ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক গানে আর ফিরবেন না রিংকু ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং শত্রু-মিত্র খেলা এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব শেরপুরে প্রাইভেটকারে মদ, কারবারি আটক টেকনাফে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, দুই এসআইসহ আহত ৪ নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন মজুরি বাড়াতে দৌলতপুরে বিড়ি শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু রোগীর বেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, রামুতে তিন নারী আটক ৬ নবজাতকের প্রত্যেক পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ এমপির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব কিছু মানুষের কারণে কেন অপমানিত হবে ১৮ কোটি বাংলাদেশি? ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়ার রিটে যা নির্দেশ দিল হাইকোর্ট মনোযোগ বাড়াতে চাইলে কী খেতে হবে রাঙামাটিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পটুয়াখালীর পৌর পার্ক এলাকা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু এবি ব্যাংকের এআই-চালিত ডিজিটাল লোনসেবা ‘এবি ই- লোন’ এর উদ্বোধন বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মঞ্জু মোল্লা গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামে নদীগর্ভে বিলীন শতাধিক বাড়ি সবার সক্রিয় ভূমিকায় রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত হয়েছে: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
Nagad desktop

সিলেটের সুরমায় জলতল ঠেকাতে জলকপাট

প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ১০:৫৪ এএম
সিলেটের সুরমায় জলতল ঠেকাতে জলকপাট
জলজ উদ্ভিদে পানিপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটছে সুরমা নদীর খালে। দুই পাড় লতাপাতা ও বুনোগাছে ভরে আছে। ছবিটি সিলেট নগরীর সুরমা নদীর সংযোগস্থল এলাকা থেকে তোলা।

সিলেট নগরীকে আগাম বন্যা ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করতে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে সুরমা নদীর সংযোগস্থলে জলকপাট বা স্লুইস গেট নির্মাণ, পাড় উঁচু করা ও পাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে আগামীকাল ২ মে সিলেট সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে প্রত্যাশা নগরবাসীর।
 
একদিকে নদী, আরেকদিকে টিলার বেষ্টনী। এমন ভৌগোলিক কাঠামোর সিলেট নগরীর ভেতরে রয়েছে ১৩টি প্রাকৃতিক ছড়া (প্রাকৃতিক নালা, খালের মতো)। ছড়াগুলো গিয়ে মিলিত হয়েছে সুরমা নদীতে। বর্ষাকালে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং অতিবৃষ্টি হলে এই ছড়াগুলো দিয়ে পানি সিলেট নগরীতে প্রবেশ করে। যার ফলে সিলেটের বেশকিছু আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ও আগাম বন্যা দেখা দেয়। ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের বন্যার অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একাধিক সভা ও সেমিনার হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রখ্যাত পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতও সিলেট পরিদর্শন করেন।
 
সিসিকের প্রকৌশল শাখা সূত্রে জানা যায়, বন্যা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট প্রস্তাব করা হয়েছে সরকারের কাছে। এখনো এটি আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পায়নি। তবে বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে সরকার প্রজেক্টটি গ্রহণ করেছে। প্রকল্পটির কাজ করাতে সরকার প্রথম ধাপে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেবে।
 
জানা গেছে, প্রকল্পটিতে স্লুইস গেট প্রস্তাবনা আছে তিনটি। একটি নগরীর কাজীরবাজার এলাকায় বৈঠাখাল, ছড়ার পাড় এলাকার গোয়ালীছড়া ও বোরহানউদ্দিন এলাকার হলদিছড়া। স্লুইস গেটগুলোর পাশে পাম্প বসানো হবে। নদীর পানি শহরে প্রবেশ না করার জন্য স্লুইস গেট বন্ধ রাখা হবে। আবার বৃষ্টির পানিতে ছড়া ভরে গেলে সেই পানি নিষ্কাশনের জন্য পাম্প দেওয়া হবে। এ ছাড়া সিলেট তামাবিল বাইপাস রোডের শাহপরান ব্রিজ থেকে বাধাঘাট ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৭ কিলোমিটার নদীর দুই পাড় উঁচু করা হবে। যেখানে পাড় উঁচু করার জায়গা নেই, সেখানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ দেয়াল নির্মাণ করা হবে। 
 
সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর বলেন, ‘বন্যা নিয়ন্ত্রণ করতেই এই প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে এটি গ্রহণ করেছে। শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন আসবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রকল্পটির কাজ বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে করতে হবে। সরকার এটা ডোনারের মাধ্যমে করবে।’
   
