ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দূষণের শীর্ষে জাকার্তা, ঢাকার অবস্থান কত? আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফায় আলজেরিয়ার অভিযোগ সিরিজ বাঁচাতে পারল না বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া জয়ী ৭ রানে প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান ফেসবুকে কান্না করা সেই নয়ন পেলেন ছাত্রদলে পদ নামফলকে নিজের নাম থাকলে উদ্বোধন করব না: এমপি মমিনুল ঈশ্বরদীতে রুশ নাগরিকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ: উচ্ছ্বাসে ভরা প্রবেশিকা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা হাইতিকে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল কুমিল্লায় চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে হত্যাচেষ্টা যুবদল কর্মীর পাকিস্তান সম্মান ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে: শেহবাজ শরিফ ২০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ হ্যাটট্রিক করেছেন যিনি ২০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল গফরগাঁওয়ে মাদরাসা থেকে ফেরার পথে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ বাংলাদেশের আজ দ্বিতীয় লক্ষ্য পূরণের ম্যাচ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ধানমন্ডিতে শিশু গৃহপরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু অরুণাচলে বাঁধ নির্মাণ করেছে চীন পাল্টা প্রকল্প ভারতের সুইডেনের বিপক্ষে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের খেলা নিয়ে সংশয় হাইতিকে ৩-০ গোলে হারাল ব্রাজিল টাইলস আমদানিতে ধস, কমেছে রাজস্ব আয় ব্রিটেনে উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়, চ্যালেঞ্জের মুখে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত চা-শ্রমিকরা রাজধানীতে আবাসিক হোটেলে সৌদিপ্রবাসীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য গফরগাঁওয়ে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে মৃত্যু শেবাচিমে মোবাইলের আলোয় আইসিইউ সেবা উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাতে ইরাকে গোপন সেল গঠন ইরানের ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি হঠাৎ দেখা নীলমাথা হাঁস

অনলাইন কাস্টমার সামলানোর ৭টি টিপস

প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:০০ পিএম
অনলাইন কাস্টমার সামলানোর ৭টি টিপস
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইনে আপনার পণ্য বিক্রি অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কীভাবে আপনার অনলাইন কাস্টমারদের সামলাচ্ছেন তার ওপর। অনেক সময় দেখা যায়, সঠিকভাবে কাস্টমার সামলাতে না পারার জন্য আপনার বিক্রি ভালো হয় না।

আপনার অনলাইন বিজনেস থাকলে আপনাকে অনলাইনে কাস্টমারদের কীভাবে সামলাতে হয়, কীভাবে তাদের সঙ্গে ম্যানারলি কথা বলা যায় তা শিখে নিতে হবে। একজন কাস্টমার আপনার ব্যবহারে সন্তুষ্ট হলে সে আপনার থেকেই বারবার প্রোডাক্ট কিনতে আগ্রহী হবে। 
এখানে অনলাইন কাস্টমারকে সামলানোর ৭টি টিপস তুলে ধরা হলো।

ধৈর্য ধারণ করুন

প্রথম প্রথম অনলাইন বিজনেস শুরু করলে আপনার ধৈর্য থাকাটা আবশ্যক। আপনাকে অন্তত ২-৩ মাস সময় ব্যয় করতে হবে আপনার বিজনেসে কাস্টমার আনার জন্য। ধীরে ধীরে আপনার কাস্টমার বাড়বে, তখন বিক্রিও বাড়বে। কিন্তু যে জিনিসটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, রাতারাতি কেউই সফল হয় না। কথায় আছে, ‘সফলতার কোনো শর্টকাট নেই।’ তাই প্রথম প্রথম ভালো সেল হচ্ছে না দেখে আপনি হতাশায় পড়ে যেতে পারেন। এ সময় ধৈর্যহারা হলে চলবে না। আবার আরও অনেক ক্ষেত্রে আপনাকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। প্রথম প্রথম আপনাকে অনেকেই নক দেবে আপনার পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য। ধরুন আপনার জামার বিজনেস। কাস্টমারদের কোনো ড্রেস ভালো লাগলে আপনার পেজে নক দিয়ে ড্রেসের দাম, কোন ফেব্রিকস দিয়ে তৈরি ইত্যাদি জানতে চাইবে। কিন্তু সবাই কি প্রোডাক্টটি কিনবে? কখনোই না। তাই বলে আপনার ধৈর্য হারানো যাবে না। পরিস্থিতি যত প্রতিকূলেই থাকুক না কেন, আপনার ধৈর্যটাই আসল। কাস্টমার যদি পণ্য না কেনেন, তাহলে কি আপনি তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন? কখনোই না। কাস্টমারদের ভালোভাবে সামলানোর একটা ভালো মাধ্যম হলো তারা প্রোডাক্ট কিনুক আর না কিনুক- আপনাকে ধৈর্য নিয়ে তাদের সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলতে হবে। প্রোডাক্ট না কিনলেও কখনো খারাপ ব্যবহার করা যাবে না।

