ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’ ‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বিদেশি ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে না: গোলাম পরওয়ার শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয় ১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা রাখবে: মির্জা ফখরুল গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎ আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা এবং রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রিকশাচালককে গণপিটুনি রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল সৌদি কারাগারে মৃত্যু, ২৮ দিন পর দেশে মরদেহ ইতিহাস গড়ার পথে হন্ডুরাসের রেফারি সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র মরক্কো ‘আন্ডারডগ’ নয়, ট্রফি জিততেই মাঠে নামবে: ওয়াহবি তামাকের বিকল্প হিসেবে মলোখিয়া ব্যবহার করছেন গাজার ধূমপায়ীরা চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস জনআকাঙ্ক্ষার বাজেট এবং নানামুখী চ্যালেঞ্জ হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা, পুলিশের এক সোর্স আটক রমেকে রোগীর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসক-স্বজনদের হাতাহাতি গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
Nagad desktop

রাজশাহী পলিটেকনিকে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম
রাজশাহী পলিটেকনিকে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী পলিটেকনিকে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের লক্ষ্যে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’-এর রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা  রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে রাজশাহী অঞ্চলের ২৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৮৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে, যার মধ্য থেকে সেরা ৬টি উদ্ভাবন আগামী ১৭ মে ২০২৬ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়।

কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ এবং তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কার সবার সামনে তুলে ধরার অনন্য এ প্রতিযোগিতাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation (ASSET) প্রকল্পের আওতায় আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী আয়োজিত ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’-এর অনুষ্ঠানমালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জনাব মো. দাউদ মিয়া এনডিসি, সচিব, কারিগরি ও  মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জনাব আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, মহাপরিচালক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং জনাব মো. আবু হানিফ, অধ্যক্ষ, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। এছাড়া প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ASSET প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক জনাব মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এবং রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর এস এম তাহমিদ সাদিক।

 

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং কারিগরি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে করণীয় সম্পর্কে জানতে চান। তিনি সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং লিখিতভাবে তাকে অবহিত করার জন্য আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন‘কারিগরি শিক্ষা আজ আর বিকল্প কোনো ধারা নয়, এটি এখন আমাদের জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দক্ষ জনশক্তি তৈরি ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। জাপান, জার্মানিসহ উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদেরকেও এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু সনদ প্রদান নয়, বরং এমন দক্ষতা তৈরি করা, যা সরাসরি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম।’

তিনি আরও বলেন, ‘যুবসমাজকে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদে রূপান্তর করাই আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার এবং কারিগরি শিক্ষা সেই রূপান্তরের প্রধান মাধ্যম। স্কিলস কম্পিটিশন শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি আমাদের তরুণদের দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস তুলে ধরার একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম।’

তিনি এ সময় নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কারিগরি শিক্ষা ও সৃজনশীলতার বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

আঞ্চলিক ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি, কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক একটি সেমিনার এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এ প্রতিযোগিতায় কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং রাজশাহী বিভাগ ও জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

পাশাপাশি এ অঞ্চলের কারিগরি, মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পকারখানা, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমের প্রতিনিধি ও অভিভাবকসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনের প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দেশব্যাপী ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩,২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এভাবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে তিনটি করে প্রকল্প আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বাছাই করা হয়। আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা শেষে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনের জাতীয় পর্ব আগামী ১৭ মে ২০২৬ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। আটটি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত মোট ৫০টি উদ্ভাবনী প্রকল্প এতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। চূড়ান্ত বা জাতীয় পর্বে বিজয়ী তিনটি উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদ্ভাবকদের আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হবে।

খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

উপকূলের নারীদের সংগ্রাম, সক্ষমতা ও নেতৃত্বের নানা দিক তুলে ধরে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উপকূলের কণ্ঠ: জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা অন্যতম। এই সংকট মোকাবিলায় উপকূলীয় নারীদের নেতৃত্ব, অভিযোজন সক্ষমতা, জীবনসংগ্রাম ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের গল্প তুলে ধরতে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘উপকূলের কণ্ঠ: জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বিশেষত নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবণাক্ততা মোকাবেলায় অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক (জেন্ডার-রেসপনসিভ কোস্টাল এডাপটেশন – জিসিএ - Gender-responsive Coastal Adaptation - GCA) জিসিএ প্রকল্পের উদ্যোগে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রদর্শনীর খুলনা পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান - ১৩ জুন শনিবার সকালে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের জীবন ও সংগ্রামের নানা দিক আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও জীবিকাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁদের অভিযোজন কৌশল, বিকল্প জীবিকা, পানি ব্যাবস্থাপনা, সামাজিক নেতৃত্ব এবং স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোগ প্রদর্শনীর মূল উপজীব্য।

