ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস জনআকাঙ্ক্ষার বাজেট এবং নানামুখী চ্যালেঞ্জ হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা, বিচার দাবি বাবার খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী যে অঙ্গের কারণে মানুষ জান্নাত অথবা জাহান্নামে যাবে জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের ২১ পরিবারে আর্থিক সহায়তা সোনারগাঁয় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে যুবদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার নেইমারকে ছাড়াই মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জাককানইবির এক শিক্ষার্থীর রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে কর্মসূচি নিয়েছে সরকার : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ‘কষ্টদায়ক শিক্ষা’, বললেন প্যারাগুয়ে কোচ আলফারো সফল ব্যবসায়ী হতে চাইলে এড়িয়ে চলুন ৯টি বিষয় মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১৬৫২ যুদ্ধবিরতির মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা, নিহত ১ ভয়ই ব্রাজিলকে সতর্ক রাখবে: আনচেলত্তি বোয়ালমারীতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘মিনি ফুটবল বিশ্বকাপ’ উদ্বোধন আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত শরীয়তপুরে নারীকে চুল কেটে, আলকাতরা মেখে খুঁটিতে বেঁধে রাখল প্রতিপক্ষ নগরীর কোলাহলমুক্ত সবুজ উদ্যান রমনা চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের ৯ দিন পর যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ কৃষক নিহত লাইনে বিড়াল ঢুকে পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল গাজীপুর পোশাক কারখানায় আগুন কসবায় হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিখোঁজ নাটকের অবসান, ‘গুপ্ত’ ছিলেন শিবির নেতা জিসান! যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের পর ঐক্যের গান গাইলেন পচেত্তিনো মীনা বাজারে চাকরির সুযোগ, শুক্র-শনিবার ছুটি
Nagad desktop

ওপেন কনসার্টে বিজয়ের গানে গানে উচ্ছ্বসিত দর্শক

প্রকাশ: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:০০ পিএম
আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:০৪ পিএম
ওপেন কনসার্টে বিজয়ের গানে গানে উচ্ছ্বসিত দর্শক
‘সবার আগে বাংলাদেশ’ কনসার্টে লাখো মানুষ। ছবি : সংগৃহীত

বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজন করা হয় বিশেষ কনসার্ট ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দুপুর দেড়টায় কনসার্ট শুরু হলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই দর্শকের উপস্থিতি শুরু হয়। জীবন্ত কিংবদন্তী শিল্পী খুরশীদ আলমের কণ্ঠে ‘পাখির নাম দোয়েল, ফুলের নাম শাপলা, দেশের নাম বাংলাদেশ, সুফলা সুফলা’ গান দিয়ে শুরু হয় কনসার্ট। এরপর গান করেন নাসির খান।

দুপুর ২টার দিকে মঞ্চে ওঠেন প্রীতম হাসান। প্রথমে ‘খোকা’ গান পরিবেশন করেন তিনি। পরে ‘হাতে লাগে ব্যথারে, ‘উরাধুরা’ গানগুলো পরিবেশন করেন। এরপর গান করেন শিল্পী মৌসুমী। তার পরেই গান শোনান আলম আরা মিনু। ‘যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা’, ‘সোনা দানা দামি গহনা’ গান গেয়ে তিনি মাইক্রোফোন তুলে দেন মনির খানে হাতে। ‘চিঠি’ ও ‘প্রেমের তাজমহল’ গান গেয়ে দর্শক মাতান মানির খান। এরপর ‘তোমায় দেখলে মনে হয়’ ও ‘সাগরিকা’ গান গেয়ে দর্শক মাতার কনকচাঁপা। পরে বাউল গান দিয়ে মঞ্চ মাতান ইলিজা পুতুল, গোলাপি, আলিয়া বেগম ও চিশতি বাউল। বিকেল ৫টায় পর পর গান করেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও কনা। 

কনসার্টে এককভাবে গাওয়ার কথা রয়েছে বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী, বেবী নাজনীন ও জেফারের। এ ছাড়া নগরবাউল, ডিফারেন্ট টাচ, আর্ক, সোলস, শিরোনামহীন, আর্টসেল, অ্যাভয়েড রাফা ও সোনার বাংলা সার্কাসেরও পারফর্ম করার কথা রয়েছে। 

