সাতক্ষীরা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে। শহরের সোয়া দুই লাখ মানুষের জন্য মাত্র ২০-২২টি খোলা ও বেষ্টনীবিহীন ডাস্টবিন রয়েছে। তাই নাগরিকরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় বর্জ্য ফেলছেন এবং এর ফলে শহরজুড়ে ময়লার স্তূপ সৃষ্টি হচ্ছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত 'সাতক্ষীরা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সংকট ও সমাধান' শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, ‘শহরে ডাম্পিং স্টেশন ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় ময়লা সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হচ্ছে না, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।’
সংলাপে খবরের কাগজ পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সাংবাদিক নাজমুল শাহাদাৎ জাকির ও মানবজমিনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সাংবাদিক এস.এম বিপ্লব হোসেনের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব ও বাপা সাতক্ষীরার সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, ‘শহরের পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক স্বাস্থ্য রক্ষায় পৌরসভার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও দায়িত্বশীল হতে হবে।’
সংলাপে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান, পৌরসভার কনভেন্সি ইন্সপেক্টর ইদ্রিস আলী, প্রফেসর মোজাম্মেল হোসেন, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, গোলাম সরোয়ার, মাধব চন্দ্র দত্ত, লুইস রানা গাইন, আলী নুর খান বাবুল, গাজী মাহিদা মিজান, তরিকুল ইসলাম, কুমারেশ মজুমদার ও বিউটি খাতুন প্রমুখ।
বক্তারা শহরে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের তাগিদ দেন। তারা বলেন, ‘পৌরসভার সেবা মানের অবনতি চলতে থাকলে শহর বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে।’
নাজমুল/নাঈম