রাজশাহীতে বালুমহালের দরপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবদল ও ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এতে একজন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহত যুবদলকর্মী হলেন মো. রায়হান (২৫)। তিনি জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামীমের অনুসারী। তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে জখম হন। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশর মুখপাত্র সাবিনা ইয়াসমিন দু’পক্ষের সংঘর্ষের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে রাজশাহী জেলার ৪টি বালুমহাল (চারঘাট, পবা, গোদাগাড়ী ও কাটাখালী) এর টেন্ডার দাখিলের সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। নির্ধারিত সময়ের শেষ মূহুর্তে টেন্ডার বক্স সিলগালা করার সময় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক মো. নাজির হাসান এর নেতৃত্বে ১০/১৫ জন এসে টেন্ডার জমা দিতে চাইলে টেন্ডার বক্সের সামনে কাটাখালী পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি ফয়সাল আহমেদের নেতৃত্ব দাঁড়িয়ে থাকা অন্যান্য বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বলেন, সময় শেষ হয়ে গেছে এখন আর জমা দেওয়া যাবে না। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় রায়হান (২৫), মাথায় আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশর মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ডিসি অফিসে ৪টি বালু মহালের টেন্ডার ইজারা চলছিল। এই সময় ইজারাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের হাতহাতি হয়। এতে একজন আহত হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগও দেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
তবে কাটাখালী পৌরসভার ছাত্রদলের সভাপতি ফয়সাল বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। সংঘর্ষ হয়েছে শুনেছি। কিন্তু কাদের সংঘর্ষ সেটি জানি না।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ম-অহ্বায়ক মো. নাজির হাসান, আমি ডিসি অফিসে টেন্ডার ড্রপ করতে যাই। কিন্তু আমাকে তখন বাধা দেওয়া হয়। আমি পুলিশের সহায়তায় টেন্ডার জমা দিয়ে চলে এসেছি মারামারি বা হাতাহাতির ঘটনা আমি দেখিনি।
এনায়েত করিম/মাহফুজ