কাস্টমারের কথায় মনোযোগ দিন

অনলাইন বিজনেসে আপনার পেমেন্ট সিস্টেম যদি ফিক্সড না থাকে, তাহলে কাস্টমার পণ্যটি কেনার সময় দর কষাকষি করবেই। কিন্তু এটা নিয়ে যদি আপনি খারাপ ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার কাস্টমার পণ্যটি কখনোই কিনবে না। তাই সে যখন আপনাকে কোনো প্রাইজ অফার করবে সেটা মেনে নিন, ইনসাল্ট করবেন না। পণ্যটি কেনার সময় সে তো বিস্তারিত জানতে চাইবেই। তাই আপনার উচিত হবে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। তারপর বুঝেশুনে বিনয়ের সঙ্গে রিপ্লাই দেওয়া। সব সময় আপনার কথার মাঝে পজিটিভ ভাইভস বজায় রাখুন। এতে কাস্টমার সামলানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

সঙ্গে সঙ্গেই রিপ্লাই করুন

জাস্ট টাইমে কাস্টমারের মেসেজের রিপ্লাই করুন। আপনি আপনার অনলাইন পেজে লিখে রাখলেন ২৪/৭ খোলা। কিন্তু এদিকে আপনার কাস্টমার আপনাকে মেসেজ দিয়েই যাচ্ছে, আপনার কোনো রেসপন্স নেই। তাহলে এক্ষেত্রে কাস্টমার আপনার বিজনেস সম্পর্কে নেগেটিভ ধারণা পোষণ করবে। এতে কাস্টমারের মেজাজও খারাপ হয়ে যাবে। তাই কাস্টমার ধরে রাখতে চাইলে আপনার অনলাইন বিজনেসের সব ম্যানেজমেন্ট ঠিকমতো করুন। কিছু কর্মীও নিয়োগ করতে পারেন ভালোমতো কাস্টমার হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য।
 

সমস্যা সমাধানে পরামর্শ

অনেকেই আছেন যারা পণ্য বিক্রি করেই কাস্টমারের সঙ্গে সব সম্পর্ক শেষ করে দেন। আপনি এমনটা করবেন না। আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে কোনো ক্রেতা সমস্যায় পড়লে তা সমাধান না করলে সেটা আপনার বিজনেসে খুবই বাজে প্রভাব ফেলবে। আপনার উচিত হবে কাস্টমারের কাছ থেকে রিভিউ নেওয়া। যদি খারাপ হয়, তাহলে আপনার উচিত সেটাকে ব্যাক নেওয়া। 

মানসম্পন্ন পণ্য বিক্রি করুন 

সব সময় ভালো পণ্য বিক্রি করার চেষ্টা করুন। নিম্নমানের পণ্য বিক্রি করে আপনি হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য উপকৃত হবেন ঠিকই, কিন্তু এটি আপনার বিজনেসে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিসাধন করবে। হয়তো দেখতে সুন্দর দেখে কাস্টমারটি আপনার থেকে প্রোডাক্টটি একবার কিনবে, কিন্তু যখন কিছুদিন ব্যবহার করার পর প্রোডাক্টটি নষ্ট হয়ে যাবে, তখন ওই কাস্টমারটি আপনার প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে। তাই মানসম্মত প্রোডাক্ট সেল করে কাস্টমারদের সন্তুষ্ট রাখা উচিত। কখনোই খারাপ পণ্য দিয়ে কাস্টমারদের উত্তেজিত করবেন না, যাতে তাদের সামলানোই মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। 

