ফটিকছড়ির উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা ফটিকছড়ির সমস্যা সম্ভাবনা তুলে ধরলে উন্নয়নে সহায়ক হয়। এতে ফটিকছড়িবাসীরাও উপকৃত হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে ফটিকছড়ি সাংবাদিক পরিষদ-চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
সংগঠনের সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদজামানের সঞ্চালনায় সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর আরও বলেন, ফটিকছড়িকে সিঙ্গাপুর, ইউরোপ বানানোর দরকার নাই, ফটিকছড়িকে আমি আদর্শ এবং মডেল ফটিকছড়িতে রূপ দিতে চাই। যাতে নতুন প্রজন্ম একটি সেরা ফটিকছড়ি পায়।
তিনি বলেন, ফটিকছড়িতে ১৮টি চা বাগান আছে। এটা আমাদের সৌভাগ্য। এ বাগান এবং শ্রমিকদের উন্নয়নে সবরকম কাজ করে যাব। যাতে তারা উন্নত জীবনযাপন করতে পারে। ফটিকছড়িতে উৎপাদিত গ্যাস যাতে ফটিকছড়ির অধিবাসিরা পায় সে ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলি। তাই আমাদের অবশ্যই সেটিকে বিশ্বাস করতে হবে এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই কাজ করতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের রাজনীতিতে বর্তমানে একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। জনগণের সমর্থন ও আস্থার ভিত্তিতে একটি নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এ সরকার গণমুখী একটি সরকার। বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ফটিকছড়ি বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী, ফটিকছড়ি পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোবারক হোসেন কাঞ্চন, বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চৌধুরী, সংগঠনের সহ সভাপতি রাশেদ মাহমুদ ও ইফতেখারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক শেখ মোরশেদ আলম, প্রবীন সাংবাদিক নির্মল চন্দ্র দাশ, বিপুল বড়ুয়া, শতদল বড়ুয়া, সাইফুল আলম সিদ্দিকী, সাইফুল্লাহ চৌধুরী, তুষার দেব, প্রবীর বড়ুয়া, আবদুস সাত্তার, আহসান রিটন, সুমন কুমার দে,শ্যামল নন্দী, অনুজ দেব বাপু প্রমুখ।
আবদুস সাত্তার/এসএন