সিসিক প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, সিলেটে বন্যা নিয়ন্ত্রণে সুরমা নদী খনন প্রয়োজন। এ বিষয়টি প্রকল্পে নেই। এ ক্ষেত্রে তাদের মত, বন্যা নিয়ন্ত্রণ করার একটা প্রক্রিয়া হলো খনন করে নদীর গভীরতা বাড়িয়ে দেওয়া। সুরমা নদীর খনন প্রয়োজন। কিন্তু হঠাৎ করে নদীর মাঝখানে খনন করে কোনো লাভ নেই। খনন করতে হলে একটি প্রক্রিয়ায় করতে হবে। সুরমা নদী খনন করতে হলে বাংলাদেশের যে অংশ আছে, অমলশিদ, সেখান থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে একটি লেভেল মেইনটেইন করা দরকার। খননের বালু-মাটি কোথায় রাখা হবে তা নিয়েও ভাবতে হবে। সঠিকভাবে রাখতে না পারলে সেই বালু-মাটি আবার নদীতে আসবে। তাই সুরমা নদী খনন করতে অনেক বিষয় বিবেচনা করার আছে। 
 
এ প্রসঙ্গে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী বলেন, ‘সুরমা নদী খনন করতে গেলে জাতীয়ভাবে অনেক বড় পরিকল্পনা নিতে হবে। নদী খননের সঙ্গে বেশকিছু বিষয় সংশ্লিষ্ট আছে। খনন করার পর দুই পাড়ের অবস্থা কী হবে, আরও ভাঙন বাড়বে কি না, সেটা বুঝতে হবে। অনেক টেকনিক্যাল বিষয় আছে। আরও বিশেষজ্ঞ মতামত দরকার আছে। কিন্তু এটা অনেক সময়সাপেক্ষ ও বিশাল কর্মযজ্ঞের ব্যাপার। স্বল্প সময়ে এটা করা যাবে না। আবার একবার বন্যা হলেই কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়ে যায় আমাদের। তাই সিলেট নগরীকে বন্যা থেকে রক্ষা করতে খনন প্রক্রিয়ায় না গিয়ে এই প্রজেক্ট গ্রহণ করা হয়েছে।’

কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আশাদুল (৩২) নামের এক যুবককে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত আশাদুল ও ভুক্তভোগী শিশু উভয়ই বর্তমানে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে চরমিলপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আশাদুল ওই এলাকার ফজলু সর্দারের ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি (১০) অভিযুক্ত আসাদুলের প্রতিবেশীর মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে খাবারের প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয় একটি স্কুলের ভেতরে শিশুটিকে নিয়ে যায় আশাদুল। সেখানে তার ওপর পাশবিক নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আশাদুলকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন শিশুটির পাশে বসে তার মা বলেন, আমি কোন বিচার চাই না। আমার মেয়ের যে এই অবস্থা করেছে তাকে আমরা নিজের হাতে শাস্তি দিতে চাই । ওই লম্পটকে আমাদের হাতে ছেড়ে দেন। আমরা ওর বিচার করবো। আমাদের যে ক্ষতি করে দিলো তার জন্য আমরা দিনের পর দিন থানা কোট কাচারীতে যেতে পারবো না। ওকে আমাদের হাতে ছেড়ে দিন । 

ভুক্তভুগী শিশুটির নানা বলেন, ওরা মাদক ব্যাবসায়ী। এলাকায় অনেক অপকর্ম করে বেড়ায় । কেউ কিছু বলতে সাহস পায়না। ওদের অবৈধ টাকার জোর আছে সেই টাকা দিয়ে পার পেয়ে যাবে । তাই তাকে পুলিশে না দিয়ে আমাদের হাতে ছেড়ে দিলে আমরা বিচার করব । নইলে বিচার পাবো না। এদেশে বিচার নেই।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, ‘শিশুটিকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ডাক্তারী পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর জানান, ‘ঘটনার খবর পেয়েই উভয়কে চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এসএন/

নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালীর মাইজদীতে বিষাক্ত জেলি মিশ্রিত সাড়ে তিন মণ চিংড়ি ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় দুই ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে পৌর বাজারে এ অভিযান চালান সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনেওয়াজ তানভীর।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভোক্তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মাছ বাজারে অভিযান চালিয়ে পৌর বাজারের মাছ ব্যবসায়ী ইসমাইল ও বাহারের কাছ থেকে ১৪২ কেজি (সাড়ে তিন মণ) জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। এ সময় ওই দুইজনকে একলাখ টাকা জরিমানা করা হয়। 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনেওয়াজ তানভীর বলেন, ‘অসাধু ব্যবসায়ীরা মাছের ওজন বাড়াতে বিষাক্ত জেলি ব্যবহার করে। অভিযানে হাতেনাতে প্রমাণ পেয়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও তাদের কাছ থেকে জব্দ করা মাছ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।’

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে প্রশাসনের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘খাদ্যে ভেজাল বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এটি জনস্বার্থে অব্যাহত থাকবে।’

অভিযানে সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মানস মণ্ডল, পৌর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম মুক্তা এবং আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