সময় মেনে চলুন

আপনার পেজের ফলোয়ারদের সঙ্গে কথা দিয়ে কথা রাখুন। ধরুন আপনার অনেকগুলো অনলাইনে বিজনেস আছে। এখন আপনি আপনার একটি অনলাইন পেজে পোস্ট করলেন আগামীকাল লাইভে আসবেন, কিন্তু অন্য একটি পেজে কাস্টমার সামলাতেই আপনার লাইভ টাইম পার হয়ে গেল। এক্ষেত্রে আগের পেজটিকে যারা ফলো করেন, তারা বিভ্রান্তিতে পড়বেন। এক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে একদম অন টাইমে লাইভে আসা, নতুন পোস্ট করার শিডিউল থাকলে পোস্ট করা ইত্যাদি। ঠিকমতো টাইম ম্যানেজ করতে না পারলে কিছু কর্মীও নিয়োগ দিতে পারেন। 

সব সময় আপডেট থাকুন

অনলাইন বিজনেস অথবা অফলাইন বিজনেস আপনার দোকান যেখানেই হোক না কেন, আপনার উচিত সব সময় আপডেট থাকা। মার্কেটে যে প্রোডাক্টটি নতুন বের হবে, ক্রেতাদের সেই জিনিসের প্রতি বেশি চাহিদা থাকবে। দাম বেশি হলেও মেয়েরা চায় তাদের সবার থেকে একটু বেশিই আকর্ষণীয় লাগুক। তাই আপনি তরুণীদের টার্গেট করে তাদের পছন্দের নিউ কালেকশনের হিজাব, বোরকা সবার আগে আপনার অনলাইন শপে নিয়ে আসুন। দরকার হলে পুরোনো ড্রেসগুলোর ওপর ২০ শতাংশ ছাড় দিন। এতে করে পুরোনো প্রোডাক্টগুলোও সেল হয়ে যাবে এবং আপনি নতুন প্রোডাক্টও বেশি বেশি আনতে পারবেন। আর আপনি যত বেশি লেটেস্ট প্রোডাক্ট আনবেন, তত আপনার বিজনেস সবার কাছে চাহিদার শীর্ষে থাকবে। যার ফলে কাস্টমার সামলানো আপনার কাছে কোনো ব্যাপারই মনে হবে না। 

 

তারেক

দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই
ছবি: খবরের কাগজ

নতুন কোনো দক্ষতা বা কাজ শেখার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই। কোন দক্ষতাটি শেখা উচিত, কীভাবে শেখা শুরু করব কিংবা সেটা ভবিষ্যতে কতটা কাজে লাগবে–এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই অনেক সময় শেখার উদ্যোগ থেমে যায়। তবে একটি বিষয় সব সময় মনে রাখা জরুরি, ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নয়নের জন্য কাজ শেখার কোনো বিকল্প নেই।

কোনো একটি খাতে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করলে অনেক বিষয়ই সহজ ও স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু যারা নতুন, তাদের জন্য একই বিষয় জটিল বা বিভ্রান্তিকর হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ।

কোন কাজটি শেখা উচিত, তা নির্ধারণ করার সময় দুটি বিষয় বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। প্রথমত, কাজটির বর্তমান বাজারে চাহিদা রয়েছে কি না। অনেক সময় আমরা শুধু নিজের পছন্দের কারণে কিংবা অন্য কারও সাফল্য দেখে কোনো দক্ষতা অর্জনের সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু যে কাজটি একসময় জনপ্রিয় ছিল, তার চাহিদা এখনো একই রকম আছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। তাই বাজারের বর্তমান প্রয়োজন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

আরো পড়ুন: নিয়োগ দেবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, যোগ্যতা এইচএসসি পাস

দ্বিতীয়ত, ডিমান্ড থাকা সব কাজই কিন্তু আমার জন্য নয়। অনেক কিছুই আছে যার ডিমান্ড আছে। কিন্তু আমি হয়তো অতটা ভালো করতে পারব না। অথবা আমি হয়তো ওই কাজগুলো করে মজা পাব না। আমার প্যাশনের জায়গায় সে কাজগুলো নেই। তাই মার্কেট ডিমান্ডের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ভালো লাগার দিকটাও দেখতে হবে।
মার্কেট ডিমান্ড অনেকভাবেই আইডেন্টিফাই করা যায়। এর মধ্যে কয়েকটি হলো–

