ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের গোল করেই ইতিহাস গড়লেন রোনালদো ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না হালান্ড তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার উপদেষ্টা জাহেদের ফেরা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত: জয়সওয়াল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন পর্তুগালের একাদশে ২ পরিবর্তন ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন আদব মানুষকে সম্মানিত করে, আদবহীনতা মর্যাদা নষ্ট করে: ছারছীনার পীর ছাহেব কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত? রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৮ দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, শীর্ষে চীন ও ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ফ্যান্টাসী কিংডম-খবরের কাগজ প্রতিদিনের অনলাইন কুইজ বিজয়ী ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাত দশকের অগ্রগতির দাবি প্রশ্নবিদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি? গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের

লক্ষ্মীপুরে মাদককে কেন্দ্র করে এক বছরে ২০ খুন

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪২ এএম
লক্ষ্মীপুরে মাদককে কেন্দ্র করে এক বছরে ২০ খুন
লক্ষ্মীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস। ইনসেটে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন। ছবি: খবরের কাগজ

লক্ষ্মীপুরে মাদক কারবার ও সেবনকে কেন্দ্র করে গত এক বছরে (গত বছরের এপ্রিল থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত) শিশুসহ ২০ জন খুন হয়েছে। একই সময়ে গুলিবিদ্ধসহ নানাভাবে আহত হয়েছেন ৫০ জন। জেলার এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে মাদক পাওয়া যায় না। বলা যায়, মাদকের ওপর ভাসছে লক্ষ্মীপুর। যতই দিন যাচ্ছে জেলায় মাদকসেবী ও বিক্রেতার সংখ্যা ততই বাড়ছে। আর মাদককে কেন্দ্র করে বাড়ছে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ইভটিজিংসহ নানা ধরনের অপরাধ। মাদকের এই ভয়াবহ বিস্তারের ফলে সচেতন বাবা-মা তাদের সন্তানদের নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। 

লক্ষ্মীপুরের থানা ও ডিবি পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে প্রতিদিনই মাদক উদ্ধার ও কারবারিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে থাকে। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয় না। আইনের নানা ফাঁকফোকর দিয়ে মাদক কারবারিরা বেরিয়ে এসে আবার একই কারবারের জড়িয়ে পড়ে। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গত ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫৪৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ১১৬টি এবং ১২৫ মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে আটক করেছে। অন্যদিকে গত এক বছরে (গত বছরের এপ্রিল থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত) অসংখ্য অভিযান চালায় এবং ২৮৪টি মামলা করে ৩৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। 

তথ্য অনুসন্ধানকালে জানা যায়, জেলায় রাজনৈতিক শেল্টারে মাদক বিক্রি হচ্ছে। মোবাইল ফোনে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ হয়। এরপর বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন হয়ে থাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার গ্রামগুলোয় ফেরি করে, রিকশায়, মোটরসাইকেলে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা ও গাঁজা। এসব সেবনে নেশায় ডুবছে তরুণরা। 

লক্ষ্মীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে মাদকের কারবার নিয়ে জেলায় ২০ জন খুন হয়েছে। তাদের হিসাবমতে, জেলায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ৪২ জন। এদের মধ্যে গডফাদার আটজন। এজেন্ট ১৩ জন আর পাইকারি বিক্রেতা রয়েছে ১৯ জন। এদের বেশির ভাগই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছে। 

অপর একটি সূত্রে জানা যায়, জেলায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গত এক বছরে কমপক্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৫০ জন আহত হন। 

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় একসময় গাঁজা ও ফেনসিডিলের আধিক্য থাকলেও এখন ফেনসিডিল নেই বললেই চলে। সে স্থান দখল করে নিয়েছে ইয়াবা। কক্সবাজার থেকে সড়ক ও নদীপথে আসে ইয়াবা। আর ভারত থেকে কুমিল্লা বর্ডার দিয়ে আসে গাঁজা। লক্ষ্মীপুর পৌঁছাতে এ মাদক কয়েক হাত বদল হয়ে থাকে। 

মাদক কারবারিদের একটি সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে মাদক ভোলা ও চাঁদপুরেও পাচার হয়। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের সড়কপথে কোনো প্রকার তল্লাশি না থাকায় এবং রাত ১০টার পরে সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি না থাকায় মাদক কারবারিরা নিরাপদে মাদক পরিবহন করতে সক্ষম হচ্ছে।