মজনু/রিফাত/ 

এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব
ছবি: খবরের কাগজ

কোদালের কোপে উড়ছে মাটি, বস্তায় বস্তায় ভরে যাচ্ছে গর্ত-এ যেন শুধু মাঠ ভরাট নয়, এ এক সম্প্রীতির উৎসব।

রবিবার (৭ জুন) সকালে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নজুরুপাড়ার চার সমাজের একমাত্র ঈদগাহ ও জানাজার মাঠ ভরাটে স্বেচ্ছাশ্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঝাঁপিয়ে পড়লেন দুই শতাধিক মানুষ।

দরগাহ টিলা কবরস্থান সংলগ্ন এই ঈদগাহ ও জানাজার মাঠকে ঘিরে দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হলো।

ভোরের আলো ফুটতেই এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে যুবক-তরুণ, নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামলেন কাজে। কেউ কোদাল দিয়ে মাটি কাটছেন, কেউ বস্তায় ভরে মাঠ সমান করছেন- সবার মুখে হাসি, সবার মনে এক লক্ষ্য।

প্রবাসী ও এলাকার বিত্তশালীরাও পিছিয়ে থাকেননি। অর্থ ও উপকরণ দিয়ে তারা কাজটিকে আরও গতি দিয়েছেন।

এলাকার বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা শামসুল আলম বলেন, আজ এলাকাবাসীদের উদ্যোগে আমাদের এই ঈদগাহ ও জানাজার মাঠ ভরাট করেছি। আমরা মাটি ভরাট করে সমান করেছি।

তিনি আরও জানান, ঈদগাহের রাস্তা সংস্কার ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নে হুমাম কাদের চৌধুরীর পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে।

চার সমাজের একমাত্র ধর্মীয় স্থানটি দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে ছিল। আজকের এই গণমানুষের উদ্যোগ প্রমাণ করল-সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করা সম্ভব। এলাকাবাসীর এই ঐক্য ও উদ্যম নজুরুপাড়ার উজ্জ্বল ভবিষ্যতেরই বার্তা বহন করে।

মুহাম্মদ তৈয়্যবুল ইসলাম/এসএন

শেরপুরে প্রাইভেটকারে মদ, কারবারি আটক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম
শেরপুরে প্রাইভেটকারে মদ, কারবারি আটক
ছবি: সংগৃহীত

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ১৯২ বোতল ভারতীয় মদসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে নালিতাবাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আফসান-আল-আলম এসব তথ্য জানান। এর আগে, একইদিন ভোরে উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের দাওধারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মদ জব্দ ও কারবারিকে আটক করা হয়।

আটক কারবারি সালমান মিয়া (৩০) উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের বড়ডুবি গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকারে করে ভারতীয় মদ পাচার করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার দাওধারা এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকারের গতিরোধ করা হয়। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ১৯২ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। একইসাথে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করার পাশাপাশি চালক কারবারি সালমানকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) আফসান-আল-আলম বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শাকিল মুরাদ/এসএন

টেকনাফে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, দুই এসআইসহ আহত ৪

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
টেকনাফে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, দুই এসআইসহ আহত ৪
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফে ডিউটিরত পুলিশ সদস্য ও একটি মামলার গ্রেপ্তার আসামিকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে দ্রুতগতির একটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে দুই উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে চালক-হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৭ জুন) ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নোয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. রুমান মিয়া (৪১), মাঈন উদ্দিন (৩৫) ও মো. রাকিব (২৩)। তারা যথাক্রমে নোয়াখালী, রংপুর ও নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার আসামি মো. মেহেদীকে গ্রেপ্তারের পর অপর আসামি এবং অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধারের লক্ষ্যে এসআই (নি.) জাফর আলম, এসআই (নি.) মোরশেদ আলম, এএসআই শাহ আলম, এএসআই আলাউদ্দিনসহ পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান শেষে গ্রেপ্তার আসামিকে নিয়ে সিএনজিযোগে হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকা থেকে হোয়াইক্যংয়ের তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় যাওয়ার পথে নোয়াপাড়ায় পৌঁছালে কক্সবাজার থেকে টেকনাফগামী একটি দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যান সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

দুর্ঘটনায় এসআই জাফর আলম, মামলার ভিকটিমের ভাই আলতাফ মোহাম্মদ খালেক এবং গ্রেপ্তার আসামি মো. মেহেদী গুরুতর আহত হন। এছাড়া এসআই মোরশেদ আলম ও সিএনজিচালক মো. তৈয়ব আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা ও পুলিশের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া ব্রিজ এলাকা থেকে দুর্ঘটনায় জড়িত কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো-উ-১১-৭৯৭৬) আটক করে। এ সময় চালক ও হেলপারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

শাহীন/রিফাত/