মার্কেট প্লেসগুলোতে একটু চোখ বুলাতে হবে

ওয়েবে অনেক পপুলার মার্কেট প্লেস আছে, যেমন–আপওয়ার্ক, ফাইভার, ফ্রিল্যান্সার, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি। সেই মার্কেট প্লেসগুলোতে একটু ভিজিট করুন। আপনি যে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চাচ্ছেন, সেই ক্যাটাগরিতে দেখুন কী ধরনের জব পোস্ট হচ্ছে। তাদের প্রাইসিং, ওয়ার্ক ভলিউম, আনুমানিক সেলারের সংখ্যা ইত্যাদি। যত বেশি ডাটা কালেক্ট করা যাবে, তত ভালোভাবে আইডিয়া জেনারেট করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া আপনি লোকাল মার্কেটের জন্য নিয়োগসংক্রান্ত জব পোর্টাল সাইটগুলোও দেখতে পারেন, আপনার ইন্ডাস্ট্রি রিলেটেড কী পরিমাণ জব প্লেস হচ্ছে। এসব দেখে আইডিয়া পাবেন–আপনার কোন কাজটা শেখা উচিত। এসব একটা এক্সেল শিটে নোট ডাউন করে রাখুন।

শেখার প্লান করুন

এবার শর্ট লিস্টেড টাস্কগুলো নিয়ে পরবর্তী প্লান শুরু করুন, কীভাবে শেখা যায়। এখন যেহেতু আপনি ধারণা রাখেন–কী শিখতে চাচ্ছেন, তাই আপনি অনেকটাই এগিয়ে গেছেন। এখন আপনি আর অনেক ব্রড কোনো জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছেন না। আপনি অনেকটাই ন্যারো ডাউন করে নিয়ে আসছেন।

এখন আপনি গুগল, ইউটিউব করে বেসিক ধারণা নিতে পারেন। এক্সপার্ট কারও সঙ্গে কথা বলে কাস্টমাইজড টিপস পেতে পারেন। পেইড কোর্স করে সময় বাঁচাতে পারেন। বই পড়া শুরু করতে পারেন। কারও মেন্টরশিপ সাপোর্ট নিয়ে শুরু করে দিতে পারেন।

নতুন স্কিল ডেভেলপ করুন

কাজ করতে করতে অ্যাডিশনাল স্কিল নিয়ে ভাবতে পারেন, একই ফরমুলায় নতুন নতুন স্কিল ডেভেলপ করবেন। আইটি ইন্ডাস্ট্রি সবচেয়ে দ্রুত পরিবর্তন হয়। তাই থেমে থাকার কোনো সুযোগ নেই। থেমে গেলেই হেরে যাবেন।

তারেক/

নিয়োগ দেবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, যোগ্যতা এইচএসসি পাস

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
নিয়োগ দেবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, যোগ্যতা এইচএসসি পাস
ছবি: সংগৃহীত

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি অফিস সহকারী পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ১৭ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত। 

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম:  ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ১৭ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

আরো পড়ুন: ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ: ১৭ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ জুলাই ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.bracu.ac.bd

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

পদের নাম: অফিস সহকারী

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় 

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস

অন্যান্য যোগ্যতা: অফিসের বিভিন্ন নথি, ফাইল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সঠিকভাবে সংরক্ষণে দক্ষতা। 

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর 

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

কর্মস্থল: ঢাকা 

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে 

অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ১০ জুলাই ২০২৬


তারেক/

অফিসে ঝামেলা সামলানোর ৭টি টিপস

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
অফিসে ঝামেলা সামলানোর ৭টি টিপস
ছবি: খবরের কাগজ

কর্মক্ষেত্র সব সময় একই রকম থাকে না। কখনো চাপ, কখনো মতবিরোধ, আবার কখনো অপ্রত্যাশিত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এসব পরিস্থিতিতে বিচলিত না হয়ে ধৈর্য, বিচক্ষণতা ও সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াই সফলতার চাবিকাঠি। কর্মক্ষেত্রের কঠিন পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে সামাল দেওয়ার জন্য নিচে ৭টি কার্যকর পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।

কাজের সময় কমিয়ে আনুন

বেশি সময় কাজ করলে বেশি কাজ শেষ করা যায়। আমরা সাধারণত এমনটাই জানি। তবে বাস্তবে তা সত্য নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন মানুষ সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার পরিবর্তে ৬০ ঘণ্টা কাজ করলে বেশি কাজ সম্পাদন করতে পারে, তবে এ ক্ষমতা শুধু পরবর্তী তিন সপ্তাহের জন্য বলবৎ থাকে।