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নামের সংগঠনটি গত ১০ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করে। মূলত বিএনপির উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় সংগঠনটি গড়ে উঠেছে। সংগঠনের আহ্বায়ক বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

আয়োজকরা জানান, এবারের বিজয় দিবসকে সর্বজনীনভাবে উদযাপন করার লক্ষ্যে এই কনসার্টের পরিকল্পনা। কনসার্টটি রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে। 

 

হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে প্রাণ বন্ধের সনে
অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপন, বাংলার লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা এবং এর চিরন্তন আবেদনকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া যৌথভাবে আয়োজন করে ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’।

বাংলা লোকসংগীতের ইতিহাসে এমন কিছু গান আছে, যা শুধু সুরের মাধুর্যেই নয়, মানুষের আত্মঅন্বেষণের পথেও সঙ্গী হয়ে ওঠে। মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজার গান সেই বিরল উত্তরাধিকারেরই অংশ। তাঁর গান ভালোবাসা, বৈরাগ্য, আত্মচেতনা ও জীবনের গভীর সত্যকে নতুনভাবে অনুভব করতে শেখায়।

অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত আলোকি কনভেনশন সেন্টারে। এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হয় বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজা চৌধুরীকে, যার গান এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বাংলার মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে অনুরণিত হয়ে আসছে।

এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমসাময়িক উপস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়া। সংগীত, গল্পকথন এবং সৃজনশীল শিল্পভাবনার মাধ্যমে হাছন রাজার দর্শন, জীবনবোধ ও সংগীতের চিরন্তন প্রাসঙ্গিকতাকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মিউজিক ডিরেক্টর ও কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তাঁর শিল্পভাবনা ও সংগীত বিন্যাসে হাছন রাজার কালজয়ী গানগুলো নতুন আবহে পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য সংগীতানুভূতির জন্ম দেয়।

সন্ধ্যাজুড়ে পরিবেশিত হয় হাছন রাজার জনপ্রিয় ও কালজয়ী সব গান। সুর, দর্শন ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে দর্শকরা ফিরে যান সেই প্রকৃতি, হাওর সংস্কৃতি, লোকজ দর্শন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার জগতে, যা হাছন রাজার সৃষ্টিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর গানের কেন্দ্রীয় বিষয় ‘মনের মানুষ’, আত্মঅনুসন্ধান এবং মরমি জীবনদর্শনও এই আয়োজনের বিভিন্ন পরিবেশনায় নতুনভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এম ডব্লিউ-এর ধারাবাহিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এম ডব্লিউ বিশ্বাস করে, সংস্কৃতি কেবল তার মূল রূপে সংরক্ষণ করার বিষয় নয়; বরং তা নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে ব্যাখ্যা, অনুভব ও পৌঁছে দেওয়ারও বিষয়। এই আয়োজন সেই বিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এম ডব্লিউ-এর সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলো বরাবরই এমন একটি পরিসর তৈরির চেষ্টা করেছে, যেখানে সাহিত্য, সংগীত, শিল্প ও ঐতিহ্য সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে অর্থবহ সংযোগ স্থাপন করতে পারে।’

একই সঙ্গে তিনি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। তিনি বাংলা লোকসংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’-এর মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশের মূল্যবান সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পুনরায় পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

তিনি শিল্প, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল চর্চার প্রতি মায়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আয়োজনটি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উদ্যাপন করে এমন উদ্যোগগুলোর সঙ্গে মায়ার চলমান সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটায়। এই আয়োজনের কমিউনিকেশন পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে মায়া ‘Songs of Bengal: প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠানটি ২১ জুন ২০২৬ তারিখ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।