আয়োজকদের মতে, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নারীদের ভূমিকা প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়, অথচ উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবার ও সম্প্রদায়ের টিকে থাকার লড়াইয়ে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে সামনে নিয়ে আসার পাশাপাশি নারী নেতৃত্বভিত্তিক জলবায়ু অভিযোজন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইব্রাহীম মো. তৈমুর, খুলনা জেলা; ড. এস এম ফেরদৌস, সিন্ডিকেট মেম্বার, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; জনাব মো: নজরুল ইসলাম, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনা; ইউএনডিপি বাংলাদেশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং জিসিএ প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

প্রদর্শনীটিতে আলোকচিত্রী এ.বি. রশিদের ধারণকৃত প্রায় ৮৫টি স্থিরচিত্র প্রদর্শিত হয়। সরাসরি প্রদর্শনীর পাশাপাশি এটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ থেকে ২৩ মে রাজধানীর দৃক গ্যালারিতে প্রদর্শনীটির ঢাকা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, জিসিএ প্রকল্প, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় উপকূলীয় অঞ্চলে, বিশেষ করে নারীদের জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। প্রকল্পটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি, জীবিকা ও নারী নেতৃত্বভিত্তিক অভিযোজন উদ্যোগ জোরদারে ভূমিকা রাখছে।

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ কুইজ ও রিচার্জভিত্তিক ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা নগদ।

বিশ্বকাপজুড়ে চলা এ আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীরা জিততে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং পেতে পারেন জাতীয় ফুটবল দলের একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে দেখার সুযোগ। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন ফুটবলবিষয়ক কুইজ আয়োজন করতে যাচ্ছে নগদ।

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকে নিয়ে তৈরি সংক্ষিপ্ত ভিডিও কনটেন্টে থাকবে ফুটবলসংক্রান্ত প্রশ্ন, যার সঠিক উত্তর দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা পুরস্কার জয়ের সুযোগ পাবেন।

কুইজে অংশগ্রহণকারীদের কুইজের উত্তর দিয়ে তা হ্যাশট্যাগ দিয়ে ফেসবুকে শেয়ার করতে হবে। যার প্রোফাইলের লাইক-শেয়ার ও কমেন্ট বেশি থাকবে তিনি বিজয়ী হিসেবে পাবেন নগদ ব্র্যান্ডেড গিফট বক্স; যেখানে থাকবে স্মার্টওয়াচ, মিনি ফুটবল, নগদ ব্র্যান্ডেড জার্সি ও রিস্টব্যান্ড।

পাশাপাশি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষ্যে থাকবে মেগা কুইজ আয়োজন। ফাইনালের দিন তিনটি পৃথক কুইজেই সঠিক উত্তরদাতার মধ্যে যার হ্যাশট্যাসহ শেয়ার, লাইক ও কমেন্ট সর্বোচ হবে, তিনিই সৌভাগ্যবান বিজয়ী হিসেবে জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী অ্যাওয়ে ম্যাচ জামাল ভূঁইয়ার সাথে সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া অন্যান্য বিজয়ীরা পাবেন আকর্ষণীয় উপহার।

রিচার্জে জিতে নিন পিএসফাইভ কুইজ আয়োজনের পাশাপাশি বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে বিশেষ মোবাইল রিচার্জ ক্যাম্পেইনও পরিচালনা করবে নগদ। বিশ্বকাপ চলাকালীন নগদ ওয়ালেট ব্যবহার করে ৫০ টাকা বা তারবেশি যোকোনো পরিমাণ টাকা রিচার্জ করে যেকোনো ফুটবলপ্রেমী এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

রিচার্জ ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতিদিন পাঁচজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী নগদের পক্ষ থেকে বিজয়ীর পছন্দের দেশের জার্সি উপহার পাবেন। যেখানে রয়েছে নিজের নাম ও পছন্দের নম্বর দিয়ে জার্সি উপহার নেওয়ার সুযোগ।

এ ছাড়া রিচার্জ ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া তিনজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী জিতে নিতে পারবেন ভিডিও গেম কনসোল পিএসফাইভ।

এ বিষয়ে নগদের হেড অফ মার্কেটিং হেরাস উদ্দীন মুহাম্মদ মেহেদী সাজ্জাদ বলেন, “বিশ্বকাপকে ঘিরে গ্রাহকদের জন্য একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। কুইজ, রিচার্জ অফার এবং সরাসরি সম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আমরা একটি আনন্দময় আয়োজন নিয়ে এসেছি। আমরা আশা করি সবসময়ের মতো এবারও নগদের গ্রাহকেরা আনন্দ নিয়ে খেলা উপভোগ করবেন এবং নগদের সাথেই থাকবেন।”

বিশ্বকাপজুড়ে চলা এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের লাখো ফুটবলপ্রেমীকে এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করতে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার সঙ্গে উৎসবের সমন্বয় ঘটাতে চায় নগদ।

নগদ দেশের তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত হতে এক মাসব্যাপী ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশনেরও আয়োজন করছে। যেখানে দেশের ২৯টি অঞ্চলের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে নগদ ব্র্যান্ডেড ক্যারাভানের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

