সরকার পতনের পর থেকে বরগুনায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে রয়েছেন। এতে নাগরিকসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বাসিন্দারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- আমতলী, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার বেশিরভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে আছেন। তবে বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ১০টি ইউনিয়নের এবং বরগুনা পৌর মেয়র আগের মতোই অফিস করছেন।
পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা আমার স মিল পুড়িয়ে দিয়েছে। ভাইয়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট ও ভাঙচুর করেছে। তাই বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।’
পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাউদ্দিন পল্টু জানান, স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে তিনি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তবে স্থানীয় বিএনপিকর্মীরা জানান, ১৫ বছর ধরে পল্টু চেয়ারম্যান বিএনপি ছাড়াও স্থানীয় সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছেন। তার অপরাধের বিচার সরকার ও প্রশাসন করবে এমনটা আশা তাদের।
আমতলী উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা ছাড়াও গত ৫ আগস্ট বাসভবন পুড়ে যাওয়ার পর থেকে অফিস করছেন না আমতলী পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান। যোগাযোগের চেষ্টা করলেও এ উপজেলার কোনো চেয়ারম্যান ফোন ধরেননি। বামনা উপজেলার রামনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল জমাদ্দার বলেন, ‘নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি ইউএনওকে জানাব।’