ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ডিফেন্ডার পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দশমিকের হিসাবে আটকে আছে তামাক কর, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার দক্ষিণ এশীয় শিশু সুরক্ষা সম্মেলনে যোগ দিতে কলম্বো পৌঁছেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেনা মোতায়েন সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে পরিবর্তন মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলায় প্রধান শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৮ গাজীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৩৪ নেতাকর্মী আটক সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে আসল র‍্যাবের হাতে নকল র‍্যাব সদস্য গ্রেপ্তার সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত সুরে সুরে শেষ হলো বিশ্ব সংগীত দিবসের বর্ণিল আয়োজন টাইব্রেকারে জামালপুরকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মাগুরা প্রকৃত মুমিন নিজেকে কীভাবে সামলে নেয়? সহিংসতা এড়াতে গোপালগঞ্জেও পৌঁছেছে সেনাবাহিনী ‘মসজিদ-মাদরাসায় রাজনৈতিক সভা ও জামায়াত রাজনীতি নিষিদ্ধে সংসদে আইন পাসের দাবি’ রাম মূর্তি নির্মাণ ও হিন্দুত্ববাদী তৎপরতার প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিক্ষোভ মিছিল নাশকতা ঠেকাতে গাজীপুরেও সেনা মোতায়েনের নির্দেশ চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন ফরিদপুরে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সেনাবাহিনী মোতায়েন শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে মাত্র ৫ দিনে মিলল প্রায় ১৮ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ঈশ্বরদীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা আলিয়ার শুটিংয়ে একজনের মৃত্যু ফুলবাড়ীতে বাংলা মদের কারখানায় পুলিশের অভিযান সমুদ্রে জ্বালানিসম্পদ নিশ্চিত, উত্তোলনে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: নৌপরিবহনমন্ত্রী আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ ডিভোর্স হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে নয়: এমপি সিরাজ জেন্ডার বাজেট বাড়লেও নারীর নিরাপত্তা-ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রশ্ন অধিকারকর্মীদের

বগুড়ায় মামলাবাজ পুলিশ ও তার পরিবার

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
বগুড়ায় মামলাবাজ পুলিশ ও তার পরিবার
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ছোট একটি গ্রাম আনারপুর দহপাড়া। এই গ্রামের এক পুলিশ সদস্য ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব ও প্রভাব বিস্তারের ঘটনায় গ্রামবাসীকে একের পর এক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব মামলায় শিশু থেকে শুরু করে গ্রামের নারী-পুরুষ সবার জীবন এখন দুর্বিষহ। 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, অন্তত ২৫ বছর আগে থেকে পুলিশ সদস্য মোস্তাফা কামাল ও তার পরিবারের সঙ্গে গ্রামবাসীর বিরোধ শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে সেই বিরোধ ভয়াবহ রূপ নেয়। গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে গুম, ধর্ষণ, মাদক ও অ্যাসিড নিক্ষেপের মতো গুরুতর অভিযোগে একের পর এক মামলা হতে থাকে। এসব মামলায় আসামির তালিকায় আছে ১২ বছর বয়সি শিশু মো. রাশেদ থেকে শুরু করে প্রায় শতবর্ষী মো. দিলবর হোসেনসহ শতাধিক মানুষ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কয়েক বছর আগে জনরোষের মুখে মোস্তাফা কামাল ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও মামলা ও হয়রানি এখনো বন্ধ হয়নি। দূর থেকেই তারা বিভিন্ন মামলার মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে তদবির ও চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছেন।
২০২২ সালের ৫ জুন গভীর রাতে আনারপুর গ্রামের ৭৫ বছর বয়সি ঘুর্নি খাতুন নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় মোস্তাফা কামালের স্ত্রী উম্মে হাবিবা শিশু মো. রাশেদ ও বৃদ্ধ মো. দিলবর হোসেনসহ ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্তে চার্জশিট নিয়ে আপত্তি ওঠায় মামলাটির তদন্তভার পায় সিআইডি।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. মোতাহার হোসেন জানান, প্রায় সাড়ে তিন বছর পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ ঘুর্নি খাতুনের কোনো সন্ধান মেলেনি। যদিও এলাকাবাসীর অভিযোগ, মোস্তাফা কামাল তার আত্মীয় মো. মুকুল মিয়া ও স্বজনদের সহায়তায় ঘুর্নি খাতুনকে তার ছেলের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছেন। 