জনপ্রিয় কোনো ক্রীড়া ইনফ্লুয়েন্সারের অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীদের কাছে ‘কুইজ শো’ এবং এমএনও ক্যাম্পেইনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ফুসবল ও প্লেস্টেশন-৫ গেমিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের জন্য থাকবে মিনি ফুটবল, নগদ ব্র্যান্ডেড জার্সি, রিস্টব্যান্ডসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার।

কুইজ ও রিচার্জ ক্যাম্পেইনের শর্তের বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে নগদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে নজর রাখুন। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসার জন্য নগদের কলসেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন গ্রাহকেরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১৫ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে  ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উত্তেজনা যখন সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে, তখন ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আয়োজন নিয়ে এসেছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান। হোটেলটি চালু করেছে ‘ফিফা নাইটস অ্যাট ওয়েসিস ‘, যেখানে ভক্তরা উপভোগ করতে পারবেন বিশ্বকাপের প্রতিটি রোমাঞ্চকর মুহূর্ত।

হোটেলের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ওয়েসিস লাউঞ্জ বিশ্বকাপ চলাকালে পরিণত হবে এক প্রাণবন্ত ফুটবল আড্ডাকেন্দ্রে। এখানে অতিথিরা অন্য সমর্থকদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে বড় পর্দায় সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন প্রতিটি ম্যাচ। অসাধারণ গোল, শেষ মুহূর্তের নাটকীয় জয় কিংবা স্নায়ুচাপের পেনাল্টি শুটআউট—সবকিছুই উপভোগ করা যাবে প্রাণবন্ত পরিবেশে, সঙ্গে থাকবে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানের বিশ্বমানের আতিথেয়তা।

অতিথিরা মাত্র ১,০০০ টাকা নেট মূল্যের এন্ট্রি পাসের মাধ্যমে এই আয়োজনের অংশ হতে পারবেন। পাসের সম্পূর্ণ মূল্য খাবার ও পানীয় ক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে।

বিশ্বকাপের আমেজ আরও বাড়াতে হোটেলটি নিয়ে এসেছে বিশেষ ফিফা - অনুপ্রাণিত মেনু, যেখানে থাকবে সিগনেচার গ্রিল, গুরমে বার্গার, তাজা পিজ্জা, শেয়ারিং প্ল্যাটার, বিভিন্ন স্ন্যাকস এবং সুস্বাদু ডেজার্ট।

রাতের ম্যাচ উপভোগ করতে আগ্রহীদের জন্য রয়েছে বিশেষ, ফিফা স্টেকেশন প্যাকেজ যার মূল্য শুরু ১১,৯৯৯ টাকা থেকে (দুইজনের জন্য)। এই প্যাকেজে থাকছে:
• সকালের নাশতা
• ফিফা নাইটস অ্যাট ওয়েসিস - এ বিনামূল্যে প্রবেশ
• নির্বাচিত ফিফা মেনু আইটেমে ২০% ছাড়
• বিকেল ৪টা পর্যন্ত লেট চেক-আউট সুবিধা

আয়োজনকে আরও আকর্ষণীয় করতে Air Astra-এর সঙ্গে যৌথভাবে বিশেষ র্যাফেল ড্র-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে তিনজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী পাবেন কক্সবাজারে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট। এছাড়াও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে থাকবে ম্যাচ প্রেডিকশন প্রতিযোগিতা, ফ্যান চ্যালেঞ্জ,ইনফ্লুয়েন্সার উপস্থিতি এবং ম্যাচ-নাইট সারপ্রাইজ।

এই বিশ্বকাপ মৌসুমে শহরের ফুটবলপ্রেমীরা একত্রিত হোন সেই জায়গায়, যেখানে পুরো শহর বিশ্বকাপ দেখবে একসঙ্গে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিইউএফটি’তে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচি
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও পরিবেশ বিষয়ক ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে ১০ ও ১১ জুন ২০২৬ তারিখে দু’দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 
পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, র‌্যালি, স্পোগোমি টুর্নামেন্ট, গোলটেবিল আলোচনা এবং বিইউএফটি ও চারটি পরিবেশবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ফারুক হাসান। এতে সভাপতিত্ব করেন মনোনিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মোহাম্মদ নাছির, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন, প্রাণ-প্রকৃতি পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল জলিল, রেজিস্ট্রার মো. রফিকুজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা।

অন্তরা/

আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকী পালন
আলহাজ আব্দুল মোনেম-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ আব্দুল মোনেম-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

আব্দুল মোনেম ২০২০ সালের ৩১ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

দেশের অবকাঠামো নির্মাণে তার প্রতিষ্ঠান অনন্য অবদান রেখেছে। নির্মাণ খাতের পাশাপাশি তিনি খাদ্য, পানীয় এবং ওষুধ শিল্পের মতো বিভিন্ন খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন।

পেশায় প্রকৌশলী আব্দুল মোনেম ১৯৩৭ সালের ৫ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। এই দূরদর্শী উদ্যোক্তা ১৯৫৬ সালে আব্দুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) প্রতিষ্ঠা করেন।

বিজ্ঞপ্তি/