ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র নতুন অ্যান্ড্রয়েড ১৭ সংস্করণে গুগলের বড় চমক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল পরিসরে নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতার স্বরূপ রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা! একটি জাতির অবক্ষয়ের নির্মম চিত্র! ঝিনাইদহে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তিচুক্তি ও বৈশ্বিক বাস্তবতা এবারের স্বপ্নবিলাসী বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে: সংসদে আইনমন্ত্রী কাঁঠালকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যু সফলতা নির্ভর করবে বাস্তবায়ন সক্ষমতার ওপর যাত্রাবাড়ীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদে; মামলা ও জরিমানা মদ ভেবে বিষপানে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু ফেঞ্চুগঞ্জে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ২ জন নিহত, নিখোঁজ ১ ‘বাড়তি জেদ’ নিয়ে খেলছেন বেলিংহ্যাম কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি জামায়াতের সংসদ সদস্যকে মাইক্রোওভেন দিতে চাইলেন পার্থ রায়পুরায় সংঘর্ষ: পুলিশের ভেস্ট পরিহিত মরদেহ ভেসে উঠল নদীতে,  নিহত বেড়ে ৪ মাথা ঝুঁকানোর দরকার নেই, নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন: স্পিকার বিকাশে পেমেন্ট করে সপ্তাহে ৫০ গ্রাহক পাচ্ছেন টিভি, স্মার্টফোন জেতার সুযোগ বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

ভূমিকম্পের পূর্বপ্রস্তুতি-পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে সিসিকের জরুরি সভা

প্রকাশ: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:০৫ পিএম
ভূমিকম্পের পূর্বপ্রস্তুতি-পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে সিসিকের জরুরি সভা
ছবি: খবরের কাগজ

ভূমিকম্পের পূর্বপ্রস্তুতি ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) আয়োজনে নগর ভবনের সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘যে কোনো সময় দুর্যোগ ঘটতে পারে। তাই ভূমিকম্প পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগে থেকেই সব উদ্ধারযন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখতে হবে। কোন সংস্থার কাছে কি ধরনের যন্ত্রপাতি আছে, তার একটি ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে। দুর্যোগের সময় যাতে সবকিছু সহজেই পাওয়া যায়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখতে হবে। পুরোনো স্বেচ্ছাসেবীদের আবার প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং নতুন স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে হবে।’ 

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা উন নবীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম এবং সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘যেহেতু ভূমিকম্প ঠেকানো সম্ভব নয়, তাই ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নগরবাসীকে সচেতন করতে হবে। উদ্ধারকাজে সম্পৃক্ত সব সংস্থার সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সবকিছু প্রস্তুত রাখতে হবে।’ 

সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা উন নবী বলেন, ‘নগরবাসীকে নিরাপদ রাখতে ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত সব ভবন ভেঙে ফেলা হবে। আরও কোনো ঝুঁকিপূর্ণ ভবন আছে কিনা তা যাচাই করতে নতুন করে এসেসমেন্ট করা হবে। উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে সেগুলো ভাঙা হবে। জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি উদ্ধার কাজের জন্য আরও যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তা মন্ত্রণালয়ে তুলে ধরা হবে। নিজেদের নিরাপদ রাখতে বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করার জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ জানান।’ 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম বলেন, ‘ভূমিকম্প হলে যাতে মানুষ নিরাপদ স্থানে যেতে পারে, সেজন্য নিরাপদ বৃহৎ খালি জায়গা প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উপস্থিত সবাইকে আশার বাণী শুনিয়ে বলেন, গত এক যুগে সিলেট সিটি করপোরেশন কোনো দুর্বল বিল্ডিং অনুমোদন দেয়নি। বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করলে ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।’ 

সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা আরও বাড়াতে আমরা সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর চেষ্টা করছি। আমাদের অনেক যন্ত্রপাতি রয়েছে এবং সেগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে সময়মতো ব্যবহার করা যায়। দুর্যোগকবলিতদের উদ্ধারের জন্য আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করব।’ 

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘দুর্যোগের সময় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও স্বেচ্ছাসেবী পাওয়া যায় না। তাই এ বিষয়ে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। পুরোনো স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি নতুন স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে হবে। যন্ত্রপাতির একটি ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যাতে তা যথাসময়ে কাজে লাগানো যায়।’ 