গত জানুয়ারি থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মোট ৫৪৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এতে মোট মামলা হয়েছে ১১৬টি এবং ১২৫ জন মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৪ হাজার ১৩২ পিস ইয়াবা, ১ হাজার ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ২৫ বোতল মদ, ২০ হাজার টাকা, ৯টি মোবাইল, ১টি মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত একটি রিকশা, সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা, পুলিশের লোগোযুক্ত হ্যান্ডকাফ ও ৪টি কার্তুজসহ ১টি দেশীয় পাইপগান।

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ বিভাগ জানান, গত এক বছরে অভিযানে ১৮ হাজার ৩০০ পিস ইয়াবা, ৫ মণ গাঁজাসহ বেশকিছু বিদেশি ও চোরাই মদ উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় ২৮৪টি মামলায় ৩৭৮ জন গ্রেপ্তার হয়েছে।

এদিকে গত ১২ এপ্রিল জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় একাধিক সদস্য মাদকের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থাপন করেন। রাজনৈতিক মদদ আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘ম্যানেজের’ কারণে আশানুরূপ সুফল আসছে না বলেও সভায় অভিযোগ করা হয়।

গত এক বছরের তথ্য বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, ২০ হত্যাকাণ্ডের মধ্যে সম্প্রতি খুন হন রায়পুর কলেজের এক ছাত্র। এ ঘটনার শুরু হয়, রায়পুরের হায়দারগঞ্জ এলাকায়। পুলিশ ওই এলাকার কয়েকজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। এই গ্রেপ্তারে ইনফরমারের ভূমিকা পালন করেছেন ওই কলেজছাত্র, এমন সন্দেহে আসামিরা জামিনে এসে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুরে ঘরের দরজা তালা দিয়ে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দুই সন্তানসহ মাকে হত্যা, রামগতির চরকলাকোপা গ্রামে পুত্রবধূ ও শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা অন্যতম। তা ছাড়া সদর উপজেলার গঙ্গাপুর গ্রামে ছেলের হাতে মা, উত্তর টুমচর গ্রামে ভাইয়ে হাতে ভাই খুন হন। গত বছরের ১৫ নভেম্বর চন্দ্রগঞ্জে মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির নেতা জহিরকে গুলি করে হত্যা এবং উত্তর জয়পুরে মাদকের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গত ১৭ জানুয়ারি ফজলে রাব্বি বাবু বন্ধুদের হাতে খুন হন। এছাড়া মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে তেয়ারীগঞ্জ এলাকায় নিজের কন্যাশিশুকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বাবা।

এছাড়া গত বছরের ১ জুনে মাদক কারবারের দ্বন্দ্বে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুরে আজাদ হোসেন বাবলু নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। ১১ জুন রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী গ্রামে মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধ বাবা আলী দেওয়ানকে কুপিয়ে হত্যা করে তার ছেলে মামুন। ১১ এপ্রিল সদরের পূর্ব চৌপল্লী গ্রামে মাদক কারবারি রুবেল হোসেন নামে একজনকে গুলি করা হয়। গত ৯ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর উত্তর তেমুহনীর নিউ মার্কেটের ছাদে গাঁজা সেবনকালে কলেজছাত্র সিরাজকে নিচে ফেলে দেয় তার তিন বন্ধু। ঢাকায় নেওয়ার পথে সে মারা যায়। স্বামীকে মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় ১৫ মার্চ রাতে পৌরসভার কালু হাজী সড়কের ভাড়া বাসায় ঘুমন্ত স্ত্রী রিনা বেগমের দুই পায়ের রগ কেটে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম ও পাথর দিয়ে হাত-পা থ্যাঁতলে দেয় তার স্বামী আলমগীর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রায়পুর ও সদর উপজেলার তিনজন ইউপি চেয়ারম্যান ও চারজন রাজনৈতিক ব্যক্তি জানান, গ্রামেও এখন রাজনৈতিক মদদে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা বিক্রি হচ্ছে। মোবাইলফোনে বিক্রেতার সঙ্গে চুক্তি করে চলার পথে মাদক হাতবদল হয়। বিকাশেও টাকা লেনদেন হচ্ছে।

রায়পুর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম মিন্টু বলেন, মাদক কারবারিরা রাতারাতি কোটিপতি হয়। এ লোভ অন্যদেরও টানে। মামলার দুর্বলতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে ফের কারবার করছে। এ নিয়ে আমরা লেখালেখি করলেও লাভ নেই।

