বলিউডের নবাব হিসেবে পরিচিত অভিনেতা সাইফ আলি খান। ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম ধনাঢ্য তারকাও তিনি। কারণ ভারতের নবাব পতৌদির বংশধর তারা। কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল, তাদের ১২০০ কোটি রুপি মূল্যের পৈতৃক বাড়ি ‘পতৌদি প্যালেস’ বিক্রি হতে চলেছে। এই সম্পত্তির মালিকানায় সাইফ ছাড়াও তার দুই বোন সাবা আলি খান ও সোহা আলি খানও রয়েছে। তবে ভাইয়ের তুলনায় দুই বোন খুব কম সম্পত্তিই পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সাইফের বোন সোহা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাতৌদি প্যালেসে দুই কামরার একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এই অংশ আগে ‘জেনারেটর রুম’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেটিই নাকি সোহার ভাগে রয়েছে।
কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, “আগে যেটা ‘জেনারেটর রুম’ ছিল, সেটাই আমার ভাগে। সৌভাগ্যবশত, খুব কম সময়ের জন্য সেখানে একটি হোটেল ছিল, সেই হোটেল কর্তৃপক্ষ আমাদের পাতৌদি প্যালেসের দেখভাল করতেন। আমার বাবা-মা সেই জেনারেটর রুমে থাকতে শুরু করেছিলেন তখন। আমার কিন্তু মনে হয়, এই সম্পত্তি বেশ ভালোই। এখন তো এটা আমার।”
সাইফের ভাগে এতবেশি পরিমাণ সম্পত্তি কেন? সে তুলনায় বোনেরা এত কম কেন পেলেন এমন প্রশ্নে সোহার জবাব, “মাথার মুকুট বা সিংহাসন, কোনোটাই আমার জীবনে প্রাসঙ্গিক নয়। আমাকে কখনও কিছু বলে দেওয়া হয়নি। বাড়ির ছেলে আগে দুধ খাবে, আর মেয়ে খাবার পরিবেশন করবে- এমন মানসিকতা আমাদের কারও ছিল না কখনও। আমাকে এও কখনও বলা হয়নি যে, বাইরে যেও না, কালো হয়ে যাবে। অথবা মেয়ে হয়ে কী করা যাবে, কী করা যাবে না- এসব কিছুই আমাকে বলা হয়নি কখনও।”
বাবা মনসুর আলী খান পাতৌদিকে নিয়ে সোহা আরও বলেন, “আমার বাবা খুব সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের। তার ভাবনাচিন্তা বরাবর প্রগতিশীল।”
উল্লেখ্য, বর্তমানে পাতৌদি হাউজের একমাত্র মালিক সাইফ আলি খান। এই বাড়ির একটি অংশ নতুন করে নিজের মতো করে গড়ে নিয়েছেন তিনি। পতৌদি বংশের পূর্বপুরুষদের অর্জিত নানা জিনিস এখানে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানা গেছে। এমনকি এই প্যালেসটি সিনেমার শুটিংয়ের জন্যও ভাড়া দেয়া হয়।
/এমএস