আরো পড়ুন: ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

এরপর অনেকেই কাজের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়ে, যে ভুল হওয়ার কথা না সেই ভুলগুলো করে বসে এবং কম কাজ করে থাকে।

সিভিকে সাজিয়ে নিন

একটি গতানুগতিক সিভি হলো একটি সেলস ব্রশিয়ারের মতো, যা সবাই প্রথমে দেখে কিন্তু তা তাদের আকর্ষণ করে না। আপনি যে পদে আবেদন করতে চাচ্ছেন সেই কাজের আদ্যোপান্ত জানুন এবং সেই কাজের চাহিদা অনুযায়ী আপনার সিভিকে সাজিয়ে নিন।

সব বস যা চায়

বেশির ভাগ বস সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সবকিছুতে মনোযোগী ইত্যাদি গুণাবলি কদর করে থাকে। তবে আসল কথা হলো আপনার পদবি যা-ই হোক না কেন, আপনার বস সবসময় এটাই চায় যে আপনি কাজের মাধ্যমে তাকে সফল হতে সাহায্য করুন। এটাই সত্য।

কর্মক্ষেত্রে ঝামেলাকারীকে সামাল দিন

কেউ ঝামেলা করলে তাকে মানানোর চেষ্টা করুন। আর যদি আপনি নিজেই মেজাজ হারিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে সম্পর্কে ছেদ ঘটবে। তাই কর্মক্ষেত্রে পেশাদারি আচরণ ও কথা বলার ধরন বজায় রাখুন। যদি ঝামেলাকারী পিছু না হটে, তখন বলুন, ‘আপনার মাথা ঠাণ্ডা হয়ে এলে আমরা আবার এ ব্যাপারে কথা বলে নেব’ তার পর তার সামনে থেকে চলে যান এবং আপনার কাজে মন দিন।

ভুয়া পরিসংখ্যান চিহ্নিত করা

একটি পরিসংখ্যানকে তখনই বৈধ বলে ধরে নেওয়া যায় যদি এর পেছনের তথ্যগুলো সত্য হয়ে থাকে। যদি তথ্য এদিক-সেদিক করে প্রতিষ্ঠান কোনো সুবিধা করতে পারে, তাহলে ধরে নিতে হবে ওই প্রতিষ্ঠানের তথ্যগুলো শতভাগ নির্ভুল নয়। কাজেই পরিসংখ্যানের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

মিথ্যাবাদী চেনা

মানুষের চোখ দেখে অনেক সময় বলে দেওয়া যায় যে সে মিথ্যা বলছে কি না। তবে এ থিওরি সর্বদা সত্য নয়। যারা সচরাচর মিথ্যা বলে তাদের চোখ দেখে প্রায়ই বোঝার উপায় থাকে না যে আসলেই তারা মিথ্যা বলছে। তাই কারও কথা যদি আপনার কাছে মুখস্থবিদ্যার মতো শোনায় বা মুখে মুখে গিয়ে বদলে যায়, তাহলে সেই কথার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। অনেকেই দেখবেন প্রতিবার নিজের কথা সত্য বলে দাবি করে বসে কিন্তু দেখা যাবে যে সে মিথ্যা বলছে।

উল্টো দিক দিয়ে ই-মেইল লিখুন

যদি আপনি মনে করেন আপনার ই-মেইল দেখে প্রাপক সিদ্ধান্ত নেবে, তাহলে ই-মেইলের শেষাংশ দিয়ে শুরু করুন যেখানে আপনি প্রাপককে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তাগিদ দেবেন। ওই সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে ছোট ছোট যুক্তি লিখে নিন, তার পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রাপককে তাগিদ দিন বা পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানিয়ে দিন। এরপর ই-মেইলের সাবজেক্ট লাইনে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে প্রাপকের যে সুবিধা হতে পারে সেটা তুলে ধরুন।

তারেক/

ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
ন্যাশনাল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ
ছবি: সংগৃহীত

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকটি ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গতকাল ১৬ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ২২ জুন পর্যন্ত। 

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।


এক নজরে ন্যাশনাল ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ১৬ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আরো পড়ুন: নিয়োগ দেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ: ১৬ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ২২ জুন ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.nblbd.com

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড

পদের নাম: ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় 

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর ডিগ্রি

অন্যান্য যোগ্যতা: ব্যাংকিং বিধিমালা, কর্পোরেট পরিচালনা এবং কৌশলগত ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনায় ভালো জ্ঞান।