নতুন তিন সিনেমায় নিশো

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
নতুন তিন সিনেমায় নিশো
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় তারকা আফরান নিশো। একসময় ছোটপর্দায় নিয়মিত অভিনয় করলেও এখন বড়পর্দাতেই সব ব্যস্ততা তার। ২০২৩ সালে রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায় নিশোর অভিষেক হয়। তিন বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তার। তিনটি সিনেমার পরিচালক ভিন্ন হলেও প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত আছে আলফা আইয়ের নাম।
সম্প্রতি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল জানিয়েছেন, নিশোর সঙ্গে নতুন আরও তিনটি সিনেমা চূড়ান্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এ ছাড়া আরও একটি সিনেমা নিয়ে আলোচনা চলছে।
এখন পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া তিন সিনেমাতে নিশোকে দুঃখী ও প্রতারিত মানুষের গল্পের চরিত্রে দেখা গেছে। এবার নায়কসুলভ চরিত্র নিয়ে রুপালি পর্দায় হাজির হবেন এক সময়ের ছোটপর্দার এই বড় তারকা। 
প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, ‘দর্শকের দৃষ্টিকোণ থেকে নিশোকে সব সিনেমায় স্ট্রাগলিং চরিত্রে দেখা গেছে। তারা নিশোকে পর্দায় নায়ক অবতারে দেখতে চান। নিশোর সঙ্গে আমাদের যে তিনটি সিনেমা চূড়ান্ত হয়েছে, তার প্রতিটিতে নিশোকে দর্শক যেভাবে দেখতে চায়, সেভাবেই দেখা যাবে।’
তবে তিনটি সিনেমা নিশ্চিত হলেও এখনো সিনেমা ও পরিচালকের নাম জানাননি শাহরিয়ার শাকিল। 
এ বছরের শুরুতে আলফা আই জানিয়েছিল, ভিকি জাহেদের পরিচালনায় দেখা যাবে নিশোকে। তার সঙ্গে ভাবা হচ্ছে মেহজাবীন চৌধুরীকে। সিনেমার নাম ‘পুলসিরাত’। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও শাহরিয়ার শাকিল জানালেন, তিন সিনেমার একটিতে নিশোর সঙ্গে দেখা যেতে পারে মেহজাবীনকে। 
এ ছাড়া নির্মাতা রায়হান রাফীর একাধিক প্রজেক্ট ও জাহিদ প্রীতমের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কাজ করছেন তারা। কয়েক দিন আগে ফেসবুকে ‘তাণ্ডব’ সিনেমার দৃশ্য থেকে শাকিব খান, আফরান নিশো ও সিয়াম আহমেদের ছবি শেয়ার করে রায়হান রাফী ফিল্ম ইউনিভার্সে স্বাগত জানান রাফী। এর পর গুঞ্জন শুরু হয়, নিশোকে নিয়ে ‘তাণ্ডব ২’ শুরু করছেন নির্মাতা। নিশোও ফেসবুক স্টোরিতে তাণ্ডব ২ সিনেমার ইঙ্গিত দেন। 

