বিড়াল আমরা সবাই ভালোবাসি। কেউ কেউ বাসায় বিড়াল পুষিও। চলো আজ সেই বিড়াল সম্পর্কে কিছু মজার তথ্য জেনে নিই।
প্রায় ৯ হাজার বছর আগে প্রাচ্যের কৃষকরা সর্বপ্রথম বন্য বিড়ালকে পোষ মানাতে সক্ষম হন। তারই কয়েক শ বছর পর মিসর ছাড়িয়ে সমুদ্রের পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোয় বিড়াল ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে শুধু অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ ব্যতীত সর্বত্রই বিড়াল দেখা যায়।
মানুষের শরীরে ২০৬টি হাড় আছে। বিড়ালের শরীরে কয়টি হাড় আছে জানো? ২৩০ থেকে ২৫০টি। যে বিড়ালের লেজ যত বড়, তার শরীরে হাড়ও তত বেশি।
বিড়ালের দাঁত ৩০টি। তবে বিড়াল ছানার দাঁত একটু কম, ২৬টি।
বিড়াল ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার বেগে দৌড়াতে পারে।
বিড়াল যেকোনো জিনিসের ঘ্রাণ নেয় তার মুখ দিয়ে। তারা যখন কোনো কিছু শুঁকে, তখন তাদের মুখ কিছুটা খুলে যায়, নাক কিছুটা কুঁচকে যায় এবং ওপরের ঠোঁট পিছিয়ে আসে। এই পদ্ধতিটিকে বলা হয় ফ্লেমেন রেসপন্স।
বিড়াল দিনে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা ঘুমায়। বিড়াল কিন্তু ঘুমের মধ্যে আমাদের মতো স্বপ্নও দেখে।
সবচেয়ে লম্বা বিড়ালটির দৈর্ঘ্য ছিল সাড়ে ৪৮ ইঞ্চি। ওর নাম ছিল মাইমেন্স স্টুয়ার্ট গিলিগান। ২০১৩ সালে সে মারা যায়।
১৯৬৩ সালের ১৮ অক্টোবর ফেলিসেট নামের একটি বিড়ালকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল।
প্রাচীন মিসরে কারও পোষা বিড়াল মারা গেলে পরিবারের সদস্যরা ভ্রু কামিয়ে ফেলত।
একমাত্র বিড়ালই সমুদ্রের লবণাক্ত পানি খেতে পারে। তারা লবণ ফিল্টার করে শুধু পানিটা খেয়ে নেয়।
বিড়াল কখনোই মিষ্টি জিনিসের স্বাদ গ্রহণ করতে পারে না। কারণ, তাদের টেস্ট রিসেপ্টারে মিউটেশন করার ফলে মিষ্টি খেলে তারা বুঝতে পারে না।
বিড়াল অন্ধকারেও দেখতে পারে। মানুষ যে আলোতে দেখতে পায়, তার ৬ ভাগের ১ ভাগ আলোতেও বিড়ালের দেখতে অসুবিধা হয় না। তাই বিড়াল রাতের বেলা সহজেই হাঁটাচলা করতে পারে।
মেহেদী