এক যুগ আগে ঢাকার মহাখালীস্থ ‘ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আশীষ কুমার চক্রবর্তীর উদ্যোগে ‘গরবিনী মা’ পদকের যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে প্রতি বছরই বিশ্ব মা দিবসে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত সফল সন্তানদের (ছেলে-মেয়ে) মায়েদের ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ ক্ষেত্রে অন্যান্য ক্যাটাগরির পাশাপাশি শিল্পী ক্যাটাগরিতে তিনজন প্রতিষ্ঠিত সফল শিল্পীর মাকে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার গত ১১ মে, বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে নন্দিত অভিনেতা সজল, অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমু ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কণার মাকে ‘গরবিনী মা ২০২৫’-এ ভূষিত করা হয়। রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন সেন্টারের একটি হলে আয়োজিত ‘গরবিনী মা ২০২৫’ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। এই তিন তারকার মায়েরা তার হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও বিসিআই-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্তী। উপস্থাপনায় ছিলেন শান্তা জাহান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. আশীষ কুমার চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে আরও নয়জন গর্বিত সন্তানের মাকে পদক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সকল মাকে ক্রেস্ট, মেডেল, প্রি-মাস্টার হেলথ চেকআপ প্যাকেজ, উডেন কিচেন ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে আব্দুন নূর সজলের মা কানিজ ফাতেমা, সুমাইয়া শিমুর মা লায়লা রহমান ও কণার মা লুৎফুন্নাহার লুৎফা এই সম্মাননা পেয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত।
সজল, শিমু ও কণা বলেন, ‘গরবিনী মা সম্মাননায় ভূষিত হয়ে আমাদের মায়েরা সত্যিই ভীষণ গর্বিত। বিশ্ব মা দিবসে এমন চমৎকার আয়োজনের মাধ্যমে মায়েদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়ার মুহূর্তটুকু আজীবন মনে থাকবে। আমাদের কর্মকে বিবেচনায় রেখে আমাদের মায়েদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দিতে পেরে ভীষণ গর্ববোধ করছি। ধন্যবাদ ড. আশীষ কুমার চক্রবর্তী দাদাকে আমাদের মায়েদের সম্মানিত করার জন্য।’
/আবরার জাহিন