নগরীর শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সিলেট মহানগরীতে আজ রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাত ৯টার পর সব বিপণিবিতান ও সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। তবে এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে রেস্তোরাঁ, হোটেল ও ওষুধের দোকান।
গত ১ ডিসেম্বর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত জানান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
ওই সভায় এসএমপি কমিশনার আরও জানান, শহরের যানজট নিরসনে সব মার্কেট ও শপিং মলের জন্য নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের নকশায় পার্কিং স্পেস থাকলেও তা দোকানে রূপান্তর করা হয়েছে, সেগুলো সরিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পার্কিংয়ের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
এর আগে সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে কয়েক দফায় একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে এবারের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন এসএমপি কমিশনার।
এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, ‘মূলত নগরীর শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সিলেট নগরীতে রাত ৯টার পর ট্রাক প্রবেশ করে। তখন সড়ক খালি থাকলে দুর্ঘটনা ও যানজট কম হবে। রাত ৯টার পর সব বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখলে মানুষজন কেনাকাটা ও প্রয়োজনীয় কাজ সেরে রাত ১০টার মধ্যে ঘরে ফিরবেন। এতে সবাই নিরাপদে থাকতে পারবেন। পাশাপাশি যান চলাচলের শৃঙ্খলাও বজায় রাখা যাবে। সিলেটে লোডশেডিংও হয় অনেক, তাই রাত ৯টার পর সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। নগরীর শৃঙ্খলা, যানজট নিরসন ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতেই আমাদের এই উদ্যোগ।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিলেটের বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পার্কিং নেই। অনেকেই আবার পার্কিংয়ের জায়গায় দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। সেজন্য নগরীর যানজট নিরসনে আমাদের বেগ পেতে হয়। এ কারণে সব মার্কেট ও শপিং মলের জন্য নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা পার্কিংয়ের জায়গায় দোকান করেছেন, তাদের সেগুলো সরিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পার্কিং উন্মুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রিফাত/