সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) এবং র্যাব-৯ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৪টি বিস্ফোরক পাওয়ার জেল এবং ১৪টি ইলেকট্রিক ডেটোনেটর উদ্ধার করেছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কানাইঘাট উপজেলাধীন সুরাইঘাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ ধর্মপুর নামক স্থানে থেকে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) এবং র্যাব-৯ এর যৌথ অভিযানে জকিগঞ্জ উপজেলাধীন কাজলসার ইউনিয়নের রায়গঞ্জ এলাকা থেকে ১৫টি পাওয়ার জেল এবং ১৭টি ইলেকট্রিক ডেটোনেটর উদ্ধার করা হয়েছিল।
জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট সেক্টরের অধীনস্থ জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) এর আওতাধীন সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলাধীন সুরাইঘাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় সুরাইঘাট বিওপি হতে একটি বিশেষ টহলদল ও র্যাব-৯ এর সমন্বয়ে রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এলাকায় তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত তল্লাশিতে সীমান্ত পিলার ১৩১৪/এমপি এর নিকট হতে আনুমানিক ৭.৫ কি. মি. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ধর্মপুর নামক স্থানে পলিথিনে মোড়ানো ও গাছের ডালপালা দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় ১৪টি বিস্ফোরক পাওয়ার জেল এবং ১৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (১৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার বলেন, উদ্ধারকৃত ডেটনেটর ব্যবহার করে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইম্প্রভাইস এক্সক্লুসিভ ডিভাইস (IED) প্রস্তুত করার সম্ভব। দেশে বিদ্যমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার প্রয়াসে এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে এ ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্তের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বিধান, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্রের অনুপ্রবেশ রোধ এবং অন্যান্য পণ্যের চোরাচালান রোধে বিজিবি’র গোয়েন্দা তৎপরতা, আভিযানিক কার্যক্রম ও সতর্ক অবস্থানের কারণেই এ ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্যের চোরাচালান প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও বিজিবি’র এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
নাঈম/