সভায় সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, জালালাবাদ গ্যাস, আনসার ভিডিপি, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, ইসলামিক রিলিফ, বিএনসিসি, স্কাউট, গার্লস গাইডসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

রিফাত/

খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি
খোকসা জয়ন্তী হাজরা  ইউনিয়নে দুইযুগ  ধরে বন্ধ  পরিত্যক্ত কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র। ছবি: খবরের কাগজ

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় প্রায় দুই যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে ইউনিয়ন পর্যা‌য়ে স্থায়ীভা‌বে নি‌র্মিত দুইটি কৃ‌ত্রিম প্রজনন কেন্দ্র।

অবহেলা আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কেন্দ্রগুলোর ভবন এখন পরিণত হয়েছে পরিত্যক্ত স্থাপনায়।

কোথাও জন্ম নিয়েছে ভুতুড়ে পরিবেশ, কোথাও পোকামাকড়। ঝোপঝাড়ের দখলে চলে গেছে সরকারি স্থাপনা।

ফলে প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার কৃষক ও খামারিরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,২০০০ সালে প্রকল্পের আওতায় খোকসা উপজেলায় প্রাণিসম্পদ দপ্ত‌রের অধী‌নে নয়টি ইউনিয়নে কৃ‌ত্রিম প্রজনন কেন্দ্র চালু করা হয়। এর মধ্যে জয়ন্তী হাজরা ও আমবাড়িয়া ইউনিয়নে স্থায়ীকেন্দ্র এবং বাকি সাতটি ইউনিয়নে অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। যারা মাঠপর্যায়ে কৃত্রিম প্রজননসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।

কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্থায়ী দুইটি কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।  বর্তমানে স্থাপনাগু‌লো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের অভিযোগ, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি সেবা না থাকায় তাঁরা পল্লী প্রজননকর্মীদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। আবার ইউনিয়ন পর্যা‌য়ে উপ‌জেলা প্রা‌ণি সম্পদ থে‌কে যা‌দের দা‌য়িত্ব দেওয়া হ‌য়ে‌ছে তাঁ‌দের থেকেও প্রয়োজনীয় সেবা সবসময় পাওয়া যায় না। এ সুযোগে প্রজননকর্মীদের বিরু‌দ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

শিমুলিয়া এলাকার কয়েকজন খামারি জানান, সরকারি নির্ধারিত খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী কৃত্রিম প্রজননের ক্ষেত্রে যাতায়াত ভাতা, স্ট্রো (হিমায়িত সিমেন) ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩১৫ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, খোকসা উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ২১০টি গাভী রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ গাভীর প্রজনন কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে এবং বাকি ১০ শতাংশ ষাঁড়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় পশুপালক শাহজাহান আলী বলেন, “ইউনিয়ন পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোতে কোনোদিন ডাক্তার আসতে দেখি না। প্রয়োজনের সময় সেবা পাওয়া যায় না। ফলে আমরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছি।”

জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়নের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম খান বলেন,“সরকারি জমির ওপর নির্মিত এই কেন্দ্রটি বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে আছে। বর্তমানে জমিটির মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। দ্রুত দখলমুক্ত করে কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা উচিত।”

খামারি জাহাঙ্গীর আল‌মের অভিযোগ, “সরকারি কোনো সহযোগিতা আমরা ঠিকমতো পাই না। প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করলেও অনেক সময় প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন মেলে না। বাধ্য হয়ে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে হয়।”

সা‌র্বিক বিষ‌য়ে জান‌তে চাইলে খোকসা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সোহেল রানা বলেন,“ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থায়ী দুটি কেন্দ্র রয়েছে—এ বিষয়টি আমি সম্প্রতি জানতে পেরেছি। স্থান প‌রিদর্শনও ক‌রে‌ছি। আমাদের অফিসে এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র নেই। তবে মাঠপর্যায়ে প্রজননকর্মীরা বা‌ড়ি‌তে গি‌য়ে সেবা দিয়ে থাকেন।”

এ বিষ‌য়ে খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন  বলেন,“আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রঞ্জন ভৌমিক/এসএন

ঝিনাইদহে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
ঝিনাইদহে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু
ছবি: সংগৃহীত

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ এ শ্লোগানে ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-এ নবীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ মেলায় ৫টি স্টল প্রদর্শন করা হয়েছে। মেলায় প্রায় অর্ধশত প্রকার দেশীয় ফল ও ফল আবাদের উন্নত প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়েছে।