লক্ষ্মীপুর জেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, মাদকরোধে আইনের শাসন আর রাজনীতিবিদদের অঙ্গীকার প্রয়োজন। এ কারবারর সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের অনেকেই জড়িত থাকার কথা শোনা যায়। মাদক কারবারিরা রাতারাতি কোটিপতি হয়। এ লোভ অন্যদেরও টানে। এ সংকট রুখতে পারিবারিক-সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি নৈতিকতা-মূল্যবোধ জাগ্রত করার তাগিদ দিতে হবে।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন বলেন, লক্ষ্মীপুরে মাদকের ব্যবহার ও বিক্রি আগের চেয়ে তুলনামূলক কিছুটা বেড়েছে। রাজনৈতিক মদদে অনেকে এ কারবার করছেন। তবে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। পাশাপাশি বর্ডার এলাকায় নজরদারি বাড়াতে হবে। সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি মাসেই আমরা স্কুল-কলেজে আলোচনা সভা এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতা করছি। তবেই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লক্ষ্মীপুরে মাদক নির্মূল সম্ভব হবে মনে করছি।

পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন দিলেও মানুষ আদালতে সাক্ষ্য দেয় না। মাদক নির্মূলে পুলিশ আপসহীন। 

ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি
ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের তারাগঞ্জে অবস্থিত ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর জেলার ডিআইজি (উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক) আমিনুল ইসলাম। 

ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউএসএ প্রবাসী মোঃ হাসানুজ্জামান হাসান এর নেতৃত্বে, সিইও ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস্ লিমিটেড এমএম খালিদ আহসান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ঘনিরামপুর গ্রামে অবস্থিত ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড পরিদর্শন করেন রংপুর জেলার বর্তমান ডিআইজি (উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক) আমিনুল ইসলাম। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক,নীলফামারী জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খান,তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন প্রমুখ।

পরিচালিত ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড মূলত একটি ১০০% রপ্তানিমুখী অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের জুতা তৈরি ও প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। এটি উত্তরবঙ্গের এবং বিশেষ করে তারাগঞ্জ এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র ও বেকারত্ব দূরীকরণে বড় ভূমিকা রাখছে।

এসএন/

বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম
দিনাজপুরের পাথরখনি। ছবি: খবরের কাগজ

বিস্ফোরক সংকটের কারণে প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথরখনি দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (এমজিএমসিএল) পাথর উত্তোলন কার্যক্রম। 

গত ১৯ মে থেকে খনিতে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি উৎপাদন কার্যক্রম।

খনি সূত্রে জানা গেছে, ভূগর্ভস্থ খনিতে পাথর উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত প্রধান বিস্ফোরক অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সরবরাহ না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। 

খনি কর্তৃপক্ষ প্রথমে ১৫ দিনের মধ্যে কার্যক্রম পুনরায় চালুর আশ্বাস দিলেও বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশ থেকে বিস্ফোরকবাহী জাহাজ আসতে বিলম্ব হওয়ায় আমদানি ও পরিবহন প্রক্রিয়াও দীর্ঘায়িত হয়েছে।

এর আগে ২০২২ ও ২০২৫ সালেও বিস্ফোরক সংকটের কারণে মধ্যপাড়া পাথরখনিতে উত্তোলন বন্ধ ছিল। এ ছাড়া ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে দুই মাস এবং ২০১৮ সালে সাত দিন পাথর উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকার নজির রয়েছে।

মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট একটি বিশেষায়িত পণ্য হওয়ায় বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের কারণে জাহাজ পেতে বিলম্ব হয়েছে। তবে বিস্ফোরকবাহী চালান ইতোমধ্যে সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আশা করছি, জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেই পাথর উত্তোলন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও জানান, মোট ৩০০ মেট্রিক টন বিস্ফোরকের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ৮৮ মেট্রিক টন সরবরাহ পাওয়া যাবে, যা দিয়ে দুই থেকে আড়াই মাস উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি চালানও দেশে পৌঁছাবে।

এদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকায় পাথরের সরবরাহেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে খনিতে মজুত থাকা পাথর বিক্রি কার্যক্রম সীমিত আকারে অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৫ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথরখনি মধ্যপাড়া। বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসির সঙ্গে চুক্তির আওতায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন করা হয়। খনিতে তিন শিফটে প্রায় ৮০০ শ্রমিক কাজ করেন। তবে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকলেও খনির রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চালু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সুলতান মাহমুদ/নাঈম

আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম
আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই
কৃষক কবির হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নিয়ে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কবির হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

কবির হোসেন চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন মহলে তাকে ‘ভুয়া কৃষক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে নানা ধরনের প্রচারণা চালায়, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তদন্ত করে। তদন্তে কবির হোসেনকে একজন প্রকৃত কৃষক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং নিজ জমিসহ বিভিন্ন কৃষি কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন। তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে তার কৃষক পরিচয়ের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ঘিরে বিতর্কের অবসান ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, কবির হোসেন ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সাদাসিধে একজন মানুষ। কৃষিকাজের পাশাপাশি তিনি এলাকার মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হওয়ার পরও তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন অব্যাহত রেখেছিলেন।
তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। কবির হোসেনের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