অভিজ্ঞতা: আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট এবং কৌশলগত নেতৃত্বের ভূমিকায় প্রমাণিত অভিজ্ঞতাসহ ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক অভিজ্ঞতা।

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই 

কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায় 

বেতন: আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ

অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ২২ জুন ২০২৬ 

তারেক/

 

অনলাইন ব্যবসায় উদ্যোক্তাদের ৬টি বড় বাধা

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
অনলাইন ব্যবসায় উদ্যোক্তাদের ৬টি বড় বাধা
ছবি: সংগৃহীত

একসময় বাজার বলতে আমরা বুঝতাম ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে মুখর কোনো হাট বা নির্দিষ্ট বাণিজ্যকেন্দ্রকে। তবে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সেই ধারণায় এসেছে বড় পরিবর্তন। এখন বাজার আর কোনো নির্দিষ্ট স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; ইন্টারনেটের মাধ্যমে এটি পৌঁছে গেছে মানুষের হাতের মুঠোয়।

ঘরে বসেই পণ্য খোঁজা, অর্ডার করা এবং কেনাকাটা সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্র। তবুও এ খাতের অগ্রযাত্রার পথে রয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতা। বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবসার ৬টি  চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো–

ব্যবসার ক্ষেত্র ও সম্ভাবনা

অন্যান্য ব্যবসার মতো ইন্টারনেটেও ব্যবসার ক্ষেত্র নির্ধারণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি যদি কাঁচা শাকসবজি সরবরাহের ব্যবসা করেন, তবে তা ফ্যাশনপণ্য সরবরাহের থেকে কম অনলাইন-নির্ভর হবে।

আরো পড়ুন: গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ পদে চাকরির সুযোগ 

আবার আপনার যদি রেস্টুরেন্টের ব্যবসা থাকে তা হলে ইন্টারনেটে আপনার নিয়মিত উপস্থিতি দরকার, যাতে করে আপনি খাবার ডেলিভারির সার্ভিস দিতে পারেন। ইন্টারনেটে ব্যবসার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ব্যবসার সম্ভাবনাগুলো নিয়ে সূক্ষ্মভাবে ভাবতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেড লাইসেন্স

আপনি যদি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবসা করতে যান, তা হলে আপনার প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন ও ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। একই সঙ্গে দরকার হয় ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর। এটি অনলাইন-অফলাইন দুই ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যারা নতুন ব্যবসা শুরু করেন, তাদের অনেকে এসব ব্যাপারে অনভিজ্ঞ হয়ে থাকেন। এ ছাড়া কাজগুলো বেশ সময়সাপেক্ষ।

ওয়েবসাইট তৈরি

অনলাইন বিজনেস করতে গেলে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা জরুরি। আপনি যদি প্রযুক্তি বিষয়ে অনভিজ্ঞ হয়ে থাকেন, তা হলে ওয়েবসাইট তৈরি ও আপডেট করা আপনার জন্য অনেকটাই কষ্টকর ও ব্যয়বহুল। অবশ্য বর্তমানে গুগলের মাই বিজনেস সার্ভিসের কারণে এ কাজ কিছুটা সহজ হয়েছে।

মার্কেটিং

ইন্টারনেটে ব্যবসার প্রচলন দেশে দিনকে দিন বাড়ছেই। একই সঙ্গে বাড়ছে নতুন কাস্টমার। নতুন কাস্টমার খোঁজার জন্য আপনার অনলাইন মার্কেটিংয়ের পরিকল্পনা ভালো হতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফেসবুক পোস্ট–বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে হবে আপনাকে।

অনলাইন লেনদেনের ব্যবস্থা

লেনদেনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অনলাইন ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের সাহায্য নিলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আর কোন কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে লেনদেন নিশ্চিত করবেন তা ঠিক করা–এসব ব্যাপারে আপনাকে যথেষ্ট সচেতন হতে হবে।

সরবরাহ

ক্রেতাদের কাছে পণ্য কীভাবে সরবরাহ করবেন, তা আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, ঠিকমতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে আপনাকে কাস্টমার হারাতে হতে পারে। আর তাই আপনার প্রতিষ্ঠানকেই পণ্য সরবরাহের দায়িত্ব নিতে হবে; নয়তোবা কোনো ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে হবে। অন্যদিকে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে থাকলে কাস্টমসসংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলাদা প্রস্তুতি প্রয়োজন।

তারেক/