রোমান্টিক গল্পের সিনেমা নিয়ে আসছেন রাজীব

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
রোমান্টিক গল্পের সিনেমা নিয়ে আসছেন রাজীব
ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতা আদনান আল রাজীব। বিজ্ঞাপন নির্মাতা হিসেবেই সর্বজন পরিচিত তিনি। তবে বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি তার নির্মিত একাধিক টেলিভিশন নাটকও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের কাজের স্বীকৃতি।
গত বছর তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আলী’ কান চলচ্চিত্র উৎসবের স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে জায়গা করে নিয়েছিল। পরে ছবিটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে  প্রদর্শিত হয়ে প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি পুরস্কার অর্জন করে। দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকদের প্রশ্ন ছিল– কবে, কবে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণ করবেন এই নির্মাতা।
অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার ঘোষণা দিলেন আদনান আল রাজীব। এই নির্মাতার প্রথম চলচ্চিত্র হবে একটি প্রেমের গল্প।
শুক্রবার ১২ জুন নিজের ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানান রাজীব। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘অ্যাডভারটাইজিং ক্যারিয়ারের একেবারে শুরুর দিকে একটা প্রেমের গল্প বানিয়েছিলাম ‘কাছে আসার গল্প।’ সেই সময়ের হিসেবে ওটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় হিট। সেখান থেকেই মনের ভেতর একটা স্বপ্ন জন্মেছিল, কোনো একদিন একটা প্রেমের সিনেমা বানাব। স্বপ্নেরও বয়স বাড়ে। দেখতে দেখতে অনেক বছর কেটে গেল। এর মধ্যে অনেক গল্প বলেছি। অনেক চরিত্র এসেছে, আবার চলে গেছে। কিন্তু নিজের মতো করে একটা প্রেমের গল্প খুঁজে ফিরেছি সব সময়। এমন একটা গল্প, যেটা সত্যি আমার।”
রাজীব আরও লিখেছেন, ‘গল্পগুলো অনেকটা ভালোবাসার মানুষের মতো। কেউ কেউ হঠাৎ এসে দরজায় কড়া নাড়ে। কেউ আসে না। দূরে বসে থাকে। ডাকলেও আসে না। আমার গল্পটাও তেমন ছিল। চুপচাপ বসে ছিল। আমিও চুপচাপ তার পাশে বসে ছিলাম। লিখেছি। কেটেছি। আবার লিখেছি। কখনো মনে হয়েছে পেয়ে গেছি। পরে বুঝেছি পাইনি। হঠাৎ একদিন খেয়াল করলাম, গল্পটা আর দূরে বসে নেই। ধীরে ধীরে আমার পাশে এসে বসেছে। গল্পটা এখন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। আমার জীবনের প্রথম সিনেমা বানাতে যাচ্ছি। দেখা হবে সিনেমা হলে।’
তবে সিনেমা ও অভিনয়শিল্পীর নাম, মুক্তির সময় সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি এই নির্মাতা। তবে রাজীবের সিনেমা নির্মাণের ঘোষণায় চলচ্চিত্রপ্রেমী ও ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে নতুন কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

অপূর্বকে নিয়ে যা বললেন পপি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
অপূর্বকে নিয়ে যা বললেন পপি
ছবি: সংগৃহীত

একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা পপি। সিনেমার পাশাপাশি ভালো গল্পের কিছু নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর সঙ্গে পপি একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেছিলেন প্রায় দশ বছর আগে। বিইউ শুভ পরিচালিত টেলিফিল্মটির নাম ছিল ‘দুপুর আকাশে একলা চিল’।
টেলিফিল্মটি ঈদে এটিএন বাংলায় প্রচারিত হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর সিনেমার বাইরে টেলিফিল্মটির কথা বলতে গিয়ে পপি বলেন, ‘এক জীবনে অনেক সিনেমাতে অভিনয় করেছি। তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছি। তবে কিছু কিছু নাটক-টেলিফিল্মে অভিনয় করেও আমি বেশ সাড়া পেয়েছি। যার মধ্যে অপূর্বের সঙ্গে অভিনীত টেলিফিল্মটি আমার ভীষণ প্রিয়। অপূর্ব আমার খুব প্রিয় একজন অভিনেতা। তার সঙ্গে যে সময় অভিনয় করেছিলাম সেই সময়টাতে আসলে আমরা দুজনেই এত বেশি ব্যস্ত ছিলাম যে, আমাদের সিডিউল মেলানো কঠিন হয়ে পড়ত। কিন্তু শুভর চেষ্টায় দুজনেই সিডিউল মিলিয়ে কাজটি করেছিলাম। কাজটি প্রচার হওয়ার পর বেশ সাড়া পাই। এখনো মাঝে মাঝে এই কাজটির কথা মনে পড়ে। অপূর্ব ভীষণ বিনয়ী একজন মানুষ আর দারুণ সহযোগিতা পরায়ণ একজন শিল্পী। তার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা।’
পপিকে নিয়ে অপূর্ব বলেন, ‘পপি আমাদের চলচ্চিত্রের একজন ভীষণ গ্ল্যামারাস এবং গুণী অভিনেত্রী। কাজের প্রতি ভীষণ ডেডিকেটেডে একজন শিল্পী। আমাদের এই কাজটি আমারও ভীষণ প্রিয়। পপি যেখানেই আছেন ভালো থাকুন, স্বামী সন্তান নিয়ে সুখে থাকুন।’

দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০৫ এএম
দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা

বহু সিনেমায় যেমন একজন নায়িকা হিসেবে অভিনয় করে একসময় এই দেশের তরুণ দর্শকের মনে ঝড় তুলেছিলেন, আবার একটা সময় পেরিয়ে সিনেমায় তিনি একের পর এক মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেও এই দেশের সিনেমাপ্রেমী দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন। তবে এই সময়ে এসে তাকে আর আগের মতো সিনেমাতে দেখা না গেলেও দর্শক তাকে ঠিকই মিস করেন। 

এখনো তার ভক্ত দর্শকেরা তার অভিনীত নতুন সিনেমার জন্য প্রবল আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেন। যদিও এই মুহুর্তে সূচরিতা নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয় করছেন না। তবে ইচ্ছে আছে ভালো গল্পের সিনেমাতে কাজ করার প্রস্তাব পেলে অভিনয় করার। রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে নিজের বাসাতেই সময় কাটে সূচরিতার। দীর্ঘদিনের অভিনয় জীবনে তিনি পেয়েছেন এই দেশের কোটি কোটি দর্শকের অসীম ভালোবাসা। সেই ভালোবাসাকে সাথে নিয়েই এখনো অভিনয় করে চলেছেন তিনি। ’ 

মুস্তাফিজের ‘কুলি’ চলচ্চিত্রে শিশু চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন সূচরিতা। তখন তার নাম ছিলো হেলেন। ‘কুলি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর তিনি শিশু চরিত্রে আরো অভিনয় করেন ‘নিমাই সন্নাসী’,‘ অবাঞ্চিত’, ‘রং বেরং’, ‘টাকা আনা পাই’, কতো যে মিনতি’,‘রাজ মুকুট’,‘বাবলু’সহ আরো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে। নায়িকা হিসেবে আজিজুর রহমানের নির্দেশনায় ‘স্বীকৃতি’, দীলিপ বিশ্বাসের ‘সমাধি’ এবং অশোক ঘোষের ‘মাস্তান’ চলচ্চিত্রে পরপর অভিনয় করেন। 

তবে ১৯৭৭ সালে প্রয়াত আব্দুল লতিফ বাচ্চুর ‘জাদুর বাঁশী’ সিনেমাতে তার অভিনয় তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। এরপর থেকে একে একে তিনি তিনশো সিনেমাতে অভিনয় করেন। 

সূচরিতার নিজের অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘বজ্রমুষ্ঠি’ সিনেমার ‘জীবনে একজন প্রিয়জন সবারই প্রয়োজন’, ‘আঁখি মিলন’ চলচ্চিত্রের ‘আমার গরুর গাড়িতে’ এবং ‘জাদুর বাঁশি’ চলচ্চিত্রের ‘আকাশ বীনা চাঁদ’, ‘জীবন নৌকা’ সিনেমার ‘তুমিতো এখন আমারই কথা ভাবছো’ ‘মহেশখালীর বাঁকে’র ‘আমার প্রেমের তরী বইয়া চলে’, ‘মেঘ বৃষ্টি বাদল’ সিনেমার ‘ও বন্ধুরে প্রাণও বন্ধুরে’ গান পাঁচটি ভীষণ প্রিয়। 

অভিনয় জীবনের প্রাপ্তি প্রসঙ্গে সূচরিতা বলেন,‘ সেই ছোট্টবেলা থেকে সিনেমাতে অভিনয় করছি আমি। পরিণত বয়সে এসে নায়িকা হয়েও বহু সিনেমাতে অভিনয় করেছি। বারবার দর্শকের ভালোবাসায় নিজেকে সিক্ত করেছি। আবার যখন সিনেমাতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি তখনও দর্শক আমার চরিত্রগুলোকে নিয়ে আবেগে মেতেছেন।

এই যে দর্শকের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এটাইতো এক জীবনে অনেক বড়প্রাপ্তি। আবার আমি মনেকরি একজন শিল্পী যতোদিন সুস্থ থাকেন, সচেতন থাকেন, ভালো থাকেন ততোদিনই তিনি অভিনয় করে যেতে পারেন। শিল্পীদের কোনো অবসর নেই। তাই আমি যতোদিন অভিনয় করবো ততোদিন যেন আমাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা যেন না দেয়া হয়।’

/এমটি