মুকুল মিয়ার স্ত্রী সুবর্ণা খাতুন মোবাইলে জানান, ঘুর্নি খাতুনকে রাতের আঁধারে মুকুল মিয়া ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি এলাকায় ঘুর্নি খাতুনের ছেলে সোলায়মানের বাড়িতে রেখে এসেছিলেন। এ তথ্য তিনি তদন্ত কর্মকর্তাদের দিয়েছেন বলে দাবি করেন।

সুবর্ণা খাতুন আরও বলেন, ‘মোস্তাফা কামালের মা মোনেজা খাতুন আমাকে প্রতিবেশী বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলা দিতে বলেন। আমি রাজি না হওয়ায় এখন আমার পরিবারের সবাই মামলা-হামলার আতঙ্কে আছি।’ প্রতিবেশীদের দাবি, মুকুল মিয়াও সিআইডির কাছে বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে বেল্লাল হোসেন জানান, তার পরিবারসহ ৫৫ জনের বিরুদ্ধে গুমসহ পাঁচটি মামলা দিয়েছেন মোস্তাফা কামাল ও তার পরিবার। একবার র‌্যাব সদস্যরা তার স্ত্রী বিলকিস বেগমকে মাদক ব্যবসার অভিযোগে আটক করলেও পরে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে তাকে বাড়িতে রেখে যায়। বিলকিস বেগমের অভিযোগ, আটকের সময় তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

এর আগে ঘুর্নি খাতুনের মেয়ে মোনেজাকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী মো. বাদশা প্রামাণিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি প্রায় ২৪ বছর কারাভোগ করেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার সময় ঘুর্নি খাতুনের বাড়িতে মোস্তাফা কামাল ও তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, মামলাগুলোর আসামিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সি প্রায় শতবর্ষী মো. দিলবর প্রামাণিক এবং সবচেয়ে কম ১২ বছর বয়সি শিশু মো. রাশেদের নাম আছে। নারী আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিলকিস বেগম, শাপলা খাতুন, সারমিন খাতুন, রাশেদা খাতুন, মিনি বেগম ও মর্জিনা খাতুন।

নিখোঁজ ঘুর্নি খাতুনের মামলার আসামি শাপলা খাতুন বলেন, ‘প্রসবের চার দিন পর থেকেই শিশুটিকে নিয়ে আমাকে আদালতে যেতে হতো। একপর্যায়ে আমার ছেলে আলী আকবর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।’

এদিকে ঘুর্নির মেয়ে মোনেজা খাতুন প্রায় এক বছর আগে তার স্বামী বুলু মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলা করেন। ওই মামলায় বুলু কিছুদিন কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

আনারপুর গ্রামের বাসিন্দারা বলছেন, গত ২৫ বছরে এই পরিবারের করা মামলায় বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে। বিশেষ করে গত তিন বছরে নতুন করে অন্তত ছয়টি মামলা হওয়ায় গ্রামজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার মো. আব্দুস ছালাম। ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার সাঁথিয়ায় ১৫ বছর বয়সী এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে জাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মো. আব্দুস ছালাম (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে তাকে পাবনা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার, আব্দুস ছালাম উপজেলার ধোপাদাহ ইউনিয়নের হলুদঘর গ্রামের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন ওই কিশোরীর মা ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ঢাকায় যান। বাড়িতে কিশোরীটি একাই ছিল। এ সুযোগে প্রতিবেশী আব্দুস ছালাম গত ১৭ জুন বিকেল চারটার দিকে কিশোরীকে জাম খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য তিনি মেয়েটিকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

গত ১৯ জুন বিকেলে ভুক্তভোগীর মা ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরলে, ২০ জুন (শনিবার) বিকেলে কিশোরীটি তার মায়ের কাছে কান্নাকাটি করে ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আপোশ-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। অবশেষে ভুক্তভোগী পরিবার নিরুপায় হয়ে ২১ জুন সাঁথিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ এজাহারটি আমলে নিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯ (১) ধারায় একটি মামলা করে।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মামলাটি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত আসামি আব্দুস
ছালামকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুয়েল/নাঈম

রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
মো. আইয়ুব। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত মো. আইয়ুবকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৭।