আগামী ২০ জুন শেষ হবে এ মেলা। দেশীয় ফলের উৎপাদন ও ভোক্তা সচেতনতা বাড়াতে এ ধরণের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন আয়োজকরা।

মাহফুজুর রহমান/এসএন

কাঁঠালকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
কাঁঠালকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যু
নিহত আব্দুর রাজ্জাক। ছবি: সংগৃহীত

গাছের পাকা কাঁঠালকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে ছেলের কিল-ঘুষিতে এক বৃদ্ধ বাবা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 বুধবার (১৭ জুন) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের চৌধুরীহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী শাহেদা বেগম বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় ছেলে আলম (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী রেখার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিহত আব্দুর রাজ্জাক (৭০) সদর উপজেলার বড় খাপন গ্রামের বাসিন্দা। তবে কয়েক বছর আগে তিনি চৌধুরীহাটি গ্রামে একটি বাড়ি কিনে সেখানে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আলম ও তার স্ত্রী রেখা বেগম পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে গাছ থেকে পেড়ে আনা পাকা কাঁঠাল বাবা-মাকে না দেওয়াকে কেন্দ্র আব্দুর রাজ্জাক ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাহেদা বেগমের বড় ছেলে মো. আলম ও পুত্রবধূ রেখার মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে আলম তাঁর বাবাকে কিল-ঘুষি মারেন। এতে আব্দুর রাজ্জাক গুরুতর অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী শাহেদা বেগমের অভিযোগ, তার ছেলে আলমের আক্রমণের কারণেই আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যু হয়েছে। কিল-ঘুষি মারতে মারতে আব্দুর রাজ্জাকের গলাচেপে ধরে আলম। এতে আব্দুর রাজ্জাক গুরুতর অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্বজনেরা জানায়, আব্দুর রাজ্জাকের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে আলম বিবাহিত এবং দুই কন্যাসন্তানের জনক। তার বড় মেয়ের বয়স প্রায় ১৫ বছর এবং ছোট মেয়ের বয়স ৭ বছর। ছোট ছেলে জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আলম ও তার স্ত্রী রেখার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তাসলিমা আক্তার মিতু/এসএন

যাত্রাবাড়ীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদে; মামলা ও জরিমানা

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম
যাত্রাবাড়ীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদে; মামলা ও জরিমানা
ছবি: খবরের কাগজ

জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এবং ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে যাত্রাবাড়ী এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সংস্থাটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ফ্লাইওভারের ইনকামিং অংশ থেকে শুরু করে যাত্রাবাড়ী হয়ে কাজলা পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশের ফুটপাত ও রাস্তার ওপর গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স্থাপনা -দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে ফুটপাত ও সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ৫টি মামলা দায়ের করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রাজু/আমান

মদ ভেবে বিষপানে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
মদ ভেবে বিষপানে পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু
রিংকন বড়ুয়া। ছবি: সংগৃহীত

মদ ভেবে বিষপান করে রাঙামাটির রাজস্থলীর এক পোশাকশ্রমিকের চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। মৃত ওই যুবকের নাম রিংকন বড়ুয়া (২৬)। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে তিনি মারা যান।

বুধবার (১৭ জুন) রাতে বাড়ওতে রাখা মদের  বোতল ভেবে জমিতে ঘাস নিধনের বোতলের ওষুধ খেয়ে ফেলায় তিনি বিষক্রিয়া আক্রান্ত হন । 

রিংকন বড়ুয়া রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ব্রংদং পাড়া ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিলন বড়ুয়ার ছেলে। তিনি চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) শিমুল দাশ বলেন, রিংকন বড়ুয়া বুধবার রাতে বাড়িতে রাখা মদের বোতল ভেবে জমিতে ঘাস নিধনের ওষুধ সেবন করে ফেলেন। কিন্তু তাৎক্ষণিক বুঝতে পেরে মুখ থেকে সেই বিষ ফেলে দিলেও কিছুটা তার পেটে চলে যায়। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজন ও প্রতিবেশিরা তাকে তাৎক্ষণিক নিকটবর্তী চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান মিশন হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিংকন বড়ুয়া মারা যান। 

বিষয়টি নিয়ে চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকের হোসেন বলেন, 'রিংকন বড়ুয়ার মরদেহ চট্টগ্রাম সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। নিজ বাড়িতে নিয়ে এসে ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী দাহক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।

জিয়াউর রহমান জুয়েল/এসএন