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তার আহ্বান জানান তিনি। সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, মিলেনিয়াম ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক কাউন্সিলের কো-চেয়ার ড. সু এল ম্যাক্সাম এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সিভিক এনগেজমেন্ট বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর নাবিল বি আরিফ।

সমাপনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এবং জিএইচইএ২১-এর ফ্যাকাল্টি সদস্য ফাহমিদা রহমান। কেলনার ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং বার্ড কলেজ সেন্টার ফর সিভিক এনগেজমেন্টের শুভানুধ্যায়ীদের সহায়তায় সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনের প্রাইম সাসটেইনেবল পার্টনার ছিল অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড, ফিনট্রা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং স্কয়ার গ্রুপ। স্ট্র্যাটেজিক সাসটেইনেবল পার্টনার ছিল বেঙ্গল মিট প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, কটন গ্রুপ বাংলাদেশ, গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড, ইস্পাহানি গ্রুপ এবং স্টেপ ফুটওয়্যার।

বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো
টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো মোবাইল। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

গ্লোবাল ইনোভেটিভ এআই-চালিত প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো, যা জনপ্রিয় স্পার্ক সিরিজের সর্বশেষ সংযোজন।

ফ্ল্যাগশিপ-লেভেলের প্রটেকশন, শক্তিশালী পারফরম্যান্স, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং স্মার্ট এআই সুবিধার সমন্বয়ে তৈরি এই স্মার্টফোনটি আধুনিক ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আনা হয়েছে।

স্পার্ক সিরিজের সফলতার ধারাবাহিকতায় টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে যুক্ত করা হয়েছে এমন কিছু ফিচার, যা এই সেগমেন্টের স্মার্টফোনে কম দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে আইপি৬৮/আইপি৬৯ ডাস্ট ও ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স, সর্বোচ্চ ৬ মিটার পানির গভীরতায় সার্ভাইভ করার ক্ষমতা, ৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৬০ ওয়াট সুপার ফাস্ট চার্জিং, ৫০ মেগাপিক্সেল সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা, মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসর, ১২০ হার্জ ডিসপ্লে এবং টেকনো এআই সুবিধা।

দৈনন্দিন ব্যবহারে বাড়তি নিশ্চয়তা দিতে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ সার্টিফায়েড সুরক্ষা, যা ডিভাইসটিকে ধুলাবালি ও পানির প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম।

এ ছাড়াও, সর্বোচ্চ ৬ মিটার গভীর পানির মধ্যেও ডিভাইসটি নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে সক্ষম, যা আন্ডারওয়াটার ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা যোগ করে। শুধু পানি থেকে সুরক্ষাই নয়, টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে এসজিএস ফাইভ-স্টার প্রিমিয়াম ড্রপ রেজিস্ট্যান্স এবং ৩৬০ ডিগ্রি ড্রপ প্রোটেকশন, যা দৈনন্দিন ব্যবহারে অনাকাঙ্ক্ষিত পড়ে যাওয়া বা আঘাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করে। এ ছাড়া টি-গার্ড প্রোটেকশন সিস্টেম ডিভাইসটির নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে, যা এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সুরক্ষিত স্পার্ক স্মার্টফোনগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

৬০০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ৬০ ওয়াট সুপার ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো দীর্ঘ সময় ব্যবহার এবং দ্রুত চার্জিং সুবিধা নিশ্চিত করে। যারা সারাদিন স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। টেকনোর তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটারিটি ১,৯০০টিরও বেশি চার্জিং সাইকেলের পরেও ৮০ শতাংশের বেশি ব্যাটারি সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে, যা দীর্ঘদিন ভালো পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।

ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি লাইটিয়া ৬০০ ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা, যা বিভিন্ন লাইটিং কন্ডিশনে চমৎকার ডিটেইল ধরে রাখতে সক্ষম। এছাড়া ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা ক্লিয়ার সেলফি এবং উন্নত ভিডিও কলিং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে। ভ্রমণ, প্রতিদিনের মুহূর্ত কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট তৈরিতে ক্যামেরা সিস্টেমটি একটি ভার্সেটাইল ফটোগ্রাফি এক্সপেরিয়েন্স প্রদান করে।

মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ আল্টিমেট প্রসেসরচালিত টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো মাল্টিটাস্কিং, গেমিং, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং ডেইলি ইউজে স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। স্মার্টফোনটি ২৪ জিবি ডাইনামিক র‍্যাম (৮ জিবি র‍্যাম + ১৬ জিবি এক্সটেন্ডেড র‍্যাম) এবং ১৮ জিবি ডাইনামিক র‍্যাম (৬ জিবি র‍্যাম + ১২ জিবি এক্সটেন্ডেড র‍্যাম)–এ দুই সংস্করণে পাওয়া যাবে। উভয় সংস্করণেই রয়েছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ।

স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্জ ডিসপ্লে, যা স্মুথ স্ক্রলিং এবং ইমার্সিভ ভিউয়িং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে। পাশাপাশি ডিটিএস সাউন্ডসমৃদ্ধ ডুয়াল স্পিকার এবং অল-সিনারিও নয়েজ ক্যানসেলেশন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য আরও রিচ অডিও এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করে, যা বিনোদন ও ভয়েস কমিউনিকেশনকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।

অ্যান্ড্রয়েড ১৬ ভিত্তিক টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো-তে রয়েছে ওয়ান-ট্যাপ সামারাইজেশন, এআই ফ্ল্যাশমেমো, এআই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাসিস্ট্যান্ট, এআই প্রবলেম সলভিং, এআই রাইটিং, এআই হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং এআই স্মার্ট স্কেডিউলিংসহ বিভিন্ন এআই সুবিধা। এ ছাড়া ফ্রিলিংক ২.০ এবং টাচ ট্রান্সফার উইথ আইফোন ফিচার বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে আরও সহজ ও স্মুথ কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করে।

টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো এখন দেশজুড়ে টেকনোর সকল ব্র্যান্ড আউটলেট ও রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে এবং স্মার্টফোনটির মূল্য শুরু হচ্ছে ২৬,৯৯৯ টাকা থেকে (ভ্যাট প্রযোজ্য)।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সাতারকুল ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ক্যাম্পাসটি পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানটির আধুনিক ‘ইনকোয়ারি-বেজড’ শিক্ষাব্যবস্থার প্রশংসা করেন।

ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী স্কুলটির পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় এসটিএস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মানাস সিং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখান এবং একাডেমিক বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত করান।

প্রতিমন্ত্রী গ্লেনরিচ সাতারকুলের প্রি-প্রাইমারি শ্রেণিকক্ষ, প্লে-জোন, মন্টেসরি ল্যাব, সেন্ট্রাল কোর্টইয়ার্ড, স্কুল লাইব্রেরি ও সেকেন্ডারি শ্রেণিকক্ষ ঘুরে দেখেন এবং বিদ্যালয়টির উন্নত একাডেমিক হাবগুলো, যেমন আর্ট ল্যাব, ম্যাথ ল্যাব, রোবোটিকস ল্যাব ও আইসিটি ল্যাবসহ একাধিক বিজ্ঞান ল্যাব পরিদর্শন করেন।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সৃজনশীল ও ক্রীড়া সুবিধাও ঘুরে দেখেন প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্যে ছিল মিউজিক রুম (গিটার, ভায়োলিন, পিয়ানো ও কণ্ঠসংগীত), ড্যান্স রুম, ইনডোর জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল, স্কেটিং রিঙ্ক এবং ফুটবল, বাস্কেটবল ও ক্রিকেট অনুশীলনের জন্য নির্ধারিত আউটডোর স্পোর্টস জোন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ স্কুলটির মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী শিক্ষার্থী গড়ে তুলতে তাদের সার্বিক বিকাশে নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

পরিদর্শন সম্পর্কে এসটিএস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মানাস সিং বলেন, “মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর এ সফর আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এটি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে বিশ্বমানের শিক্ষা ও উন্নত অবকাঠামো প্রদানে আমাদের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করবে।”

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক
মার্কেন্টাইল ব্যাংক

ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স এবং এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্টে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে সনদ লাভ করেছে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পোস্ট কোভিড-১৯ স্মল স্কেল এমপ্লয়মেন্ট ক্রিয়েশন প্রজেক্টের আওতায় এই সনদ প্রদান করা হয়। প্রকল্পটির আওতায় মার্কেন্টাইল ব্যাংক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার, নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মনোজ কুমার হাওলাদার, পরিচালক কাজী তামান্না হক এবং টিম লিডার আলী সাবেদের কাছ থেকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ক্যামেলকো শামীম আহমেদ সনদপত্র গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।