রবিবার (২১ জুন) ভোরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দুর্গম দুরছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. আইয়ুব দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭ এর একটি দল ভোর ৬টার দিকে দুরছড়ি এলাকায় তার ভগ্নিপতি শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয়রা জানান, ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং অভিযান শেষে আইয়ুবকে হেফাজতে নেয়। অভিযান শেষে র‌্যাব সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যায়।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দীন মজুমদার বলেন, র‌্যাবের একটি বিশেষ টিম বাঘাইছড়িতে অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার আসামি আইয়ুবকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম নিয়ে গেছে। সেখানে মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জিয়াউর রহমান জুয়েল/অন্তরা/

গোয়ালন্দে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিল মাদক ব্যাবসায়ীরা

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১০:৫৭ এএম
গোয়ালন্দে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিল মাদক ব্যাবসায়ীরা
ছবি: খবরের কাগজ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকালে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আটক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয় মাদক ব্যাবসায়ীরা।

হামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে দৌলতদিয়া পুড়াভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে দৌলতদিয়া এশিয়া বোর্ডিং এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় গাঁজাসহ আশীষ চন্দ্র শীল (২৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আশীষ চন্দ্র শীলকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।

একই অভিযানে দৌলতদিয়া পুড়াভিটার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বেবীর ছেলে ফয়সাল (২৪) কে মাদকসহ আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।

পরে তাকে হ্যান্ডকাফ পরানো হলে মাদক ব্যবসায়ীরা অভিযানকারী দলের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তারা হ্যান্ডকাফসহ আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খান বলেন, “অভিযানে দুইজনকে মাদকসহ আটক করা হয়। একজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। অপর আসামি ফয়সালকে মাদক ও নগদ টাকাসহ আটক করা হয়েছিল। তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর পর পুড়াভিটার সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীরা হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।”

রাজবাড়ী মাদক দ্রব‌্য নিয়ন্ত্রণ অ‌ধিদপ্ত‌রের উপপ‌রিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ জানান, ছি‌নি‌য়ে নি‌য়ে যাওয়া আসামি ফয়সাল‌কে এখ‌নো গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সুমন বিশ্বাস/তামান্না রুপা/

মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
মোহনগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার আত্মসমর্পণ
ধর্ষণ মামলার পর থানায় আত্মসমর্পন করেন পলাতক আসামি ও বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মহন তালুকদার

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে ১০ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. মহন তালুকদার।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত পৌনে ১টার দিকে মোহনগঞ্জ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আত্মসমর্পণ করেছেন।’

মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত মহন তালুকদার গা ঢাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি পোস্ট করেন মহন। পুলিশ এতদিন তাকে গ্রেপ্তার করেনি। ধর্ষণের অভিযোগের পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন আত্মসমর্পণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, শিশুটির বাবা জীবিকার তাগিদে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিনমজুরের কাজ করেন। মা স্থানীয়ভাবে বাসাবাড়িতে কাজ করে তিন মেয়েকে নিয়ে সংসার চালান। এরকম অবস্থায় গত বছরের ৯ ডিসেম্বর দুপুরে শিশুটির মা কাজের জন্য বাইরে গেলে ঘরে শিশুটি ও তার দুই ছোট বোন ছিল। এ সময় প্রতিবেশী মহন তালুকদার ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে শিশুটি ঘটনাটি দীর্ঘদিন গোপন রাখে।

ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, আসামি মহন তালুকদারকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।

তামান্না রুপা/

ধানমন্ডিতে শিশু গৃহপরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৯:১০ এএম
ধানমন্ডিতে শিশু গৃহপরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু
ছবি: প্রতীকী

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় রিক্তা আক্তার (১১) নামে এক গৃহপরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৬টার দিকে ধানমন্ডির ৯/এ, রোডের ৩৭ নম্বর ভবনের ছাদ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। রিক্তা আক্তার কিশোরগঞ্জ জেলার শাহিনের মেয়ে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল (১৯ জুন) সকালে রিক্তা ধানমন্ডির ৯/এ, রোডের ৩৭ নম্বর ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা স্পেশালাইজড অ্যান্ড কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায়। 

ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌসী জানান, আশপাশের লোকজন জানিয়েছে, ভবনের ছাদে থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। শিশুটির মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।