সূর্যি মামা
হাফিজ মুহাম্মদ
সূর্যি মামা এবার শোনো
একটু ধরো হাল
রাগ করেছে শীতের বুড়ি
তাই তো বেসামাল।
পাড়াগাঁয়ে খোকন সোনার
নেইকো শীতের জামা
কনকনে শীত তাড়াও তুমি
ওগো সূর্যি মামা?
গরিব-দুঃখীর সঙ্গী হবে
ছড়িয়ে আলো তেজ
শীতের বুড়ি হুমড়ি খেয়ে
গুটিয়ে নিবে লেজ।
শীত দিয়েছে উঁকি
মো. দিদারুল ইসলাম
ঋতু চক্রের আবর্তনে
শীত দিয়েছে উঁকি,
নরম কাঁথায় গা জড়িয়ে
পড়ছে খোকাখুকি।
ঘরে ঘরে পিঠাপুলি
খেতে ভারি মিষ্টি,
মা-চাচিরা কাজে ব্যস্ত
চিরচেনা কৃষ্টি।
ঘাসের ডগায় শিশিরকণা
দেখায় মুক্তোর মতো,
গায়ে মাখে সকালের রোদ
ছেলে-বুড়ো যত।
খেজুর গুড়ের ভাপা পিঠার
ঘ্রাণে চারপাশ ভাসে,
দাদির হাতের পিঠা খেয়ে
খোকাখুকি হাসে।
ঘোমটা পরা শীত
নকুল শর্ম্মা
কুয়াশারই ঘোমটা পরা
এল শীতের বেলা,
হিমেল বাতাস বইছে মৃদু
শুকনো পাতার খেলা।
শিশির ভেজা ঘাসের কোলে
বুনোফুলের মেলা,
রবির আলোয় ভেসে ওঠে
মিষ্টি সকাল বেলা।
আলোর স্রোতে যখন কাটে
শীতের আমেজ টুকু,
রোদ পোহাতে বাইরে আসে
ছোট্ট খোকাখুকু।
খেলার ছলে কুড়োয় সুখে
গাছের পাকা কুল,
টক-মিষ্টির নেই পরোয়া
নাচে দোদুল দুল।