চুরি করতে গিয়ে চিনে ফেলায় গৃহবধূকে গলাকেটে পুকুরে ফেলে দেন নোয়াখালীর আলাউদ্দিন ও রাব্বি। ঘটনার এক সপ্তাহ পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার করা হয় দুজনকে। এলাকার মানুষ এগুলো নিয়ে কথা তুললে তা সইতে না পেরে আলাউদ্দিনের মা জাহানারা বেগম গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) দুপুরে জাহানারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এর আগে নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার ১১নং নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, জাহানারা বেগম ছেলে আলাউদ্দিনকে নিয়ে নিঝুমদ্বীপের ১নং ওয়ার্ড উপরের বাজার এলাকায় বসবাস করতেন। ছেলেকে গ্রেপ্তারের পর এলাকার লোকজন এগুলো নিয়ে বিভিন্ন কথা তোলে। এ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। আগে থেকে তার মানসিক সমস্যা ছিল।
স্থানীয় জামসেদ উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে জাহানারা বেগম পাশে বাবার বাড়ি থেকে চলে আসে। সকালে তার মা এবং বোন খোঁজ নিতে এসে দেখে ঘরের আরার সঙ্গে ঝুলে আছেন। তখন তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, নিঝুমদ্বীপে জাহানারা বেগম নামে এক মহিলার নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেহেদী/