ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইউএনওর আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার কারসাজি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ কুড়িগ্রামে ধানের গোলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য পাবনায় আমবাগানে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মাগুরায় ‘বাঘ’ আতঙ্ক, বন বিভাগ বলছে মেছো বিড়াল সেন্টমার্টিনে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬ বায়ুদূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুরমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ দিনাজপুরে দিলশাদ, ভিন্ন স্বাদ ও কাচ্চি ভাইকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা যেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন ঢাকায় গ্রেপ্তার নেইমার কি আর খেলবে বিশ্বকাপ? পা ভাঙা রাজহাঁস নিয়ে থানায় নারী এমবাপ্পে আর ইয়ামালদের যুগেও মেসিই ফুটবলের 'ফাইনাল বস' রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৯০ লাখ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ হারিয়ে যেতে বসা হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ উদ্ধার সাহাবিদের জন্য রাসুল (সা.) কী ধরনের পোশাক পছন্দ করতেন হাঁসের বাচ্চায় বদলে যাওয়া গ্রাম নকআউটে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কে? জেনে নিন রাউন্ড অব ৩২-এর সমীকরণ বাংলা একাডেমিতে মানিক রফিক আজাদ ও চন্দ্রাবতীকে স্মরণ ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করে ঘুষ নেন দেবীগঞ্জের পিআইও! কূটনৈতিক সাফল্য পেল পাকিস্তান বেলজিয়াম দলে ফিরছেন জেরেমি ডোকু ব্রিটেনে ১০ বছরে ৬ প্রধানমন্ত্রী, কেন বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা? আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচ ঘিরে বেরোবির স্মারক মাঠে উৎসবের আমেজ কুষ্টিয়ার মিরপুরে গায়েবি প্রকল্পে অর্থ তছরুপ রাজধানী ও গাজীপুরে আ.লীগের ৪৪ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার উপসচিব হলেই আগের এসিআর পাঠাতে হবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হাইড্রেশন ব্রেক ম্যাচের গতি নষ্ট করছে: টুখেল বাজেট ঘোষণার পর ঊর্ধ্বমুখী রডের বাজার

রোগীর স্বজনকে গালিগালাজ, অবশেষে বরখাস্ত সেই চিকিৎসক

প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:২৬ পিএম
রোগীর স্বজনকে গালিগালাজ, অবশেষে বরখাস্ত সেই চিকিৎসক
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডা. আবুল কাশেমের একটি কুরুচিপূর্ণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. আবুল কাশেমকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশ বলা হয়েছে, যেহেতু, ডা. মো. আবুল কাশেম (১২৪৫৮৭), আবাসিক মেডিকেল অফিসার, সদর হাসপাতাল, পঞ্চগড় কর্তৃক রোগীর আত্মীয়ের সাথে অপেশাদারসুলভ আচরণ, অশ্লীল কথাবার্তা ও দুর্ব্যবহার করেন যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু, তার এহেন আচরণ সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার পরিপন্থী এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি মোতাবেক ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য।

যেহেতু, তার এহেন অপেশাদার আচরণের জন্য তাকে সরকারি চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এক্ষণে সেহেতু, তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর ১২(১) বিধি মোতাবেক আদেশ জারির তারিখ হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রচলিত নিয়ম মোতাবেক তিনি সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে খোরপোশ ভাতাদি প্রাপ্য হবেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ডা. আবুল কাশেমের একটি কুরুচিপূর্ণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার এক শিশুর বাবা-স্বজনের সঙ্গে তিনি অশালীন, অপমানজনক আচরণ করে নানা হুমকি দেন এবং আক্রমণাত্মক ভাষায় কটুক্তি করেন। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।

তরুণ-প্রবীণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ওই চিকিৎসকের কঠোর শাস্তি দাবি করেন। অনেকেই মন্তব্যে লিখেছেন, এ ধরনের আচরণ চিকিৎসক সমাজের জন্য কলঙ্কজনক।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধি আজহারুল ইসলাম জুয়েল বলেন, একজন চিকিৎসকের মূল দায়িত্ব হলো রোগীর সেবা করা। কিন্তু তার ভাষা, জ্ঞান এবং আচরণ সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। একজন ডাক্তারের জন্য ধৈর্য বড় একটি গুন। তাই তার ব্যবহৃত ভাষা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান জানান, ভিডিওটি তার নজরে আসার পরপরই ওই চিকিৎসককে শোকজ করা হয়েছিল। রবিবার মন্ত্রণালয় থেকে মেইলে চিকিৎসক আবুল কাশেমকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশের কপি পেয়েছি।

মো. রনি মিয়াজী/মাহফুজ

 

ইউএনওর আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার কারসাজি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ এএম
ইউএনওর আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার কারসাজি
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি : খবরের কাগজ

বরগুনার তালতলী উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও গোপন যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। 

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে কৌশলে দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ঠিকাদারেরা। এমনকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সরকারি ই-জিপি আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার সম্পন্ন করার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তালতলীতে এডিপির চতুর্থ ধাপে ৩৯ লাখ ১৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা পূর্ববর্তী ঘাটতির জন্য সংরক্ষণ রেখে বাকি অর্থ থেকে ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার প্রকল্প পিআইসি পদ্ধতিতে এবং ২১ লাখ ৯৬ হাজার টাকার ১৭টি প্রকল্প আরএফকিউ পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। এ সংক্রান্ত তালিকায় ইউএনও ও উপজেলা প্রকৌশলীর স্বাক্ষর রয়েছে।

তবে অভিযোগ উঠেছে, আরএফকিউ পদ্ধতির নিয়ম উপেক্ষা করে ১৭টি প্রকল্পকে চারটি প্যাকেজে ভাগ করে ই-জিপির মাধ্যমে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি এমনভাবে পরিচালনা করা হয়, যাতে সাধারণ ঠিকাদারেরা কোনো তথ্যই জানতে না পারেন।

স্থানীয় কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উপজেলায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন নিবন্ধিত ঠিকাদার থাকলেও এ টেন্ডার সম্পর্কে তাদের অধিকাংশই অজ্ঞাত ছিলেন। 

তাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তথ্য গোপন রেখে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পাঁচটি নির্দিষ্ট লাইসেন্স ব্যবহার করে নামমাত্র প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা হয়। এর মধ্যে মেসার্স প্রিন্স এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স নাইম এন্টারপ্রাইজ দুটি করে প্যাকেজের কাজ পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতোমধ্যে কাজের নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইউএনও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দক্ষ নন, তাই তার আইডি ব্যবহার করে তিনি নিজেই কাজ সম্পন্ন করেছেন। 

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যের নির্দেশনা অনুযায়ী পাঁচটি লাইসেন্স থেকে দরপত্র নেওয়া হয় এবং সেখান থেকেই কাজ দেওয়া হয়েছে।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, বরাদ্দ পাওয়ার পর কমিটির সভায় প্রকল্প অনুমোদন করা হয় এবং পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

মহিউদ্দিন অপু/অন্তরা/

কুড়িগ্রামে ধানের গোলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২০ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২১ এএম
কুড়িগ্রামে ধানের গোলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকার একটি বাড়ির ধানের গোলা থেকে বিপুল পরিমান ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে কচুকাটা থানা পুলিশ। জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে প্রসাধনী ও খাদ্যদ্রব্য। 

পুলিশ জানায়, সোমবার (২২ জুন) বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার ভুরুঙ্গামারী সার্কেলের নেত্রিত্বে নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রাম ঝাউকুটির চোরাকারবারি জহুরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় জহুরুলের বাড়ির ধানের গোলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস,পাপড় ও প্যান্ট পিস পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করে থানায় আনা হয়।

অভিযানের সময় চোরাকারবারি জহুরুল বাড়িতে উপস্থিত না থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

তবে তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান , নারায়ণপুর ইউনিয়ন একটি দূর্গম এলাকা। পুলিশ সেখানে খুব সহজে যেতে পারে না। নদী আর চরবেষ্টিত সীমান্ত সংলগ্ন এই ইউনিয়ন চোরাকারবারিদের ট্রানজিট। এখানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সিরাজ/অন্তরা

পাবনায় আমবাগানে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:১৩ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৩১ এএম
পাবনায় আমবাগানে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ
ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার আমিনপুর থানার  দারিয়াপুর এলাকায় নিখোঁজের দুই দিন পর মো. রহিম খান (৬৫) নামের এক লেবু ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দরিয়াপুর গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

রহিম খান বেড়া উপজেলার টাংবাড়ি গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

আমিনপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হোসেন জানান, সোমবার সকালে দরিয়াপুর গ্রামের স্থানীয় আম ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের বাগানে আম পাড়তে যান কিছু লোক। সেখানে তারা গাছে রহিম খানের মরদেহ ঝুলতে দেখে তাৎক্ষণিক থানায় খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে এসআই আওলাদ হোসেন আরও জানান, শনিবার (২০ জুন) সকালে রহিম খান বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর আজ তার মরদেহ উদ্ধার করা হলো।

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি দুই থেকে তিন দিন আগে থেকেই সেখানে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।

আমিনুল জুয়েল/তামান্না রুপা/

মাগুরায় ‘বাঘ’ আতঙ্ক, বন বিভাগ বলছে মেছো বিড়াল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:০৩ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
মাগুরায় ‘বাঘ’ আতঙ্ক, বন বিভাগ বলছে মেছো বিড়াল
ছবি: সংগৃহীত

মাগুরা সদর উপজেলার জগদল ইউনিয়নের মাঝিপাড়া এলাকায় একটি বন্য প্রাণীকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) রাত ১১টার দিকে গ্রামের একটি পাকা সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে প্রাণীটিকে দেখা যায়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রাণীটির একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী যুবক ইসরাফিল হোসেন জানান, শনিবার রাতে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার পাশের একটি গাছ থেকে হঠাৎ একটি প্রাণী তার সামনে লাফিয়ে পড়ে। আকস্মিক ঘটনায় তিনি কিছুটা ভয় পেলেও মুঠোফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে প্রায় সাত সেকেন্ডের একটি ভিডিও ধারণ করেন।

ইসরাফিলের দাবি, প্রাণীটি দেখতে অনেকটা চিতা বাঘের মতো মনে হয়েছিল। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে কৌতূহল ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি দেখার পর অনেক গ্রামবাসী লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রাণীটিকে খুঁজতে বের হন। তবে রাতের অন্ধকারে সেটির আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। গতকাল রাতেও স্থানীয়রা প্রাণীটির খোঁজে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালান।

এ ঘটনায় মাঝিপাড়া ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা ভয় কাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা আসমা খাতুন বলেন, বর্ষা মৌসুমে চারপাশে ঝোপঝাড় বেড়ে যাওয়ায় এমনিতেই সতর্ক থাকতে হয়। এর মধ্যে বন্য প্রাণীর উপস্থিতির খবরে শিশুদের মধ্যে ভীতি দেখা দিয়েছে।

তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ভিডিওতে দেখা প্রাণীটি কোনো চিতা বাঘ নয়। মাগুরা জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা তপেনন্দ্রনাথ ঠাকুর জানান, এটি একটি মেছো বিড়াল, যাকে অনেকে মেছো বাঘ নামে চেনেন। প্রাণীটি মূলত মাছ ও ছোট প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে এবং সাধারণত মানুষের কোনো ক্ষতি করে না।

তিনি বলেন, 'বিশ্বব্যাপী সংকটাপন্ন এ প্রাণী বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত। তাই প্রাণীটিকে আঘাত না করে বন বিভাগকে অবহিত করার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রাণীটির অবস্থান শনাক্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

কাসেমুর রহমান/আজহার/

সেন্টমার্টিনে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:০১ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৭ এএম
সেন্টমার্টিনে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬
ছবি: খবরের কাগজ

সেন্টমার্টিনের পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে মায়ানমার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা প্রায় ৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে আটক করা হয়।

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত ২০ জুন শনিবার রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড স্টেশন সেন্টমার্টিনের সদস্যরা পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে সন্দেহভাজন একটি বোটকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি নির্দেশনা অমান্য করে দ্রুত গভীর সমুদ্রের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরে কোস্টগার্ড ধাওয়া করে বোটটিকে আটক করে।

পরে বোটে তল্লাশি করে মায়ানমার থেকে চোরাচালান করে আনা প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। 

কোস্টগার্ড জানায়, জব্দ করা কারেন্ট জাল, বোট এবং আটকদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে কোস্টগার্ডের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শাহীন/খাদিজা রুমি/