ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ২৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
তিনি বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ২৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এদিকে, কিছু কিছু কেন্দ্রে অ্যাজেন্টদের বের করে দেওয়া, জাল ভোটের অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান।
তবে, এই অভিযোগকে মিথ্যা ও অসত্য বলর সাফ জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল।
তিনি বলেন, এই আসন বিএনপির আসন। এবার যেহেতু নিরপেক্ষ নির্বাচন হচ্ছে তাই আমি শতভাগ আশাবাদী একটি সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন হবে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও প্রয়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছে।
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া খবরের কাগজকে বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।
জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিম, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।
শাকিল মুরাদ/অমিয়/