জুয়েল/নাঈম

ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট
সোনারগাঁওয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আসবাবপত্র তছনছ। ইনসেটে উদ্ধার আইডি কার্ড। ছবি : খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আসবাবপত্র তছনছ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী গ্রামের রিয়াদ কবিরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী বাদি হয়ে মঙ্গলবার সকালে সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী গ্রামের ইকবাল কবিরের ছেলে রিয়াদ কবিরের বাড়িতে একই এলাকার পিয়ার হোসেন,  মাসুম, শফিকুল ইসলাম, আল-আমিন (৪৮), লিটন হোসেন, ফর্মা হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন নিয়ে হামলা করে। 

এসময় নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী রিয়াদ কবিরকে মারধর করে। এক পর্যায়ে বাড়ীতে মাদক রয়েছে বলে আমার ঘরবাড়ির আসবাবপত্র তল্লাশি করে। আসবাবপত্র তছনছ করে নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায়। পরে মামলা ও গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।

হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময়  তাদের একটি আইডি কার্ড ফেলে যায়। আইডি কার্ডে অজয় কুমার জয়, পদবী-সেপয়, ডিপার্টমেন্ট অফ নারকোটিক্স কন্ট্রোল বাংলাদেশ, আইডি নং- ৪৯১৩২৫, জাতীয় পরিচয় পত্র নং- ৪২১৮৯৫৩৪৮৯ পাওয়া যায়।

ফেলে যাওয়া আইডি কার্ড ফেরত দেওয়ার জন্য শরীফ হোসেন নামের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক সিপাহি পরিচয়ে আইডি কার্ড ফেরত দেওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে।

এ বিষয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাহি শরীফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আইডি কার্ড ফেরতের জন্য কাউকে ফোন দেননি বলে দাবি করেন। তবে অভিযানের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। 

ব্যবসায়ী রিয়াদ কবির জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে এলাকার একটি চক্র পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে তার পরিবারকে হয়রানি করার জন্য বাড়িতে হামলা করে। মাদক উদ্ধারের নামে আসবাবপত্র তছনছ করে। হামলাকারীরা নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায়। ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

অভিযুক্ত পিয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় বলে দাবি করেন। তিনি জানান, তিনদিন ধরে ওই এলাকায় তিনি যান না। কেউ তাকে দেখছেন প্রমাণ দিতে পারবে না। তবে শুনেছি প্রশাসনের লোকজনকে রিয়াদ ও তার পরিবারের লোকজন মারধর করেছে। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। ডিবি পুলিশের নাম ব্যবহার করে হয়রানি মারাক্তক অপরাধ। আসল ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এসএন/

মো: ইমরান হোসেন/এসএন

দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
ছবি: খবরের কাগজ

কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৩ কোটি ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪৬৮ টাকা ২৩ পয়সা প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন। 

একই সাথে অর্থবছরের রাজস্ব আয় ১৬ কোটি ৫৮ লক্ষ ২১ হাজার ২০২ টাকা ৫১ পয়সা, রাজস্ব ব্যয়: ১৩ কোটি ২০ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, উদ্বৃত্ত ৩ কোটি ৩৭ লক্ষ ৯১ হাজার ২০২ টাকা ৫১ পয়সা। আর উন্নয়ন খাতে মোট উন্নয়ন আয় ২৬ কোটি ৫১ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকা ৭২ পয়সা। মোট উন্নয়ন ব্যয় ২৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা। উদ্বৃত্ত ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকা ৭২ পয়সা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই উন্মুক্ত বাজেট উপস্থাপন করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম।

উন্মুক্ত বাজেটে উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে সর্বোচ্চ ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এবারের বাজেটে নতুন কোনো কর আরোপ করা হয়নি।

বাজেট ঘোষণাকালে পৌর প্রশাসক রেদওয়ান ইসলাম  বলেন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাস্তাঘাট, ড্রেন, সড়কবাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর উন্নয়নে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের নতুন কর চাপানো হয়নি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সহকারী প্রকৌশলী এইচ. এম. কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জেবিন সুলতানা, হিসাব রক্ষক মো. শাহাদাত হোসেন, কার্য সহকারী মোহাম্মদ আব্দুল আহাদসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।

লিটন সরকার বাদল/এসএন